• ই-পেপার

দুই মামলায় মমতাজের জামিন স্থগিত

বিভ্রান্তি-অপপ্রচার

অনিবন্ধিত অনলাইন পোর্টাল বন্ধের ব্যবস্থা চেয়ে হাইকোর্টে রিট

অনলাইন ডেস্ক
অনিবন্ধিত অনলাইন পোর্টাল বন্ধের ব্যবস্থা চেয়ে হাইকোর্টে রিট
ফাইল ছবি

রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি, সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর ও মানহানিকর তথ্য প্রচার বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট আবেদন করা হয়েছে।

আজ সোমবার জনস্বার্থে এই রিট করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও ন্যাশনাল লইয়ার্স কাউন্সিলের চেয়ারম্যান এস এম জুলফিকুর আলী (জুনু)।

স্বরাষ্ট্র সচিব, তথ্য ও সম্প্রচার সচিব, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) চেয়ারম্যান, পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি), র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)-এর মহাপরিচালক, ঢাকা মহানগর পুলিশের কমিশনার, পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) প্রধান ও সাইবার পুলিশ সেন্টারের প্রধানকে রিটে বিবাদী করা হয়েছে।

রিটে বলা হয়েছে, কিছু অনলাইন পোর্টাল, ফেসবুক পেজ, ইউটিউব চ্যানেল ও অন্যান্য ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর ও মানহানিকর তথ্য প্রচার করা হচ্ছে। এসব কর্মকাণ্ডের ফলে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হচ্ছে এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের প্রতি জনগণের আস্থা ক্ষুণ্ন হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

আবেদনে আরো বলা হয়, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে বিষয়টি উপস্থাপন করে লিখিত আবেদন দেওয়া হলেও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দৃশ্যমান অগ্রগতি পরিলক্ষিত হয়নি। ফলে জনস্বার্থে সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদের অধীনে হাইকোর্টের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন হয়ে পড়েছে।

রিট আবেদনে সংশ্লিষ্ট অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলোর কার্যক্রম তদন্ত, প্রকৃত মালিকানা ও নিবন্ধন যাচাই, আইনবিরোধী কনটেন্টের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ, প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট প্ল্যাটফর্ম বন্ধ বা ব্লক করা এবং অপপ্রচারকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।

আবেদনকারী আইনজীবী এস এম জুলফিকুর আলী (জুনু) বলেন, ‘মতপ্রকাশের স্বাধীনতা গণতন্ত্রের অন্যতম ভিত্তি। তবে মিথ্যা তথ্য, গুজব, সাইবার হয়রানি ও মানহানিকর প্রচারণা কোনোভাবেই মতপ্রকাশের স্বাধীনতার আওতাভুক্ত নয়। রাষ্ট্রের ভাবমূর্তি, আইনের শাসন এবং জনস্বার্থ রক্ষায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ জরুরি। রিট আবেদনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন অনলাইন কনটেন্ট, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের পোস্ট এবং পূর্বে দাখিলকৃত প্রতিনিধিত্বপত্র সংযুক্ত করা হয়েছে।’ চলতি সপ্তাহেই এখতিয়ারসম্পন্ন বেঞ্চে রিটটির শুনানি হতে পারে বলে জানান রিটকারী এই আইনজীবী।

হামলা-ভাঙচুরের মামলায় এনসিপি নেতা আনোয়ার ৩ দিনের রিমান্ডে

নিজস্ব প্রতিবেদক
হামলা-ভাঙচুরের মামলায় এনসিপি নেতা আনোয়ার ৩ দিনের রিমান্ডে
ছবি: কালের কণ্ঠ

প্রথম আলোর কার্যালয়ে হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা আনোয়ার হোসেনকে তিন দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত।

সোমবার (২২ জুন) বিকেলে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলামের আদালত শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী শামসুদ্দোহা সুমন বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন টিমের উপপরিদর্শক শাহ মিনহাজ উদ্দিন আসামিকে আদালতে হাজির করে পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন।

আবেদনে বলা হয়, আনোয়ার হোসেন বর্তমানে অন্য একটি মামলায় কারাগারে রয়েছেন। স্থানীয় লোকজনের জবানবন্দি, ভিডিও ফুটেজ এবং তদন্তে প্রাপ্ত তথ্য-উপাত্ত পর্যালোচনায় প্রথম আলো কার্যালয়ে হামলার ঘটনায় তার সম্পৃক্ততার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে।

