• ই-পেপার

ফুটবলের ফিজিকস

আব্দুল্লাহ হিল রাকিব স্মরণে বিইউএফটিতে স্মরণসভা

আব্দুল্লাহ হিল রাকিব স্মরণে বিইউএফটিতে স্মরণসভা

বিজিএমইএ ইউনিভার্সিটি অব ফ্যাশন অ্যান্ড টেকনোলজির (বিইউএফটি) বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্য ও টিম গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মরহুম আব্দুল্লাহ হিল রাকিবের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে স্মরণসভার আয়োজন করা হয়। ১৪ জুন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাল্টিপারপাস হলে স্মরণসভা অনুষ্ঠানে শ্রদ্ধা নিবেদন, স্মৃতিচারণা এবং তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া করা হয়। স্মরণসভায় তাঁকে নিয়ে স্মৃতিচারণা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান ফারুক হাসান। তিনি আব্দুল্লাহ হিল রাকিবের কর্মনিষ্ঠা ও নেতৃত্বগুণের কথা তুলে ধরেন। এ ছাড়া বক্তব্য দেন বিইউএফটি বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্য মোহাম্মদ নাছির, মশিউল আজম সজল, এপ্লাস গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তমিজ উদ্দিন ভুঁইয়া সেলিম, টিম গ্রুপের নির্বাহী পরিচালক ইমতিয়াজ আহমেদ, গ্রুপের সিনিয়র কর্মকর্তা, উপাচার্য, বিজ্ঞান অনুষদের ডিন। উপস্থিত ছিলেন জায়ান্ট গ্রুপের পরিচালক শারমিন হাসান, উপ-উপাচার্য, রেজিস্ট্রার, ডিন, বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীরা।

 

নেচার ইনডেক্স র‌্যাংকিংয়ের বিষয়ভিত্তিক ক্যাটাগরিতে শীর্ষে ইউআইইউ

নেচার ইনডেক্স র‌্যাংকিংয়ের বিষয়ভিত্তিক ক্যাটাগরিতে শীর্ষে ইউআইইউ

আন্তর্জাতিক গবেষণা মূল্যায়ন প্ল্যাটফর্ম ‘নেচার ইনডেক্স ইনস্টিটিউশনাল র‌্যাংকিং’য়ের আর্থ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স ক্যাটাগরিতে বাংলাদেশের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে প্রথম স্থান অর্জন করেছে ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (ইউআইইউ)। বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় বিজ্ঞান ও স্বাস্থ্যবিষয়ক সাময়িকীতে প্রকাশিত মানসম্মত গবেষণা প্রবন্ধের ওপর ভিত্তি করে এই বিখ্যাত বৈশ্বিক র‌্যাংকিং তৈরি করা হয়। ২০২৫ সালের ১ ফেব্রুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত প্রকাশিত গবেষণাকর্মের ওপর ভিত্তি করে এবারের মূল্যায়নটি করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক গবেষণা সেক্টরে স্বীকৃত ও স্বাধীন মানদণ্ড হিসেবে এটি বিবেচিত। এই র‌্যাংকিংয়ের আর্থ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স ক্যাটাগরিতে সামগ্রিকভাবে দেশের সব গবেষণা ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে ইউআইইউ দশম। বাংলাদেশের সব বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ইউআইইউ অষ্টম স্থান এবং বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে প্রথম স্থান অর্জন করেছে।

 

ক্যাম্পাস সংবাদ

ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটিতে ‘লার্ন টু লিড’ করপোরেট সেশন

ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটিতে ‘লার্ন টু লিড’ করপোরেট সেশন

১৪ জুন ‘লার্ন টু লিড’ শীর্ষক বিশেষ করপোরেট সেশন অনুষ্ঠিত হয়েছে ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির মঞ্জুর এলাহী মিলনায়তনে। ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটি ক্রিয়েটিভ মার্কেটিং ক্লাব (ইউডাব্লিউইউসিএমসি) এবং দেশের শীর্ষস্থানীয় এফএমসিজি কম্পানি ইউনিলিভার বাংলাদেশ লিমিটেডের যৌথ উদ্যোগে দিনব্যাপী এই আয়োজনে সাড়ে তিন শতাধিক শিক্ষার্থী অংশ নেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারপারসন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন, উপাচার্য অধ্যাপক ড. শামস রহমান এবং ইউনিলিভার বাংলাদেশ লিমিটেডের বিজনেস ইউনিট হেড জাহিন সাজিদুল ইসলাম। ভবিষ্যতে করপোরেটে ক্যারিয়ার গড়তে আগ্রহী শিক্ষার্থীরা বিশেষ সেশনে অংশ নেওয়ার সুযোগ পেয়েছেন। ফ্যাকাল্টি কানেক্ট সেশনে ইউনিলিভারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন বিভাগের শিক্ষকদের সঙ্গে মতবিনিময়সভায় অংশ নেন। একাডেমিক শিক্ষার সঙ্গে করপোরেটজগতের বর্তমান চাহিদার ব্যবধান কমিয়ে আনা নিয়ে আলোচনা করা হয়। দ্য মাস্টারক্লাস সেশন ছিল শিক্ষার্থীদের জন্য। শিক্ষার্থীরা কিভাবে নিজেদের যোগ্য করে তুলবেন এবং সফল হবেন—এই বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানের শেষ ভাগে ছিল প্রশ্নোত্তর পর্ব।

