• ই-পেপার

কম্পানি আইন থেকে অব্যাহতি পেল শাইনপুকুর সিরামিকস

বঞ্চিত বেসরকারি খাত

ব্যাংক থেকে ১ লাখ ৩১ হাজার কোটি টাকার রেকর্ড ঋণ সরকারের ঋণের প্রবৃদ্ধি বেড়ে ২৫ শতাংশ ছাড়িয়েছে বেসরকারি খাতে ঋণের প্রবৃদ্ধি নেমে গেছে ৫ শতাংশে

অনলাইন ডেস্ক
বঞ্চিত বেসরকারি খাত

ব্যাংকিং খাত থেকে রেকর্ড পরিমাণ ১ লাখ ৩১ হাজার কোটি টাকা ঋণ নিয়েছে সরকার। এর মধ্যে শুধু তফসিলি ব্যাংক থেকে ১ লাখ ২৩ হাজার কোটি টাকা বন্ড ও ট্রেজারি বিলের মাধ্যমে তুলে নেওয়া হয়েছে।

ফলে ব্যাংকগুলোর সাধারণ উদ্যোক্তা, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (এসএমই) এবং বৃহৎ শিল্প গ্রুপকে দেওয়ার মতো লিকুইডিটি বা তহবিল কমে গেছে। নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে বেসরকারি ঋণের প্রবৃদ্ধিতে। চলতি বছরের জুন শেষে বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছিল প্রায় ৮ শতাংশ। এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ প্রতিদিন।

জুন শেষে দেখা যাচ্ছে, তা কমে ৫ শতাংশে নেমে এসেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের ঘোষিত মুদ্রানীতির তথ্য পর্যালোচনা করে এসব জানা গেছে। মঙ্গলবার আগামী ছয় মাসের জন্য নতুন মুদ্রানীতি ঘোষণা করে বাংলাদেশ ব্যাংক। প্রাপ্ত তথ্য বলছে, বেসরকারি ঋণের হার কমলেও উল্টো বেড়ে গেছে সরকারি ঋণের প্রবৃদ্ধি। জুন পর্যন্ত ব্যাংক থেকে সরকারের ঋণ গ্রহণের লক্ষ্য ছিল ২১ দশমিক ৬ শতাংশ। এটি বেড়ে ২৫ দশমিক ৯ শতাংশে উঠে গেছে। এতে সদ্য সমাপ্ত ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ব্যাংকব্যবস্থা থেকে সরকারের ঋণ নেওয়ার প্রবণতা সব রেকর্ড ও লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গেছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্যের বরাতে বাংলাদেশ প্রতিদিনের প্রতিবেদনে জানা যায়, সদ্য সমাপ্ত অর্থবছরে সংশোধিত বাজেটে ব্যাংকব্যবস্থা থেকে সরকারের নিট ঋণ নেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১ লাখ ১৮ হাজার কোটি টাকা। ১৪ জুন পর্যন্ত সরকার লক্ষ্যমাত্রা ভেঙে মোট ১ লাখ ৩১ হাজার ৭১১ কোটি টাকা নিট ঋণ নিয়েছে। অর্থাৎ লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও ১৩ হাজার ৭১১ কোটি টাকা অতিরিক্ত ঋণ নেওয়া হয়েছে। এর আগে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে আওয়ামী লীগ সরকারের মূল বাজেটে ব্যাংকঋণের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১ লাখ ৩৭ হাজার কোটি টাকা। জুলাই আন্দোলনের মধ্য দিয়ে ক্ষমতায় আসা অন্তর্বর্তী সরকার ওই বাজেটের লক্ষ্য কাটছাঁট করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। সংশোধিত বাজেটে ব্যাংকঋণের লক্ষ্য ৯৯ হাজার কোটি টাকা নির্ধারণের কথা থাকলেও নিট ব্যাংকঋণ কমে যায়।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক-সংশ্লিষ্টরা জানান, সদ্য সমাপ্ত অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি কমানোর জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে টাকা ছাপিয়ে সরকারকে ঋণ দেওয়া পুরোপুরি বন্ধ রাখা হয়েছিল, যার ফলে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর ওপর ঋণের চাপ ব্যাপক বেড়ে যায়। এ ছাড়া আলোচ্য সময়ে রাজস্ব আদায়ে বড় ধরনের ঘাটতি তৈরি হওয়া, ইরান যুদ্ধের কারণে জ্বালানি আমদানিতে বাড়তি ব্যয় এবং অন্যান্য জরুরি সরকারি পরিচালন ব্যয় বেড়ে যাওয়ার কারণে বাণিজ্যিক ব্যাংক ও কেন্দ্রীয় ব্যাংক-উভয় উৎস থেকেই রেকর্ড পরিমাণ ঋণ নিতে বাধ্য হয় সরকার।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, সদ্য সমাপ্ত অর্থবছরের ১৪ জুন পর্যন্ত সরকার যে ঋণ নিয়েছে তার মধ্যে তফসিলি ব্যাংক থেকে নেওয়া হয়েছে ১ লাখ ২৩ হাজার ৪০২ কোটি টাকা, যা মোট ঋণের প্রায় ৯৪ শতাংশ। বিপরীতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে নেওয়া হয়েছে মাত্র ৮ হাজার ৩০৯ কোটি টাকা। এ তথ্য প্রমাণ করে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ছাপানো টাকা বাজারে ছেড়ে মূল্যস্ফীতি বাড়ানোর ঝুঁকি নেয়নি কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষক ড. রফিকুল ইসলাম তালুকদার বলেন, সরকার মূল্যস্ফীতি সামাল দিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ঋণ কম নিলেও বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো থেকে অতিরিক্ত ঋণ গ্রহণের কারণে বেসরকারি খাত বঞ্চিত হয়েছে।

