• ই-পেপার

১ বছরে ডলারের বিপরীতে টাকার মান কমেছে ১০ শতাংশের বেশি

দেশের রিজার্ভ আরো বাড়ল

নিজস্ব প্রতিবেদক
দেশের রিজার্ভ আরো বাড়ল
সংগৃহীত ছবি

দেশের মোট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে এখন ৩৫ হাজার ৭৯৮ দশমিক ১১ মিলিয়ন বা ৩৫ দশমিক ৭৯ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। মঙ্গলবার (২৩ জুন) বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য জানিয়েছেন।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সবশেষ তথ্যানুযায়ী, ২৩ জুন পর্যন্ত দেশের গ্রস রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩৫ হাজার ৭৯৮ দশমিক ১১ মিলিয়ন ডলার। আর আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাব পদ্ধতি বিপিএম-৬ অনুযায়ী রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩১ হাজার ২৪৪ দশমিক ২২ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে।

এর আগে গত ২২ জুন পর্যন্ত দেশের গ্রস রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৩৫ হাজার ৭৩৬ দশমিক ৬১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। আর বিপিএম-৬ পদ্ধতিত রিজার্ভ ছিল ৩১ হাজার ১৮১ দশমিক ০৬ মিলিয়ন ডলার।
 
নিট রিজার্ভ গণনা করা হয় আইএমএফের বিপিএম-৬ পরিমাপ অনুসারে। মোট রিজার্ভ থেকে স্বল্পমেয়াদি দায় বিয়োগ করলে নিট বা প্রকৃত রিজার্ভের পরিমাণ পাওয়া যায়।

বিশ্ববাজারে সোনা-রুপার দামে বড় পতন

অনলাইন ডেস্ক
বিশ্ববাজারে সোনা-রুপার দামে বড় পতন
সংগৃহীত ছবি

আন্তর্জাতিক বাজারে মার্কিন ডলারের দাম বেড়ে এক বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ চূড়ায় পৌঁছেছে। যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভ (ফেড) মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সুদের হার বাড়াতে পারে—এমন আভাসে বিনিয়োগকারীদের মাঝে ডলার কেনার হিড়িক পড়েছে। আর ডলারের এই রেকর্ড লাফের কারণে বিশ্ববাজারে বড় পতন হয়েছে মূল্যবান ধাতু সোনার দামে। মঙ্গলবার (২৩ জুন) আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দাম প্রায় ২ শতাংশ কমে গেছে।

বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, স্পট মার্কেটে প্রতি আউন্স (১ আউন্স = ২.৪৩ ভরি) সোনার দাম ১.৮ শতাংশ কমে ৪ হাজার ১১৬.০৭ মার্কিন ডলারে নেমে আসে। এর আগে দিনের শুরুতে দাম কমে ৪ হাজার ৯০.২৭ ডলারে ঠেকেছিল, যা গত ১১ জুনের পর সর্বনিম্ন। অন্যদিকে, মার্কিন সোনার ফিউচার বা চুক্তি মূল্য ১.৬ শতাংশ কমে আউন্স প্রতি ৪ হাজার ১৩৩.৭০ ডলারে দাঁড়িয়েছে।

খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ইরান যুদ্ধের কারণে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় বড় ধরনের মূল্যস্ফীতির চাপ তৈরি হয়েছে। এটি সামাল দিতে ফেডারেল রিজার্ভ কঠোর আর্থিক নীতি নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। এর ফলে সোমবার সুইজারল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার শান্তি আলোচনার পর তেলের দাম কিছুটা কমে যাওয়ার যে ইতিবাচক প্রভাব সোনার ওপর পড়ার কথা ছিল, তা প্রায় ভেস্তে গেছে।

