• ই-পেপার

আজকের বাজারে সোনার দাম

ভ্যাট-শুল্ক বাড়ানোর উদ্যোগ অর্ধশত পণ্যে

বাড়বে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় গবেষণায় দেখা গেছে, ভ্যাটের সবচেয়ে বড় চাপ পড়ে নিম্নআয়ের মানুষের ওপর

অনলাইন ডেস্ক
ভ্যাট-শুল্ক বাড়ানোর উদ্যোগ অর্ধশত পণ্যে

আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরে প্রায় অর্ধশত পণ্য ও সেবায় মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) ও সম্পূরক শুল্ক বাড়ানোর পরিকল্পনা নিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। সরকারের লক্ষ্য রাজস্ব আয় বাড়িয়ে অর্থনীতির পুনরুদ্ধারে সরকারি ব্যয় সক্ষমতা জোরদার করা হলেও অর্থনীতিবিদরা সতর্ক করেছেন, এই বাড়তি করের চাপ শেষ পর্যন্ত সাধারণ মানুষের ওপরই পড়তে পারে।

অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, চাল, গম, ভোজ্যতেল, আলু, পিঁয়াজ, রসুন, মাছ, মাংস, চিনি ও চায়ের মতো নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যে উৎসে কর বিদ্যমান ০ দশমিক ৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে সর্বোচ্চ ১ শতাংশ করার চিন্তা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে ব্যাটারিচালিত রিকশা, উচ্চ সিসির মোটরসাইকেল ও ব্যক্তিগত গাড়ির ওপর অগ্রিম আয়করও বাড়তে পারে। এ ছাড়া অনলাইন মার্কেটিং এজেন্টদের কমিশনের ওপর ভ্যাট ৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ করার প্রস্তাব রয়েছে। প্লাস্টিক পণ্যে ভ্যাট ৭ দশমিক ৫ শতাংশ থেকে ১৫ শতাংশ এবং নির্মাণ খাতে ৭ দশমিক ৫ শতাংশ থেকে ১০ শতাংশে উন্নীত করার পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে।

কর্মকর্তাদের ভাষ্য, অধিক রাজস্ব আহরণের মাধ্যমে সরকারের উন্নয়ন ও পুনরুদ্ধার কর্মসূচিতে অর্থায়ন নিশ্চিত করাই এসব পদক্ষেপের মূল উদ্দেশ্য। তবে অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন, দীর্ঘদিনের উচ্চ মূল্যস্ফীতিতে বিপর্যস্ত জনগণের জন্য নতুন করে পরোক্ষ করের বোঝা উদ্বেগজনক হতে পারে। গত তিন বছর ধরে দুই অঙ্কের মূল্যস্ফীতির কারণে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় ব্যাপকভাবে বেড়েছে। বিশেষ করে খাদ্যপণ্যের উচ্চমূল্য নিম্ন ও মধ্যবিত্তের ওপর বড় চাপ সৃষ্টি করেছে। বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) মহাপরিচালক এ কে এনামুল হক বলেন, মানুষ নতুন অর্থবছরে স্বস্তি প্রত্যাশা করছে। তাই কর ও ভ্যাট নীতিমালা এমনভাবে প্রণয়ন করতে হবে, যাতে তা জনগণের জন্য সহনীয় হয়। সরকারের নতুন বাজেটে এনবিআরের জন্য ৬ লাখ ৪ হাজার কোটি টাকার উচ্চাভিলাষী রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণের পরিকল্পনা রয়েছে, যা চলতি অর্থবছরের সংশোধিত লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় ২০ শতাংশের বেশি। এর মধ্যে প্রায় ৩ লাখ ১০ হাজার কোটি টাকা ভ্যাট থেকে এবং ৬৭ হাজার কোটি টাকা শুল্ক থেকে আদায়ের লক্ষ্য ধরা হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, রাজস্ব আহরণে সরকারের অতিরিক্ত পরোক্ষ কর নির্ভরতা আয় বৈষম্য আরও বাড়িয়ে দিতে পারে। গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইনস্টিটিউট ফর ইনক্লুসিভ ফাইন্যান্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের নির্বাহী পরিচালক মুস্তফা কে মুজেরি বলেন, পরোক্ষ করের বোঝা মূলত গরিব মানুষের ওপর বেশি পড়ে, অথচ ধনীরা তুলনামূলক কম চাপ অনুভব করেন। এতে আয় বৈষম্য আরও গভীর হয়।

