• ই-পেপার

২০২৫ সালের আগেই ঢাকা বৈদ্যুতিক তারমুক্ত হবে

খুচরা ব্যবসায়ীদের জন্য সুখবর আসছে

অনলাইন ডেস্ক
খুচরা ব্যবসায়ীদের জন্য সুখবর আসছে

খুচরা ব্যবসায়ীদের তীব্র বিরোধিতা এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (এসএমই) খাতে নেতিবাচক প্রভাবের আশঙ্কায় ক্ষুদ্র ব্যবসার ওপর নির্দিষ্ট হারে মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) বা বহুল আলোচিত ‘প্যাকেজ ভ্যাট’ আরোপের প্রস্তাব থেকে সরে এসেছে সরকার।

একই সঙ্গে তামাক খাতে প্রস্তাবিত কয়েকটি কর বৃদ্ধির পদক্ষেপও শিথিল করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর ফলে আমদানি পর্যায়ে নিকোটিন পাউচের ওপর সম্পূরক শুল্ক বিদ্যমান ৩৫ শতাংশই বহাল থাকতে পারে। এ ছাড়া প্রচলিত সিগারেট উৎপাদনে ব্যবহৃত আমদানিকৃত কাঁচামালের ওপর প্রস্তাবিত কর বৃদ্ধিও প্রত্যাহার করা হচ্ছে।

বর্তমানে বছরে ৫০ লাখ টাকা বা তার বেশি টার্নওভার রয়েছে এমন খুচরা ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানকে ভ্যাট নিবন্ধন নিতে হয়। এর নিচে থাকা প্রতিষ্ঠানগুলো ভ্যাটের আওতার বাইরে। তবে নতুন বাজেট প্রস্তাবে চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে টার্নওভারের পরিমাণ নির্বিশেষে সব খুচরা ব্যবসাকে ভ্যাট নিবন্ধনের আওতায় আনার কথা বলা হয়েছিল।

এ প্রস্তাব প্রকাশের পর ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের মধ্যে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ে। তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেন, এতে পরিচালন ব্যয় বৃদ্ধি পাবে এবং ভ্যাট কর্মকর্তাদের হয়রানির ঝুঁকি বাড়বে। 

সরকারি সূত্রের বরাতে বাংলাদেশ প্রতিদিন এক প্রতিবেদনে জানায়, অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী অর্থ বিলটি আজ অর্থ আইন হিসেবে পাস হওয়ার আগেই সংশ্লিষ্ট বিধান বাদ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। একজন জ্যেষ্ঠ সরকারি কর্মকর্তা জানান, প্রস্তাবটি বাস্তবায়নে জটিলতা তৈরি হতে পারে। পাশাপাশি অনেক মাঝারি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান সাধারণ ভ্যাটব্যবস্থার পরিবর্তে প্যাকেজ ভ্যাটব্যবস্থার আওতায় আসার চেষ্টা করতে পারে। এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়েই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা হয়েছে। অতীতে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য কর পরিশোধ সহজ করতে প্যাকেজ ভ্যাটব্যবস্থা চালু করা হয়েছিল। পরে ভ্যাট ও সম্পূরক শুল্ক আইন-২০১২ অনুযায়ী স্বয়ংক্রিয় ভ্যাটব্যবস্থা চালুর পর তা বাতিল করা হয়। 

এদিকে বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি ক্ষুদ্র ও অতি ক্ষুদ্র ব্যবসাকে ভ্যাটের আওতার বাইরে রাখার দাবি জানিয়েছে। এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটি জানায়, ক্ষুদ্র ব্যবসাকে ভ্যাটব্যবস্থার আওতায় আনা হলে হাজারো ব্যবসায়ী অপ্রয়োজনীয় হয়রানির শিকার হবেন এবং এসএমই খাতে অস্থিরতা সৃষ্টি হবে। 

