• ই-পেপার

আমিরাতে বিএনপির আলোচনা সভা: রাষ্ট্র মেরামতে ৩১ দফাই আসল বিপ্লব

রাজনীতিতে এই মুহূর্তে আওয়ামী লীগ প্রাসঙ্গিক নয় : আসিফ মাহমুদ

অনলাইন ডেস্ক
রাজনীতিতে এই মুহূর্তে আওয়ামী লীগ প্রাসঙ্গিক নয় : আসিফ মাহমুদ

বাংলাদেশের রাজনীতিতে আওয়ামী লীগ এই মুহূর্তে প্রাসঙ্গিক নয় বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। তিনি বলেন, বাংলাদেশের রাজনীতিতে আওয়ামী লীগ এ মুহূর্তে প্রাসঙ্গিক নয়। তারা এখন বিচ্ছিন্নভাবে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করছে। এনসিপি তাদের নিয়ে ভাবছে না। জনগণই তাদের প্রতিহত করবে। তাছাড়া এটি দেখার বিষয় প্রশাসনের।

শুক্রবার (১৯ জুন) পবিত্র আশুরা উপলক্ষে রাজধানীর বখশীবাজারে হুসাইনি দালান ইমামবাড়া পরিদর্শন এবং শিয়া মুসলিমদের সঙ্গে মতবিনিময়সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

আসিফ মাহমুদ বলেন, ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হুসাইনি দালানের জমি দখল করা হয়েছিল, যা লজ্জাজনক। তবে পরে আইনি জটিলতা শেষে শিয়া সম্প্রদায় তাদের জমি ফেরত পেয়েছে।

তিনি বলেন, আশুরা দীর্ঘদিনের একটি ঐতিহ্য। এর আনুষ্ঠানিকতা নির্বিঘ্ন করতে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। এ ক্ষেত্রে সরকারের আন্তরিক সহযোগিতা প্রয়োজন।

গণতন্ত্র হত্যাকারীদের সহাবস্থানের সুযোগ দেওয়া যাবে না : রিজভী

অনলাইন ডেস্ক
গণতন্ত্র হত্যাকারীদের সহাবস্থানের সুযোগ দেওয়া যাবে না : রিজভী

যারা গণতন্ত্রকে হত্যা করে, তাদের সহাবস্থানের সুযোগ দেওয়া যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী। তিনি বলেন, সবার কথা বলার অধিকার আছে। তবে হত্যাকারীর কথা বলার অধিকার নেই।

শুক্রবার (১৯ জুন) সন্ধ্যায় শিল্পকলা একাডেমির আর্ট গ্যালারির আর্ট এক্সিবিশন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

বিগত সরকারের কথা তুলে ধরে রিজভী বলেন, ডিএনের মধ্যে যদি ফ্যাসিবাদ থাকে, তবে সেখান থেকে তাদের মুক্ত করা যাবে না।

তিনি আরো বলেন, বিগত সময় ফ্যাসিবাদ তৈরি হয়েছে, রাজনৈতিক দল নিশ্চিহ্ন করার চেষ্টা করা হয়েছে, আয়নাঘর বানানো হয়েছে। তবে জনগণ রাস্তায় নেমে তা রুখে দিয়েছে।

ইতিহাস কোনো না কোনোভাবে আবার ফিরে আসে : জামায়াত আমির

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি
ইতিহাস কোনো না কোনোভাবে আবার ফিরে আসে : জামায়াত আমির
সংগৃহীত ছবি

ইতিহাসকে জবাই করলেও মোছা যায় না বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামের আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, ‘ইতিহাস কোনো না কোনোভাবে আবার ফিরে আসে। যার যেখানে যে অবদান সেটাকে আমরা স্বীকার করার পক্ষে।’

শুক্রবার (১৯ জুন) বিকেলে মুন্সীগঞ্জ শহরের কাচারিতে অবস্থিত একটি পার্টি সেন্টারে জেলা জামায়েত আয়োজিত বার্ষিক সদস্য (রুকন) সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

জামায়াত আমির বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের সূচনা লগ্নে আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি শেখ মুজিবুর রহমানসহ অনেক সিনিয়র নেতা ও রাজনীতিবিদ ছিলেন, কিন্তু আমি মুক্তিযুদ্ধের প্রক্লেমেশন ঘোষণা করছি এটা বলার মতো কেউ ছিল না। স্বাধীনতার ঘোষণা তারা দিতে পারেনি। এখন তারা যেসব কথা বলে এটা ভিন্ন।’

তিনি বলেন, ‘তারা স্বাধীনতার ঘোষণা দেয়নি এটাই বাস্তবতা। শেষ পর্যন্ত পরের দিন একজন সামরিক মেজরকে নিয়ে আসা হয় স্বাধীন ঘোষণা দেওয়ার জন্য। আর তিনি হলেন জিয়াউর রহমান। জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণা যখন তাদের মনমতো হলো না তখন আবার দ্বিতীয়বার ঘোষণা দেওয়া হলো। সেটাও একজন সামরিক মেজর দিয়েছিলেন। তখন আওয়ামী লীগের একজন সিনিয়র নেতাকেও খুঁজে পাওয়া যায়নি।’

জামায়াত আমির আরো বলেন, ‘স্বাধীনতার উষালগ্নে স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম পতাকা উত্তোলন করেছিলেন আ স ম আব্দুর রব, এটাও কেউ স্বীকার করে না। মুক্তিযুদ্ধের রণাঙ্গনে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন কর্নেল এম. এ. জি ওসমানী তাকেও কেউ স্মরণ করে না। জাতির জন্য যারা জীবন বাজি রেখে অবদান রাখেন তাদের কেউ স্মরণ করতে চায় না।’ 

জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় এই নেতা বলেন, ‘রাজনীতিতে যারা ক্ষমতায় আসে তাদের লোকজন ছাড়া, আর কাউকে তারা চোখে দেখে না। তখন সব কিছুর অবদান ওই দলের আর ওই দলের নেতাদের।’ 

২৪ এর গণ-অভ্যুত্থান নিয়ে তিনি বলেন, ‘গণ-অভ্যুত্থান না হলে ২০২৬ সালে নির্বাচনও হতো না। সেই ফ্যাসিবাদই আজ ক্ষমতায় থাকত। শুধু জুলাইয়ে ১৪ শ মানুষ নয়, ১৫ বছর সারা দেশে গুম-খুনের রাজত্ব করেছিল, তারা লুণ্ঠনের রাজত্ব করেছিল। এই দেশে যারা ক্ষমতায় থাকবে, তারা জাতির ইচ্ছায় ক্ষমতায় থাকবে। জাতির অপছন্দ হলে তারা চলে যাবে। এই পরিবর্তনটাই দেশবাসী চেয়েছিল, বিশেষ করে যুবসমাজ। কিন্তু যুবসমাজের স্বপ্নের বুকে ছুরি মারা হয়েছে। এই পরিবর্তনের জন্য দরকার ছিল সাংবিধানিক সংস্কার যা বর্তমান সরকার অস্বীকার করেছে। শতকরা ৭০ ভাগ মানুষ গণভোটে রায় দিল। সেটাই এখন সরকার অস্বীকার করছে। অথচ এর আগে তারাই বলেছিল গণভোটের রায় যা হবে তা সবাইকে মানতে হবে। এখন তারা বলে নির্বাচনের ওয়াকওয়ে তৈরির জন্য নাকি তারা এটা বলেছিল।’

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘দ্বিতীয় গণভোট হয়েছে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের হাতে। সে সময়েও আপত্তি করেনি। তৃতীয় গণভোট হয়েছে বেগম জিয়ার হাতে, সেটাও মেনে নিয়েছেন। কিন্তু চতুর্থ গণভোট হয়েছে জনগণের হাতে, এটা আপনারা মেনে নেবেন না।’ 

তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘আমরা ছেড়ে দেব না। কথা ওনারাও দিয়েছিলেন। আমরাও দিয়েছি। কিন্তু আমরা আমাদের জায়গায় আছি। ওনারা সরে গেছেন। আমরা গণভোটের জন্য শেষ লড়াই চালিয়ে যাব। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আমরা সেই দাবি আদায় করব। জনগণের রায় বিফলে যাবে না।’

তিনি আরোও বলেন, ২৪ এর গণ-অভ্যুত্থানে কেউ কেউ নিজেদের মাস্টার মাইন্ড। আবার আন্দোলন চলাকালে কোনো দলের বড় নেতা বলেছিল এই আন্দোলন ছাত্রদের। এটার সাথে বিএনপির কোনো সম্পর্ক নেই। এ ছাড়া তিনি সারা দেশে চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে নানা বক্তব্য প্রদান করেন।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘বর্তমান সরকার আমাদের একটা বাজেট দিয়েছেন। বাজেটে ৫০-৬০টি আইটেমে কর কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু বাজারে নিত্যপণ্যের দাম এক টাকাও কমেনি। কারণ সব জায়গায় সিন্ডিকেট। এই সিন্ডিকেট আবার রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত। রাজনৈতিক প্রশ্রয়ে ও আশ্রয়ে ওই সিন্ডিকেট পরিচালিত হয়।’

এ সময় জামায়াত আমির প্রশ্ন তোলেন, ‘বাজেটে অনেক কর ছাড় দেওয়া হলো, কিন্তু এতে যদি জনগণের জীবনে যদি ইতিবাচক পরিবর্তন, স্বস্তি না আসে তাহলে এটার বেনিফিট কে নিচ্ছে?’

মুন্সীগঞ্জ জেলা জামায়েতের আমির আ.জ.ম রুহুল কুদ্দুসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা দক্ষিণ অঞ্চলের পরিচালক সাইফুল আলম খান মিলন এমপি, জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি ফখরুদ্দিন রাজি, মজলিসে শূরা সদস্য অধ্যাপক ফজলুল করিম প্রমুখ।

মোহাম্মদপুরে আহত বিএনপি নেতাকে দেখতে ঢামেকে ববি হাজ্জাজ

নিজস্ব প্রতিবেদক
মোহাম্মদপুরে আহত বিএনপি নেতাকে দেখতে ঢামেকে ববি হাজ্জাজ

মোহাম্মদপুর থানা এলাকায় দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত বিএনপি নেতা নুরুল ইসলামকে দেখতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (ঢামেক) গেছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।

শুক্রবার (১৯ জুন) রাত ৮টা ১৫ মিনিটে তিনি ঢামেক হাসপাতালে পৌঁছান এবং আহত নুরুল ইসলামের চিকিৎসার খোঁজখবর নেন। তিনি মোহাম্মদপুর থানার ৩৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, নুরুল ইসলাম বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের ১০১ নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। প্রতিমন্ত্রী হাসপাতালে তার শারীরিক অবস্থার খোঁজ নেন এবং কর্তব্যরত চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলে উন্নত চিকিৎসার নির্দেশনা দেন।

এ সময় উপস্থিত সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে প্রতিমন্ত্রী এই হামলার তীব্র নিন্দা জানান এবং জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার আশ্বাস দেন।

আমিরাতে বিএনপির আলোচনা সভা: রাষ্ট্র মেরামতে ৩১ দফাই আসল বিপ্লব | কালের কণ্ঠ