যুক্তরাজ্যভিত্তিক অনলাইন ব্রোকারেজ প্রতিষ্ঠান ‘অ্যাক্টিভট্রেডস’-এর বিশ্লেষক রিকার্ডো ইভাঞ্জেলিস্তা বলেন, ফেডের সুদের হার বাড়ানোর ইঙ্গিতে ডলারের বাজার চাঙ্গা হয়েছে, যা সোনার দামের ওপর বড় ধরনের চাপ তৈরি করছে। মাঝারি থেকে দীর্ঘমেয়াদে সোনার বাজার কেমন যাবে, তা মূলত মার্কিন ডলারের শক্তি ও ফেডের মুদ্রানীতির ওপরই নির্ভর করবে।

গত সপ্তাহে ফেডারেল রিজার্ভের নীতি-নির্ধারকদের প্রায় অর্ধেকই চলতি বছর সুদের হার বাড়ানোর পক্ষে মত দেন। এরপরই মার্কিন ডলারের সূচক গত বছরের মে মাসের পর সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছায়। ‘সিএমই ফেডওয়াচ টুল’-এর তথ্য অনুযায়ী, আগামী সেপ্টেম্বরে সুদের হার বৃদ্ধির সম্ভাবনা গত সপ্তাহের ২৯ শতাংশ থেকে লাফিয়ে এখন ৬৮ শতাংশে উন্নীত হয়েছে।

এদিকে মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে, তা বুঝতে বিনিয়োগকারীরা এখন চলতি সপ্তাহের শেষে প্রকাশ পেতে যাওয়া যুক্তরাষ্ট্রের ‘পার্সোনাল কনজাম্পশন এক্সপেন্ডিচার্স’ (পিসিই) বা ব্যক্তিগত ভোগ ব্যয় সূচকের দিকে তাকিয়ে আছেন। ফেড মূলত এই সূচক দেখেই মূল্যস্ফীতি পরিমাপ করে।

স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের বিশ্লেষক সুকি কুপার এক নোটে জানিয়েছেন, ইরান শান্তি চুক্তির পর বিনিয়োগকারীরা আশা করেছিলেন সোনার দাম আউন্স প্রতি চার হাজার ডলারের ঘরে স্থিতিশীল থাকবে। কিন্তু পরিস্থিতি এখন উল্টো। বাজারে এখন সোনার দাম একটু বাড়লেই বিনিয়োগকারীরা তা বিক্রি করে মুনাফা তুলে নেওয়ার নীতি নিয়েছেন।

জার্মানিভিত্তিক ডয়চে ব্যাংকের বিশ্লেষক মাইকেল হুসুয়েহ জানিয়েছেন, ফেড যদি সুদের হার আর না বাড়ায়, তবে বছরের শেষ প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর) সোনার দাম আউন্স প্রতি ৪ হাজার ৮০০ ডলারে উঠতে পারে। তবে ফেড যদি ৩ থেকে ৪ বার সুদের হার বাড়ায়, তবে সোনার দাম কমে ৩ হাজার ৮০০ ডলারে নেমে যাওয়ার বড় ঝুঁকি রয়েছে।

ডলারের এই জয়রথের কারণে সোনার পাশাপাশি অন্যান্য ধাতুর দামেও ধস নেমেছে। আন্তর্জাতিক বাজারে রুপার দাম ৪.৪ শতাংশ কমে আউন্স প্রতি ৬২.৩৪ ডলারে নেমেছে। এছাড়া প্লাটিনামের দাম ২.৫ শতাংশ কমে ১ হাজার ৬৩৭.৩৯ ডলার এবং প্যালাডিয়ামের দাম ১.৩ শতাংশ কমে ১ হাজার ২৪৯.১৩ ডলারে দাঁড়িয়েছে।

দেশের বাজারে ভ্যাটসহ প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়ছে ২ লাখ ৩০ হাজার ৭৭২ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২০ হাজার ৩৯১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮৯ হাজার ২৪৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণ ১ লাখ ৫৪ হাজার ৬০৬ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে।

এদিকে বর্তমানে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ৫ হাজার ২৪৯ টাকায়। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ১৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ২৫৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপা ৩ হাজার ২০৮ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে।

