• ই-পেপার

একাদশ শ্রেণির ভর্তি নীতিমালা চূড়ান্ত হচ্ছে মঙ্গলবার

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে মনিটরিংয়ের আওতায় আনতে হবে : শিক্ষামন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে মনিটরিংয়ের আওতায় আনতে হবে : শিক্ষামন্ত্রী
ছবি : কালের কণ্ঠ

শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, ‘দেশের শিক্ষার মানোন্নয়নে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে কার্যকর মনিটরিংয়ের আওতায় আনতে হবে।’ 

সোমবার (৬ জুলাই) রাজধানীর জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমি (নায়েম)-এ ২১০তম বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘প্রতিটি শ্রেণিকক্ষে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হলে পাঠদান কার্যক্রম নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হবে। একই সঙ্গে একটি কেন্দ্রীয় মনিটরিং সেল গড়ে তুলতে হবে, যেখান থেকে প্রয়োজন অনুযায়ী বিভিন্ন শ্রেণিকক্ষের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করা যাবে।’

তিনি বলেন, ‘দেশের অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের টয়লেট এখনো অস্বাস্থ্যকর ও অপরিচ্ছন্ন। এ কারণে অনেক শিক্ষক-শিক্ষার্থী সেগুলো ব্যবহার করতে চান না। তাই দেশের শতভাগ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের টয়লেট পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যসম্মত রাখতে হবে। এ ক্ষেত্রে কোনো অবহেলা করা যাবে না।’

এ সময় শিক্ষার মানোন্নয়নে শিক্ষকদের ভূমিকায় ড. এহছানুল হক মিলন বলেন, ‘শিক্ষকদের মর্যাদা বৃদ্ধি জরুরি। শিক্ষা কাঠামো এমনভাবে গড়ে তুলতে হবে, যাতে মেধাবীরা শিক্ষকতা পেশায় আসতে আগ্রহী হন।’

নায়েমের মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. ওয়াসীম মো. মেজবাহুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. শাহজাহান মিয়া এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. খান মঈনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

মাদরাসা শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ বাধ্যতামূলক, অংশ না নিলে কঠোর ব্যবস্থা

অনলাইন ডেস্ক
মাদরাসা শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ বাধ্যতামূলক, অংশ না নিলে কঠোর ব্যবস্থা
সংগৃহীত ছবি

মাদরাসা শিক্ষকদের দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষে আয়োজিত বিভিন্ন প্রশিক্ষণে অংশ নেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। প্রশিক্ষণের জন্য মনোনীত শিক্ষক এতে অংশ না নিলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়। সোমবার (৬ জুলাই) মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়েছে, মাদরাসা শিক্ষকদের দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিভিন্ন সময়ে বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষক প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (বিএমটিটিআই) ও সরকারের শিক্ষা সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়ে থাকে। এসব প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণের জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে তালিকা প্রস্তুতপূর্বক প্রশিক্ষণার্থী মনোনয়ন দেওয়া হয়ে থাকে।

এতে আরো বলা হয়, প্রশিক্ষণে যেসব শিক্ষকদের মনোনয়ন দেওয়া হবে, তাদেরকে আবশ্যিকভাবে এই প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করতে হবে। এর ব্যত্যয় ঘটলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষক ও মাদরাসা প্রধানের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আইনি মতামতের ভিত্তিতে কুবিতে ৫ অনুষদে ডিন নিয়োগ

কুবি প্রতিনিধি
আইনি মতামতের ভিত্তিতে কুবিতে ৫ অনুষদে ডিন নিয়োগ
ছবি : কালের কণ্ঠ

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) পাঁচটি অনুষদে স্থায়ীভাবে ৫ জন ডিন নিয়োগ করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন, কমিটির রিপোর্ট এবং দায়েরকৃত সিভিল পিটিশনের উপর আইন উপদেষ্টার মতামতের ভিত্তিতে উপাচার্য কর্তৃক এই নিয়োগ প্রদান করা হয়েছে।

সোমবার (৬ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মোহাম্মদ নুরুল করিম চৌধুরী স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশ থেকে এই তথ্য জানা যায়।

ডিন হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্তরা হলেন বিজ্ঞান অনুষদে পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. সজল চন্দ্র মজুমদার, কলা ও মানবিক অনুষদে বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শামসুজ্জামান মিলকী, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদে লোক প্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রেজাউল করিম, প্রকৌশল অনুষদে সিএসই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মাহমুদুল হাছান এবং ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদে ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. এমদাদুল হক।