হত্যাচেষ্টা মামলায় ইনু-মেননকে গ্রেপ্তার দেখালো আদালত

নিজস্ব প্রতিবেদক
হত্যাচেষ্টা মামলায় ইনু-মেননকে গ্রেপ্তার দেখালো আদালত
ছবি: কালের কণ্ঠ

জুলাই আন্দোলনে রাজধানীর বংশালে মো. মোখলেছিনকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে করা মামলায় সাবেক এমপি হাসানুল হক ইনু ও রাশেদ খান মেননকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

সোমবার (২২ জুন) দুপুরে তদন্ত কর্মকর্তা বংশাল থানার উপ-পরিদর্শক মো. আশরাফ হোসেন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট নাজমিন আক্তারের আদালতে আসামিদেরকে আদালতে হাজির করে এ আবেদন করেন। রাষ্ট্র পক্ষের আইনজীবী হারুন অর রশিদ বিষয়টি নিশ্চিত করেন। 

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হারুন অর রশিদ গ্রেপ্তারের পক্ষে শুনানি করেন। অপরদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা এর বিরোধিতা করেন।

মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ২৪ সালের আগস্টের ৫ তারিখ মিছিলরত অবস্থায় চানখারপুল মোরের নাজিমউদ্দীন রোডে বাদী মো. মোখলেছিন গুলিবিদ্ধ হন। পরে তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় স্থানীয়রা মিটফোর্ড হাসপাতালে নিয়ে যায়। ওই ঘটনায় গত বছরের ১ জানুয়ারি বাদী হয়ে মোখলেছিন একটি হত্যাচেষ্টা মামলা দায়ের করেন।

পি কে হালদারের সহযোগী অভিজিতের ৭ বছরের কারাদণ্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক
পি কে হালদারের সহযোগী অভিজিতের ৭ বছরের কারাদণ্ড
সংগৃহীত ছবি

দেশের অর্থ লোপাটের সঙ্গে জড়িত আলোচিত প্রশান্ত কুমার হালদার ওরফে পি কে হালদারের সহযোগী ও সুখাদা প্রোপার্টিজ লিমিটেডের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) অভিজিৎ অধিকারী তীর্থকে দুর্নীতির মামলায় পৃথক দুই ধারায় সাত বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সোমবার (২২ জুন) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১ এর বিচারক মুহা. হাসানুজ্জামান এ রায় দেন।

সম্পদের তথ্য গোপনের মামলায় অভিজিৎ অধিকারীকে দুই বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া জ্ঞাত আয় বর্হিভূত সম্পদ অর্জনের দায়ে তাকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে এবং এক কোটি ৩৫ লাখ পাঁচ হাজার ২৮৪ টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরো ৩০ দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। জ্ঞাত আয়ের উৎসের বাইরে অর্জিত সম্পত্তি রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করার আদেশ দেওয়া হয়েছে।

দুই ধারার সাজা একত্রে চলবে বলে রায়ে উল্লেখ করা হয়। এক্ষেত্রে নিয়ম অনুযায়ী সর্বোচ্চ সাজা পাঁচ বছর কারাভোগ করতে হবে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী রাজিব দে। তিনি জানান, আসামি মামলার শুরু  থেকেই পলাতক রয়েছেন। আদালত তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানাসহ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন।

২০২৩ সালের ৬ মার্চ দুদকের সহকারী পরিচালক মানসী বিশ্বাস বাদী হয়ে এ মামলা করেন। তার বিরুদ্ধে এক কোটি ২২ লাখ ৫০ হাজার টাকার জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ সম্পদ ভোগ দখলের অভিযোগ আনা হয়। এ ছাড়া নির্ধারিত সময়ে সম্পদ বিবরণী দাখিল না করার অপরাধ উল্লেখ করা হয়। তদন্ত শেষে ২০২৪ সালের ৫ মে দুদকের উপপরিচালক নাজমুল হুসাইন তার বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দেন।

অভিযোগপত্রে তার বিরুদ্ধে এক কোটি ৩৫ লাখ পাঁচ হাজার ২৮৪ টাকার অবৈধ সম্পদের অভিযোগ আনা হয়। ২০২৫ সালের ১৩ মার্চ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরু হয়। বিচার চলাকালে আদালত পাঁচজনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন। আসামি পলাতক থাকায় আত্মপক্ষ শুনানি করতে পারেননি। মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে আদালত থেকে আজ সাজার রায় এলো।