• ই-পেপার

পরীক্ষায় যথাযথ প্রস্তুতি, সময় ব্যবস্থাপনা ও সুন্দর উপস্থাপনা জরুরি

  • আগামীকাল থেকে শুরু হচ্ছে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। গুরুত্বপূর্ণ এই পাবলিক পরীক্ষায় সারা দেশের ১২ লক্ষাধিক শিক্ষার্থী অংশ নেবে। পরীক্ষায় ভালো করার কলাকৌশল, শেষ সময়ের প্রস্তুতিসহ নানা বিষয়ে কালের কণ্ঠের সঙ্গে কথা বলেছেন মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ময়মনসিংহের চেয়ারম্যান প্রফেসর এস এম আরিফুর রহমান

আইইউবিতে ‘নারী, সংস্কার ও ধর্ম’ শীর্ষক সেমিনার

আইইউবিতে ‘নারী, সংস্কার ও ধর্ম’ শীর্ষক সেমিনার

ইনডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশের (আইইউবি) গ্লোবাল স্টাডিজ অ্যান্ড গভর্ন্যান্স (জিএসজি) বিভাগ আয়োজিত ‘উইমেন, রিফর্ম অ্যান্ড রিলিজিয়ন’ শীর্ষক একটি আন্ত বিষয়ক সেমিনার ২৪ জুন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সেন্ট্রাল উইমেনস ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. পারভীন হাসান। প্যানেল আলোচনায় অংশ নেন ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির স্কুল অব জেনারেল এডুকেশনের ডিন ও নৃবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. সামিয়া হক; সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ও মানবাধিকারকর্মী ব্যারিস্টার সারা হোসেন এবং লেখক, গবেষক ও ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেডের (ইউপিএল) সম্পাদক ফিরোজ আহমেদ। প্যানেল আলোচনা সঞ্চালনা করেন আইইউবির গ্লোবাল স্টাডিজ অ্যান্ড গভর্ন্যান্স বিভাগের অধ্যাপক ড. ইমতিয়াজ এ হুসেইন। স্বাগত বক্তব্য দেন আইইউবির স্কুল অব লিবারেল আর্টস অ্যান্ড সোশ্যাল সায়েন্সেসের ডিন অধ্যাপক ড. বখতিয়ার আহমেদ। আরো বক্তব্য দেন আইইউবির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান দিদার এ হোসেইন এবং ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. ড্যানিয়েল ডব্লিউ লুন্ড। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন জিএসজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মারুফা আক্তার। সমাপনী বক্তব্য দেন জিএসজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও সহযোগী অধ্যাপক মো. শাহনেওয়াজ হোসেন।

 

এনএসইউতে সোশ্যাল বিজনেস ইনোভেশন সামিট

এনএসইউতে সোশ্যাল বিজনেস ইনোভেশন সামিট

নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির (এনএসইউ) স্কুল অব বিজনেস অ্যান্ড ইকোনমিকস (এসবিই) ইউনূস সেন্টারের সহযোগিতা এবং ঢাকা ব্যাংক পিএলসি, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক পিএলসি ও ক্যাপিটেক অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট লিমিটেডের পৃষ্ঠপোষকতায় ‘সোশ্যাল বিজনেস ইনোভেশন সামিট ২০২৬’-এর উদ্বোধন করেছে। ৩০ জুন এনএসইউতে এ সম্মেলনে দেশ-বিদেশের নীতিনির্ধারক, শিক্ষাবিদ, গবেষক, উদ্যোক্তা এবং সামাজিক ব্যবসা সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা অংশগ্রহণ করছেন। সামাজিক ব্যবসার মাধ্যমে টেকসই উন্নয়ন ও ইতিবাচক সামাজিক পরিবর্তনের লক্ষ্যে উদ্ভাবনী ধারণা বিনিময়ই এ সম্মেলনের মূল উদ্দেশ্য। সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির উপ-উপাচার্য অধ্যাপক নেছার ইউ আহমেদ। আয়োজক প্রতিষ্ঠানের পরিচিতি ও অনুষ্ঠানের সূচনা বক্তব্য প্রদান করেন নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক আবদুল হান্নান চৌধুরী এবং উদ্বোধনী বক্তব্য দেন ইউনূস সেন্টার ও গ্রামীণ হেলথকেয়ার ট্রাস্টের নির্বাহী পরিচালক লামিয়া মোরশেদ।

