বাংলা
রচনামূলক প্রশ্ন
১। বাংলাদেশের উৎসবগুলো বৈচিত্র্যময় কেন?
উত্তর : বাংলাদেশে রয়েছে উৎসবের বৈচিত্র্য। এখানকার বিভিন্ন ধর্মের মানুষের রয়েছে ভিন্ন ভিন্ন ধর্মীয় উৎসব।
যেমন : ঈদুল ফিতর, ঈদুল আজহা, দুর্গাপূজা, বুদ্ধপূর্ণিমা ও বড়দিন। এ ছাড়া বাংলা নতুন বছরকে বরণ করতে বাংলাদেশের মানুষ বাংলা নববর্ষ উদযাপন করে। রাখাইন ও চাকমা সম্প্রদায় যথাক্রমে পালন করে সাংগ্রাই ও বিজু উৎসব। এ দেশের মানুষের ধর্মীয় ও জাতিগত বৈচিত্র্য থাকায় তাদের উৎসবগুলোও বৈচিত্র্যে পরিপূর্ণ।
২। বাংলাদেশ সমৃদ্ধ হওয়ার পেছনে কাদের অবদান রয়েছে?
উত্তর : বাংলাদেশে অনেক পেশার মানুষ রয়েছে। কৃষক মাঠে চাষ করেন। জেলেরা জাল দিয়ে মাছ ধরেন। কামার লোহার জিনিস তৈরি করেন। কুমার মাটির হাঁড়ি-পাতিল তৈরি করেন। তাঁতি কাপড় বুনেন। তাঁরা সবাই পরিশ্রমী। তাঁদের পরিশ্রমেই বাংলাদেশ স্বয়ংসম্পূর্ণ হতে পেরেছে। তাই বলা যায়, বাংলাদেশ সমৃদ্ধ হওয়ার পেছনে এই পেশাজীবীদের অবদান রয়েছে।
৩। বাংলাদেশের মানুষের পোশাক-পরিচ্ছদের পরিচয় দাও।
উত্তর : বাংলাদেশের মানুষের পোশাক-পরিচ্ছদে রয়েছে বৈচিত্র্য। এ দেশের মানুষ পাজামা-পাঞ্জাবি, শার্ট-প্যান্ট, শাড়ি-ব্লাউজ ও সালোয়ার-কামিজ ছাড়াও নানা ধরনের পোশাক পরে থাকে। চাকমারা পরে পিনোন ও হাদি; মারমারা পরে দেয়াহ; সাঁওতালরা পরে পাঞ্জি এবং গারোরা পরে দকমান্দা নামক এক ধরনের পোশাক।
৪। বাংলাদেশে বসবাসকারী মানুষের ভাষা বৈচিত্র্যময় কেন?
উত্তর : বাংলাদেশে নানা জাতিগোষ্ঠীর মানুষ বসবাস করে। এদের কেউ বাঙালি, কেউ চাকমা, কেউ মারমা, কেউ মুরং, কেউ তঞ্চঙ্গ্যা, কেউ বা সাঁওতাল। সবারই রয়েছে নিজস্ব মাতৃভাষা। সবাই তাদের নিজস্ব মাতৃভাষায় কথা বলতে পছন্দ করে। অর্থাৎ বাঙালি ছাড়াও অন্যান্য জাতিগোষ্ঠীর মানুষ এ দেশে বসবাস করে। এ দেশে বসবাসকারী সবাই বাংলাদেশি। এ কারণে বাংলা ছাড়াও অন্যান্য জাতিগোষ্ঠীর মানুষের নিজস্ব ভাষাও এ দেশে ব্যবহৃত হয়। তাই বাংলাদেশে বসবাসকারী মানুষের ভাষা বৈচিত্র্যময়।



