• ই-পেপার

দলীয় পদ ফিরে পেলেন শামা ওবায়েদ ও বাবুল

তারেক রহমানের সাক্ষাৎ চান যুবদলের পদবঞ্চিতরা

নিজস্ব প্রতিবেদক
তারেক রহমানের সাক্ষাৎ চান যুবদলের পদবঞ্চিতরা

বিএনপির অঙ্গসংগঠন যুবদলের পদবঞ্চিত নেতারা দলটির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাক্ষাৎ চেয়ে আবেদন করেছেন।

রবিবার (২৮ জুন) বিকেলে রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারম্যানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এই আবেদন করেন তারা। নিবেদক হিসবে রয়েছেন ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সহসভাপতি রফিকুল ইসলাম রফিক, মো. হুমায়ূন কবির ও সাজ্জাদ হোসেন উজ্জল।

বিএনপির চেয়ারম্যান বরাবর লেখা আবেদনের বিষয়ে উল্লেখ করা হয়েছে, যুবদলের নবগঠিত ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট কমিটির অনিয়ম ও ত্যাগী নেতাদের বাদ পড়া প্রসঙ্গে অবহিতকরণের অনুমতি চেয়ে সাক্ষাতের আবেদন।

পদবঞ্চিত নেতারা বলেন, আমরা যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি ও ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের একাধিক কমিটিতে গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছি। বিগত ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের আমলে দল ঘোষিত সব কর্মসূচিতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছি। সংগঠনের বর্তমান পরিস্থিতি ও আমাদের অবস্থান এবং কিছু গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক বিষয় আপনার নিকট উপস্থাপনের জন্য আপনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে আগ্রহী।

ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সহসভাপতি রফিকুল ইসলাম রফিক জানিয়েছেন, পদবঞ্চিত নেতারা বিভিন্ন সময় ছাত্রদল ও যুবদলের বিভিন্ন পদে ছিলেন। কিন্তু নতুন কমিটি গঠন করার পর তাদের ওই কমিটিতে রাখা হয়নি। এমন নেতার সংখ্যা ৫৫ জন। তারা চান দলে যেন তাদের যাথাযথ মূল্যায়ন করা হয়। এ জন্যই তারা সাংগঠনিক প্রধান তারেক রহমানের সঙ্গে দেখা করতে চান।

শায়রুল কবির

অনেকটাই সুস্থ হয়ে উঠছেন মির্জা আব্বাস

নিজস্ব প্রতিবেদক
অনেকটাই সুস্থ হয়ে উঠছেন মির্জা আব্বাস
সংগৃহীত ছবি

ঢাকা-৮ আসনের সংসদ সদস্য, বিএনপির স্থায়ী কমিটি সদস্য ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজনৈতিক উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস অনেকটাই সুস্থ হয়ে উঠছেন। পরিপূর্ণ সুস্থ হয়ে তিনি দ্রুতই দেশে ফিরবেন বলে জানিয়েছেন দলটির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান। রবিবার (২৮ জুন) বিকেলে তিনি এসব তথ্য জানান।

শায়রুল কবির খান জানিয়েছেন, ‘তিনি (মির্জা আব্বাস) পূর্ণ সুস্থ হয়ে দ্রুত আমাদের মাঝে ফিরে আসবেন। এ জন্য তিনি সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন।’

এর আগে গত ১৬ মে শনিবার স্থানীয় সময় বিকেলে মালয়েশিয়ায়র কুয়ালালামপুরের প্রিন্স কোর্ট মেডিক্যাল সেন্টার হাসপাতালে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন মির্জা আব্বাসের সহধর্মিণী আফরোজা আব্বাস। ওই দিন তিনি বলেছিলেন, গুরুতর অসুস্থতা কাটিয়ে ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছেন মির্জা আব্বাস। মালয়েশিয়ায় চিকিৎসাধীন বিএনপির এই নেতার শারীরিক অবস্থার উন্নতি হচ্ছে। তিনি দেশে ফেরার জন্য অস্থির হয়ে আছেন। সবার দোয়া ও আল্লাহর অশেষ রহমতে মির্জা আব্বাস এখন অনেকটাই সুস্থ। তবে এখনো তার ফিজিওথেরাপি চলছে। নিউরোসংক্রান্ত বড় ধরনের জটিলতা তৈরি হলেও তা নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। চিকিৎসকরা নিয়মিত ফলোআপ ও ফিজিওথেরাপির পরামর্শ দিয়েছেন। মালয়েশিয়ায় যাওয়ার আগে মির্জা আব্বাস সিঙ্গাপুর চিকিৎসা নেন। সেখানের চিকিৎসকরাও তার সুস্থতাকে বিস্ময়কর হিসেবে দেখেছিলেন।