ক্যাম্পাস সংবাদ

ইউআইইউ বিজনেস স্কুলের উদ্যোগে ‘নেক্সাস সেমিনার সিরিজ’-এর যাত্রা শুরু

ইউআইইউ বিজনেস স্কুলের উদ্যোগে ‘নেক্সাস সেমিনার সিরিজ’-এর যাত্রা শুরু

ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির (ইউআইইউ) স্কুল অব বিজনেস অ্যান্ড ইকোনমিকসের উদ্যোগে ‘নেক্সাস সেমিনার সিরিজের’ আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে ৩০ জুন। ইউআইইউ ইনোভেশন হাব অডিটরিয়ামে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে নেক্সাস সিরিজের অংশ হিসেবে ‘কাঠামোগত সংস্কারের জন্য উদ্ভাবন, ভ্যালু চেইন ও সরকারি-বেসরকারি সহযোগিতা’ শীর্ষক সেমিনারের আয়োজন করা হয়েছে। এই সেমিনারে বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আমেরিকার ওয়াশিংটন ডিসি বিশ্বব্যাংকের সিনিয়র অর্থনীতিবিদ ড. ইফতিখার মোস্তফা। আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির অর্থনীতি বিভাগের প্রধান প্রফেসর ড. এম ওমর ফারুক। অনুষ্ঠানে কনভেনর হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ও ইউআইইউর স্কুল অব বিজনেস অ্যান্ড ইকোনমিকসের উপদেষ্টা প্রফেসর ড. এম নিয়াজ আসাদুল্লাহ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ইউআইইউ ইনস্টিটিউট ফর অ্যাডভান্স রিসার্চের (আইএআর) নির্বাহী পরিচালক প্রফেসর ইমেরিটাস ড. এম রিজওয়ান খান এবং বিবিএ প্রোগ্রামের পরিচালক প্রফেসর ড. সালমা করিম। সেমিনারের বক্তা ড. ইফতিখার মোস্তফা তাঁর বক্তব্যে অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই উন্নয়ন অর্জনের জন্য উদ্ভাবনী ইকোসিস্টেম শক্তিশালীকরণ, ভ্যালু চেইন উন্নয়ন, এআই প্রযুক্তি এবং সরকারি ও বেসরকারি খাতের মধ্যে অংশীদারি বৃদ্ধির গুরুত্ব তুলে ধরেন। সেমিনারের আলোচক প্রফেসর ড. এম ওমর ফারুক তাঁর বক্তব্যে উদ্ভাবন, ভ্যালু চেইনের উন্নয়ন এবং সরকারি-বেসরকারি সহযোগিতার মাধ্যমে ব্যবস্থাগত সংস্কার এগিয়ে নেওয়ার দিকগুলোর বিভিন্ন মতামত তুলে ধরেন। সেমিনারের আহ্বায়ক প্রফেসর ড. এম নিয়াজ আসাদুল্লাহ তাঁর বক্তব্যে গবেষণাভিত্তিক নীতি সংলাপের মাধ্যমে সমসাময়িক অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় একাডেমিয়া, সরকার ও ইন্ডাস্ট্রি এবং উন্নয়ন অংশীদারদের মধ্যে সহযোগিতা জোরদার করার নানা দিক তুলে ধরেন। এই সেমিনারে শিক্ষাবিদ, গবেষক, নীতিনির্ধারক বিভিন্ন বিভাগের প্রধান, অনুষদ সদস্য, কর্মকর্তা, ব্যাংকিং ও নন-ব্যাংকিং ফিন্যানশিয়াল সেক্টর এবং সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

বিজ্ঞান রহস্য

পৃথিবী ঘুরছে, কেন আমরা অনুভব করি না

সিলেবাসে নেই ডেস্ক
পৃথিবী ঘুরছে, কেন আমরা অনুভব করি না

পৃথিবী নিজ অক্ষের ওপর ঘুরছে। একই সঙ্গে সূর্যের চারদিকে প্রদক্ষিণ করছে। বিষুবরেখার কাছে পৃথিবীর ঘূর্ণনগত বেগ ঘণ্টায় প্রায় এক হাজার ৬৭০ কিলোমিটার। আবার সূর্যকে কেন্দ্র করে কক্ষপথে পৃথিবীর বেগ ঘণ্টায় প্রায় এক লাখ সাত হাজার কিলোমিটার। এত দ্রুতগতিতে চলার পরও আমরা কেন কোনো ঝাঁকুনি বা নড়াচড়া অনুভব করি না? এর উত্তর লুকিয়ে আছে পদার্থবিজ্ঞানের কিছু মৌলিক নীতিতে।

 

