• ই-পেপার

চট্টগ্রাম বন্দরে চালু

বন্দরে পণ্যছাড়ে ডিজিটাইজেশন

  • অনলাইনে তথ্যাদি জমা, ডেলিভারি অর্ডার ও মাসুল পরিশোধ

দেশের বাজারে আজ সোনার ভরি কত?

অনলাইন ডেস্ক
দেশের বাজারে আজ সোনার ভরি কত?

দেশের বাজারে গত শনিবার সোনার দাম ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ওই দিন সকাল ১০টা থেকেই কার্যকর হয় নতুন এই দাম। এরপর সোনার দাম আর বাড়ে বা কমেনি। ফলে আজ সোমবারও ভরিপ্রতি ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনা ২ লাখ ২৬ হাজার ৩৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।   

বাজুস জানায়, দেশের বাজারে ভ্যাটসহ প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের সোনার দাম ২ লাখ ২৬ হাজার ৩৪০ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৬ হাজার ১৯২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮৫ হাজার ৬৯১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৫১ হাজার ৬৯০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এদিকে, দেশে অপরিবর্তিত রয়েছে রুপার দাম। বর্তমানে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ৫ হাজার ২৪৯ টাকায়। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ১৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ২৫৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপা ৩ হাজার ২০৮ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে।

বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার

অনলাইন ডেস্ক
বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার
সংগৃহীত ছবি

বিশ্ব অর্থনীতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ব্যবসা-বাণিজ্য ক্রমাগত বিস্তৃত হচ্ছে। এই বর্ধিত বাণিজ্যিক লেনদেনকে সচল রাখতে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে বিভিন্ন দেশের মুদ্রার বিনিময় হার এবং এর প্রয়োজনিয়তা।

লেনদেনের সুবিধার্থে বিভিন্ন দেশের মুদ্রার সঙ্গে বাংলাদেশি টাকার সোমবার (২২ জুন, ২০২৬) বিনিময় হার—

মুদ্রার নাম বাংলাদেশি টাকা

ইউএস ডলার : ১২২ টাকা ৭৫ পয়সা
ইউরো : ১৪০ টাকা ৭৬ পয়সা
পাউন্ড : ১৬২ টাকা ৪২ পয়সা
কানাডিয়ান ডলার : ৮৬ টাকা ৭০ পয়সা
চাইনিজ ইয়েন : ১৮ টাকা ০৯ পয়সা
ভারতীয় রুপি : ১ টাকা ৩০ পয়সা
মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত : ২৯ টাকা ৫৩ পয়সা
সিঙ্গাপুরি ডলার : ৯৪ টাকা ৯৪ পয়সা
সৌদি রিয়াল : ৩২ টাকা ৬৭ পয়সা
কাতারি রিয়াল : ৩৩ টাকা ৬৭ পয়সা
কুয়েতি দিনার : ৩৯৮ টাকা ১৬ পয়সা
অস্ট্রেলিয়ান ডলার : ৮৬ টাকা ০৬ পয়সা

*মুদ্রার বিনিময় হার পরিবর্তন হতে পারে।

প্রসঙ্গত, বিভিন্ন দেশে বসবাসরত প্রবাসীরা নিয়মিত বৈদেশিক মুদ্রা পাঠাচ্ছেন।

২০ দিনে রেমিট্যান্স এলো ১৯৫ কোটি ডলার

অনলাইন ডেস্ক
২০ দিনে রেমিট্যান্স এলো ১৯৫ কোটি ডলার

চলতি জুন মাসের প্রথম ২০ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ১৯৫ কোটি ৩৯ লাখ ৬০ হাজার ডলার। এর মধ্যে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৩৯ কোটি ৫৫ লাখ ৫০ হাজার ডলার। প্রতিদিন গড়ে দেশে এসেছে ৯ কোটি ৭৭ লাখ ডলার রেমিট্যান্স।

বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

এছাড়া বিশেষায়িত ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ৩৩ কোটি ৫৩ লাখ ১০ হাজার ডলার, বেসরকারি ব্যাংকের মাধ্যমে ১২১ কোটি ৮৮ লাখ ডলার ও বিদেশি খাতের ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৪২ লাখ ৯০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স।

