• ই-পেপার

বৈশ্বিক পণ্যবাজার (ডলারে)

মুদ্রাবাজার

মুদ্রাবাজার

কার্ল পেই, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, নাথিং টেকনোলজি

কার্ল পেই, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, নাথিং টেকনোলজি

পুরনো ফোন পাল্টে নতুন ফোন কেনার সেরা সময়টা চলে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন যুক্তরাজ্যভিত্তিক ফোন নির্মাতা কম্পানি নাথিংয়ের সিইও কার্ল পেই। তিনি বলেন, র‌্যাম সংকটের কারণে মিডরেঞ্জের ফোনের দামও বেড়ে যাচ্ছে। ‘নাথিং ফোন ফোরএ’ তৈরির ঘোষণা দেওয়ার সময় র্যামের যে দাম ছিল তা উন্মোচনের সময় দ্বিগুণ বেড়ে যায়। উন্মোচনের পর সেই দামও বেড়ে দ্বিগুণ হয়েছে। আগামী বছরও ফোনের মূল্যবৃদ্ধির ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে।

 

 

ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের ৩০% ডিভিডেন্ড অনুমোদন

বাণিজ্য ডেস্ক
ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের ৩০% ডিভিডেন্ড অনুমোদন

ডাচ্-বাংলা ব্যাংক পিএলসির ৩০তম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে ব্যাংকের চেয়ারম্যান সাদিয়া রাইয়ান আহমেদ সভাপতিত্ব করেন। ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠিত সভার শুরুতে ব্যাংকের চেয়ারম্যান সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে শেয়ারহোল্ডারদের শুভেচ্ছা জানান। ব্যাংকের ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সমাপ্ত বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণী সভায় উপস্থাপন করা হয়। শেয়ারহোল্ডাররা ব্যাংকের ২০২৫ সালের আর্থিক বিবরণী এবং ৩০ শতাংশ ডিভিডেন্ড (শেয়ারপ্রতি ২৫ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড এবং ৫ শতাংশ স্টক ডিভিডেন্ড) অনুমোদন করেন। এ ছাড়া শেয়ারহোল্ডাররা ব্যাংকের বিভিন্ন কার্যক্রম নিয়ে তাঁদের অভিমত ব্যক্ত করেন। ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ব্যাংকের মোট সম্পদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে আট লাখ ১৭ হাজার ৭৯৭.৬ মিলিয়ন টাকা, যা ২০২৪ সালে ছিল ছয় লাখ ৭৯ হাজার ৮৭৫.৫ মিলিয়ন টাকা, যার প্রবৃদ্ধির পরিমাণ দাঁড়ায় ২০.৩ শতাংশ। ২০২৫ সালে ব্যাংক কর্তৃক প্রদানকৃত ঋণের পরিমাণ চার লাখ ৫০ হাজার ৫০৩.৮ মিলিয়ন টাকা, যা ২০২৪ সালে ছিল চার লাখ ২৮ হাজার ৬৮৯.৪ মিলিয়ন টাকা।

 

 

বাজেটে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানে আশা দেখছে জেবিসিসিআই

নিজস্ব প্রতিবেদক
বাজেটে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানে আশা দেখছে জেবিসিসিআই

প্রস্তাবিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটকে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধির জন্য ইতিবাচক বার্তা বহনকারী হিসেবে দেখছে জাপান-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (জেবিসিসিআই)।

জেবিসিসিআই এক প্রতিক্রিয়ায় জানায়, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, সামাজিক সুরক্ষা ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির ওপর গুরুত্বারোপ মানবসম্পদ উন্নয়নে সহায়ক হবে। একই সঙ্গে ব্যাবসায়িক পরিবেশ উন্নয়ন, রপ্তানি বহুমুখীকরণ, শিল্প বৈচিত্র্যায়ণ এবং বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের উদ্যোগ আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ইতিবাচক বার্তা দেবে। সংগঠনটি মনে করে, কাস্টমস আধুনিকায়ন, বন্ডেড ওয়্যারহাউস ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং লজিস্টিকস অবকাঠামো শক্তিশালীকরণের উদ্যোগ দেশের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়াবে। তবে বাজেটের প্রকৃত সফলতা নির্ভর করবে কার্যকর বাস্তবায়ন, নীতির ধারাবাহিকতা এবং নিয়ন্ত্রক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার ওপর। জেবিসিসিআইয়ের মতে, এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগ ও রপ্তানি সম্প্রসারণের নতুন সুযোগ তৈরি হবে।