• ই-পেপার

জিজ্ঞাসা

খালাতো ভাই-বোনের বিয়ের বিধান কী

কোরআন থেকে শিক্ষা

পর্ব-১১৪১

কোরআন থেকে শিক্ষা

আয়াতের অর্থ

যেদিন এক বন্ধু অপর বন্ধুর কোনো কাজে আসবে না এবং তারা সাহায্যও পাবে না। তবে আল্লাহ যার প্রতি দয়া করেন তার কথা ভিন্ন। তিনি পরাক্রমশালী, পরম দয়ালু। নিশ্চয়ই ঝাক্কুমগাছ হবে পাপীর খাদ্য; গলিত তামার মতো, তাদের পেটে ফুটতে থাকবে ফুটন্ত পানির মতো। তাকে ধরো এবং টেনে নিয়ে যাও জাহান্নামের মধ্যস্থলে, অতঃপর তার মস্তকের ওপর ফুটন্ত পানি ঢেলে শাস্তি দাও। এবং বলা হবে, আস্বাদ গ্রহণ করোতুমি তো ছিলে সম্মানিত, অভিজাত! এটা তো তাই, যে বিষয়ে তোমরা সন্দেহ করতে। (সুরা : দুখান, আয়াত : ৪১-৫০)

আয়াতগুলোতে জাহান্নামিদের শাস্তি নিয়ে আলোচনা করা হচ্ছে।

শিক্ষা ও বিধান

 

১. ঈমান না থাকলে শুধু রক্তের সম্পর্কের কারণে পরকালে কারো জন্য সুপারিশ করা যাবে না।

২. পরকালে মানুষ অন্যের সুপারিশ লাভ করবে আল্লাহর অনুগ্রহস্বরূপ, নিজের যোগ্যতার বলে নয়।

৩. পরকালীন প্রতিদান ও শাস্তি থাকা আবশ্যক। পরকালীন জবাবদিহির ভয় না থাকলে সমগ্র পৃথিবীর সব শৃঙ্খলা ধ্বংস হয়ে যাবে।

৪. জাহান্নামিদের জাহান্নামে নেওয়ার আগেই ঝাক্কুম খাওয়ানো হবে অভ্যর্থনার অংশ হিসেবে।

৫. জাহান্নামিদের শাস্তি হিসেবেই ঝাক্কুম খাওয়ানো হবে, তবে তা হবে শাস্তির সূচনা। পরে তারা
আরো কঠিন শাস্তি ভোগ করবে।

  (মাআরেফুল কোরআন : ৭/৭৬৩)

মনীষীর কথা

মনীষীর কথা

কথা, কাজ ও নিয়তের বিশুদ্ধতাই দ্বিনের ওপর দৃঢ় থাকা। সবচেয়ে বড় দৃঢ়তা ফরজ বিধান যথাযথভাবে আদায় করা।

ইবনে আব্বাস (রা.)

প্রশ্ন-উত্তর

সমাধান : ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার বাংলাদেশ, বসুন্ধরা, ঢাকা

প্রশ্ন-উত্তর

লবণ দেওয়ার চুক্তিতে চাষাবাদ

প্রশ্ন : এক ব্যক্তির মালিকানাধীন জমিতে প্রতিবছর কানিপ্রতি লবণ উৎপাদিত হয় ২০০ থেকে ২২০ মণ। প্রত্যেক মৌসুমে চাষিদের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে মূল উৎপাদনের নির্দিষ্ট শতাংশ অথবা শ্রমিক হিসেবে বেতন ঠিক করে চুক্তি হয়। অনেক সময় চাষিদের অবহেলায় মালিকের দেওয়া উৎপাদন সরঞ্জাম চুরি হয়ে যায় অথবা উৎপাদিত লবণ থেকে চুরি হওয়ায় মালিককে এর লোকসান গুনতে হয়। এ বছর এই মর্মে চুক্তি হয় যে উৎপাদনের সরঞ্জাম চাষিদের আর চাষিরা কানিপ্রতি মালিককে ১০০ মণ করে লবণ দেবেন, বাদবাকি লবণ পাবেন চাষিরা। এরূপ চুক্তি ইসলামসম্মত কি? যদি না হয় মৌসুমের মাঝ পথে এসে মালিকের করণীয় কী? জানিয়ে বাধিত করবেন।

