• ই-পেপার

ডা. জুবাইদা রহমানের জন্মদিন উদযাপনে রাজধানীতে অনাড়ম্বর আয়োজন

ইউনূসের বিচার দাবিতে নিষিদ্ধ আ. লীগের বিক্ষোভ, ককটেল বিস্ফোরণ

গ্রেপ্তার ৩

অনলাইন ডেস্ক
ইউনূসের বিচার দাবিতে নিষিদ্ধ আ. লীগের বিক্ষোভ, ককটেল বিস্ফোরণ
সংগৃহীত ছবি

সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস এবং স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নুরজাহান বেগমের শাস্তির দাবিতে রাজধানীতে ঝটিকা মিছিল হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে মহাখালীতে অনুষ্ঠিত এ বিক্ষোভ মিছিল থেকে একাধিক ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। মিছিল থেকে ৩ জনকে আটক করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মহাখালী টার্মিনালের মূল সড়কে কয়েকজন আওয়ামী লীগের ব্যানারে জড়ো হয়। তারা হামে শিশু মৃত্যুর দায়ে ড. ইউনূস ও নুরজাহানের বিচার দাবি করেন। এ সময় তাদের হাতে শেখ হাসিনার ছবি সংবলিত প্ল্যাকার্ড দেখা যায়।

মিছিল থেকে কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণেরও ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় তিনজনকে আটক করেছে তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানা পুলিশ।

আটকরা হলেন মিজানুর রহমান হাওলাদার (৪০), শামীম আর বেবি (৫০) ও শামীম হোসেন (৪৮)।

তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুর রহমান বলেন, আওয়ামী লীগের কয়েকজন মিছিল করেছে। তারা ৪-৫টি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। মিছিল থেকে তিনজনকে আটক করা হয়েছে।

জুবাইদা রহমান প্রধানমন্ত্রীর ছায়াসঙ্গী হিসেবে কাজ করে যাচ্ছেন : মঈন খান

অনলাইন ডেস্ক
জুবাইদা রহমান প্রধানমন্ত্রীর ছায়াসঙ্গী হিসেবে কাজ করে যাচ্ছেন : মঈন খান

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান বলেছেন, ডা. জুবাইদা রহমান আপন মেধায় এবং মননে উদ্ভাসিত এক মহীয়সী নারী।

ডা. জুবাইদা রহমান জন্মদিনের আড়ম্বরতা বা জাঁকজমক আয়োজন সমর্থন করেন না জানিয়ে মঈন খান আরো বলেন, আজকের এই জন্মদিনেও সেটাই প্রতিফলিত হয়েছে। জুবাইদা রহমান মেধাবী প্রজন্ম তৈরিতে সব সময়ই জ্ঞানভিত্তিক সমাজ নির্মাণ এবং রাষ্ট্র গঠনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ছায়াসঙ্গী হিসেবে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন।

বৃহস্পতিবার জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ডা. জুবাইদা রহমানের জন্মদিন উপলক্ষে আয়োজিত এক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন।

জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে দিনটি উপলক্ষে রাজধানীর মহাখালী টি অ্যান্ড টি মহিলা কলেজ মিলনায়তনে কোরআন খতম, শিশুদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা, বিনা মূল্যে ওষুধ বিতরণ, পথশিশুদের মধ্যে খাবার বিতরণ এবং গাছের চারা রোপণ করা হয়।

পরে ড. আব্দুল মঈন খান কলেজ মাঠে অতিথিদের সঙ্গে নিয়ে নিমগাছ রোপণ করেন। পথশিশুদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা কার্যক্রম উদ্বোধন করেন।

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের পরিচালক ডা. শাহ মুহাম্মদ আমান উল্লাহ, বিএনপির স্বাস্থ্যবিষয়ক সহ সম্পাদক ডাক্তার পারভেজ রেজা কাঁকন, জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের পরিচালক কৃষিবিদ মাহবুবুল হক বাচ্চু, ইঞ্জিনিয়ার জহিরুল ইসলাম, ইঞ্জিনিয়ার উমাশা উমায়ুন চৌধুরী, সাংবাদিক হাফিজ আল আসাদ সাইদ খান। 

এর বাইরে যুবদলের স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডাক্তার গালিব হাসান, ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) যুগ্ম মহাসচিব ডাক্তার ফারুক আহমেদ, ড্যাবের আইনবিষয়ক সম্পাদক ডা. এম আর হাসান, ড্যাবের সহ প্রচার সম্পাদক ডা. ইকরামুল ইসলাম সৌরভ, ডাক্তার মেহেদী হাসান, সরকারি মেডিকেল কলেজ শাখা ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ডা. তানজিম রুবায়েদ আফিফ, জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের সদস্য মাহমুদুল হাসানসহ তিনটি মহিলা কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। 