তিনি জানান, দেশের গিনি সহগ ২০১০ সালের ০ দশমিক ৪৫৮ থেকে বেড়ে ২০২২ সালে ০ দশমিক ৪৯৯৯-এ দাঁড়িয়েছে, যা সম্পদ বণ্টনে বৈষম্য বৃদ্ধির ইঙ্গিত দেয়।

এদিকে এনবিআর নতুন অর্থবছর থেকে ভ্যাট ব্যবস্থায় বড় ধরনের সংস্কার আনার পরিকল্পনা করছে। বর্তমানে দেশে ভ্যাট নিবন্ধিত করদাতার সংখ্যা প্রায় আট লাখ হলেও আগামী চার বছরে তা এক কোটিতে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

এনবিআরের চেয়ারম্যান আবদুর রহমান খান বলেন, ভ্যাট ফাঁকি রোধে স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করা হবে এবং করজাল সম্প্রসারণে নতুন উদ্যোগ নেওয়া হবে।

বিশ্বব্যাংকের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নীতি ও বাস্তবায়ন ঘাটতি দূর করা গেলে বর্তমানের তুলনায় তিন গুণের বেশি ভ্যাট আদায়ের সুযোগ রয়েছে। তবে কর প্রশাসনের দুর্বলতা, দুর্নীতি ও কর অব্যাহতির সংস্কৃতির কারণে দেশের কর-জিডিপি অনুপাত ২০১১ সালের ৯ দশমিক ২ শতাংশ থেকে কমে ২০২৪ সালে ৭ শতাংশের নিচে নেমে এসেছে। বিশ্বব্যাংকের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ জাহিদ হোসেন মনে করেন, প্রত্যক্ষ কর ব্যবস্থার দুর্বলতা এবং রাজনৈতিক সদিচ্ছার অভাবে এনবিআর প্রতি বছরই পরোক্ষ করের ওপর আরও বেশি নির্ভরশীল হয়ে পড়ছে।

এদিকে বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, ভ্যাটের সবচেয়ে বড় চাপ পড়ে নিম্নআয়ের মানুষের ওপর। অক্সফাম বাংলাদেশের সহায়তায় প্রকাশিত এক গবেষণায় বলা হয়, দরিদ্র মানুষের আয়ের ১২ দশমিক ১ শতাংশ ভ্যাট হিসেবে ব্যয় হয়, যেখানে ধনীদের  ক্ষেত্রে এই হার মাত্র ৫ দশমিক ৯ শতাংশ।  কারণ মোবাইল ফোন, ওষুধ, গ্যাস, বিদ্যুৎসহ দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় প্রায় সব পণ্য ও সেবার দামেই ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত থাকে। অর্থনীতিবিদদের মতে, রাজস্ব আহরণ বাড়ানোর প্রয়োজন থাকলেও তা যেন জনগণের জীবনযাত্রার ব্যয় আরও বাড়িয়ে না দেয়, সেদিকে সরকারকে সতর্ক থাকতে হবে।

সূত্র : বাংলাদেশ প্রতিদিন

ঈদের আগে এটিএমে টাকার সংকট, ভোগান্তিতে গ্রাহক

অনলাইন ডেস্ক
ঈদের আগে এটিএমে টাকার সংকট, ভোগান্তিতে গ্রাহক
সংগৃহীত ছবি

পবিত্র ঈদুল আজহার ছুটিতে নিরবচ্ছিন্ন ব্যাংকিং সেবা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ ব্যাংক স্পষ্ট নির্দেশনা দিলেও রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় এটিএম বুথে নগদ টাকার সংকট দেখা দিয়েছে। 

কোথাও বুথ বন্ধ, কোথাও আবার টাকা উত্তোলনে সীমা নির্ধারণ করায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ গ্রাহকরা। রবিবার ও গতকাল রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, কয়েকটি ব্যাংকের এটিএম বুথ কার্যত অচল হয়ে পড়েছে। আবার কিছু ব্যাংক নগদ টাকা উত্তোলনে সীমা আরোপ করেছে। ফলে ঈদ সামনে রেখে প্রয়োজনীয় নগদ টাকা তুলতে গিয়ে বিপাকে পড়ছেন গ্রাহকরা।

