• ই-পেপার

জাকসুর ব্যানারে সেমিনার, আপত্তি ভিপির

ডিনস অ্যাওয়ার্ড পাচ্ছেন নোবিপ্রবির ২৩ শিক্ষার্থী ও ১৩ শিক্ষক

নোবিপ্রবি প্রতিনিধি
ডিনস অ্যাওয়ার্ড পাচ্ছেন নোবিপ্রবির ২৩ শিক্ষার্থী ও ১৩ শিক্ষক
সংগৃহীত ছবি

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) ডিনস অ্যাওয়ার্ড-২০২৬ এর জন্য ২৩ জন শিক্ষার্থী ও ১৩ জন শিক্ষককে মনোনীত করা হয়েছে। আগামী ২২ জুন বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের অনুষ্ঠানে তাদের হাতে এ সম্মাননা তুলে দেওয়া হবে। 

বুধবার (১৭ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের রিসার্চ সেল অ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্তদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ করেছে।

প্রকাশিত তালিকা অনুযায়ী, দুই শিক্ষাবর্ষের ৭টি অনুষদ থেকে ২৩ জন শিক্ষার্থী এবং ৫টি অনুষদ থেকে ১৩ জন শিক্ষক এ সম্মাননার জন্য নির্বাচিত হয়েছেন। প্রতিবছর অনুষদভিত্তিক একাডেমিক কৃতিত্ব, গবেষণা কার্যক্রম ও প্রকাশনার ভিত্তিতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের এ পুরস্কার প্রদান করা হয়।

শিক্ষার্থী ক্যাটাগরিতে ২০১৯-২০২০ শিক্ষাবর্ষে প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদ থেকে ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগের নাহিন সুলতানা লিজা, ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং (আইসিই) বিভাগের নিলয় দাস এবং কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড টেলিকমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসটিই) বিভাগের মনীষা মজুমদার মনোনীত হয়েছেন।

একই শিক্ষাবর্ষে বিজনেস স্টাডিজ অনুষদ থেকে ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের নাফিসা জান্নাতুল মাওয়া, ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের সাদিউল আলম চৌধুরী এবং ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের এমরান হোসাইন নির্বাচিত হয়েছেন।

জীববিজ্ঞান অনুষদ থেকে অণুজীববিজ্ঞান বিভাগের মো. রকিবুল হাসান, ফার্মেসি বিভাগের ফজলে রাব্বী শুভ এবং বায়োকেমিস্ট্রি অ্যান্ড মলিকিউলার বায়োলজি বিভাগের সুকন্যা সাহা এ সম্মাননা পেয়েছেন। আইন অনুষদ থেকে আইন বিভাগের মো. মুবদি ইসলাম এবং বিজ্ঞান অনুষদ থেকে পরিসংখ্যান বিভাগের ইশরাত জাহান, সমুদ্রবিজ্ঞান বিভাগের মনিকা ধর ও অ্যাপ্লাইড ম্যাথমেটিক্স বিভাগের সাবরিনা সুলতানা রিচি মনোনীত হয়েছেন।

কলা ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ থেকে ইনফরমেশন সায়েন্স অ্যান্ড লাইব্রেরি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের ইশরাত জাহান ইভা, সমাজকর্ম বিভাগের সাদিয়া সুলতানা এবং অর্থনীতি বিভাগের মোসাম্মৎ কামরুন নাহার নির্বাচিত হয়েছেন।

অন্যদিকে ২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষে শিক্ষা বিজ্ঞান অনুষদ থেকে এডুকেশন বিভাগের রাহনুমা নূরাইন ও এডুকেশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন বিভাগের হাফসা আক্তার এবং বিজনেস স্টাডিজ অনুষদ থেকে ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের মারিয়া তাবাসসুম, ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের আয়েশা সিদ্দিকা ও ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের ডালিয়া রানী শর্মা ডিন’স অ্যাওয়ার্ডের জন্য মনোনীত হয়েছেন।

শিক্ষক ক্যাটাগরিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশল ও প্রযুক্তি, বিজ্ঞান, কলা ও সামাজিক বিজ্ঞান, ব্যবসায় শিক্ষা এবং জীববিজ্ঞান অনুষদের ১৩ জন শিক্ষককে বিভিন্ন গবেষণাভিত্তিক ক্যাটাগরিতে মনোনীত করা হয়েছে। 

মনোনীত শিক্ষকরা হলেন– প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদে ড. অপূর্ব অধিকারী, ড. এস. এম. সোহেল রানা, প্রফেসর ড. মো. আশরাফুল আলম, ড. মোহাম্মদ আব্দুল মোমিন সিদ্দিকী, জাকিউল ইসলাম,  নিগার সুলতানা, মো. আতীকুজ্জামান,  প্রফেসর ড. আব্দুল কাইয়ুম মাসুদ, মো. শাহরিয়ারে সেতু, তানভীর আহমেদ, ড. তৌহিদ হাসান, ড. শিপন দাস গুপ্ত ও ড. শ্যামল কুমার পাল।    