৫০-১৫০ বিলিয়ন ডলার রপ্তানির স্বপ্ন দেখছেন বাণিজ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
৫০-১৫০ বিলিয়ন ডলার রপ্তানির স্বপ্ন দেখছেন বাণিজ্যমন্ত্রী

দেশের রপ্তানি আয়ের নতুন দিগন্ত উন্মোচনের সম্ভাবনা দেখছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তার মতে, সম্ভাবনাময় মাত্র পাঁচ থেকে সাতটি খাতকে পরিকল্পিতভাবে এগিয়ে নিতে পারলে বর্তমান ৫০ থেকে ৫৫ বিলিয়ন ডলারের রপ্তানি আয় আগামী দিনে ১৫০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করা সম্ভব।

আজ মঙ্গলবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ‘বাংলাদেশের সম্ভাবনাময় বেসরকারি খাতগুলোর প্রতিযোগিতা সক্ষমতা মূল্যায়ন গবেষণা’ শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন। কর্মশালায় গবেষণার ভিত্তিতে প্রস্তাবিত একটি বৃহৎ প্রকল্পের উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) উপস্থাপন ও অংশীজনদের মতামত গ্রহণ করা হয়।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ইতিমধ্যে স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) মর্যাদা থেকে উত্তরণের সব শর্ত পূরণ করেছে। এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো উত্তরণ-পরবর্তী বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা এবং রপ্তানি বাজারে শক্ত অবস্থান তৈরি করা। এ জন্য শিল্প খাতে দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা, গবেষণা ও উদ্ভাবনে বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং প্রযুক্তির সঙ্গে দ্রুত অভিযোজনের বিকল্প নেই।

তিনি বলেন, ‌‘পাঁচ-সাতটি খাতকে কেন্দ্র করে যদি আমরা সুনির্দিষ্ট কৌশল গ্রহণ করতে পারি, তাহলে দেশের রপ্তানি অর্থনীতিতে আমূল পরিবর্তন আসতে পারে।’

বাণিজ্যমন্ত্রী বিশেষভাবে চামড়া, লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং ও পাটভিত্তিক শিল্পের সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন। তিনি জানান, চামড়া ও লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং খাতে ইতিমধ্যে গড়ে ওঠা অবকাঠামোকে আন্তর্জাতিক মানের দক্ষতা উন্নয়ন কেন্দ্রে রূপান্তরের পরিকল্পনা রয়েছে। এসব কেন্দ্র আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে পরিচালিত হলে দেশীয় শিল্পের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়বে।

পাট খাতের বিষয়ে তিনি বলেন, শুধু কাঁচা পাট রপ্তানির পরিবর্তে মূল্য সংযোজিত পাটপণ্য ও জুট ফ্যাব্রিক উৎপাদনে জোর দিলে আয় কয়েক গুণ বাড়ানো সম্ভব। এ লক্ষ্যে গবেষণা ও প্রযুক্তি উন্নয়নে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে চীনের সঙ্গে যৌথ গবেষণা ও উদ্ভাবনী কার্যক্রমের পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।

সরকার, বেসরকারি খাত ও একাডেমিয়ার মধ্যে কার্যকর অংশীদারি গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করে মন্ত্রী বলেন, উন্নত দেশগুলোর অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রতিটি ধাপে ফলাফল মূল্যায়নের ব্যবস্থা থাকতে হবে। একই সঙ্গে দীর্ঘসূত্রিতা কাটিয়ে সময়মতো প্রকল্প বাস্তবায়ন নিশ্চিত করাও জরুরি।