গোলাপবাগের এক বাসিন্দা জানান, তিনি ব্যাংক এশিয়ার কার্ড ব্যবহার করে স্থানীয় বেশ কয়েকটি ব্যাংকের এটিএম বুথ থেকে টাকা তুলতে ব্যর্থ হন। পরে আরো কয়েকটি বুথ ঘুরেও টাকা না পেয়ে শেষ পর্যন্ত ব্যাংক এশিয়ার একটি বুথ থেকে টাকা তুলতে সক্ষম হন। মিরপুরের বাসিন্দা জুলকার নাইনও একই ধরনের ভোগান্তির শিকার হন। তিনি জানান, কয়েকটি এটিএম বুথ ঘুরেও টাকা তুলতে না পেরে শেষ পর্যন্ত ব্যাংক শাখা থেকে নগদ টাকা তুলতে বাধ্য হন।

গ্রাহকদের অভিযোগ, এক ব্যাংকের বুথে অন্য ব্যাংকের কার্ড ব্যবহার করে টাকা তুলতে গিয়ে নানা সমস্যার মুখে পড়তে হচ্ছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক ব্যাংক কর্মকর্তা জানান, কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে চাহিদা অনুযায়ী নগদ অর্থ পাওয়া যাচ্ছে না। রবিবার আমরা ৩০০ কোটি টাকা চেয়েছিলাম, কিন্তু পেয়েছি মাত্র ১২০ কোটি টাকা।

অন্যদিকে সিটি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাশরুর আরেফিন জানান, তাদের সব এটিএম বুথে পর্যাপ্ত নগদ টাকা রয়েছে এবং সব ব্যাংকের গ্রাহকই টাকা তুলতে পারছেন। গত ২১ মে বাংলাদেশ ব্যাংক এক নির্দেশনায় ঈদুল আজহার ছুটিতে সব বাণিজ্যিক ব্যাংক, মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস, পেমেন্ট সার্ভিস প্রোভাইডার ও পেমেন্ট সিস্টেম অপারেটরদের ডিজিটাল লেনদেন এবং এটিএম সেবা সার্বক্ষণিক সচল রাখার নির্দেশ দেয়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেন, নগদ টাকা উত্তোলনের ক্ষেত্রে কোনো বিধিনিষেধ নেই। যেসব ব্যাংক ঠিকমতো এটিএম সেবা দিতে পারছে না বা নগদ টাকার জোগান নিশ্চিত করতে পারছে না, তাদের বুথ বন্ধ করে দেওয়া উচিত।

ইসলামী ব্যাংকে চেয়ারম্যান নিয়োগের প্রতিবাদে মানববন্ধন

গ্রাহকরা বেঁচে থাকতে খুরশীদ আলম অফিস করতে পারবেন না

নিজস্ব প্রতিবেদক
গ্রাহকরা বেঁচে থাকতে খুরশীদ আলম অফিস করতে পারবেন না
ছবি : কালের কণ্ঠ

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে মো. খুরশীদ আলমের নিয়োগের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে ‘ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরাম’। সোমবার (২৫ মে) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে আয়োজিত এক মানববন্ধন কর্মসূচিতে সংগঠনটির নেতারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ব্যাংক ডাকাতির পথ সহজ করতেই বিতর্কিত ব্যক্তিকে এই পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। গ্রাহকরা বেঁচে থাকতে খুরশীদ আলম ইসলামী ব্যাংকে অফিস করতে পারবেন না।

বক্তারা অবিলম্বে এই নিয়োগ পুনর্বিবেচনা করে রাজনৈতিক বিবেচনার বাইরে, দক্ষতা ও গ্রহণযোগ্যতার ভিত্তিতে ব্যাংকের চেয়ারম্যান নিয়োগের দাবি জানান।