সংগঠনের সভাপতি মো. হেলাল উদ্দিন বলেন, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীর অধিকাংশেরই ভোক্তাদের কাছ থেকে ভ্যাট আদায়ের সক্ষমতা নেই। 
দোকান মালিক সমিতির তথ্যানুযায়ী, বর্তমানে প্রায় ৭ লাখ ৭৫ হাজার প্রতিষ্ঠান ভ্যাট নিবন্ধনের আওতায় রয়েছে। গত অর্থবছরে আদায়কৃত ১ লাখ ৪২ হাজার কোটি টাকার ভ্যাটের প্রায় ৬০ শতাংশ এসেছে বৃহৎ করদাতা ইউনিটের (এলটিইউ) আওতাধীন মাত্র ১০৯টি প্রতিষ্ঠান থেকে। সংগঠনটি এনবিআরের প্রতি ভ্যাট অটোমেশন কার্যক্রম দ্রুত বাস্তবায়ন, প্রকৃত করদাতার সংখ্যা বৃদ্ধি এবং বড় ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের ওপর নজরদারি জোরদারের আহ্বান জানিয়েছে। অন্যদিকে ভূমির মালিকদের জন্য মূলধনি মুনাফা কর (গেইন ট্যাক্স) প্রস্তাবিত ১৫ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশে নামিয়ে আনার বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে।

ধারাবাহিকভাবে কমছে রপ্তানি

ইইউর বাজারে তৈরি পোশাকের চাহিদা কমছে

অনলাইন ডেস্ক
ধারাবাহিকভাবে কমছে রপ্তানি

ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) দেশগুলোতে তৈরি পোশাকের চাহিদা কমতে থাকায় বড় ধরনের সংকটে পড়েছে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি খাত। বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দা ও মূল্যস্ফীতির কারণে ইউরোপের ক্রেতারা পোশাক কেনা কমিয়ে দেওয়ায় ধারাবাহিকভাবে কমছে দেশের পোশাক রপ্তানি আয়।

চলতি ২০২৬ সালের প্রথম চার মাসেই (জানুয়ারি-এপ্রিল) ইইউর বাজারে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি আয় কমেছে প্রায় সাড়ে ১৯ শতাংশ। শুধু রপ্তানির পরিমাণই কমেনি, সেই সঙ্গে কমেছে বাংলাদেশি পোশাকের গড় মূল্যও। ইউরোপের বাজারে মন্দার কারণে চীন, তুরস্ক, ভারত কিংবা ভিয়েতনামের মতো প্রতিযোগী দেশগুলোও নেতিবাচক প্রবৃদ্ধির মুখোমুখি হয়েছে। তবে প্রধান প্রতিযোগী দেশগুলোর তুলনায় বাংলাদেশের পতনের হার সবচেয়ে বেশি। ইউরোপীয় ইউনিয়নের পরিসংখ্যান সংস্থা ইউরোস্ট্যাটের সাম্প্রতিক প্রকাশিত তথ্য বিশ্লেষণ করে এ চিত্র পাওয়া গেছে বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে বাংলাদেশ প্রতিদিন।

ইউরোস্ট্যাটের তথ্য অনুযায়ী, চলতি জানুয়ারি-এপ্রিল সময়ে ইইউ ২৭ দশমিক ৭৭ বিলিয়ন ইউরোর পোশাক আমদানি করেছে। আগের বছরের একই সময়ের ছিল প্রায় ৩১ বিলিয়ন ইউরো। একই সময়ে বাংলাদেশ থেকে আমদানি কমে নেমে এসেছে ৭ দশমিক ৫৪ বিলিয়ন ইউরো থেকে প্রায় ৬ দশমিক ০৯ বিলিয়ন ইউরোতে। এপ্রিল মাসের চিত্রও উদ্বেগজনক। ২০২৫ সালের এপ্রিলের ১ দশমিক ৮৬ বিলিয়ন ইউরোর বিপরীতে ২০২৬ সালের এপ্রিলে বাংলাদেশ থেকে ইইউর পোশাক আমদানি দাঁড়িয়েছে ১ দশমিক ৪৯ বিলিয়ন ইউরোতে, যা ১৯ দশমিক ৫৩ শতাংশ কম। অন্যদিকে ইইউর সবচেয়ে বড় সরবরাহকারী দেশ চীন এপ্রিলে ৮ দশমিক ০৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করলেও জানুয়ারি-এপ্রিল সময়ে তাদের রপ্তানি কমেছে ৪ দশমিক ৭০ শতাংশ।

