• ই-পেপার

বেওয়ারিশ কুকুর অপসারণে রুল, বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠনের নির্দেশ

সাবেক এমপি আনার হত্যা মামলার আসামি শিমুলের জামিন স্থগিত

অনলাইন ডেস্ক
সাবেক এমপি আনার হত্যা মামলার আসামি শিমুলের জামিন স্থগিত
সংগৃহীত ছবি

ভারতের কলকাতায় সাবেক সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনারকে অপহরণ, হত্যার পরিকল্পনা ও হত্যার ঘটনায় করা মামলার আসামি শিমুল ভূঁইয়াকে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন স্থগিত করেছেন আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত।

রবিবার (২১ জুন) বিচারপতি মো. রেজাউল হকের নেতৃত্বাধীন চেম্বার জজ আদালত এ আদেশ দেন। এর আগে গত ৮ জুন হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ তাকে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দিয়ে রুল জারি করেন।

২০২৪ সালের ১৩ মে তৎকালীন সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনারকে কলকাতার নিউ টাউন এলাকার একটি ফ্ল্যাটে হত্যা করে তার মরদেহ টুকরো টুকরো করা হয়। এ ঘটনায় একই বছরের ২২ মে ঢাকার শেরেবাংলা নগর থানায় মামলা করেন আনারের মেয়ে মুমতারিন ফেরদৌস ডরিন।

এ মামলায় ২০২৪ সালের ৫ জুন ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন এক সময়ের চরমপন্থী নেতা আমানুল্লা সাঈদ ওরফে শিমুল ভূঁইয়া ওরফে শিহাব ওরফে ফজল মোহাম্মদ ভূঁইয়া। পরে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

আনার হত্যাকাণ্ডের পর তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ঢাকায় এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ভারতীয় পুলিশের দেওয়া তথ্যে দেশে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তারা হলেন আমানুল্লা সাঈদ ওরফে শিমুল ভূঁইয়া ওরফে শিহাব ওরফে ফজল মোহাম্মদ ভূঁইয়া, তানভীর ভূঁইয়া ও সেলেস্টি রহমান।

আনার হত্যার ঘটনায় তার মেয়ের করা মামলায় ওই তিনজনকে গ্রেপ্তার করে ২০২৪ সালের ২৪ মে আদালতে হাজির করা হয়।

ঢাকার নতুন মহানগর দায়রা জজ হলেন শাহজাহান কবির

অনলাইন ডেস্ক
ঢাকার নতুন মহানগর দায়রা জজ হলেন শাহজাহান কবির

ঢাকার নতুন মহানগর দায়রা জজ হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বগুড়ার জেলা ও দায়রা জজ মো. শাহজাহান কবির। এ বিষয়ে রবিবার (২১ জুন) রাতে আইন ও বিচার বিভাগের উপসচিব মো. মাসুম বিল্লাহ স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

প্রজ্ঞাপনে আগামী ২৪ জুনের মধ্যে তাকে বদলিকৃত কর্মস্থলে যোগ দিতে বলা হয়েছে।

এর আগে গত ১ সেপ্টেম্বর মো. সাব্বির ফয়েজ ঢাকার মহানগর দায়রা জজ হিসেবে নিয়োগ পান।

নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তাকে ঢাকার সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের স্পেশাল ট্রাইব্যুনালের বিচারক হিসেবে বদলি করা হয়েছে।

মো. শাহজাহান কবিরের বাড়ি সাতক্ষীরা জেলায়। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগ থেকে স্নাতক সম্পন্ন করে ১৮তম বিসিএস (বিচার) ক্যাডারের মাধ্যমে বিচার বিভাগে যোগদান করেন। কর্মজীবনে তিনি ঢাকার বিভিন্ন আদালতে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন।

এ ছাড়া তিনি হাইকোর্ট বিভাগের ডেপুটি রেজিস্ট্রার হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। বগুড়ার জেলা ও দায়রা জজ হিসেবে যোগদানের আগে তিনি দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পরিচালক (প্রসিকিউশন) এবং নেত্রকোনার জেলা ও দায়রা জজ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

শিশু তাবাচ্ছুম ধর্ষণ-হত্যা মামলার রায় আজ

অনলাইন ডেস্ক
শিশু তাবাচ্ছুম ধর্ষণ-হত্যা মামলার রায় আজ
শিশু তাবাচ্ছুম। ছবি : সংগৃহীত

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে চার বছর বয়সী শিশু তাবাচ্ছুমকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যা মামলার রায় আজ সোমবার (২২ জুন) ঘোষণা করা হবে। গতকাল রবিবার ঝিনাইদহের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক শেষে রায়ের দিন ধার্য করেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, গত ২৬ ফেব্রুয়ারি সকালে উপজেলার বাদুড়গাছা গ্রামে চিপস ও জুস কিনে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে চার বছরের শিশু তাবাচ্ছুমকে নিজের ঘরে ডেকে নিয়ে যান অভিযুক্ত আবু তাহের। সেখানে শিশুটির ওপর পাশবিক নির্যাতন চালানো হয়। একপর্যায়ে শিশুটি যন্ত্রণায় চিৎকার করতে গেলে আবু তাহের নিজের লুঙ্গি দিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন। পরে ওই রাতেই শিশুটির মরদেহ একটি বস্তায় ভরে পাশের আব্দুল জব্বার মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সেপটিক ট্যাংকের ভেতরে লুকিয়ে রাখেন অভিযুক্ত আবু তাহের।

