• ই-পেপার

অধিভুক্ত সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষ নির্দেশনা

ষষ্ঠ শ্রেণি থেকেই বাধ্যতামূলক হচ্ছে কারিগরি শিক্ষা : শিক্ষামন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
ষষ্ঠ শ্রেণি থেকেই বাধ্যতামূলক হচ্ছে কারিগরি শিক্ষা : শিক্ষামন্ত্রী
শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। ফাইল ছবি

ষষ্ঠ শ্রেণি থেকেই কারিগরি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, আমাদের শিক্ষার্থীদের এমনভাবে গড়ে তুলতে হবে, যাতে তারা বিশ্ব নেতৃত্ব দিতে পারে। আর সেভাবেই সরকার শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলছে। কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষায় গুরুত্ব দিচ্ছে। ষষ্ঠ শ্রেণি থেকেই পাঠ্যবইয়ে বাধ্যতামূলক হচ্ছে কারিগরি শিক্ষা। 

শুক্রবার সকালে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে রোটারি বাংলাদেশ আয়োজিত ‘লিডার্স ট্রেনিং সেমিনার’ অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, পাবলিক পরীক্ষা আইন পাস হওয়ায় এখন থেকে ডিজিটাল নকলের সাজা দেওয়া হবে। সবাইকে উচ্চ শিক্ষা দিয়ে বেকারত্বের কারখানা তৈরি করা যাবে না বলেও উল্লেখ করেন শিক্ষামন্ত্রী।  

বিদেশে কর্মদক্ষতা বাড়াতে ইংরেজি শিক্ষায় গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান রুমিন ফারহানার

অনলাইন ডেস্ক
বিদেশে কর্মদক্ষতা বাড়াতে ইংরেজি শিক্ষায় গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান রুমিন ফারহানার
সংগৃহীত ছবি

বিদেশে বাংলাদেশিদের কর্মদক্ষতা বাড়াতে আগে ইংরেজি শিক্ষায় গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচিত সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা। তিনি বলেছেন, মেন্ডারিন কিংবা জার্মানি শেখার আগে অন্তত ইংরেজি ভাষায় বেসিক পড়তে পারা, বলতে পারা, লিখতে পারার শিক্ষাটা আমাদের ছেলে-মেয়েদের দিলে বিদেশের বাজারে যথেষ্ট ভালো দক্ষতার সঙ্গে কাজ করতে পারবে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) জাতীয় সংসদে প্রস্তাবিত ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে এ কথা বলেন তিনি।

তিনি প্রাথমিক শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুলে বলেন, কেন প্রাথমিক পাস করা একজন শিক্ষার্থী সঠিকভাবে রিডিং পড়তে পারে না এবং জিপিএ ৫ পাওয়া একজন শিক্ষার্থী ইংরেজিতে শুদ্ধ বাক্য গঠন করতে পারে না। 

প্রস্তাবিত বাজেটের রাজস্ব আহরণ, ঋণনির্ভরতা, বিনিয়োগ পরিস্থিতি, ব্যাংক খাতের দুর্বলতা এবং শিক্ষা-স্বাস্থ্য খাতে কম বরাদ্দ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। 
 

ডিনস অ্যাওয়ার্ড পাচ্ছেন নোবিপ্রবির ২৩ শিক্ষার্থী ও ১৩ শিক্ষক

নোবিপ্রবি প্রতিনিধি
ডিনস অ্যাওয়ার্ড পাচ্ছেন নোবিপ্রবির ২৩ শিক্ষার্থী ও ১৩ শিক্ষক
সংগৃহীত ছবি

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) ডিনস অ্যাওয়ার্ড ২০২৬-এর জন্য ২৩ জন শিক্ষার্থী ও ১৩ জন শিক্ষককে মনোনীত করা হয়েছে। আগামী ২২ জুন বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের অনুষ্ঠানে তাদের হাতে এ সম্মাননা তুলে দেওয়া হবে। 

বুধবার (১৭ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের রিসার্চ সেল অ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্তদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ করেছে।