পরিমাণের দিক থেকেও বাংলাদেশ পিছিয়ে পড়েছে। জানুয়ারি-এপ্রিল সময়ে ইইউ বাংলাদেশ থেকে ৪৩৫ দশমিক ৯৭ মিলিয়ন কেজি পোশাক আমদানি করেছে, যা এক বছর আগে ছিল ৪৮৩ দশমিক ৯৩ মিলিয়ন কেজি। এ হিসাবে পরিমাণগত রপ্তানি কমেছে ৯ দশমিক ৯১ শতাংশ।

এ ছাড়া বাংলাদেশি পোশাকের গড় ইউনিট মূল্য জানুয়ারি-এপ্রিল সময়ে প্রতি কেজিতে ১৫ দশমিক ৫৯ ইউরো থেকে কমে ১৩ দশমিক ৯৬ ইউরোতে নেমেছে। ফলে ইউনিট মূল্যে পতন হয়েছে ১০ দশমিক ৪৫ শতাংশ। একই সময়ে চীনের ইউনিট মূল্য ৭ দশমিক ৭০ শতাংশ কমলেও ভিয়েতনামের ইউনিট মূল্য ৬ দশমিক ৯০ শতাংশ বেড়েছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, গ্যাস-বিদ্যুতের সংকট এবং উৎপাদন খরচ বৃদ্ধির কারণে দেশের তৈরি পোশাক খাত যখন এমনিতেই চাপের মধ্যে রয়েছে, তখন প্রধান বাজারে এ ধারাবাহিক পতন নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে। বাজারে টিকে থাকতে বাংলাদেশ যেখানে পোশাকের দাম কমাতে বাধ্য হচ্ছে, সেখানে ভিয়েতনাম বা তুরস্কের মতো প্রতিযোগী দেশগুলো পণ্যের ইউনিট মূল্য বাড়িয়ে ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে।

বাংলাদেশ গার্মেন্ট বায়িং হাউস অ্যাসোসিয়েশনের (বিজিবিএ) উপদেষ্টা মোহাম্মদ মফিজ উল্লাহ বাবলু বলেন, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক ধীরগতি, ক্রেতাদের সতর্ক ক্রয়নীতি, উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি, জ্বালানি সংকট এবং প্রতিযোগী দেশগুলোর আগ্রাসি বাজার কৌশল ও সর্বোপরি নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের সিদ্ধান্তের ধীরগতির কারণে পোশাক খাত এ সমস্যায় পড়ছে। তিনি বলেন, চ্যালেঞ্জ যতই বড় হোক, বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতের সম্ভাবনা এখনো শক্তিশালী। শুধু কম দামে উৎপাদনের ওপর নির্ভর না করে উচ্চমূল্যের পণ্য, প্রযুক্তিনির্ভর উৎপাদন, কৃত্রিম তন্তুভিত্তিক পোশাক এবং নতুন বাজারে প্রবেশের মাধ্যমে প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়াতে হবে।

রেমিট্যান্সে সুবাতাস, জুনের ২৭ দিনে এলো ২৪৫ কোটি ডলার

নিজস্ব প্রতিবেদক
রেমিট্যান্সে সুবাতাস, জুনের ২৭ দিনে এলো ২৪৫ কোটি ডলার
সংগৃহীত ছবি

চলতি মাসের প্রথম ২৭ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ২৪৫ কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলার। এই হিসাবে প্রতিদিন গড়ে দেশে এসেছে ৯ কোটি ০৮ লাখ ডলার রেমিট্যান্স। রবিবার (২৮ জুন) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, চলতি জুন মাসের প্রথম ২৭ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ২৪৫ কোটি ২০ লাখ ডলার। আর গত বছরের একই সময়ে এসেছিল ২৪৯ কোটি ৯০ লাখ ডলার। অর্থাৎ বছর ব্যবধানে রেমিট্যান্সপ্রবাহ কমেছে।

চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ২৭ জুন পর্যন্ত দেশে এসেছে ৩ হাজার ৫২০ কোটি ৯০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স। বছর ব্যবধানে যা বেড়েছে ১৭ দশমিক ৩০ শতাংশ।

এর আগে গত মে মাসে দেশে এসেছে মোট ৩৪২ কোটি ৫০ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। যা দেশের ইতিহাসে কোনো এক মাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ প্রবাস আয়।

গত এপ্রিলে দেশে এসেছিল ৩১২ কোটি ৭৩ লাখ মার্কিন ডলার। আর গত মার্চে দেশে এসেছিল ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। যা দেশের ইতিহাসে যেকোনো এক মাসের সর্বোচ্চ।

