• ই-পেপার

পাল্টে যাচ্ছে অর্থবছর

  • ২০২৭ সালে আসতে পারে ছয় মাসের বিশেষ বাজেট
  • জুলাই-জুনের বদলে জানুয়ারি-ডিসেম্বর সময় ধরে অর্থবছর চালুর প্রস্তুতি

বিধানসভায় শুভেন্দু

১০ হাজার ফেরত পাঠিয়েছি, অপেক্ষায় ১,৮০০ জন

কালের কণ্ঠ ডেস্ক
১০ হাজার ফেরত পাঠিয়েছি, অপেক্ষায় ১,৮০০ জন
শুভেন্দু অধিকারী

বাংলাদেশি অনুপ্রবেশ ইস্যুতে ফের কঠোর অবস্থানের কথা জানালেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

গতকাল মঙ্গলবার বিধানসভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি দাবি করেন, অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে রাজ্য সরকার ধারাবাহিকভাবে পদক্ষেপ নিচ্ছে। তিনি বলেন, যারা প্রকৃত ভারতীয় নাগরিক, তারা যে ধর্মেরই হোক না কেন, তাদের কোনো আতঙ্কের কারণ নেই। কিন্তু যারা বেআইনিভাবে ভারতে প্রবেশ করেছে, তাদের চিহ্নিত করে বিএসএফের হাতে তুলে দেওয়া হবে।

তিনি দাবি করেন, এখন পর্যন্ত ১০ হাজার অনুপ্রবেশকারীকে রাজ্য থেকে বের করা হয়েছে। ১২টি হোল্ডিং সেন্টারে আরো প্রায় এক হাজার ৮০০ জনকে রাখা হয়েছে। প্রতিদিন তাদের ওপারে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। তিনি জানান, অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের কোনো সরকারি প্রকল্পের সুবিধা দেওয়া হবে না। বাংলার নিরাপত্তার সঙ্গে কোনো আপস করা হবে না। শুভেন্দুর অভিযোগ, তৎকালীন সরকার বিএসএফকে প্রয়োজনীয় জমি দেয়নি, বরং বিএসএফের বিরুদ্ধে প্রচার করা হয়েছে। তিনি জানান, এখন পর্যন্ত ১৪২.৭৯ একর জমি বিএসএফের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। আগামী কয়েক মাসের মধ্যে প্রায় ৬০০ কিলোমিটার অরক্ষিত সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়ার কাজ শেষ হবে। সংখ্যালঘু উন্নয়নের প্রসঙ্গ তুলে তৃণমূল কংগ্রেসকে আক্রমণ করেন শুভেন্দু। তাঁর অভিযোগ, সংখ্যালঘুদের প্রকৃত উন্নয়নের বদলে আগের সরকার ভোটের রাজনীতি করেছে।

ডা. জাহেদকে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল : ভারতের নয়াদিল্লির ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তল্লাশির পর বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমানকে ভারতে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু তিনি নিজের ইচ্ছায় ঢাকায় ফেরেন বলে দাবি করেছে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ-ভারত কূটনৈতিক মহলে বেশ আলোচনা-সমালোচনা হয়েছিল। গতকাল ওই ঘটনার প্রায় এক সপ্তাহ পর সাপ্তাহিক মিডিয়া ব্রিফিংয়ে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এই ব্যাখ্যা দিয়েছেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ১৪ জুন একটি সাধারণ পাসপোর্ট ও সার্ক ভিসা নিয়ে ইন্ডিয়ান ওশান রিম অ্যাসোসিয়েশন-এর সিনিয়র কর্মকর্তাদের ২৮তম বৈঠকে যোগ দিতে ভারতে আসেন। নয়াদিল্লি বিমানবন্দরে ইমিগ্রেশন কর্মকর্তারা তাঁকে কিছু জিজ্ঞাসাবাদ করেন এবং বহুপক্ষীয় ওই বৈঠকে যোগ দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর তাঁকে দেশে প্রবেশের অনুমতি দেন। তবে তিনি নিজের ইচ্ছায় ঢাকায় ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভারতবিরোধী কিছু মন্তব্যের জেরে জাহেদ উর রহমানের নাম ভারতের একটি ইমিগ্রেশন ওয়াচলিস্ট বা ব্ল্যাকলিস্টে অন্তর্ভুক্ত ছিল। প্রশাসনিক জটিলতার কারণে সেই তালিকা থেকে নাম বাদ না পড়ায় ইমিগ্রেশন সিস্টেমে অ্যালার্ট দেখায় এবং তাঁকে প্রায় আড়াই ঘণ্টা বিমানবন্দরে অপেক্ষা করতে হয়। এই ঘটনার পর ঢাকার পক্ষ থেকে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করা হয় এবং ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার পবন বাধেকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব করে প্রতিবাদ জানানো হয়। সূত্র : দ্য টেলিগ্রাফ

উক্তি

উক্তি

ডেঙ্গু মোকাবেলায় শুধু সরকারি উদ্যোগ নয়, জনগণের সচেতনতা ও সক্রিয় অংশগ্রহণও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

