• ই-পেপার

রংপুর মেডিক্যাল কলেজ ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ ঘোষণা

এইচএসসি পরীক্ষা নিয়ে ‘অত্যন্ত জরুরি’ নির্দেশনা বোর্ডের

অনলাইন ডেস্ক
এইচএসসি পরীক্ষা নিয়ে ‘অত্যন্ত জরুরি’ নির্দেশনা বোর্ডের
ফাইল ছবি

আসন্ন এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষাতেও সব কেন্দ্র সিসিটিভি ক্যামেরার নজরদারির মধ্যে রাখা হবে। ইতিমধ্যে কেন্দ্রগুলোর সিসিটিভি ক্যামেরার আইডি, পাসওয়ার্ড, ক্যামেরার ব্র্যান্ড, ডিভাইসের সিরিয়াল নম্বরসহ বিস্তারিত তথ্য চেয়েছে বোর্ড।

ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড বিষয়টি অত্যন্ত জরুরি বলে উল্লেখ করেছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় তথ্য পাঠাতে সংশ্লিষ্ট সব পরীক্ষা কেন্দ্রকে অনুরোধ করা হয়েছে।

সিসিটিভির ডিভিআর ও এনভিআরের সঙ্গে সার্বক্ষণিক ইন্টারনেট সংযোগ চালু রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আগামী ২১ জুনের মধ্যে এসব তথ্য বোর্ডে পাঠাতে বলা হয়েছে।

বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক জেসমিন তাসলিমা বানুর সই করা এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, পরীক্ষা কেন্দ্রগুলোর সিসিটিভি ব্যবস্থার কার্যক্রম নিয়মিত পর্যবেক্ষণের স্বার্থে সংশ্লিষ্ট ডিভিআর ও এনভিআরের সঙ্গে নিরবচ্ছিন্ন ইন্টারনেট সংযোগ নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে কেন্দ্রগুলোকে সিসিটিভি ক্যামেরার আইডি ও পাসওয়ার্ড, ক্যামেরার ব্র্যান্ড এবং ডিভাইসের সিরিয়াল নম্বরসহ প্রয়োজনীয় তথ্য আগামী ২১ জুন এর মধ্যে [email protected] ঠিকানায় ই-মেইলে পাঠাতে বলা হয়েছে।

এ ছাড়া ই-মেইলের বিষয় হিসেবে ‘CCTV EIIN Number’ লিখতে হবে। উদাহরণ হিসেবে ‘CCTV 888888’ উল্লেখ করা হয়েছে, যেখানে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে নিজেদের ইআইআইএন নম্বর ব্যবহার করতে হবে।

জামেয়া দারুল মা‘আরিফের প্রাক্তন ছাত্র পরিষদের ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক
জামেয়া দারুল মা‘আরিফের প্রাক্তন ছাত্র পরিষদের ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত

জামেয়া দারুল মা‘আরিফ আল-ইসলামিয়ার প্রাক্তন ছাত্র পরিষদের উদ্যোগে এক প্রাণবন্ত ও স্মৃতিময় ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১৩ জুন) সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম নগরীর জামেয়ার হলরুমে অনুষ্ঠিত এই পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে যোগ দেন পরিষদের সদস্যরা। 

পরিষদের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আব্দুল্লাহ আল মামুন এবং অর্থ সম্পাদক মুফতি হামেদ ফরিদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত এ আয়োজনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামেয়ার মুদিরে মুহতারাম আল্লামা মুহাম্মদ ফুরকানুল্লাহ খলীল। পরিষদের সহ-সভাপতি মাওলানা আফিফ ফুরকান মাদানীর আন্তরিক স্বাগত বক্তব্যের মাধ্যমে মূল অনুষ্ঠান শুরু হয়।

অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন পরিষদের সিনিয়র সহ-সভাপতি মাওলানা এনামুল হক মাদানী, সেক্রেটারি ড. শোয়াইব রশিদ মাক্কী, সভাপতি শায়খ সাইফুল্লাহ মাদানী, পরিষদের উপদেষ্টা ও আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. মুস্তফা কামিল মাদানী, আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শরিয়া ফ্যাকাল্টির ডিন ও প্রফেসর ড. রশিদ জাহেদ, জামেয়ার শিক্ষা পরিচালক মাওলানা শহিদুল্লাহ কায়সার, মাওলানা ঈসা আমিনী মাক্কী, মাওলানা নুরুল্লাহ, মাওলানা হেলাল উদ্দিন, মুফতি হাবিবুর রহমান, মাওলানা নোমান শামস প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন জামেয়ার সম্মানিত মুহাদ্দিস মাওলানা ফরিদ আহমদ আনসারী, পরিষদের উপদেষ্টা ও মুহাদ্দিস মাওলানা নুরুল আমিন মাদানী, মাওলানা ক্বারী ইসহাক, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মাওলানা আলাউদ্দিন চৌধুরী, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মাওলানা রবিউল আহসানসহ দেশ-বিদেশের বিভিন্ন শিক্ষা, গবেষণা, দাওয়াহ ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনরত অসংখ্য প্রাক্তন শিক্ষার্থী। তাঁদের প্রাণবন্ত উপস্থিতি অনুষ্ঠানকে আরো বর্ণিল ও তাৎপর্যমণ্ডিত করে তোলে। 

দীর্ঘদিন পর একত্রিত হয়ে প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা স্মৃতিচারণ, মতবিনিময় এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করেন, যা পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ববোধ ও প্রাতিষ্ঠানিক বন্ধনকে আরো সুদৃঢ় করেছে।

বক্তারা তাঁদের বক্তব্যে জামেয়ার সোনালি দিনগুলোর স্মৃতিচারণ করেন। ছাত্রজীবনের মধুর স্মৃতি, শিক্ষকদের স্নেহমাখা দিকনির্দেশনা এবং জামেয়ার আদর্শিক পরিবেশের কথা স্মরণ করতে গিয়ে অনেকেই আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। একই সঙ্গে তাঁরা প্রাক্তন ছাত্রদের পারস্পরিক সম্পর্ক সুদৃঢ়করণ, সমাজসেবা, শিক্ষা উন্নয়ন ও দাওয়াতি কার্যক্রমকে আরো গতিশীল করার লক্ষ্যে যুগোপযোগী বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ ও বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

বক্তারা বলেন, একটি আদর্শ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরাই তার প্রকৃত পরিচয় বহন করে। তাই জামেয়ার সুমহান ঐতিহ্য, দ্বীনি মূল্যবোধ এবং সমাজকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডকে সর্বস্তরে ছড়িয়ে দিতে প্রাক্তন ছাত্রদের ঐক্যবদ্ধ ভূমিকা অপরিহার্য।

অনুষ্ঠানটি শুধুমাত্র একটি পুনর্মিলনী ছিল না; বরং এটি ছিল হৃদয়ের সাথে হৃদয়ের সংযোগ, স্মৃতির সাথে বর্তমানের মেলবন্ধন এবং ভবিষ্যৎ পথচলার নতুন অঙ্গীকার। সৌহার্দ্য, ভ্রাতৃত্ব ও পারস্পরিক সহযোগিতার অঙ্গীকারে মুখরিত এ আয়োজন উপস্থিত সকলের হৃদয়ে দীর্ঘদিন স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

আইনি জটিলতায় শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া আটকে আছে : শিক্ষামন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
আইনি জটিলতায় শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া আটকে আছে : শিক্ষামন্ত্রী

বর্তমানে শিক্ষা খাতে প্রায় ৮৩ হাজার মামলা বিচারাধীন রয়েছে জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, আইনি জটিলতার কারণেই শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া মারাত্মকভাবে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। শিক্ষা খাতের উন্নয়নে নানামুখী উদ্যোগ নেওয়া হলেও আইনি জটিলতার কারণে অনেক পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করা যাচ্ছে না। 