এর আগে গত মে মাসে দেশে এসেছে মোট ৩৪২ কোটি ৫০ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। যা দেশের ইতিহাসে কোনো এক মাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ প্রবাসী আয়।

গত এপ্রিলে দেশে এসেছিল ৩১২ কোটি ৭৩ লাখ মার্কিন ডলার। আর গত মার্চে দেশে এসেছিল ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। যা দেশের ইতিহাসে যেকোনো এক মাসের সর্বোচ্চ।

গত ফেব্রুয়ারি ও জানুয়ারি মাসে যথাক্রমে দেশে এসেছে ৩০২ কোটি ৭ লাখ ৬০ হাজার ও ৩১৭ কোটি ৯ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। গত ডিসেম্বরে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ৩২২ কোটি ৬৭ লাখ ডলার; নভেম্বরে এসেছিল ২৮৮ কোটি ৯৫ লাখ ২০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স।

এছাড়া গত অক্টোবর ও সেপ্টেম্বরে দেশে এসেছিল যথাক্রমে ২৫৬ কোটি ৩৪ লাখ ৮০ হাজার ও ২৬৮ কোটি ৫৮ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। আর গত আগস্ট ও জুলাইয়ে যথাক্রমে দেশে এসেছিল ২৪২ কোটি ১৮ লাখ ৯০ হাজার ও ২৪৭ কোটি ৮০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স।

এদিকে, গত ২০২৪-২৫ অর্থবছর জুড়ে দেশে প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন ৩০ দশমিক ৩২ বিলিয়ন বা ৩ হাজার ৩২ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স, যা দেশের ইতিহাসে কোনো নির্দিষ্ট অর্থবছরে সর্বোচ্চ প্রবাসী আয়ের রেকর্ড।

নজর ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল অর্থনীতিতে

অনলাইন ডেস্ক
নজর ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল অর্থনীতিতে

বাংলাদেশ ২০২৪-২৫ অর্থবছরে মালয়েশিয়ায় ২৮৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে; বিপরীতে দেশটি থেকে আমদানি করেছে ২ হাজার ২৬০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার পণ্য। দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যে বাংলাদেশের ঘাটতির পরিমাণ প্রায় ১ হাজার ৯২২ মিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ বাংলাদেশ মালয়েশিয়ায় যা রপ্তানি করে তার চেয়ে প্রায় ২ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি পণ্য আমদানি করে। বিশাল এই বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে মালয়েশিয়ার হালাল অর্থনীতির অংশীদার হতে চাইছে বাংলাদেশ।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব আবদুর রহিম খান (রপ্তানি) বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান (আজ সোমবার) যখন মালয়েশীয় নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে বৈঠক করবেন, তখন অন্যান্য আলোচনার মধ্যে গুরুত্ব পাবে হালাল অর্থনীতিতে অংশীদারত্বের বিষয়টি।

সূত্রগুলো জানায়, দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রথম বিদেশ সফর হিসেবে মালয়েশিয়াকে বেছে নিয়েছেন। কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই সফরে দুই দেশের মধ্যে সাংস্কৃতিক সহযোগিতা, সন্ত্রাসবাদ, গবেষণা এবং বিনিয়োগ বৃদ্ধিসংক্রান্ত বেশ কয়েকটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) ও নোট অব এক্সচেঞ্জ সই হওয়ার কথা রয়েছে। তবে এসব ইস্যুর পাশাপাশি দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যিক ইস্যুগুলোও সমহারে গুরুত্ব পাচ্ছে। যেসব বাণিজ্যিক ইস্যু আলোচনায় থাকছে : বর্তমানে বৈশ্বিক হালাল বাজারের অন্যতম প্রধান নিয়ন্ত্রক মালয়েশিয়া। প্রতি বছর বিশ্বের বৃহত্তম হালাল পণ্যের প্রদর্শনী হয়ে থাকে কুয়ালালামপুরে।