প্রকাশিত তালিকা অনুযায়ী, দুই শিক্ষাবর্ষের ৭টি অনুষদ থেকে ২৩ জন শিক্ষার্থী এবং ৫টি অনুষদ থেকে ১৩ জন শিক্ষক এ সম্মাননার জন্য নির্বাচিত হয়েছেন। প্রতিবছর অনুষদভিত্তিক একাডেমিক কৃতিত্ব, গবেষণা কার্যক্রম ও প্রকাশনার ভিত্তিতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের এ পুরস্কার প্রদান করা হয়।

শিক্ষার্থী ক্যাটাগরিতে ২০১৯-২০২০ শিক্ষাবর্ষে প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদ থেকে ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগের নাহিন সুলতানা লিজা, ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং (আইসিই) বিভাগের নিলয় দাস এবং কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড টেলিকমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসটিই) বিভাগের মনীষা মজুমদার মনোনীত হয়েছেন।

একই শিক্ষাবর্ষে বিজনেস স্টাডিজ অনুষদ থেকে ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের নাফিসা জান্নাতুল মাওয়া, ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের সাদিউল আলম চৌধুরী এবং ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের এমরান হোসাইন নির্বাচিত হয়েছেন।

জীববিজ্ঞান অনুষদ থেকে অণুজীববিজ্ঞান বিভাগের মো. রকিবুল হাসান, ফার্মেসি বিভাগের ফজলে রাব্বী শুভ এবং বায়োকেমিস্ট্রি অ্যান্ড মলিকিউলার বায়োলজি বিভাগের সুকন্যা সাহা এ সম্মাননা পেয়েছেন। আইন অনুষদ থেকে আইন বিভাগের মো. মুবদি ইসলাম এবং বিজ্ঞান অনুষদ থেকে পরিসংখ্যান বিভাগের ইশরাত জাহান, সমুদ্রবিজ্ঞান বিভাগের মনিকা ধর ও অ্যাপ্লাইড ম্যাথমেটিকস বিভাগের সাবরিনা সুলতানা রিচি মনোনীত হয়েছেন।

কলা ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ থেকে ইনফরমেশন সায়েন্স অ্যান্ড লাইব্রেরি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের ইশরাত জাহান ইভা, সমাজকর্ম বিভাগের সাদিয়া সুলতানা এবং অর্থনীতি বিভাগের মোসাম্মৎ কামরুন নাহার নির্বাচিত হয়েছেন।

অন্যদিকে ২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষে শিক্ষাবিজ্ঞান অনুষদ থেকে এডুকেশন বিভাগের রাহনুমা নূরাইন ও এডুকেশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন বিভাগের হাফসা আক্তার এবং বিজনেস স্টাডিজ অনুষদ থেকে ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের মারিয়া তাবাসসুম, ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের আয়েশা সিদ্দিকা ও ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের ডালিয়া রানী শর্মা ডিনস অ্যাওয়ার্ডের জন্য মনোনীত হয়েছেন।

শিক্ষক ক্যাটাগরিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশল ও প্রযুক্তি, বিজ্ঞান, কলা ও সামাজিক বিজ্ঞান, ব্যবসায় শিক্ষা এবং জীববিজ্ঞান অনুষদের ১৩ জন শিক্ষককে বিভিন্ন গবেষণাভিত্তিক ক্যাটাগরিতে মনোনীত করা হয়েছে।

মনোনীত শিক্ষকরা হলেন– প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদে ড. অপূর্ব অধিকারী, ড. এস এম সোহেল রানা, প্রফেসর ড. মো. আশরাফুল আলম, ড. মোহাম্মদ আব্দুল মোমিন সিদ্দিকী, জাকিউল ইসলাম, নিগার সুলতানা, মো. আতীকুজ্জামান,  প্রফেসর ড. আব্দুল কাইয়ুম মাসুদ, মো. শাহরিয়ারে সেতু, তানভীর আহমেদ, ড. তৌহিদ হাসান, ড. শিপন দাশগুপ্ত ও ড. শ্যামল কুমার পাল।    

