• ই-পেপার

দেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে দেখা করবে বিএনপি

টঙ্গীতে নাশকতা ঠেকাতে স্বেচ্ছাসেবক দলের বিক্ষোভ মিছিল

আঞ্চলিক প্রতিনিধি, গাজীপুর
টঙ্গীতে নাশকতা ঠেকাতে স্বেচ্ছাসেবক দলের বিক্ষোভ মিছিল
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নাশকতা টঙ্গীতে মঙ্গলবার স্বেচ্ছাসেবক দলের বিক্ষোভ মিছিল।

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নাশকতা, অপতৎপরতা ও চোরাগুপ্তা মিছিলের প্রতিবাদে ও সম্ভাব্য নাশকতা প্রতিরোধে টঙ্গীতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে স্বেচ্ছাসেবক দল।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) সকাল ১১টার দিকে টঙ্গীর নতুন বাজার এলাকা থেকে মিছিলটি শুরু হয়ে ঢাকা-সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়ক ও ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ স্থান প্রদক্ষিণ করে বাটা গেট এলাকায় গিয়ে শেষ হয়।

জানা যায়,  টঙ্গী পূর্ব থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিব সিরাজুল ইসলাম সাথীর নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ মিছিলে যুবদল নেতা আব্দুর রহমান বাবু, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা রাসেদুল ইসলাম বাবু, সফিকুল ইসলাম হিমেল, জহুরুল হুদা বাবুসহ অসংখ্য নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

মিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত সভায় সিরাজুল ইসলাম সাথী বলেন, গাজীপুর ২ আসনের সাংসদ জননেতা এম মঞ্জুরুল করিম রনির নির্দেশনায় জনগণের জানমাল রক্ষা ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসনের পাশাপাশি স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীরা রাজপথে সজাগ থাকবে।

সাংবাদিকদের ওপর হামলার পেছনে ‘অতি উৎসাহ বা বহিরাগতের উসকানি’, দুঃখিত জামায়াত

অনলাইন ডেস্ক
সাংবাদিকদের ওপর হামলার পেছনে ‘অতি উৎসাহ বা বহিরাগতের উসকানি’, দুঃখিত জামায়াত
সংগৃহীত ছবি

‘আওয়ামী দোসর’ আখ্যা দিয়ে ধানমণ্ডি ৩২ নম্বরে সাংবাদিকদের ওপর হামলার পেছনে ‘কিছু অতি-উৎসাহী ব্যক্তি বা বহিরাগতদের উসকানি’ দায়ী বলে দাবি করেছে জামায়াত ইসলামী। এ ছাড়া ঘটনা তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি গঠনের কথা জানিয়েছেন দলের কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) এক বিবৃতিতে ঘটনাটিকে অনাকাঙ্ক্ষিত দাবি করে তিনি দুঃখ প্রকাশ করেন।

বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘মঙ্গলবার রাজধানীর ধানমণ্ডি ৩২ নম্বর এলাকায় একটি শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক কর্মসূচি চলাকালে গণমাধ্যমকর্মীদের ওপর হামলার যে অনাকাঙ্ক্ষিত, অনভিপ্রেত ও দুঃখজনক ঘটনা ঘটেছে, আমরা তার জন্য আন্তরিকভাবে গভীর দুঃখ প্রকাশ করছি।’ 

এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, ধানমণ্ডি জোনের বিক্ষোভ শেষ হওয়ার পর সেখানে উপস্থিত কিছু অতি-উৎসাহী ব্যক্তি বা বহিরাগতদের উসকানিতে এই অপ্রীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে আমরা প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছি। দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গকারী বা কোনো উগ্র আচরণকে জামায়াতে ইসলামী কখনোই প্রশ্রয় দেয় না।

সাংবাদিকদের ওপর চড়াও হওয়া সমর্থনযোগ্য নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমরা স্পষ্ট ভাষায় বলতে চাই, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সর্বদা গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও সাংবাদিকদের পেশাগত অধিকারের প্রতি শ্রদ্ধাশীল।পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে সাংবাদিকদের ওপর যেকোনো ধরনের চড়াও হওয়া বা সহিংসতা সৃষ্টি করা কোনোভাবেই সমর্থনযোগ্য নয়।

সংগঠনের কেউ জড়িত হলে ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে জানিয়ে তিনি বলেন, এই ঘটনার পেছনে প্রকৃতপক্ষে কারা জড়িত তা খতিয়ে দেখতে দলের পক্ষ থেকে একটি অভ্যন্তরীণ পর্যালোচনা করা হবে। যদি আমাদের কোনো স্তরের কর্মীর সংশ্লিষ্টতা প্রমাণিত হয়, তবে তার বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এ ছাড়া অনাকাক্ষিত ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে জামায়াত সচেতন থাকবে এবং এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে যাতে ফাটল সৃষ্টি করতে না পারে এ জন্য সতর্ক  থাকার আহ্বান জানান তিনি।

এ সাংবাদিক হামলার ঘটনায় মহানগরী দক্ষিণ জামায়াতের ধানমন্ডি জোন পরিচালক ও মহানগরী কর্মপরিষদ সদস্য অধ্যাপক নুরুন্নবি  মানিককে আহ্বায়ক করে তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। আগামীকালকের মধ্যে গঠিত কমিটিকে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার  জন্য বলা হয়েছে। 