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানিয়েছে, গবেষণা, প্রকাশনা এবং একাডেমিক উৎকর্ষতায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে প্রতিবছর ডিন’স অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়। এর মাধ্যমে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের গবেষণা ও শিক্ষাক্ষেত্রে আরও উৎসাহিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

যেসব প্রাথমিক শিক্ষকদের বিরুদ্ধে নেওয়া হচ্ছে বিভাগীয় ব্যবস্থা

অনলাইন ডেস্ক
যেসব প্রাথমিক শিক্ষকদের বিরুদ্ধে নেওয়া হচ্ছে বিভাগীয় ব্যবস্থা
সংগৃহীত ছবি

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরকার, সরকারি প্রতিষ্ঠান ও সরকারি সিদ্ধান্ত সম্পর্কে কটূক্তি, অপপ্রচার এবং আপত্তিকর পোস্টের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই)।

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের যেসব শিক্ষক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করছেন, তাদের চিহ্নিত করে জরুরি ভিত্তিতে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের প্রশাসন শাখা থেকে গতকাল (বৃহস্পতিবার) জারি করা এক নির্দেশনায় এ তথ্য জানানো হয়।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, সরকারি প্রতিষ্ঠানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের ক্ষেত্রে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ প্রণীত ‘সরকারি প্রতিষ্ঠানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার নির্দেশিকা-২০১৯ (পরিমার্জিত সংস্করণ)’ অনুসরণ করা সকল সরকারি কর্মচারীর জন্য বাধ্যতামূলক।

অধিদপ্তর জানিয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কিছু শিক্ষক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এমন পোস্ট ও মন্তব্য করছেন, যা নির্দেশিকার পরিপন্থী।

এসব পোস্টের মাধ্যমে প্রাথমিক শিক্ষাব্যবস্থা, সরকারি প্রতিষ্ঠান এবং সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে মনে করছে কর্তৃপক্ষ।

নির্দেশনায় আরো উল্লেখ করা হয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরকার, সরকারি দপ্তর কিংবা সরকারি সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কটূক্তি, অপপ্রচার, বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার বা আপত্তিকর পোস্ট দেওয়া এবং সেসব পোস্ট শেয়ার করাও সরকারি চাকরির আচরণবিধির লঙ্ঘন।

এ ধরনের কর্মকাণ্ডকে ‘সরকারি কর্মচারী শৃঙ্খলা ও আপিল বিধিমালা, ২০১৮’ অনুযায়ী অসদাচরণ হিসেবে গণ্য করা হবে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনার আলোকে বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণের জন্য গঠিত মনিটরিং কমিটিগুলোকে আরো সক্রিয় হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এসব কমিটিকে প্রতি মাসে অন্তত একটি সভা করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শিক্ষকদের কার্যক্রম পর্যালোচনা এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের কথা স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়েছে।

অধিদপ্তরের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যেসব শিক্ষক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে বিভিন্ন ধরনের কটূক্তি, অপপ্রচার এবং সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করছেন, তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

একই সঙ্গে গৃহীত ব্যবস্থার বিস্তারিত প্রতিবেদন অধিদপ্তরে পাঠানোর জন্য বিভাগীয় উপপরিচালক, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এবং উপজেলা বা থানা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের অনুরোধ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) মাহবুবা আইরিন স্বাক্ষরিত একটি চিঠি দেশের সব বিভাগীয় উপ-পরিচালক, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, পিটিআই সুপারিনটেনডেন্ট এবং উপজেলা ও থানা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরকারি কর্মচারীদের দায়িত্বশীল আচরণ নিশ্চিত করা এবং সরকারি প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি রক্ষার লক্ষ্যে এ নির্দেশনা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

একই সঙ্গে সরকারি কর্মচারীদের জন্য বিদ্যমান আচরণবিধি ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের নীতিমালা কঠোরভাবে অনুসরণের বিষয়টি আবারও গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরা হয়েছে।

ঢাবি ও ইস্তাম্বুল বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে সমঝোতা স্মারক হচ্ছে

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
ঢাবি ও ইস্তাম্বুল বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে সমঝোতা স্মারক হচ্ছে
সংগৃহীত ছবি

একাডেমিক ও বৈজ্ঞানিক ক্ষেত্রে যৌথ কার্যক্রম ও গবেষণা প্রকল্প গ্রহণের লক্ষ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও তুরস্কের ইস্তাম্বুল বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে শিগগিরই একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হবে।

সম্প্রতি তুরস্ক সফরকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম ইস্তাম্বুল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেক্টরের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের ব্যাপারে ঐকমত্যে পৌঁছেন।

বৈঠকে দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে চলমান যৌথ সহযোগিতামূলক শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রম আরো গতিশীল করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। সমঝোতা স্মারকের আওতায় বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও উদ্ভাবন বিষয়ে যৌথ ডিপ্লোমা প্রোগ্রাম ও সার্টিফিকেট কোর্স চালু করা হবে। পাশাপাশি উভয় বিশ্ববিদ্যালয় একাডেমিক প্রকাশনা ও তথ্য-উপাত্ত বিনিময় করবে।