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানিয়েছে, গবেষণা, প্রকাশনা এবং একাডেমিক উৎকর্ষতায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে প্রতিবছর ডিনস অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়। এর মাধ্যমে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের গবেষণা ও শিক্ষাক্ষেত্রে আরো উৎসাহিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

যেসব প্রাথমিক শিক্ষকদের বিরুদ্ধে নেওয়া হচ্ছে বিভাগীয় ব্যবস্থা

অনলাইন ডেস্ক
যেসব প্রাথমিক শিক্ষকদের বিরুদ্ধে নেওয়া হচ্ছে বিভাগীয় ব্যবস্থা
সংগৃহীত ছবি

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরকার, সরকারি প্রতিষ্ঠান ও সরকারি সিদ্ধান্ত সম্পর্কে কটূক্তি, অপপ্রচার এবং আপত্তিকর পোস্টের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই)।

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের যেসব শিক্ষক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করছেন, তাদের চিহ্নিত করে জরুরি ভিত্তিতে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের প্রশাসন শাখা থেকে গতকাল (বৃহস্পতিবার) জারি করা এক নির্দেশনায় এ তথ্য জানানো হয়।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, সরকারি প্রতিষ্ঠানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের ক্ষেত্রে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ প্রণীত ‘সরকারি প্রতিষ্ঠানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার নির্দেশিকা-২০১৯ (পরিমার্জিত সংস্করণ)’ অনুসরণ করা সকল সরকারি কর্মচারীর জন্য বাধ্যতামূলক।

অধিদপ্তর জানিয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কিছু শিক্ষক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এমন পোস্ট ও মন্তব্য করছেন, যা নির্দেশিকার পরিপন্থী।

এসব পোস্টের মাধ্যমে প্রাথমিক শিক্ষাব্যবস্থা, সরকারি প্রতিষ্ঠান এবং সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে মনে করছে কর্তৃপক্ষ।

নির্দেশনায় আরো উল্লেখ করা হয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরকার, সরকারি দপ্তর কিংবা সরকারি সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কটূক্তি, অপপ্রচার, বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার বা আপত্তিকর পোস্ট দেওয়া এবং সেসব পোস্ট শেয়ার করাও সরকারি চাকরির আচরণবিধির লঙ্ঘন।

এ ধরনের কর্মকাণ্ডকে ‘সরকারি কর্মচারী শৃঙ্খলা ও আপিল বিধিমালা, ২০১৮’ অনুযায়ী অসদাচরণ হিসেবে গণ্য করা হবে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনার আলোকে বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণের জন্য গঠিত মনিটরিং কমিটিগুলোকে আরো সক্রিয় হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এসব কমিটিকে প্রতি মাসে অন্তত একটি সভা করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শিক্ষকদের কার্যক্রম পর্যালোচনা এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের কথা স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়েছে।

অধিদপ্তরের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যেসব শিক্ষক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে বিভিন্ন ধরনের কটূক্তি, অপপ্রচার এবং সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করছেন, তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

একই সঙ্গে গৃহীত ব্যবস্থার বিস্তারিত প্রতিবেদন অধিদপ্তরে পাঠানোর জন্য বিভাগীয় উপপরিচালক, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এবং উপজেলা বা থানা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের অনুরোধ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) মাহবুবা আইরিন স্বাক্ষরিত একটি চিঠি দেশের সব বিভাগীয় উপ-পরিচালক, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, পিটিআই সুপারিনটেনডেন্ট এবং উপজেলা ও থানা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরকারি কর্মচারীদের দায়িত্বশীল আচরণ নিশ্চিত করা এবং সরকারি প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি রক্ষার লক্ষ্যে এ নির্দেশনা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

একই সঙ্গে সরকারি কর্মচারীদের জন্য বিদ্যমান আচরণবিধি ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের নীতিমালা কঠোরভাবে অনুসরণের বিষয়টি আবারও গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরা হয়েছে।