সাংবাদিকদের ওপর জামায়াতের হামলা

শাস্তি চেয়ে ছাত্রদলের বিবৃতি

অনলাইন ডেস্ক
শাস্তি চেয়ে ছাত্রদলের বিবৃতি
সংগৃহীত ছবি

রাজধানীর ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে সাংবাদিকদের ‘আওয়ামী দোসর’ আখ্যা দিয়ে হামলার প্রতিবাদ ও ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শাস্তির দাবি জানিয়েছেন ছাত্রদল। মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম স্বাক্ষতিরত এক বিবৃতিতে শাস্তির দাবি জানায় সংগঠনটি। 

বিবৃতিতে বলা হয়, মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর ধানমণ্ডি-৩২ এলাকায় পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে ‘দৈনিক সকাল’-এর মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার মাহফুজুর রহমান শিশির, ‘যমুনা টেলিভিশন’-এর সিনিয়র রিপোর্টার রাব্বী সিদ্দিকী এবং ‘কালবেলা’- এর সংবাদকর্মী আব্দুর রহমান ইশানের উপর হমালা এবং  বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, ঘটনাস্থলে উপস্থিত আররো প্রায় ২০-২৫ জন সংবাদকর্মীর লাঞ্ছনার ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ, গভীর উদ্বেগ ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে ছাত্রদল

এক যৌথ বিবৃতিতে ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির  বলেন, গণমাধ্যমের কণ্ঠরোধ করা এবং সাংবাদিকদের ওপর হামলা চালানো যেকোনো  স্বাধীন, গণতান্ত্রিক ও সভ্য সমাজের পরিপন্থী। বিরোধী দলে থাকতেই জামায়াতের নেতাকর্মীরা প্রায় ২৫ জন সংবাদকর্মীর ওপর যেভাবে সন্ত্রাসী কায়দায় আক্রমণ ও লাঞ্ছনা চালিয়েছে, তা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক। এই ঘটনা প্রমাণ করে যে, তারা ভিন্নমত সহ্য করতে পারে না এবং দেশকে একটি উগ্র, অসহিষ্ণু ও ফ্যাসিবাদী কাঠামোর দিকে ঠেলে দিতে চায়।

বিবৃতিতে ছাত্রদলের নেতার বলেন, এ হামলার মধ্য দিয়ে আবারও স্পষ্ট হয়েছে যে, এই স্বাধীনতাবিরোধী মৌলবাদী অপশক্তি এখনো বহুদলীয় গণতন্ত্র, মানবাধিকার এবং সংবাদ মাধ্যমের স্বাধীনতায় বিশ্বাস রাখেনা। অতীতেও ছাত্রদল মুক্ত গণমাধ্যমের পক্ষে আপসহীন ভূমিকা পালন করেছে এবং ভবিষ্যতেও যেকোনো উগ্র ও ফ্যাসিবাদী অপশক্তির বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকবে।

হামলায় জড়িতদের শাস্তির দাবি জানিয়ে বিবৃবিতে নেতারা বলেন, অবিলম্বে ধানমণ্ডি-৩২ এলাকায় সাংবাদিক মাহফুজুর রহমান শিশির, রাব্বী সিদ্দিকী, আব্দুর রহমান ইশানসহ উপস্থিত সকল গণমাধ্যমকর্মীর ওপর এই সন্ত্রাসী হামলার সঙ্গে জড়িত জামায়াত নেতাকর্মীদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছে ছাত্রদল। একই সঙ্গে,  আহত সকল গণমাধ্যমকর্মীর আশু সুস্থতা কামনাসহ তাদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করার এবং সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তার ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

বাংলাদেশকে পুরোনো দিনে ফেরাবেন না, ফল ভালো হবে না: মাহমুদা মিতু

অনলাইন ডেস্ক
বাংলাদেশকে পুরোনো দিনে ফেরাবেন না, ফল ভালো হবে না: মাহমুদা মিতু
সংগৃহীত ছবি

অনেক প্রাণের বিনিময়ে ১৭ বছরের পরের বাংলাদেশেকে পুরোনো দিনে না ফেরানোর আহ্বান জানিয়েছেন এনসিপি নেত্রী ও মহিলা সংরক্ষিত আসনের এমপি ডা. মাহমুদা মিতু। তিনি বলেছেন, পুরোনো দিনে ফিরলে তার ফল ভালো হবে না।

সোমবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে তিনি এ কথা বলেন।

ড. মাহমুদা মিতু বলেন, বিগত ১৭ বছরে আমরা অনেকেই অনেক কিছুর মধ্য দিয়ে গিয়েছি। আমরা বরাবরই এই সংসদকে ‘মজলুমের সংসদ’ বলে থাকি। এটি খুব ছোট কোনো কথা নয়। এই সংসদে ভাইহারা বোন আছেন, স্বামীহারা বিধবা স্ত্রী আছেন, পিতৃহারা সন্তান ও ফাঁসির মঞ্চ থেকে ফিরে আসা মানুষ আছে। এই সংসদ শহীদের রক্তের সংসদ। 

তিনি বলেন, রাজনৈতিক জীবন কোনো সহজ পথ নয়। এখানে ত্যাগ আছে, ঝুঁকি আছে ও লড়াই আছে। কেউ হারে আবার কেউ জিতে যায়। কিন্তু আমার মনে হয়, জিতে গেলেও রাজনৈতিক লড়াই কখনো শেষ হয় না।

তিনি রাজনীতির অভিজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, ‘বহুদিন সেই শান্তির ঘুমটা আর ঘুমাই না।’