ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় প্রচার ও দাওয়াহ সম্পাদক শেখ ফজলুল করীম মারুফ বলেছেন, সাংবাদিকরা রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ। জনগণের চোখ হয়ে তারা সমাজের নানা ঘটনা জাতির সামনে তুলে ধরেন। সেই সাংবাদিকদের পেটানো একটি সর্বজন স্বীকৃত স্বৈরতান্ত্রিক আচরণ।
তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের ঢাকা দক্ষিণের কর্মসূচিতে আজ যা ঘটেছে তা জামায়াতের ভেতর বিকশিত হতে থাকা স্বৈরতান্ত্রিক মনোভাবের বহিঃপ্রকাশ বলে মনে করি। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ সাংবাদিকদের পেটানোর এই ঘৃণ্য অপরাধের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে।
আজ মঙ্গলবার গণমাধ্যমকে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ মন্তব্য করেন তিনি।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক বলেন, হামলার শিকার মাহফুজুর রহমান শিশির দৈনিক সকালের মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। আহত হয়েছেন দ্য নিউজের মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার মারুফ হোসেনও। এ ছাড়া অন্তত ১০ জন সাংবাদিক হেনস্তার শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। আমরা মাহফুজুর রহমান শিশির, মারুফ হোসেনসহ সব আহত সাংবাদিকদের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছি এবং আপনাদের সঙ্গে আমাদের সংহতি প্রকাশ করছি।
শেখ ফজলুল করীম মারুফ প্রশাসনের প্রতি আহ্বান রেখে বলেন, যারাই হামলার সঙ্গে জড়িত ছিল তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে; এ ক্ষেত্রে কোনো অজুহাত মেনে নেওয়া হবে না। হামলায় যাদের সম্পৃক্ততা দেখা গেছে তারা জামায়াতের নেতাকর্মী বলেই অনুমান করা যাচ্ছে। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী তাদের বিরুদ্ধে কি ব্যবস্থা নেয় তা দেখার অপেক্ষা করছি।
জামায়াতের নেতৃবৃন্দের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, দলের কর্মীদের মানসিকতা গঠনে আরো মনোযোগী হোন। সাংবাদিকদের প্রতিপক্ষ ভাবার ও প্রতিপক্ষকে দেখে নেওয়ার যে ভয়াবহ মানসিকতা বিস্তার আপনাদের কর্মীদের মধ্যে দেখা যাচ্ছে তা উদ্বেগের বিষয়।