গত ফেব্রুয়ারি ও জানুয়ারি মাসে যথাক্রমে দেশে এসেছে ৩০২ কোটি ৭ লাখ ৬০ হাজার ও ৩১৭ কোটি ৯ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। গত ডিসেম্বরে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ৩২২ কোটি ৬৭ লাখ ডলার; নভেম্বরে এসেছিল ২৮৮ কোটি ৯৫ লাখ ২০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স।

এ ছাড়া গত অক্টোবর ও সেপ্টেম্বরে দেশে এসেছিল যথাক্রমে ২৫৬ কোটি ৩৪ লাখ ৮০ হাজার ও ২৬৮ কোটি ৫৮ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। আর গত আগস্ট ও জুলাইয়ে যথাক্রমে দেশে এসেছিল ২৪২ কোটি ১৮ লাখ ৯০ হাজার ও ২৪৭ কোটি ৮০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স।

এদিকে গত ২০২৪-২৫ অর্থবছরজুড়ে দেশে প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন ৩০ দশমিক ৩২ বিলিয়ন বা ৩ হাজার ৩২ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স, যা দেশের ইতিহাসে কোনো নির্দিষ্ট অর্থবছরে সর্বোচ্চ প্রবাস আয়ের রেকর্ড।

আজকের মুদ্রা বিনিময় হার

অনলাইন ডেস্ক
আজকের মুদ্রা বিনিময় হার
ছবি : রয়টার্স

বিশ্ব অর্থনীতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ব্যবসা-বাণিজ্য ক্রমাগত বিস্তৃত হচ্ছে। এই বর্ধিত বাণিজ্যিক লেনদেনকে সচল রাখতে ওঠানাম করছে বিভিন্ন দেশের মুদ্রার বিনিময় হার।

দেশীয় বাজারে মার্কিন ডলারসহ আন্তর্জাতিক প্রধান মুদ্রাগুলোর বিপরীতে বাংলাদেশি টাকার মান সাম্প্রতিক সময়ে কিছুটা ওঠানামা করছে। বাংলাদেশ ব্যাংক এবং দেশের বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর তথ্য অনুযায়ী আজকের (২৮ জুন ২০২৬) মুদ্রা বিনিময় হারের একটি সার্বিক চিত্র নিচে তুলে ধরা হলো—

মুদ্রার নাম বাংলাদেশি টাকা

ইউএস ডলার : ১২২ টাকা ৭৫ পয়সা
ইউরো : ১৩৯ টাকা ৭২ পয়সা
পাউন্ড : ১৬২ টাকা ০৪ পয়সা
কানাডিয়ান ডলার : ৮৬ টাকা ৪৭ পয়সা
অস্ট্রেলিয়ান ডলার : ৮৪ টাকা ৬৬ পয়সা
চাইনিজ ইয়েন : ১৮ টাকা ০৩ পয়সা
সিঙ্গাপুরি ডলার : ৯৪ টাকা ৭৮ পয়সা
ভারতীয় রুপি : ১ টাকা ৩০ পয়সা
মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত : ৩০ টাকা ০৯ পয়সা
সৌদি রিয়াল : ৩২ টাকা ৮৮ পয়সা
কাতারি রিয়াল : ৩৩ টাকা ৭৫ পয়সা
কুয়েতি দিনার : ৩৯৭ টাকা ২১ পয়সা
আরব আমিরাতের দিরহাম : ৩৩ টাকা ৫০ পয়সা

*মুদ্রার বিনিময় হার পরিবর্তন হতে পারে।

আর্থিক খাতের বিশ্লেষকদের মতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কঠোর মনিটরিং এবং প্রবাসী আয়ের (রেমিট্যান্স) প্রবাহ ইতিবাচক থাকায় খোলা বাজার ও অফিশিয়াল রেটের মধ্যকার ব্যবধান অনেকটাই কমে এসেছে। বিগত এক মাসে ডলারের গড় বিনিময় হার ১২২ টাকা ৭৫ পয়সা থেকে ১২৩ টাকার মধ্যে ওঠানামা করেছে, যা আমদানিকারক ও সাধারণ ব্যবসায়ীদের জন্য কিছুটা স্বস্তিদায়ক।

২০২৫ সালের আগেই ঢাকা বৈদ্যুতিক তারমুক্ত হবে | কালের কণ্ঠ