নির্বাচিত সরকারে আস্থা

নতুন অর্থবছরে ৬ বিলিয়ন ডলার ঋণ দেবে বিশ্বব্যাংক-আইএমএফ

নিজস্ব প্রতিবেদক
নতুন অর্থবছরে ৬ বিলিয়ন ডলার ঋণ দেবে বিশ্বব্যাংক-আইএমএফ

বিএনপি জোট সরকারের মাত্র চার মাসেই ইতিবাচক সাড়া দিয়েছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। ঋণ দেওয়ায় অনেক রক্ষণশীল এ সংস্থাটি বর্তমান সরকারকে প্রায় সাড়ে চার বিলিয়ন ডলারের একটি নতুন ঋণ প্রকল্প বাস্তবায়নের আশ্বাস দিয়েছে। এরই মধ্যে সংস্থাটির সঙ্গে সরকারের প্রাথমিক আলোচনা শুরু হয়েছে। আগামী ডিসেম্বরেই নতুন এই ঋণচুক্তি হতে পারে বলে জানা গেছে। এদিকে বিশ্বব্যাংকও নতুন সরকারকে দেড় বিলিয়ন ডলার দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে। সব মিলিয়ে আগামী অর্থবছরে এই দুই প্রধান বহুপক্ষীয় ঋণদাতা সংস্থার কাছ থেকে প্রায় ৬০০ কোটি ডলারের আর্থিক সহায়তার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ওপর চাপ, উচ্চ মূল্যস্ফীতি, জ্বালানি ও সার আমদানিতে বাড়তি ব্যয় এবং ব্যাংকিং খাতের দুর্বলতা কাটিয়ে উঠতে সরকার আন্তর্জাতিক উন্নয়ন অংশীদারদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছে। এর অংশ হিসেবে বিদ্যমান আইএমএফ কর্মসূচির বাইরে নতুন বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ একটি ঋণ কর্মসূচির প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

জানা গেছে, আগামী ১২ থেকে ১৭ জুলাই আইএমএফের একটি প্রতিনিধিদল ঢাকা সফরে আসছে। প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেবেন আইএমএফের বাংলাদেশ মিশন প্রধান ইভো ক্রজনার। সফরে সরকারের অর্থনৈতিক নীতি, রাজস্ব সংস্কার, ব্যাংকিং খাত পুনর্গঠন, বিনিময় হার ব্যবস্থাপনা এবং সম্ভাব্য নতুন কর্মসূচির কাঠামো নিয়ে আলোচনা হবে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নতুন কর্মসূচির আওতায় বাংলাদেশ প্রায় ৪৫০ কোটি ডলার পর্যন্ত ঋণ সহায়তা পেতে পারে। অর্থ এককালীন নয়, বরং কয়েক বছরে বিভিন্ন কিস্তিতে ছাড় করা হবে। কর্মসূচির মূল লক্ষ্য হবে সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা জোরদার করা, বৈদেশিক খাতের চাপ কমানো এবং অর্থনীতির কাঠামোগত সংস্কার এগিয়ে নেওয়া।

সরকারের উচ্চ পর্যায়ের এক কর্মকর্তা বলেন, নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতায় নির্বাচিত সরকার দীর্ঘমেয়াদি সংস্কার বাস্তবায়নে অধিক সক্ষম বলে উন্নয়ন অংশীদারদের মধ্যে ইতিবাচক ধারণা তৈরি হয়েছে। সে কারণেই নতুন কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা দ্রুত এগোচ্ছে।

আইএমএফের বিবৃতিতেও বাংলাদেশের নতুন কর্মসূচির আবেদনের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। সংস্থাটি জানিয়েছে, সরকারের সঙ্গে সম্ভাব্য সংস্কার কর্মসূচি ও নীতিগত অগ্রাধিকার নিয়ে আলোচনা চলছে। চূড়ান্ত কর্মসূচির আকার ও অর্থের পরিমাণ পরবর্তী আলোচনায় নির্ধারিত হবে।

এদিকে বিশ্বব্যাংকের ১৫০ কোটি ডলারের সহায়তার মধ্যে রয়েছে ৮০ কোটি ডলার বাজেট সহায়তা, ৩০ কোটি ডলার খাদ্য নিরাপত্তা ও সার আমদানি এবং ৪০ কোটি ডলার ব্যাংকিং খাত সংস্কারের জন্য। চলতি মাসেই বিশ্বব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ এ অর্থ অনুমোদন করতে পারে বলে জানা গেছে।

বিশ্বব্যাংক বিশেষভাবে ব্যাংকিং খাতের সুশাসন ও খেলাপি ঋণ ব্যবস্থাপনার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। সংস্থাটি বাংলাদেশ ব্যাংকের তদারকি ক্ষমতা বৃদ্ধি, সম্পর্কিত পক্ষকে ঋণ প্রদানে কঠোর নিয়ন্ত্রণ এবং আন্তর্জাতিক মানের করপোরেট সুশাসন নিশ্চিত করার শর্ত দিয়েছে। একই সঙ্গে খেলাপি ঋণ ব্যবস্থাপনায় নতুন আইন এবং দুর্বল ব্যাংক পুনর্গঠনের আধুনিক কাঠামো তৈরির উদ্যোগও নেওয়া হচ্ছে।

