কয়েক দিনের টানা পাহাড়ি ঢলে হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার লস্করপুর ও কাপাই চা-বাগানের সংযোগসড়কের সেতু ধসে পড়েছে। গত রবিবার ও সোমবারের টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে সেতুর দুই প্রান্তের অ্যাপ্রোচসহ মাঝের অংশ ধসে পড়ে। ফলে দুটি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীসহ দুই চা-বাগানের প্রায় আট হাজার মানুষের যোগাযোগ কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। স্থানীয় সূত্র জানায়, প্রায় ১৫ বছর আগে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) বাগানের সড়কে সেতুটি নির্মাণ করে। লস্করপুর ও কাপাই চা-বাগানের প্রায় দুই হাজার শ্রমিক পরিবারের আট হাজার মানুষ এই সেতু ব্যবহার করতেন। কাপাই চা-বাগানের শিক্ষার্থীরা লস্করপুরে অবস্থিত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও একটি উচ্চ বিদ্যালয়ে যাতায়াত করে এই সেতু দিয়েই। কাপাই বাগানের উৎপাদিত চা-পাতাও লস্করপুর কারখানায় নেওয়া হয় এ পথেই। চুনারুঘাট পাইকপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. ওয়াহেদ আলী মাস্টার জানান, সেতু ধসে দুই বাগানের প্রায় আট হাজার মানুষই এখন ভোগান্তিতে পড়েছেন।
ব্ল্যাকমেইলে স্বর্ণ হাতিয়ে নেওয়ায় গ্রেপ্তার ৩
চুনারুঘাটে সংযোগ সড়কের সেতু ধস

মুক্তিপণে সন্তানকে ফিরে পেল পরিবার

নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলার বাকলজোড়া ইউনিয়নের সিংহা চারিগাঁওপাড়া গ্রামেরা আব্দুল হেলিমের ছোট ছেলে আরিফ মিয়া (১০) গত শুক্রবার চট্টগ্রামের রাউজান এলাকার বাইতুল নূর দারুসুন্নাহ মাদরাসা থেকে বের হয়। কিন্তু সেদিন থেকেই সে নিখোঁজ হয়ে যায়। বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজির পরও তার কোনো সন্ধান মেলেনি। এ ঘটনায় রাউজান থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। অপহরণের তিন দিন পর গত সোমবার রাতে অবশেষে নিজ পরিবারে ফিরে কিশোর আরিফ। আরিফের বাবা আব্দুল হেলিম জানান, শুক্রবার নিখোঁজের পরদিন শনিবার দুপুরে একটি অপরিচিত নম্বর থেকে ফোন আসে। ফোনে ছেলেকে ফিরে পেতে প্রথমে ৬০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। দরিদ্র বাবার দর-কষাকষির এক পর্যায়ে ৩০ হাজার টাকায় চুক্তি হয়। পরে ঋণ করে ২৫ হাজার টাকা অপহরণকারীদের দেওয়া একটি বিকাশ নম্বরে পাঠান তিনি।
ছাত্রলীগের রাজনীতিতে যুক্ত ছেলেকে ত্যাগের ঘোষণা

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত থাকায় সংবাদ সম্মেলন করে নিজের ছেলেকে ত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন আব্দুল ওহাব শেখ নামের এক ব্যক্তি। গত সোমবার রাতে উপজেলার গওহরডাঙ্গা চৌরঙ্গি এলাকার একটি ফার্নিচার দোকানের অফিস কক্ষে সংবাদ সম্মেলন করে এমন ঘোষণা দেন তিনি। আব্দুল ওহাব শেখ (৬৫) উপজেলার পাটগাতী ইউনিয়নের গওহরডাঙ্গা গ্রামের বাসিন্দা। ছেলে সজীব শেখের ছাত্রলীগে কোনো পদ-পদবি না থাকলেও টুঙ্গিপাড়া উপজেলা ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত রয়েছেন বলে জানিয়েছেন তিনি। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে আব্দুল ওহাব শেখ বলেন, ‘আমি দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতি করি। আমার বড় ছেলে টুঙ্গিপাড়া পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সভাপতি। কিন্তু আমার ছোট ছেলে সজীব শেখ নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত রয়েছে বলে আমি তাকে ত্যাগ করলাম।’
সংক্ষিপ্ত
‘আ. লীগকে পরিশুদ্ধ হয়ে রাজনীতিতে আসতে হবে’

ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন বলেছেন, জুলাই হত্যাকাণ্ডে শেখ হাসিনাসহ জড়িত সবাইকে বিচারের আওতায় আনতে হবে। তাঁদের সাজা নিশ্চিত করতে হবে। জুলাই গণহত্যার জন্য জাতির কাছে ক্ষমা চাইতে হবে। বিচারের মধ্য দিয়ে তাঁদের পরিশুদ্ধ হয়ে রাজনীতিতে আসতে হবে। এর আগে তাঁদের বাংলাদেশে রাজনীতি করার অধিকার নেই। গতকাল মঙ্গলবার সকালে চট্টগ্রাম নগরের জিইসি মোড়ে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের অবস্থান কর্মসূচিতে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। ২৩ জুলাই নিষিদ্ধঘোষিত আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে দলটির ‘অপতৎপরতা’ ঠেকাতে বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবকদল এবং ছাত্রদল এই অবস্থান কর্মসূচি পালন করে। নগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক বেলায়েত হোসেন বুলু, নগর ছাত্রদলের সদস্যসচিব শরীফুল ইসলাম তুহিনের নেতৃত্বে এই অবস্থান কর্মসূচি পালিত হয়।
