প্রহসনের নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণকে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করার অভিযোগে রাজধানীর শেরেবাংলানগর থানার মামলায় সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়ালের জামিন প্রশ্নে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।
হাবিবুল আউয়ালের জামিন আবেদনে শুনানির পর বিচারপতি মো. আতোয়ার রহমান ও বিচারপতি বিশ্বজিৎ দেবনাথের হাইকোর্ট বেঞ্চ রবিবার (২৮ জুন) এ রুল দেন। এই মামলায় কেন তাঁকে জামিন দেওয়া হবে না, জানতে চাওয়া হয়েছে রুলে।
অধস্তন আদালতে তাঁর জামিন আবেদন নামঞ্জুর হলে গত মাসে হাইকোর্টে জামিন চেয়ে আবেদন করেন হাবিবুল আউয়াল। তাঁর আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী শাহদীন মালিক, এস এম শাহজাহান ও সারা হোসেন। সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী মো. তায়্যিব-উল-ইসলাম সৌরভ। রাষ্ট্রপক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল আল ফয়সাল সিদ্দিকী ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ ছফওয়ান শুনানিতে ছিলেন। রাষ্ট্রপক্ষকে দুই সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন আইনজীবী মো. তায়্যিব-উল-ইসলাম।
দিনের ভোট রাতে করাসহ প্রহসনের নির্বাচন করার অভিযোগে সাবেক ৩ সিইসিসহ ২৪ জনের নাম উল্লেখ করে ২০২৫ সালের ২২ জুন মামলাটি করেন বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য সালাহ উদ্দিন খান। মামলায় ২০১৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তৎকালীন সিইসি কাজী রকিবউদ্দীন আহমদ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে তৎকালীন সিইসি কে এম নূরুল হুদা ও ২০২৪ সালের নির্বাচনে তৎকালীন সিইসি কাজী হাবিবুল আউয়ালকে আসামি করা হয়।
গত বছর ২৫ জুন এ মামলায় হাবিবুল আউয়ালকে রাজধানীর মগবাজার থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরদিন তাঁকে আদালতে হাজির করা হয়। পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তাঁকে হেফাজতে নিয়ে তিন দিন জিজ্ঞাসাবাদেরও অনুমতি দেন আদালত।
শেরেবাংলানগর থানায় এই মামলার অন্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান, সাবেক আইজিপি হাসান মাহমুদ খন্দকার, জাবেদ পাটোয়ারী, এ কে এম শহীদুল হকসহ আরো অনেকেই।




