• ই-পেপার

পোশাকখাত সংশ্লিষ্টদের অভিমত

টিকে থাকতে পোশাক শিল্পে এখনই তিন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা জরুরি

বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার

অনলাইন ডেস্ক
বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার
সংগৃহীত ছবি

বিশ্ব অর্থনীতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ব্যবসা-বাণিজ্য ক্রমাগত বিস্তৃত হচ্ছে। এই বর্ধিত বাণিজ্যিক লেনদেনকে সচল রাখতে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে বিভিন্ন দেশের মুদ্রার বিনিময় হার ও এর প্রয়োজনিয়তা।

লেনদেনের সুবিধার্থে বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যানুযায়ী বিভিন্ন দেশের মুদ্রার সঙ্গে বাংলাদেশি টাকার মঙ্গলবার (২৬ মে, ২০২৬) বিনিময় হার—

মুদ্রার নাম বাংলাদেশি টাকা

ইউএস ডলার : ১২২ টাকা ৭৫ পয়সা
ইউরো : ১৪২ টাকা ৪১ পয়সা
পাউন্ড : ১৬৪ টাকা ৮১ পয়সা
ভারতীয় রুপি : ১ টাকা ২৮ পয়সা
মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত : ৩০ টাকা ৯৫ পয়সা
সিঙ্গাপুরি ডলার : ৯৫ টাকা ৮৬ পয়সা
সৌদি রিয়াল : ৩২ টাকা ৭০ পয়সা
কুয়েতি দিনার : ৩৯৬ টাকা ৭২ পয়সা
অস্ট্রেলিয়ান ডলার : ৮৭ টাকা ৪৪ পয়সা

*মুদ্রার বিনিময়হার পরিবর্তন হতে পারে।

প্রসঙ্গত, বিভিন্ন দেশে বসবাসরত প্রবাসীরা নিয়মিত বৈদেশিক মুদ্রা পাঠাচ্ছেন।

বিজিএমইএ

৯৯.৫৮ শতাংশ পোশাক কারখানা ঈদ বোনাস দিয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক
৯৯.৫৮ শতাংশ পোশাক কারখানা ঈদ বোনাস দিয়েছে
ফাইল ছবি

দেশের ৯৯ দশমিক ৫৮ শতাংশ পোশাক কারখানা ঈদুল আজহার বোনাস দিয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ)। আজ মঙ্গলবার বিজিএমইএ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তি থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

বিজিএমইএ জানিয়েছে, ঢাকা ও চট্টগ্রামে ২ হাজার ১৩৩টি চালু কারখানার মধ্যে ২ হাজার ১২৫টি পোশাক কারখানা ঈদ বোনাস পরিশোধ করেছে। যা  ৯৯ দশমিক ৫৮ শতাংশ। এর মধ্যে রয়েছে ঢাকার ১ হাজার ৭৯০টি ও চট্টগ্রামের ৩৩৫টি কারখানা।

এ ছাড়া প্রায় শতভাগ কারখানা এপ্রিল মাসের বেতন পরিশোধ করেছে বলে জানিয়েছে বিজিএমইএ। বলছে, এপ্রিলের বেতন পরিশোধ করেছে ২ হাজার ১২৮টি কারখানা, যা শতকরা ৯৯ দশমিক ৭২ শতাংশ। এর মধ্যে রয়েছে ঢাকার ১ হাজার ৭৯০টি ও চট্টগ্রামের ৩৩৮টি কারখানা।

বিজিএমইএ-এর দাবি, মে মাসের অগ্রিম বেতন পরিশোধ করবে মোট ২ হাজার ২৩টি কারখানা, যা ৯৪ দশমিক ৮০ শতাংশ।

আজ যেসব এলাকায় সীমিত পরিসরে খোলা আছে কিছু ব্যাংক

অনলাইন ডেস্ক
আজ যেসব এলাকায় সীমিত পরিসরে খোলা আছে কিছু ব্যাংক

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে ২৫ থেকে ৩১ মে পর্যন্ত টানা সাত দিনের ব্যাংক ছুটি থাকলেও বিশেষ প্রয়োজনে মঙ্গলবার (২৬ মে) দেশের কিছু ব্যাংক শাখা সীমিত পরিসরে খোলা রাখা হয়েছে। তৈরি পোশাক শিল্পের শ্রমিকদের বেতন-ভাতা পরিশোধ ও আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম সচল রাখতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী, খোলা থাকা শাখাগুলোতে অফিস কার্যক্রম চলবে সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত। তবে গ্রাহক লেনদেন করা যাবে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত।

১৮ মে বাংলাদেশ ব্যাংকের এসডিএডি বিভাগের জারি করা সার্কুলারে বলা হয়, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ঘোষিত ছুটির ধারাবাহিকতায় ব্যাংকগুলো ২৫ থেকে ৩১ মে বন্ধ থাকবে। তবে পোশাক খাতের শ্রমিকদের বেতন, বোনাস ও ভাতা পরিশোধ নিশ্চিত করতে বিশেষ ব্যবস্থায় সীমিত ব্যাংকিং কার্যক্রম চালু রাখা হয়েছে।

সার্কুলার অনুযায়ী, ঢাকা, আশুলিয়া, গাজীপুর, সাভার, টঙ্গী, নারায়ণগঞ্জ, ভালুকা ও চট্টগ্রামের পোশাক শিল্পসংশ্লিষ্ট ব্যাংক শাখাগুলো ২৫ ও ২৬ মে সীমিত কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

এ ছাড়া সমুদ্র, স্থল ও বিমানবন্দর এলাকার ব্যাংক শাখা, উপশাখা ও বুথগুলো ঈদের সময়ও ২৪ ঘণ্টা সেবা চালু রাখবে। আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমও ঈদের দিন ছাড়া সীমিতভাবে চালু থাকবে।

নির্দেশনায় আরো বলা হয়েছে, ছুটির দিনে দায়িত্ব পালনকারী ব্যাংক কর্মকর্তারা নিয়ম অনুযায়ী ভাতা পাবেন।

দাম বাড়ার পর আজ সোনার ভরি কত?

অনলাইন ডেস্ক
দাম বাড়ার পর আজ সোনার ভরি কত?

ঈদের আগে বেড়েছে সোনার দাম। ভরিপ্রতি ২ হাজার ১৫৮ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩৮ হাজার ১২১ টাকা। আজ মঙ্গলবার (২৬ মে) নতুন এই দামে বিক্রি হচ্ছে সোনা।

গতকাল সোমবার (২৫ মে) সকাল ১০টা থেকেই এই দাম কার্যকর হয়েছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়। 

বিজ্ঞপ্তি বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার (পিওর গোল্ড) মূল্য বেড়েছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতিভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের সোনার দাম পড়বে ২ লাখ ৩৮ হাজার ১২১ টাকা। ২১ ক্যারেটের প্রতিভরি ২ লাখ ২৭ হাজার ৩৩১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতিভরি ১ লাখ ৯৪ হাজার ৮৪৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতিভরি সোনার দাম ১ লাখ ৫৮ হাজার ৬৮৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এর আগে গত শনিবার ভরিতে সোনার দাম ২ হাজার ১৫৮ টাকা কমিয়েছিল বাজুস।

টিকে থাকতে পোশাক শিল্পে এখনই তিন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা জরুরি | কালের কণ্ঠ