অর্থনীতিবিদদের মতে, আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংকের এ সহায়তা শুধু বৈদেশিক অর্থায়নের উৎস বাড়াবে না, বরং আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারী ও উন্নয়ন সহযোগীদের কাছেও ইতিবাচক বার্তা দেবে। এতে দেশের অর্থনীতির প্রতি আস্থা বাড়বে এবং ভবিষ্যতে আরো বৈদেশিক অর্থায়ন আকর্ষণ সহজ হবে।

নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় অনুষদের ডিন ড. এ কে এম ওয়ারেসুল করিম কালের কণ্ঠকে বলেন, বৈদেশিক মুদ্রার ওপর চাপ ও রাজস্ব ঘাটতির সময়ে এ ধরনের সহায়তা অর্থনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তবে অর্থের চেয়ে বড় বিষয় হলো সংস্কার বাস্তবায়ন। ব্যাংকিং খাত, রাজস্ব ব্যবস্থা ও আর্থিক খাতে কাঠামোগত পরিবর্তন আনতে না পারলে দীর্ঘ মেয়াদে কাঙ্ক্ষিত সুফল পাওয়া যাবে না।

সরকারি সূত্রগুলো বলছে, আগামী কয়েক মাসের আলোচনার পর আইএমএফের সঙ্গে সমঝোতা চূড়ান্ত হলে ডিসেম্বরের মধ্যেই নতুন ঋণ কর্মসূচির চুক্তি স্বাক্ষর হতে পারে। একই সময়ে বিশ্বব্যাংকের ঋণ অনুমোদন হলে অর্থনীতির ওপর বর্তমান চাপ অনেকটাই কেটে যাবে।

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী

একটি নিষিদ্ধ দলের তৎপরতা চোখে পড়া জাতির জন্য ব্যর্থতা

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি
একটি নিষিদ্ধ দলের তৎপরতা চোখে পড়া জাতির জন্য ব্যর্থতা
শেখ রবিউল আলম

সড়ক, রেল ও নৌ-পরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেছেন, একটি নিষিদ্ধ দলের তৎপরতা চোখে পড়া জাতির জন্য ব্যর্থতা। নিষিদ্ধ দল নিয়ে আমি মন্তব্য করতে চাই না। দলটি একসময় একটি রাজনৈতিক দল ছিল। জন-আকাঙ্ক্ষা ও জনগণের প্রতিপক্ষ হয়ে ফাংশন করতে গিয়ে আজকে এটি পরিত্যক্ত, জনগণ কর্তৃক বর্জিত, সর্বশেষ নিষিদ্ধ। নিষিদ্ধ মানে নিষিদ্ধই। তিনি বলেন, নিষিদ্ধ কোনো বিষয় নিয়ে কথা না বলাই শ্রেয়। গতকাল মঙ্গলবার সকালে মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার চর গলগলিয়ায় ধলেশ্বরী নদীর ওপর নির্মিত রেল সেতুর ঢাকা প্রান্তের ভায়াডাক্টের নিচে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী নিয়ে সাংবাদিকরা প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, এখন প্রশ্নএকটা রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ, বিষয়টি জাতি কিভাবে দেখে? জাতি নিষিদ্ধ চেয়েছে বিধায় দলটি নিষিদ্ধ হয়েছে। নিষিদ্ধ হওয়ার জন্য জাতি গণ-অভ্যুত্থান করেছে। দেশ থেকে তাদের ভেগে যেতে বাধ্য করেছে দেশের জনগণ। জনগণই রাজনৈতিক দলের বৈধতা দেয়। তিনি বলেন, নিষিদ্ধ কোনো বিষয় নিয়ে কথা না বলাই শ্রেয়।

সরকারি জমির ব্যবহার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সরকারের যত জায়গা আছে, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের অধীনে সেগুলো চিহ্নিত করা হচ্ছে। এর মধ্যে কিছু জায়গা, যেগুলো এক একরের বেশি, সেগুলো এক রকমভাবে চিহ্নিত করা হচ্ছে। এক একরের নিচে যেগুলো, সেগুলোকে আরেক রকমভাবে চিহ্নিত করা হচ্ছে। তিন একরের ওপরে যেগুলো আছে, সেগুলোকে চিহ্নিত করে এক মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্যানেল করা সম্ভব। তিন একরের অধিক জায়গা চিহ্নিত করে সেখানে সোলার প্যানেল স্থাপন করা হবে। সেখান থেকে স্থানীয়ভাবে বিদ্যুৎ ব্যবহার করা হবে এবং জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ দেওয়া হবে। অর্থাৎ সোলার প্যানেল স্থাপন করে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহার করা হবে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ, রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ফাহিমুল ইসলাম, বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক মো. আফজাল হোসেন, পদ্মা রেল সংযোগ প্রকল্পের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

জানা গেছে, আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশ রেলওয়ে ২৪ লাখ বৃক্ষ রোপণের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। এর মধ্যে এক লাখ ৬০ হাজার বৃক্ষ রোপণ করা হবে এ বছর।