উল্লেখ্য, আধুনিক তুরস্কের প্রথম বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে ইস্তাম্বুল বিশ্ববিদ্যালয় ১৪৫৩ সালে সুলতান দ্বিতীয় মুহাম্মদ কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত হয়।

সাত মাসেও শেষ হয়নি নোবিপ্রবি ছাত্রদল আয়োজিত ফুটসাল টুর্নামেন্ট

নোবিপ্রবি প্রতিনিধি
সাত মাসেও শেষ হয়নি নোবিপ্রবি ছাত্রদল আয়োজিত ফুটসাল টুর্নামেন্ট
সংগৃহীত ছবি

বিজয় দিবস উপলক্ষে জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজন, আকর্ষণীয় পুরস্কার এবং শিক্ষার্থীদের ব্যাপক অংশগ্রহণের প্রত্যাশা নিয়ে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) ছাত্রদল আয়োজিত আন্তঃবিভাগ ফুটসাল টুর্নামেন্ট শুরু হয়েছিল। তবে টুর্নামেন্ট শুরুর প্রায় সাত মাস পেরিয়ে গেলেও এখনো অনুষ্ঠিত হয়নি সেমিফাইনাল ও ফাইনাল ম্যাচ। এতে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।

২০২৫ সালের নভেম্বরে প্রকাশিত টুর্নামেন্টের প্রচারপত্রে চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপ দলের জন্য যথাক্রমে ১৫ হাজার ও ১০ হাজার টাকা পুরস্কার ঘোষণা করা হয়। ওই বছরের ৮ ডিসেম্বর টুর্নামেন্টটি শুরুর কথা থাকলেও শুরু হয় ১০ ডিসেম্বরে। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ে টুর্নামেন্টের প্রাথমিক পর্বের খেলা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর, ঈদুল ফিতরের বন্ধ শেষে ২য় পর্বের খেলাও অনুষ্ঠিত হয়। 

তবে বিজয় দিবস উপলক্ষে আয়োজন করা হলেও ডিসেম্বরের মধ্যেই টুর্নামেন্ট শেষ করা সম্ভব হয়নি। পরবর্তীতে ৩০ ডিসেম্বর বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পর ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে টুর্নামেন্টটির নাম পরিবর্তন করে ‘দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট’ রাখা হয়।

আয়োজক সূত্র জানায়, টুর্নামেন্টের সেমিফাইনালে উঠেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্ট্যাটিস্টিকস, বায়োকেমিস্ট্রি অ্যান্ড মলিকিউলার বায়োলজি, ফিজিক্স এবং ফিশারিজ অ্যান্ড মেরিন সায়েন্স বিভাগ। তবে এখনো সেমিফাইনাল ও ফাইনালের সূচি ঘোষণা করা হয়নি।

টুর্নামেন্ট দীর্ঘায়িত হওয়ার কারণ জানতে চাইলে নোবিপ্রবি ছাত্রদলের ক্রীড়া সম্পাদক শেখ আবরার নাসিফ বলেন, ‘টুর্নামেন্ট শুরুর পর জাতীয় পর্যায়ে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ঘটে। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুবরণ, জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচনকেন্দ্রিক ব্যস্ততা এবং পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তঃবিভাগীয় প্রতিযোগিতা থাকায় আমরা কেন্দ্রীয় মাঠে খেলার আয়োজন করতে পারিনি।’

তিনি বলেন, ‘আগামী ২২ জুন বিশ্ববিদ্যালয় দিবস রয়েছে। এ কারণে এখনো খেলা আয়োজন করা সম্ভব হচ্ছে না। দিবসের পর একটি কনসার্ট আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। সেই আয়োজনের মাধ্যমেই আমরা সেমিফাইনাল ও ফাইনাল সম্পন্ন করতে চাই।’

এ বিষয়ে নোবিপ্রবি ছাত্রদলের সভাপতি জাহিদ হাসান বলেন, ‘টুর্নামেন্ট শুরুর পর জাতীয় পর্যায়ে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি ও রাজনৈতিক ব্যস্ততা তৈরি হয়। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুবরণ, দেশনেতা তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তন এবং জাতীয় নির্বাচনকে ঘিরে নানা কার্যক্রম ছিল। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উপলক্ষে আমাদের বড় পরিসরের কর্মসূচিও রয়েছে। এসব কারণে কিছুটা বিলম্ব হয়েছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের ১৫ দিনের মধ্যেই আমরা সেমিফাইনাল ও ফাইনাল ম্যাচ একটি বড় কনসার্ট আয়োজনের মাধ্যমে টুর্নামেন্ট শেষ করার পরিকল্পনা নিয়েছি।’

তবে দীর্ঘ সময় ধরে টুর্নামেন্ট ঝুলে থাকায় অংশগ্রহণকারী কয়েকজন শিক্ষার্থী হতাশা প্রকাশ করেছেন। তাঁদের ভাষ্য, প্রতিযোগিতার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে এবং অংশগ্রহণকারী দলগুলোর আগ্রহ ধরে রাখতে দ্রুত টুর্নামেন্ট শেষ করা প্রয়োজন।

জাকসুর ব্যানারে সেমিনার, আপত্তি ভিপির | কালের কণ্ঠ