ঘূর্ণন অনুভব না করার কারণ

আমরা সাধারণত কোনো বস্তুর গতি অনুভব করি তখনই, যখন তার বেগ বা গতির দিক পরিবর্তিত হয়। যেমন—একটি বাস হঠাৎ ব্রেক করলে যাত্রীরা সামনে ঝুঁকে পড়ে। আবার বাস হঠাৎ গতি বাড়ালে শরীর পেছনের দিকে চাপ অনুভব করে। কারণ এখানে ত্বরণ (অ্যাকসেলারেটর) কাজ করে। কিন্তু পৃথিবীর ঘূর্ণন অত্যন্ত নিয়মিত এবং প্রায় ধ্রুবগতিতে ঘটে। ভূপৃষ্ঠের ওপর থাকা আমরা, আমাদের ঘরবাড়ি, বায়ুমণ্ডল—সবকিছুই পৃথিবীর সঙ্গে একই গতিতে ঘুরছি। ফলে আমাদের শরীরের তুলনায় আশপাশের পরিবেশে কোনো আপেক্ষিক পরিবর্তন ঘটে না। তাই আমরা পৃথিবীর ঘূর্ণন সরাসরি অনুভব করতে পারি না।

বিমানের ভেতরে গতির অনুভব

একটি উড়োজাহাজ যখন সমান গতিতে এবং স্থির উচ্চতায় উড়তে থাকে, তখন ভেতরে বসে থাকা যাত্রীরা সেই গতি অনুভব করে না। তারা স্বাভাবিকভাবে হাঁটতে, খেতে বা কাজ করতে পারে। কারণ বিমান, যাত্রী এবং ভেতরের বাতাস—সবই একই গতিতে চলতে থাকে। পৃথিবীর ক্ষেত্রেও একই ঘটনা ঘটে। আমরা সবাই পৃথিবীর সঙ্গে একসঙ্গে চলছি। তাই পৃথিবীর ঘূর্ণন আমাদের কাছে স্বাভাবিক ও অদৃশ্য বলে মনে হয়।

 

মাধ্যাকর্ষণ আমাদের ধরে রাখে

অনেকে মনে করতে পারে, পৃথিবী এত দ্রুত ঘুরলে মানুষ ছিটকে পড়ার কথা। কিন্তু বাস্তবে তা ঘটে না, কারণ পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ বল অত্যন্ত শক্তিশালী। পৃথিবীর ঘূর্ণনের কারণে সামান্য কেন্দ্রাতিগ প্রভাব সৃষ্টি হলেও তা মাধ্যাকর্ষণ বলের তুলনায় খুবই ক্ষুদ্র। ফলে আমরা দৃঢ়ভাবে পৃথিবীর পৃষ্ঠে অবস্থান করি। তাই এ গতিতে কেউ ছিটকে পড়ে না।

 

বায়ুমণ্ডলও পৃথিবীর সঙ্গে ঘোরে

যদি পৃথিবী ঘুরত, কিন্তু বায়ুমণ্ডল স্থির থাকত, তাহলে সব সময় ভয়াবহ গতির বাতাস বইত। কিন্তু বাস্তবে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলও পৃথিবীর সঙ্গে প্রায় একই গতিতে ঘুরছে। এ কারণে আমরা ঘূর্ণনের ফলে কোনো প্রবল বাতাস বা ঝাঁকুনি অনুভব করি না। তবে পৃথিবীর ঘূর্ণনের প্রভাব সম্পূর্ণ অনুপস্থিত নয়। আবহাওয়া ও সমুদ্রস্রোতের গতিপথে ‘কোরিওলিস প্রভাব’ নামের একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা দেখা যায়, যা পৃথিবীর ঘূর্ণনের ফল।

 

পৃথিবী ঘুরছে, কিভাবে জানব

পৃথিবীর ঘূর্ণন সরাসরি অনুভব না করলেও বিজ্ঞানীরা বিভিন্ন পরীক্ষার মাধ্যমে তা প্রমাণ করেছেন। ১৮৫১ সালে ফরাসি বিজ্ঞানী লেওঁ ফুকো একটি বিশেষ দোলক (ফুকো পেন্ডুলাম) ব্যবহার করে পৃথিবীর ঘূর্ণনের প্রত্যক্ষ প্রমাণ দেন। এ ছাড়া উপগ্রহের গতিপথ, নক্ষত্র পর্যবেক্ষণ, দিন ও রাতের পরিবর্তন এবং আধুনিক জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক পরিমাপ থেকেও পৃথিবীর ঘূর্ণন নিশ্চিতভাবে জানা যায়। পৃথিবী প্রতি মুহূর্তে অবিশ্বাস্য গতিতে ঘুরছে এবং মহাশূন্যে ছুটে চলেছে। তবু আমরা তা অনুভব করি না, কারণ আমরা নিজেও সেই গতির অংশ। পৃথিবী, বায়ুমণ্ডল এবং আমাদের চারপাশের সবকিছু একই সঙ্গে সমান গতিতে চলমান। পদার্থবিজ্ঞানের ভাষায়, আমরা একটি অভিন্ন গতিশীল ব্যবস্থার ভেতরে অবস্থান করছি।