‘মুক্তিযুদ্ধে শহীদের সন্তান’ দাবি করা জামায়াত এমপির দুঃখ প্রকাশ

অনলাইন ডেস্ক
‘মুক্তিযুদ্ধে শহীদের সন্তান’ দাবি করা জামায়াত এমপির দুঃখ প্রকাশ
সংগৃহীত ছবি

নিজেকে ‘মুক্তিযুদ্ধে শহীদের সন্তান’ দাবি করেন নীলফামারী-৪ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল মুনতাকিম। বাস্তবে তার বাবা-মা জীবিত থাকায় 
সমালোচনার মুখে পড়েন তিনি। পরে তিনি অনাকাঙ্ক্ষিত বক্তব্যের জন্য তিনি দুঃখ প্রকাশ করেছেন।

গত রবিবার সংসদের বাজেট অধিবেশনে বক্তব্য দেওয়ার সময় আব্দুল মুনতাকিম এ দাবি করেন।

এ বিষয়ে সংসদ সদস্য আব্দুল মুনতাকিম তার ভুল স্বীকার করেন। তিনি বলেন, সংসদে বক্তব্য দিতে গিয়ে অসাবধানতাবশত ভুল তথ্য ও শব্দ উচ্চারিত হয়েছে। এই অনাকাঙ্ক্ষিত ভুলের জন্য আমি আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি।

আব্দুল মুনতাকিমের বাবা আব্দুল কাদের সৈয়দী এবং মা মোসলমান বেগম এখনো বেঁচে আছেন এবং তারা সৈয়দপুর উপজেলার কামারপুকুর ইউনিয়নের ধলাগাছ গ্রামে ছেলের সঙ্গেই বসবাস করেন।

আব্দুল মুনতাকিমের নির্বাচনি হলফনামা অনুযায়ী, নীলফামারী-৪ (সৈয়দপুর-কিশোরগঞ্জ) আসনের এই সংসদ সদস্যের জন্ম ১৯৮১ সালে, অর্থাৎ মুক্তিযুদ্ধের প্রায় ১০ বছর পর।

হলফনামার তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, মনোনয়নপত্র দাখিলের সময় তার বয়স ছিল ৪৪ বছর ১১ মাস ২০ দিন। ১৯৮১ সালের ১০ জানুয়ারি জন্ম নেওয়া একজন ব্যক্তির পক্ষে শহীদের সন্তান হওয়া নিয়ে শুরু হয় সমালোচনা।

বাবা ‘মুক্তিযুদ্ধে শহীদ’ বলা সেই এমপির বাবা এখনো জীবিত

অনলাইন ডেস্ক
বাবা ‘মুক্তিযুদ্ধে শহীদ’ বলা সেই এমপির বাবা এখনো জীবিত
সংসদে বক্তব্য দেন নীলফামারী-৪ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল মুনতাকিম। ছবি : সংগৃহীত

নিজেকে ‘মুক্তিযুদ্ধে শহীদের সন্তান’ দাবি করে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছেন জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য (এমপি) আব্দুল মুনতাকিম।

গত রবিবার (১৪ জুন) সংসদের বাজেট অধিবেশনে বক্তব্য দেওয়ার সময় আব্দুল মুনতাকিম এ দাবি করেন। তবে বাস্তবে তার বাবা-মা এখনো জীবিত আছেন।

জানা গেছে, আব্দুল মুনতাকিমের বাবা আব্দুল কাদের সৈয়দী এবং মা মোসলমান বেগম এখনো বেঁচে আছেন এবং তারা সৈয়দপুর উপজেলার কামারপুকুর ইউনিয়নের ধলাগাছ গ্রামে ছেলের সঙ্গেই বসবাস করেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সংসদ সদস্য আব্দুল মুনতাকিম তার ভুল স্বীকার করেন। তিনি বলেন, সংসদে বক্তব্য দিতে গিয়ে অসাবধানতাবশত ভুল তথ্য ও শব্দ উচ্চারিত হয়েছে। এই অনাকাঙ্ক্ষিত ভুলের জন্য আমি আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি।

আব্দুল মুনতাকিমের নির্বাচনি হলফনামা অনুযায়ী, নীলফামারী-৪ (সৈয়দপুর-কিশোরগঞ্জ) আসনের এই সংসদ সদস্যের জন্ম ১৯৮১ সালে, অর্থাৎ মুক্তিযুদ্ধের প্রায় ১০ বছর পর। এ ছাড়া তার বাবা আব্দুল কাদের সৈয়দী এবং মা মোসলমান বেগম দুজনেই বর্তমানে জীবিত আছেন।

হলফনামার তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, মনোনয়নপত্র দাখিলের সময় তার বয়স ছিল ৪৪ বছর ১১ মাস ২০ দিন। ১৯৮১ সালের ১০ জানুয়ারি জন্ম নেওয়া একজন ব্যক্তির পক্ষে শহীদের সন্তান হওয়া নিয়ে শুরু হয় আলোচনা-সমালোচনা।