• ই-পেপার

ডলারের অবমূল্যায়নে ঋণ পরিশোধ হচ্ছে না : মাসরুর রিয়াজ

কাল শনিবার ব্যাংক খোলা থাকবে

অনলাইন ডেস্ক
কাল শনিবার ব্যাংক খোলা থাকবে

আগামীকাল শনিবার ব্যাংক খোলা থাকবে। সেদিন ব্যাংকের স্বাভাবিক কার্যক্রম চলবে। লেনদেনের সময়ও স্বাভাবিক থাকবে।

এ ছাড়া রবিবারও (২৪ মে) ব্যাংকের স্বাভাবিক কার্যক্রম চলবে। ফলে ঈদের ছুটির আগে আরো দুই দিন ব্যাংক খোলা থাকবে।

এরপর ২৫ থেকে ৩১ মে পর্যন্ত পবিত্র ঈদুল আজহার ছুটি উপলক্ষে সব সরকারি-বেসরকারি ব্যাংক বন্ধ থাকবে। ফলে ঈদুল আজহা উপলক্ষে টানা সাত দিন দেশের তফসিলি ব্যাংক বন্ধ থাকবে। বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে এই তথ্য পাওয়া গেছে।

জানা যায়, ঈদুল আজহা উপলক্ষে শনিবার সাপ্তাহিক ছুটির দিন হলেও দেশের সব সরকারি-বেসরকারি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান খোলা থাকবে। এরপর সোমবার থেকে এসব প্রতিষ্ঠানে ঈদের ছুটি শুরু হবে। এর ফলে শনিবার ও রোববার গ্রাহকেরা ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে সব ধরনের লেনদেন করতে পারবেন।

এদিকে তৈরি পোশাকশিল্প খাতের শ্রমিক-কর্মচারীদের বেতন, বোনাস ও অন্যান্য ভাতা পরিশোধ এবং আমদানি-রপ্তানিসংক্রান্ত ব্যাংকিং কার্যক্রম চালু রাখতে শিল্প-সংশ্লিষ্ট এলাকার বাণিজ্যিক ব্যাংকের শাখাগুলো ২৫ ও ২৬ মে খোলা থাকবে। এসব শাখা সকাল ১০টা থেকে বেলা ৩টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। তবে গ্রাহকদের লেনদেন চলবে বেলা ১টা পর্যন্ত।

দাম বাড়ার পর সোনার দাম আজ কত?

অনলাইন ডেস্ক
দাম বাড়ার পর সোনার দাম আজ কত?

টানা ৩ দফা কমানোর পর গতকাল বৃহস্পতিবার দেশের বাজারে বেড়েছে সোনার দাম। ভরিতে ২ হাজার ১৫৮ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ২ লাখ ৩৮ হাজার ১২১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা গতকাল সকাল থেকেই কার্যকর হয়েছে। 

বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) জানায়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার (পিওর গোল্ড) মূল্য বেড়েছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

আরো পড়ুন
হজের বিশেষ ১০ ফজিলত

হজের বিশেষ ১০ ফজিলত

 

নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের সোনার দাম পড়বে ২ লাখ ৩৮ হাজার ১২১ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২৭ হাজার ৩৩১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯৪ হাজার ৮৪৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৫৮ হাজার ৬৮৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এর আগে, গত ২০ মে সকালে দেশের বাজারে সোনার দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সে সময় ভরিতে ভরিতে ২ হাজার ১৫৮ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ২ লাখ ৩৫ হাজার ৯৬৩ টাকা নির্ধারণ করেছিল সংগঠনটি।

নিলামে আরও ১০ কোটি ডলার কিনল বাংলাদেশ ব্যাংক

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিলামে আরও ১০ কোটি ডলার কিনল বাংলাদেশ ব্যাংক
সংগৃহীত ছবি