নেজামুদ্দিন, টেকনাফ

উত্তর : ইজারা দেওয়া জমির উৎপাদিত লবণ থেকে লবণ দেওয়ার শর্ত না করলে প্রশ্নে বর্ণিত চুক্তি ইসলামসম্মত। (ফাতাওয়ায়ে দারুল উলুম : ১৫/২৫৬, আল ফিকহুল হানফি ওআদিল্লাতুহু : ২/৭৪)

ওমরাহ ভিসার আবেদন শুরু

নিহার মামদুহ
ওমরাহ ভিসার আবেদন শুরু

সৌদি আরব ১৪৪৮ হিজরির নতুন ওমরাহ মৌসুমের জন্য ভিসা আবেদন গ্রহণ শুরু করেছে। ১৪ জিলহজ ১৪৪৭ হিজরি (৩১ মে ২০২৬) রবিবার থেকে ওমরাহ ভিসার আবেদন গ্রহণ শুরু হয়েছে। হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় প্রকাশিত ১৪৪৮ হিজরির ওমরাহ মৌসুমের ক্যালেন্ডার অনুযায়ী সোমবার ১ জুন থেকে ওমরাহযাত্রীরা মক্কায় প্রবেশ এবং ওমরাহ পালনের অনুমতিপত্র (পারমিট) সংগ্রহ করতে পারবেন। এ পারমিট নেওয়া যাবে নুসুক অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে।

সম্প্রতি মন্ত্রণালয় নতুন ওমরাহ মৌসুমের ক্যালেন্ডার ঘোষণা করেছে। এতে ভিসা ইস্যু, বিভিন্ন সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি, ওমরাহযাত্রীদের অভ্যর্থনা এবং সংশ্লিষ্ট ইলেকট্রনিক সেবাগুলোর সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে। ঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী ১ শাওয়াল ১৪৪৮ হিজরি (৯ মার্চ ২০২৭) হবে ওমরাহ ভিসা ইস্যুর শেষ দিন। আর ১৫ শাওয়াল ১৪৪৮ হিজরি (২৩ মার্চ ২০২৭) হবে ওমরাহযাত্রীদের সৌদি আরবে প্রবেশের শেষ তারিখ। ৩০ শাওয়াল ১৪৪৮ হিজরি (৭ এপ্রিল ২০২৭) হবে ওমরাহযাত্রীদের সৌদি আরব ত্যাগের শেষ দিন।

হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় ওমরাহ সেবা দানকারী প্রতিষ্ঠান এবং বিদেশি এজেন্টদের অনুমোদিত সময়সূচি কঠোরভাবে অনুসরণ করার এবং মন্ত্রণালয়ের জারি করা সব নির্দেশনা মেনে চলার আহবান জানিয়েছে। এর মাধ্যমে পুরো মৌসুমজুড়ে ওমরাহযাত্রীদের জন্য সর্বোচ্চ মানের সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

নতুন ওমরাহ মৌসুমের সূচনার মধ্য দিয়ে সৌদি আরব আবারও বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আসা মুসল্লিদের জন্য ওমরাহ পালনের সুযোগ উন্মুক্ত করল। এর মাধ্যমে হজ মৌসুম শেষে মক্কা ও মদিনায় ইবাদত-বন্দেগির ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে এবং ওমরাহসংশ্লিষ্ট সেবাগুলো নতুন উদ্যমে পরিচালিত হবে।

সূত্র : আরব নিউজ