মানববন্ধনে সভাপতির বক্তব্যে ফোরামের সভাপতি শাহিন আহমেদ খান বলেন, ইসলামী ব্যাংক কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর স্বার্থ রক্ষার প্রতিষ্ঠান নয়। এটি এ দেশের কোটি গ্রাহকের কষ্টার্জিত আমানতের ব্যাংক। অতীতে ব্যাংক খাতে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে সাধারণ গ্রাহকের আস্থা ধসে পড়েছে। নতুন করে এই বিতর্কিত নিয়োগ সেই সংকট ও আস্থার সংকটকে আরো ঘনীভূত করবে।

তিনি আরো বলেন, দেশের বৃহৎ শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংক হিসেবে ইসলামী ব্যাংকের পরিচালনায় স্থিতিশীলতা ও গ্রাহকদের আস্থা বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি। কিন্তু বিতর্কিত ও প্রশ্নবিদ্ধ ব্যক্তিদের গুরুত্বপূর্ণ শীর্ষ পদে বসানো হলে ব্যাংকটির ভাবমূর্তি পুরোপুরি ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

মানববন্ধনে ফোরামের সাধারণ সম্পাদকসহ অর্থনীতিবিদ, গ্রাহক প্রতিনিধি ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের নেতারা বক্তব্য দেন। তারা ব্যাংকিং খাতকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রাখার জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকের (বাংলাদেশ ব্যাংক) প্রতি জোরালো আহ্বান জানান।

মানববন্ধন চলাকালে অংশগ্রহণকারীরা বিতর্কিত নিয়োগের বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করেন। সমাবেশ শেষে নেতারা জানান, চেয়ারম্যান নিয়োগের এই সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবিতে তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে একটি লিখিত স্মারকলিপি পেশ করবেন।

বিশ্ববাজারে সোনা-রুপার দামে বড় লাফ, দেশে ভরি কত?

অনলাইন ডেস্ক
বিশ্ববাজারে সোনা-রুপার দামে বড় লাফ, দেশে ভরি কত?
স্বর্ণ ও রুপার গয়না। ছবি: সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ফেরার আভাসে বিশ্ববাজারে সোনার দামে বড় লাফ দেখা গেছে। ইরান যুদ্ধ অবসানের লক্ষ্যে একটি চুক্তি হতে পারে—এমন আশা তৈরি হওয়ায় সোমবার (২৫ মে) আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দাম এক ধাক্কায় ১ শতাংশের বেশি বেড়েছে। শান্তিচুক্তির এই গুঞ্জনে বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের মান এবং অপরিশোধিত তেলের দাম কমেছে। ফলে বিশ্ব অর্থনীতিতে মূল্যস্ফীতি ও সুদের হার বাড়ার যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল, তা অনেকটাই কমে এসেছে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, সোমবার স্পট মার্কেটে স্বর্ণের দাম ১ দশমিক ১ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৫৫৯ দশমিক ৭ ডলারে পৌঁছেছে। একই সময়ে, জুন মাসে সরবরাহযোগ্য মার্কিন গোল্ড ফিউচারসের দাম ০ দশমিক ৮ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৫৫৯ দশমিক ৮০ ডলারে।

কেসিএম ট্রেডের প্রধান বাজার বিশ্লেষক টিম ওয়াটারার বলেন, ‘ইরানের সঙ্গে চুক্তির সম্ভাবনার কথা বলে ট্রাম্প বাজারে আশার সঞ্চার করেছেন। কারণ এই চুক্তির ফলে হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেয়া হতে পারে। এই সম্ভাবনা তেলের দাম কমিয়ে দিয়েছে এবং এর প্রভাবে মূল্যস্ফীতির দৃষ্টিকোণ থেকে স্বর্ণের বাজার ইতিবাচক সমর্থন পেয়েছে।’

এ ছাড়া রুপার দাম ৩ দশমিক ১ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৭৭ দশমিক ৭৯ ডলার, প্লাটিনামের দাম ২ দশমিক ৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৯৬৬ দশমিক ৫৯ ডলার এবং প্যালাডিয়ামের দাম ২ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়ে হয়েছে ১ হাজার ৩৮৪ দশমিক ৭০ ডলার।

এদিকে দেশের বাজারে এখন প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়ছে ২ লাখ ৩৮ হাজার ১২১ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২৭ হাজার ৩৩১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯৪ হাজার ৮৪৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৫৮ হাজার ৬৮৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।