 বেসরকারি খাত ঋণ না পাওয়ায় নতুন কলকারখানা ও কর্মসংস্থান তৈরি হচ্ছে না। যার প্রভাব পড়েছে জিডিপি প্রবৃদ্ধিতে। দেখা যাচ্ছে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে প্রকৃত জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৩ দশমিক ৪৯ শতাংশ হওয়ার পর, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে তা আরও কমে ৩ শতাংশে নেমে গেছে। বেসরকারি খাত পর্যাপ্ত ঋণ না পাওয়ায় আগামী অর্থবছরের ৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা অর্জন কঠিন হবে বলে মনে করছে খোদ বাংলাদেশ ব্যাংক। ঘোষিত মুদ্রানীতিতে নতুন অর্থবছরের জন্য মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি ৬ দশমিক ১ শতাংশ হতে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে, যা সরকারের ঘোষিত জাতীয় বাজেটের ৬ দশমিক ৫ শতাংশ লক্ষ্যের চেয়ে কম।

নিট তৈরি পোশাক রপ্তানিকারকদের সংগঠন বিকেএমইএর সাবেক সভাপতি ফজলুল হক বলেন, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সরকার একদিকে সংকোচনমূলক মুদ্রানীতি অব্যাহত রেখেছে। অন্যদিকে বাজেট ঘাটতি মেটাতে ব্যাংক থেকে ঋণ বেশি নিচ্ছে সরকার। এর ফলে উভয় দিক থেকেই বঞ্চিত হচ্ছে বেসরকারি খাত। এ অবস্থায় বাংলাদেশ ব্যাংক ৬০ হাজার কোটি টাকার যে প্রণোদনা তহবিল রেখেছে, তা কতটা বেসরকারি খাতকে উজ্জীবিত করতে পারে সেটাই দেখার বিষয়।

রাশিয়া ও কানাডা থেকে ৭৫ হাজার টন এমওপি সার আমদানির অনুমোদন

অনলাইন ডেস্ক
রাশিয়া ও কানাডা থেকে ৭৫ হাজার টন এমওপি সার আমদানির অনুমোদন

রাশিয়া ও কানাডা থেকে ৭৫ হাজার টন মিউরিয়েট অব পটাশ (এমওপি) সার আমদানির দুটি পৃথক প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি (সিসিজিপি)। এ জন্য মোট ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৩৫১ কোটি ২৬ লাখ টাকা।

বুধবার (১ জুলাই) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কমিটির সভায় এ অনুমোদন দেওয়া হয়।

দেশের ক্রমবর্ধমান সারের চাহিদা পূরণে সরকার-টু-সরকার (জি-টু-জি) ব্যবস্থায় বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন (বিএডিসি) এ সার আমদানি করবে।

কৃষি মন্ত্রণালয়ের এক প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে কমিটি রাশিয়ার জেএসসি ফরেন ইকোনমিক কর্পোরেশন (প্রোডইনটর্গ) থেকে ৩৫ হাজার টন এমওপি সার আমদানির অনুমোদন দেয়। প্রতি মেট্রিক টন ৩৮০ মার্কিন ডলার দরে এ সার আমদানিতে ব্যয় হবে আনুমানিক ১৬৩ কোটি ৯২ লাখ টাকা।

এছাড়া কৃষি মন্ত্রণালয়ের আরেকটি প্রস্তাবের ভিত্তিতে কানাডিয়ান কমার্শিয়াল কর্পোরেশন (সিসিসি) থেকে ৪০ হাজার টন এমওপি সার আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়। প্রতি মেট্রিক টন ৩৮০ মার্কিন ডলার দরে এ সার আমদানিতে ব্যয় ধরা হয়েছে আনুমানিক ১৮৭ কোটি ৪ লাখ টাকা।

এ দুটি চালানের মাধ্যমে দেশে মোট ৭৫ হাজার টন এমওপি সার আমদানি করা হবে, যা কৃষি উৎপাদনে সহায়তা করবে এবং চাষাবাদ মৌসুমে সারের স্থিতিশীল সরবরাহ নিশ্চিত করবে।

ব্যাংকের টাকা লেনদেনের ফি নিয়ে নতুন নির্দেশনা

নিজস্ব প্রতিবেদক
ব্যাংকের টাকা লেনদেনের ফি নিয়ে নতুন নির্দেশনা
সংগৃহীত ছবি

ব্যাংক থেকে ব্যাংকে টাকা লেনদেনের ফি নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বুধবার (১ জুলাই) কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করা হয়েছে। এতে সই করেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিচালক (পিএসডি-২) মো. শরাফত উল্লাহ খান।