গত ১১ মার্চ রমজান মাসের ইফতারের সময় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন মির্জা আব্বাস। সাবেক এই মন্ত্রীকে মস্তিস্কে রক্তক্ষরণ ধরা পড়ে। এতে ওই দিন রাতেই বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় অবস্থিত এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার চিকিৎসায় মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা হয়। এরপর তার মস্তিষ্কে দুই দফা অস্ত্রোপচার করা হয়। পরে এয়ার অ্যাম্বুল্যান্সে উন্নত চিকিৎসার জন্য মির্জা আব্বাসকে প্রথমে সিঙ্গাপুর নেওয়া হয়। পরবর্তী সময়ে বিশেষায়িত চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের জন্য তাকে মালয়েশিয়ায় নেওয়া হয়। তিনি এখন সেখানেই চিকিৎসাধীন মির্জা আব্বাস।

অনুদানের তালিকায় মেয়ের নাম, এমপিকে সতর্ক করল জামায়াত

নিজস্ব প্রতিবেদক
অনুদানের তালিকায় মেয়ের নাম, এমপিকে সতর্ক করল জামায়াত

নড়াইল-২ (সদরের একাংশ ও লোহাগড়া) আসনের দলের সংসদ সদস্য আতাউর রহমান বাচ্চুকে সতর্ক করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

রবিবার (২৮ জুন) জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি জানান, সম্প্রতি সংঘটিত একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে নড়াইল-২ আসনের সংসদ সদস্য আতাউর রহমান বাচ্চুকে জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে সতর্ক করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, আতাউর রহমানের বাচ্চু ঐচ্ছিক তহবিল থেকে অনুদান প্রদানের জন্য সচিবালয় থেকে অনুমোদিত তালিকার দুই জায়গায় তাঁর মেয়ের নাম পাওয়া গেছে। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সমালোচনা হওয়ার পর তাঁকে সতর্ক করল জামায়াত।

আমাদের পরবর্তী গণঅভ্যুত্থান জামায়াতের বিরুদ্ধে হবে : গোলাম মাওলা রনি

অনলাইন ডেস্ক
আমাদের পরবর্তী গণঅভ্যুত্থান জামায়াতের বিরুদ্ধে হবে : গোলাম মাওলা রনি
সংগৃহীত ছবি

সাবেক সংসদ সদস্য ও কলামিস্ট গোলাম মাওলা রনি বলেছেন, প্রতিটি গণঅভ্যুত্থান আগেরটির তুলনায় জ্যামিতিক হারে বড় হয়েছে এবং আগামীতে এমন একটি গণঅভ্যুত্থান ঘটতে পারে, যা জামায়াতে ইসলামীর বিরুদ্ধে কেন্দ্রিত হতে পারে।

সম্প্রতি এক টক শোতে অংশ নিয়ে সাবেক সংসদ সদস্য ও কলামিস্ট গোলাম মাওলা রনি দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও ভবিষ্যৎ গণআন্দোলন নিয়ে মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে প্রতিটি গণঅভ্যুত্থান আগের তুলনায় আকার, অংশগ্রহণ ও প্রভাবের দিক থেকে ক্রমশ বড় হয়েছে। তার আশঙ্কা, এই ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকলে আগামীতে যে বড় ধরনের গণঅভ্যুত্থান ঘটতে পারে, তা জামায়াতে ইসলামীর বিরুদ্ধে কেন্দ্রিত হতে পারে।

তিনি আরো বলেন, বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় দীর্ঘ সময় ধরে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক প্রভাব দুর্বল হয়ে পড়ায় একটি বড় শূন্যতা তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে দেশের রাজনীতিতে এখন মূলত তিনটি শক্তি সক্রিয় রয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন— বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট পার্টি, জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ এবং ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি।

গোলাম মাওলা রনি দাবি করেন, বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট পার্টি দীর্ঘ সময় ধরে সাংগঠনিকভাবে দুর্বল অবস্থায় রয়েছে এবং ১৭–১৯ বছরের রাজনৈতিক বাস্তবতায় দলটির নেতৃত্ব ও কাঠামোগত ঘাটতি তৈরি হয়েছে। অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ অতীতের বিভিন্ন রাজনৈতিক সময়কাল, বিশেষ করে ১/১১ পরবর্তী পরিস্থিতিতে সাংগঠনিকভাবে টিকে থাকা ও বিস্তারের সুযোগ পেয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

তিনি আরো বলেন, রাজনৈতিক অঙ্গনে বিভিন্ন সময়ের ন্যারেটিভ, দলগুলোর সাংগঠনিক শক্তি-দুর্বলতা এবং ক্ষমতার ভারসাম্যের পরিবর্তন ভবিষ্যতে বড় ধরনের রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরি করতে পারে।

তবে তিনি উল্লেখ করেন, এগুলো তার ব্যক্তিগত রাজনৈতিক বিশ্লেষণ ও পর্যবেক্ষণ, যা তিনি একটি টক শোতে তুলে ধরেছেন।

দলীয় পদ ফিরে পেলেন শামা ওবায়েদ ও বাবুল | কালের কণ্ঠ