নিয়োগসংক্রান্ত অফিস আদেশে বলা হয়েছে, ১০৯ এবং ১১০তম সিন্ডিকেট সভায় গৃহীত সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় আইন-২০০৬-এর ধারা ২২, ডিন নিয়োগের বিষয়ে গঠিত কমিটির রিপোর্ট এবং ডিন নিয়োগের বিষয়ে রিট পিটিশন নং-৩০৪৫ অব ২০২০ এবং পরবর্তীতে ‘সিভিল পিটিশন ফর লিভ টু অ্যাপিল’ নং ৯৩৭ অব ২০২০-এর ওপর আইন উপদেষ্টার পরামর্শ বিবেচনায় উপাচার্য ডিন নিয়োগের নির্দেশ প্রদান করেছেন।

প্রশাসন থেকে জানানো হয়, এবারের ডিন নিয়োগে বিভাগের পালাক্রম অনুসরণ করা হয়েছে। তবে পূর্বে প্রশাসন কর্তৃক বিভিন্ন অনুষদে একাধিকবার বিভাগের পালাক্রমে ব্যত্যয় ঘটানোর ঘটনা ঘটায়, সেগুলোকে আমলে নিয়ে যে বিভাগ থেকে ব্যত্যয় ঘটেছে সেই বিভাগ থেকেই শুরু করা হয়েছে এবারের ডিন নিয়োগের কার্যক্রম।

এক্ষেত্রে আরো জানায়, বিভাগের পালাক্রমে যে বিভাগ এসেছে, সেখানে আবার শিক্ষকদের মধ্য হতে জ্যৈষ্ঠতার ভিত্তিতে ডিন নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তবে জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে হলেও উক্ত বিভাগে পূর্বে ডিন হিসেবে দায়িত্ব পালন করলে কিংবা কেউ আইনি জটিলতায় থাকলে তাদের পরবর্তীজনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের দাবি, সকল কিছু বিবেচনায় নিয়েই ডিন নিয়োগ করা হয়েছে, যাতে কোনপ্রকার বিতর্কের জন্ম না হয়।

সদ্য ডিন নিয়োগের আদেশের আগে গত ২০ মে এক অফিস আদেশের মাধ্যমে দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়ে বিজ্ঞান অনুষদে রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সৈয়দুর রহমান, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদে অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. জাকির ছায়াদউল্লাহ খান, প্রকৌশল অনুষদে আইসিটি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. তোফায়েল আহমেদ এবং ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদে মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন সরকার, কলা ও মানবিক অনুষদে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. এম. শরীফুল করীম ডিনের প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। সেই অফিস আদেশে বলা হয়েছিল, আইন উপদেষ্টার মতামত না আসা পর্যন্ত তারা প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

নতুন ডিন নিয়োগ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মোহাম্মদ নুরুল করিম চৌধুরী বলেন, পূর্বে ডিন নিয়োগে একাধিকবার নিয়মের ব্যত্যয় ঘটেছে। সেসব ব্যত্যয় আমলে নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন, দায়েরকৃত পিটিশন, আইন উপদেষ্টার মতামত, কমিটির রিপোর্টসহ সবকিছু বিবেচনায় নিয়ে ডিন নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

কর্মকর্তাদের নাম-ছবি ব্যবহার করে অর্থ দাবি, মাউশির জরুরি সতর্কবার্তা

অনলাইন ডেস্ক
কর্মকর্তাদের নাম-ছবি ব্যবহার করে অর্থ দাবি, মাউশির জরুরি সতর্কবার্তা

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) এবং এর আওতাধীন বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাদের নাম ও ছবি ব্যবহার করে একটি প্রতারকচক্র বদলি, নিয়োগ, পদোন্নতি ও প্রশিক্ষণের প্রলোভন দেখিয়ে অর্থ দাবি করছে। এ পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছে মাউশি।

আজ সোমবার (৬ জুলাই) মাউশির এক সতর্কীকরণ বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সম্প্রতি লক্ষ করা যাচ্ছে, বিভিন্ন প্রতারকচক্র মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর ও এর আওতাধীন বিভিন্ন দপ্তর বা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত কর্মকর্তাদের নাম ব্যবহার করে পদোন্নতি, নিয়োগ, প্রশিক্ষণ ও বদলিসহ বিভিন্ন কাজ করিয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে অর্থ দাবি করছে।

কোনো কোনো ক্ষেত্রে এ অসাধু চক্রটি কর্মকর্তাদের ছবি ব্যবহার করে হোয়াটসঅ্যাপে কল বা মেসেজের মাধ্যমেও অর্থ দাবি করছে বলে বিভিন্ন সূত্রে তথ্য পাওয়া যাচ্ছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, মাউশির আওতাধীন কোনো কর্মকর্তা বা অন্য কোনো পরিচয় দিয়ে কাজ করিয়ে দেওয়ার নামে কেউ যদি অর্থ দাবি করে, তবে সঙ্গে সঙ্গে ওই প্রতারকের ফোন নম্বর নিকটস্থ থানায় অবহিত করতে হবে। একই সঙ্গে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়াসহ এই বিষয়ে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার জন্য মাঠ পর্যায়ের সংশ্লিষ্ট সকলকে নির্দেশ দিয়েছে মাউশি।