সার্কুলারে বলা হয়েছে, এনপিএসবির (এনপিএসবি) মাধ্যমে সম্পাদিত লেনদেন এবং কার্ড স্কিমের মাধ্যমে সরকারি অর্থ পরিশোধ ব্যবস্থায় পয়েন্ট অব সেল (পিওএস), বাংলা কিউআর কোড লেনদেনে মার্চেন্ট ডিসকাউন্ট রেটের সীমা নির্ধারণ করা হয়।

উল্লিখিত সার্কুলারের সব ফি বা চার্জ এবং শর্তাবলী অপরিবর্তিত রেখে এনপিএসবির আওতায় কেবল বাংলা কিউআর কোড পরিশোধ ব্যবস্থা ব্যবহার করে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট, ডেবিট এ প্রিপেইড কার্ড, ক্রেডিট কার্ড, এমএফএস, পিএসপির মাধ্যমে মার্চেন্ট পেমেন্টে অ্যাকোয়ারিং ব্যাংক বা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক মার্চেন্ট হতে আদায়যোগ্য এমিডিআরের সর্বনিম্ন হার ১ শতাংশ (ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত) নির্ধারণ করা হলো।
 
তবে কোনো একোয়ারিং প্রতিষ্ঠান ডিজিটাল লেনদেনের উন্নয়নের স্বার্থে প্রোমোশনাল ক্যাম্পেইন পরিচালনা করতে পারবে বলে সার্কুলারে উল্লেখ আছে।

টেক্সটাইল ও পোশাকশিল্পের উন্নয়নে যৌথভাবে কাজ করবে আরএমজি ক্লাব ও বিটিএমএ

নিজস্ব প্রতিবেদক
টেক্সটাইল ও পোশাকশিল্পের উন্নয়নে যৌথভাবে কাজ করবে আরএমজি ক্লাব ও বিটিএমএ
সংগৃহীত ছবি

দেশের টেক্সটাইল ও তৈরি পোশাক (আরএমজি) শিল্পের টেকসই উন্নয়ন, বৈশ্বিক বাজারে প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদারের লক্ষ্যে একযোগে কাজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে আরএমজি ক্লাব লিমিটেড এবং বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএমএ)।

বুধবার (১ জুলাই) রাজধানীর আম্বার গ্রুপের প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় দুই সংগঠনের শীর্ষ নেতারা এ বিষয়ে একমত হন। সভায় আরএমজি ক্লাব লিমিটেডের সভাপতি রেজাউল আলম মিরু এবং বিটিএমএর সভাপতি শওকত আজিজ রাসেলের নেতৃত্বে উভয় সংগঠনের ঊর্ধ্বতন প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

সভায় দেশের প্রধান রপ্তানিমুখী এই খাতের বর্তমান চ্যালেঞ্জ, সম্ভাবনা এবং ভবিষ্যৎ উন্নয়ন কৌশল নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বিশেষ করে আন্তর্জাতিক বাজারে টিকে থাকতে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, উদ্ভাবনভিত্তিক শিল্পায়ন এবং পরিবেশবান্ধব ও টেকসই উৎপাদন ব্যবস্থার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়।

আলোচনায় বক্তারা বলেন, বৈশ্বিক বাজারে প্রতিযোগিতা দিন দিন তীব্র হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের টেক্সটাইল ও পোশাক শিল্পকে আরও শক্তিশালী অবস্থানে নিয়ে যেতে হলে শিল্পসংশ্লিষ্ট সংগঠন, উদ্যোক্তা ও রপ্তানিকারকদের মধ্যে সমন্বিত উদ্যোগের বিকল্প নেই। একই সঙ্গে নতুন প্রযুক্তি গ্রহণ, দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং গবেষণাভিত্তিক শিল্প সম্প্রসারণের ওপর জোর দিতে হবে।

বৈঠকে টেক্সটাইল শিল্প উদ্যোক্তা এবং তৈরি পোশাক রপ্তানিকারকদের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক ও সহযোগিতা বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক ক্রেতা ও বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে যোগাযোগ সম্প্রসারণ, নতুন বাজার অনুসন্ধান এবং বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণের লক্ষ্যে যৌথ উদ্যোগ গ্রহণের বিষয়েও আলোচনা হয়।

দুই সংগঠনের নেতারা মনে করেন, শিল্পবান্ধব নীতিগত পরিবেশ গড়ে তোলা এবং খাতের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে সরকারের সঙ্গে কার্যকর যোগাযোগ ও সমন্বয় বৃদ্ধির মাধ্যমে এই শিল্পের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন নিশ্চিত করা সম্ভব। এ লক্ষ্যে দুই সংগঠন ভবিষ্যতে আরও ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবে বলে প্রত্যয় ব্যক্ত করে।

সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, দুই শীর্ষ সংগঠনের এই কৌশলগত সহযোগিতা দেশের টেক্সটাইল ও পোশাক শিল্পের সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি নতুন বিনিয়োগ আকর্ষণ ও বাজার সম্প্রসারণে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।