দেশের বৈদেশিক মুদ্রার বাজারে তারল্য বাড়াতে ও রিজার্ভের ভিত শক্ত করতে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো থেকে আবারও মার্কিন ডলার কিনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এবার নিলামের মাধ্যমে ৬টি বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে আরও ১০০ মিলিয়ন বা ১০ কোটি ডলার কেনা হয়েছে। প্রতি ডলারের কাট-অফ মূল্য ছিল ১২২ টাকা ৭৫ পয়সা।

বৃহস্পতিবার (২১ মে) বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, ডলারের বাজার স্থিতিশীল রাখা এবং রিজার্ভের পতন ঠেকানোর অংশ হিসেবেই নিয়মিত বিরতিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে। শুধু চলতি মে মাসেই কয়েক দফায় ব্যাংকগুলো থেকে মোট ৫৬ কোটি ৫০ লাখ (৫৬৫ মিলিয়ন) মার্কিন ডলার কিনেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয় এবং রপ্তানি প্রবাহ ইতিবাচক থাকায় দেশের ব্যাংকগুলোতে এখন ডলারের সরবরাহ বেড়েছে। উদ্বৃত্ত থাকা ব্যাংকগুলো থেকে এই মুদ্রা কিনে নিচ্ছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক, যা দেশের সামগ্রিক অর্থনীতির জন্য একটি ইতিবাচক সংকেত।

খাত সংশ্লিষ্টদের মতে, চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ডলারের বাজারে বড় ধরনের অস্থিরতা দেখা যায়নি। এই অর্থবছরের শুরু থেকেই কয়েক দফায় নিলামের মাধ্যমে ডলার কিনছে বাংলাদেশ ব্যাংক। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরে এখন পর্যন্ত সব মিলিয়ে মোট ৬২৩ কোটি ৮৫ লাখ বা ৬ দশমিক ২৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার কেনা হয়েছে।

ঈদের আগে ২০ দিনে রেমিট্যান্সে এলো ২৬২ কোটি ডলার

অনলাইন ডেস্ক
ঈদের আগে ২০ দিনে রেমিট্যান্সে এলো ২৬২ কোটি ডলার

আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা ঘিরে চলতি মে মাসের প্রথম ২০ দিনে দেশে এসেছে ২৬২ কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। দেশীয় মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ৩২ হাজার ১৮৫ কোটি টাকা (প্রতি ডলার ১২২ টাকা ৭৫ পয়সা ধরে)। সে হিসাবে চলতি মাসে প্রতিদিন গড়ে দেশে আসছে এক হাজার ৬০৯ কোটি টাকার বেশি রেমিট্যান্স।

বৃহস্পতিবার (২১ মে) বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রকাশিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্যমতে, চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জুলাই থেকে ২০ মে পর্যন্ত দেশে মোট রেমিট্যান্স এসেছে ৩ হাজার ১৯৫ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলার।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মাসভিত্তিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের জুলাইয়ে দেশে আসে ২৪৭ কোটি ৭৮ লাখ ডলার রেমিট্যান্স। আগস্টে আসে ২৪২ কোটি ১৮ লাখ ডলার, সেপ্টেম্বরে ২৬৮ কোটি ৫৫ লাখ ডলার, অক্টোবরে ২৫৬ কোটি ২৪ লাখ ডলার এবং নভেম্বরে ২৮৮ কোটি ৯৭ লাখ ডলার।

এ ছাড়া ডিসেম্বরে আসে ৩২২ কোটি ৩৬ লাখ ডলার, জানুয়ারিতে ৩১৭ কোটি ১৬ লাখ ডলার, ফেব্রুয়ারিতে ৩০২ কোটি ডলার, মার্চে ৩৭৫ কোটি ২২ লাখ ডলার এবং এপ্রিল মাসে আসে ৩১২ কোটি ৭৩ লাখ ডলার রেমিট্যান্স।

ডলারের অবমূল্যায়নে ঋণ পরিশোধ হচ্ছে না : মাসরুর রিয়াজ | কালের কণ্ঠ