কর্মশালায় সভাপতির বক্তব্যে বাণিজ্য সচিব মো. আতাউর রহমান খান জানান, এলডিসি উত্তরণ-পরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা এবং দেশের রপ্তানি সক্ষমতা বাড়াতে প্রায় তিন হাজার কোটি টাকার একটি সমন্বিত প্রকল্প নেওয়ার উদ্যোগ চলছে। প্রকল্পটির দ্বিতীয় পর্যায়ে বিভিন্ন শিল্পখাতের উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ী সংগঠনের মতামতের ভিত্তিতে খাতভিত্তিক কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হবে।

তিনি বলেন, রপ্তানি খাতের পুনরুদ্ধার, পুনর্গঠন ও সক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়গুলোকে জাতীয় বাজেটের অগ্রাধিকারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। ব্যবসা সহজীকরণ, ডিজিটালাইজেশন, নীতিগত সহায়তা এবং প্রক্রিয়া সরলীকরণের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে।

বাণিজ্য সচিব জানান, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে এবং প্রয়োজনে রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি)-কে বাস্তবায়নকারী সংস্থা হিসেবে সম্পৃক্ত করে প্রকল্পটি পরিচালনার বিষয় বিবেচনা করা হচ্ছে। সরকারি ও বেসরকারি খাতের যৌথ অংশীদারির মাধ্যমে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে দেশের রপ্তানি প্রবৃদ্ধি নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

কর্মশালায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ড. মোহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক। এ ছাড়া বক্তব্য দেন সেখ মোহাম্মদ আব্দুর রহমান এবং হোসনা ফেরদৌস সুমি। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শিল্পখাতের প্রতিনিধি, ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতা, নীতিনির্ধারক ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অংশ নেন।
 

নগদ অর্থের ব্যবহার কমাতে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সহায়তা চান গভর্নর

বাসস
নগদ অর্থের ব্যবহার কমাতে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সহায়তা চান গভর্নর
সংগৃহীত ছবি

দেশের অর্থনীতিতে নগদ অর্থের ব্যবহার কমানো, আর্থিক লেনদেনে স্বচ্ছতা বৃদ্ধি এবং ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থার সুবিধা প্রান্তিক পর্যায়ের গ্রাহকদের কাছে পৌঁছে দিতে বাংলা কিউআরের ব্যবহার সম্প্রসারণে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সহায়তা চাইলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান।

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরকে আহ্বায়ক করে গঠিত বাংলা কিউআরের ব্যবহার সম্প্রসারণে গঠিত স্টিয়ারিং কমিটির প্রথম বৈঠকে তিনি এ সহায়তা চান। গতকাল সোমবার বিকেল সাড়ে ৩টায় বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।

এতে বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিসহ স্টিয়ারিং কমিটির সদস্য, বাণিজ্যিক ব্যাংকসমূহের প্রতিনিধি এবং মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর বাংলা কিউআরের মাধ্যমে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সরকারি প্রতিষ্ঠানের ফি, চার্জ এবং অন্যান্য অর্থ পরিশোধের ব্যবস্থা চালুর ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে দেশে ডিজিটাল লেনদেনের প্রসার এবং বাংলা কিউআরকে জনপ্রিয় করতে সংশ্লিষ্ট সকল মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতা চান।

তিনি বলেন, বাংলা কিউআরের ব্যাপক ব্যবহার নিশ্চিত করা গেলে নগদ অর্থের ওপর নির্ভরতা কমবে। লেনদেন আরও সহজ, দ্রুত ও নিরাপদ হবে এবং আর্থিক অন্তর্ভুক্তি জোরদার হবে।

এসময় বৈঠকে উপস্থিত বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, ব্যাংক ও এমএফএস প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা বাংলা কিউআরের প্রসার ও বাস্তবায়নে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন, সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে বাংলা কিউআরের ব্যবহার বৃদ্ধি পেলে দেশের ডিজিটাল পেমেন্ট ইকোসিস্টেম আরও শক্তিশালী হবে এবং স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

১ বছরে ডলারের বিপরীতে টাকার মান কমেছে ১০ শতাংশের বেশি | কালের কণ্ঠ