রবিবার (১৪ জুন) সকালে রাজধানীর বনানীতে ‘বাংলাদেশের শিক্ষা খাত বিশ্লেষণ’ শীর্ষক এক কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।

 

শিক্ষায় ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক শিক্ষা যুক্ত হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের আনন্দের সঙ্গে শিক্ষা প্রদানের লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে সরকার। এ লক্ষ্যে শিক্ষায় ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক শিক্ষা যুক্ত করা হচ্ছে। প্রাথমিক স্তরে ঝরে পড়ার হার রোধে স্কুল ইউনিফর্ম ও মিড-ডে মিলসহ নানা প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। পাশাপাশি স্যানিটেশন সমস্যার সমাধানেও বিশেষ নজর দেয়া হয়েছে।

বিগত সব সময়ের তুলনায় বর্তমান সরকার শিক্ষা খাতে সর্বোচ্চ বাজেট দিয়েছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, অতীতের সব সময়ের চেয়ে বর্তমান সরকার শিক্ষা খাতে সর্বোচ্চ বাজেট দিয়েছে, যা মোট বাজেটের ২ শতাংশ। তবে আমাদের ‘লার্নিং আউটকাম’ বা শিক্ষার ফল এখনও সন্তোষজনক নয়। আমরা সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে তা সমাধানে কাজ করছি। দেশের কোথাও বাল্যবিয়ে বরদাশত করা হবে না বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

প্রাথমিকে আসছে কঠোর নীতিমালা, শিক্ষক বদলিতে সংস্কারের ইঙ্গিত

অনলাইন ডেস্ক
প্রাথমিকে আসছে কঠোর নীতিমালা, শিক্ষক বদলিতে সংস্কারের ইঙ্গিত

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, প্রাথমিকে কঠোর নীতিমালা আসছে । ৪ থেকে ১০ বছর বয়সী শিশুদের শিক্ষা নিয়ে কাজ করা সব প্রতিষ্ঠানকে নীতিমালার আওতায় আনা হবে। এছাড়া দুর্নীতি রোধে সরকার প্রাথমিকের শিক্ষক বদলি স্থানীয় প্রশাসনের হাতে দেওয়ার পরিকল্পনা করছে।

আজ রবিবার (১৪ জুন) বনানীতে ইউনিসেফ আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

ববি হাজ্জাজ বলেন, প্রাথমিকের শিক্ষক বদলি স্থানীয় প্রশাসনের হাতে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। এভাবে দুর্নীতি বন্ধ করতে চাই।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, আগামী ৫ বছরের মধ্যে স্কুলগুলোকে সিঙ্গেল শিফটে পরিণত করতে চাই।কোয়ালিটি এডুকেশনই আমাদের বড় চ্যালেঞ্জ। আমরা সরকারি প্রাথমিক শিক্ষার মান বাড়াতে চাই, যাতে সবাই এখানে আসার জন্য প্রতিযোগিতা করে।

তিনি আরো বলেন, কোনো প্রশিক্ষণ ছাড়া কোনো শিক্ষক যেন স্কুলে যেতে না পারেন, সেটি ধীরে ধীরে বাস্তবায়ন করা হবে। নতুন করে শিক্ষক নীতিমালা করা হবে।

ববি হাজ্জাজ বলেন, কারিকুলাম, শিক্ষক, অবকাঠামো ও পরিবেশ এবং ব্যবস্থাপনা—এই চারটিকে আমরা বেশি গুরুত্ব দিচ্ছি। ২০২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে খেলাধুলা ও সংস্কৃতি বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। ২০২৮ সালের কারিকুলামে খেলাধুলা ও সংস্কৃতি পুরোপুরিভাবে প্রাথমিকে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।


 

রংপুর মেডিক্যাল কলেজ ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ ঘোষণা | কালের কণ্ঠ