বাংলাদেশ এই বিশাল আন্তর্জাতিক বাজারে নিজের অবস্থান দৃঢ় করতে মালয়েশিয়ার ‘হালাল ইকোসিস্টেম’ ও সার্টিফিকেশন প্রক্রিয়াকে কাজে লাগানোর পরিকল্পনা করছে। প্রধানমন্ত্রীর সফরে বিএসটিআই ও বাংলাদেশের ইসলামিক ফাউন্ডেশনের হালাল পণ্যের সার্টিফিকেশন কার্যক্রম আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে উন্নীত করতে দেশটির ডিপার্টমেন্ট অব ইসলামিক ডেভেলপমেন্টের (জাকিম) প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতা চাওয়া হবে। এ ছাড়া ঢাকার কাছাকাছি একটি ‘হালাল অর্থনৈতিক অঞ্চল’ প্রতিষ্ঠা এবং সেখানে যৌথ উদ্যোগে কৃষি-প্রক্রিয়াজাতকরণ ও মাংস রপ্তানিশিল্প গড়ে তোলার বিষয়েও আলোচনার কথা রয়েছে।

হালাল পণ্য উৎপাদনে মালয়েশীয় প্রতিষ্ঠানগুলো যেন প্রস্তাবিত ইকোনমিক জোনে সহজে কারখানা স্থাপন এবং উৎপাদন বাড়াতে পারে, সেজন্য বাংলাদেশ প্রয়োজনীয় সুযোগসুবিধা ও সহায়তা দিতে প্রস্তুত বলেও দেশটিকে জানানো হবে। সংশ্লিষ্টরা জানান, মালয়েশিয়ার বাণিজ্য উন্নয়ন সংস্থার (ম্যাটরেড) সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করে বাংলাদেশের হালাল খাদ্য, ওষুধ ও প্রসাধনসামগ্রী বৈশ্বিক সরবরাহ চেইনে যুক্ত করার বিষয়টিও উঠে আসবে দ্বিপক্ষীয় আলোচনায়। হালাল পণ্যের মান নিয়ন্ত্রণ, ল্যাবরেটরি টেস্টিং এবং এর বৈজ্ঞানিক দিকগুলো নিয়ে দুই দেশের গবেষকদের মধ্যে যৌথ গবেষণা কার্যক্রম জোরদার করার বিষয়েও আলোচনা হবে। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর এই সফরে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের ভারসাম্য রক্ষায় বাংলাদেশের তৈরি পোশাক ও ওষুধশিল্পের জন্য মালয়েশিয়ার বাজার উন্মুক্ত করা এবং বন্ধ থাকা শ্রমবাজার পুনরায় চালুর বিষয়ে জোর আলোচনা হবে।

এ ছাড়া এলডিসি থেকে উত্তরণের চ্যালেঞ্জ হিসেবে আঞ্চলিক অর্থনৈতিক জোট আরসিইপিতে বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে মালয়েশিয়ার সমর্থন চাওয়া হতে পারে। বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (বিএমসিসিআই) সদ্য বিদায়ি সভাপতি সাব্বির আহমেদ খান বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, বৈশ্বিক হালাল অর্থনীতির আকার বর্তমানে ৭ ট্রিলিয়ন বা ৭ লাখ মার্কিন ডলারেরও বেশি। খাদ্য ও প্রক্রিয়াজাত পণ্যের পাশাপাশি ইসলামিক ফাইন্যান্স, হালাল পর্যটন, কসমেটিকস এবং ফ্যাশন খাতের মতো বহুমুখী শিল্পে হালাল পণ্যের বাণিজ্য সম্প্রসারণ হচ্ছে। প্রায় ২০০ কোটি মুসলিম ভোক্তার ক্রমবর্ধমান চাহিদা ও ক্রয়ক্ষমতার কারণে ২০৩০ সালের মধ্যে এটি ১০ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছাবে বলে আশা করা হচ্ছে। আর দ্রুতবর্ধনশীল এই হালাল অর্থনীতিতে বাংলাদেশের অংশীদারি নিশ্চিত করার জন্য মালয়েশিয়ার সহযোগিতা জরুরি।

সূত্র: বাংলাদেশ প্রতিদিন

বন্দরে পণ্যছাড়ে ডিজিটাইজেশন | কালের কণ্ঠ