এ ঘটনার পর পরই অভিযুক্ত পালিয়ে গেলেও পুলিশের সাঁড়াশি অভিযানে ওই দিন রাতেই কুষ্টিয়া শহরের একটি ভাড়া বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে আসামি আবু তাহের পুলিশের কাছে এবং পরবর্তীতে আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় নিজের অপরাধ স্বীকার করে জবানবন্দি দেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জেল্লাল হোসেন গত ২৬ মে আদালতে চার্জশিট (অভিযোগপত্র) দাখিল করেন। এরপর দ্রুততম সময়ে মামলার ১৬ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ ও শুনানি শেষে রবিবার যুক্তিতর্ক শেষ হয়।

মামলার একমাত্র আসামি আবু তাহের একটি কম্পানির বিক্রয় প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তিনি বাদেডিহি গ্রামে শিশু তাবাচ্ছুমদের বাড়ির পাশেই ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন।

ঘটনার চার মাসের মধ্যে চাঞ্চল্যকর এ মামলার বিচারকাজ শেষ পর্যায়ে পৌঁছানোয় আদালত ও সরকারের প্রতি সন্তোষ প্রকাশ করেছেন ভিকটিম শিশুর পরিবার।

একমাত্র কন্যা সন্তানকে হারিয়ে শোকে পাথর তাবাচ্ছুমের মা-বাবা জানিয়েছেন, অভিযুক্ত আবু তাহেরের সর্বোচ্চ শাস্তি অর্থাৎ ফাঁসি চান তারা। ভবিষ্যতে আর কোনো মায়ের বুক যেন এভাবে খালি না হয়। সেই সঙ্গে দ্রুততম সময়ের মধ্যে রায় ঘোষণার দিন ধার্য করায় আদালতের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তারা।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী পিপি অ্যাডভোকেট আকিদুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা আদালতে আসামির বিরুদ্ধে অপরাধের সব তথ্য-প্রমাণ ও ১৬ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য নিখুঁতভাবে উপস্থাপন করতে পেরেছি। আমরা আশাবাদী, সোমবার আদালতের রায়ে ভুক্তভোগী পরিবারটি সর্বোচ্চ ন্যায়বিচার পাবে।’

হাছান-নওফেলসহ ২২ জনের অভিযোগ গঠন শুনানি আজ

অনলাইন ডেস্ক
হাছান-নওফেলসহ ২২ জনের অভিযোগ গঠন শুনানি আজ

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে চট্টগ্রামে ওয়াসিমসহ ছয়জনকে হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদসহ ২২ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন নিয়ে শুনানি আজ।

সোমবার (২২ জুন) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ দিন ধার্য রয়েছে।

গত ৪ জুন আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের ওপর প্রসিকিউশনের শুনানি হওয়ার কথা ছিল। তবে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন গ্রেপ্তার এক আসামিকে হাজির না করায় তা পিছিয়ে আজকের দিন ঠিক করেন ট্রাইব্যুনাল। এরই ধারাবাহিকতায় আজ প্রথমে অভিযোগ গঠনের পক্ষে শুনানি করবে প্রসিকিউশন। এরপর ডিসচার্জ (অব্যাহতি) চেয়ে শুনানি করবেন আসামিপক্ষের আইনজীবীরা।

এ মামলায় গ্রেপ্তার পাঁচ আসামি হলেন—চট্টগ্রাম-৬ আসনের সাবেক এমপি ফজলে করিম চৌধুরী, যুবলীগ নেতা আজিজুর রহমান, তৌহিদুল ইসলাম, মো. ফিরোজ ও দেবাশীষ পাল দেবু।

হাছান মাহমুদ ছাড়া পলাতক অন্য আসামিরা হলেন, সাবেক শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র আ জ ম নাসির উদ্দীন, রেজাউল করিম, মহিউদ্দিন বাচ্চু, হেলাল আকবর, নুরুল আজিম রনি, শৈবাল দাশ সুমন, আবু ছালেক, এসবারুল হক, এইচএম মিঠু, নূর মোস্তফা টিনু, জমির উদ্দিন, ইমরান হাসান মাহমুদ, জাকারিয়া দস্তগীর, মহিউদ্দিন ফরহাদ ও সুমন দে।

এর আগে, ১৩ মে পলাতক ১৭ আসামির পক্ষে স্টেট ডিফেন্স নিয়োগের আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। তাদের হয়ে আইনি লড়াই করছেন আইনজীবী মো. আমির হোসেন, আবুল হাসান, ইশরাত জাহান ও মোহাম্মদ এনাম।

গত ৭ এপ্রিল তিন অভিযোগে ২২ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেন ট্রাইব্যুনাল-২। ৫ এপ্রিল ফরমাল চার্জ দাখিল করে প্রসিকিউশন।

মামলার প্রথম অভিযোগে ওয়াসিম আকরাম, ফয়সাল আহমেদ শান্ত ও মো. ফারুককে হত্যার দায় আনা হয়। দ্বিতীয় অভিযোগে তানভীর সিদ্দিকী, সায়মন ওরফে মাহিম ও হৃদয় চন্দ্রকে শহীদ করার দায় আনা হয়। এ ছাড়া জাহিদ হাসান, আবদুল কাদের, আছিয়া খাতুন, সানজিদা সুলতানা, আবদুল্লাহসহ শতাধিক ছাত্র-জনতাকে গুরুতর আহত করার কথা তিন নম্বর অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।