বিজ্ঞান রহস্য

বজ্রপাত কেন কিভাবে হয়

বজ্রপাত কেন কিভাবে হয়

বর্ষাকালে বাংলাদেশে বজ্রপাতের ঘটনা বেশি দেখা যায়। এ সময় আকাশে হঠাৎ তীব্র আলোর ঝলকানির পাশাপাশি প্রচণ্ড শব্দের উৎপত্তি হয়। প্রতিবছর বজ্রপাতে প্রাণহানির ঘটনাও ঘটে। কিন্তু এই বজ্রপাত আসলে কী? বিজ্ঞানের ভাষায়, বজ্রপাত হলো বায়ুমণ্ডলে সঞ্চিত বৈদ্যুতিক চার্জের আকস্মিক নির্গমন। মেঘের মধ্যে বা মেঘ ও ভূমির মধ্যে যখন বিপুল পরিমাণ বৈদ্যুতিক শক্তি জমা হয়, তখন তা হঠাৎ করে বিদ্যুতের প্রবল স্রোতের আকারে প্রবাহিত হয়। এই ঘটনাটিই হলো বজ্রপাত। এককথায়, মেঘের মধ্যে কিংবা মেঘ ও ভূমির মধ্যে বৈদ্যুতিক চার্জের পার্থক্য বেড়ে গেলেই বজ্রপাতের সৃষ্টি হয়। বজ্রপাতের সময় কয়েক কোটি ভোল্ট পর্যন্ত বিদ্যুৎ উৎপন্ন হতে পারে। এর তাপমাত্রা সূর্যের পৃষ্ঠের তাপমাত্রার চেয়েও বেশি, অর্থাৎ প্রায় ৩০ হাজার ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত পৌঁছতে পারে। বজ্রঝড়ের সময় আকাশে বিশাল আকৃতির কিউমুলোনিম্বাস মেঘ তৈরি হয়। এসব মেঘের ভেতরে বরফকণা, পানির ফোঁটা ও বায়ুকণার মধ্যে ক্রমাগত সংঘর্ষ ঘটে। এই সংঘর্ষের ফলে বৈদ্যুতিক চার্জ তৈরি হয়। সাধারণত মেঘের ওপরের অংশে ধনাত্মক বা পজিটিভ চার্জ এবং নিচের অংশে ঋণাত্মক বা নেগেটিভ চার্জ জমা হয়। মেঘের নিচে থাকা ভূমিতে তখন বিপরীতধর্মী অর্থাৎ ধনাত্মক চার্জ সৃষ্টি হতে থাকে। যখন মেঘ ও ভূমির মধ্যে অথবা দুটি মেঘের মধ্যে চার্জের পার্থক্য খুব বেশি হয়ে যায়, তখন বায়ু আর নিরোধক হিসেবে কাজ করতে পারে না। ফলে বিদ্যুতের প্রবল স্রোত এক স্থান থেকে অন্য স্থানে প্রবাহিত হয়। এই শক্তিশালী বৈদ্যুতিক নির্গমনই হলো বজ্রপাত। বজ্রপাতের মূল কারণ মেঘের মধ্যে বৈদ্যুতিক চার্জের ভারসাম্যহীনতা। আরেকটি বিষয় হলো, বজ্রপাতের আলো বা বিদ্যুতের ঝলকানি আগে দেখা যায়; বজ্রধ্বনি বা শব্দ এর পরে শোনা যায়। এর কারণ আলোর গতি শব্দের গতির তুলনায় অনেক বেশি। আলো প্রতি সেকেন্ডে প্রায় তিন লাখ কিলোমিটার বেগে চলতে পারে, যেখানে শব্দের গতি প্রতি সেকেন্ডে মাত্র প্রায় ৩৪৩ মিটার। তাই বজ্রপাতের সঙ্গে সঙ্গেই আমরা আলোর ঝলকানি দেখতে পাই। কিন্তু এর শব্দ শুনতে খানিক সময় লাগে। বজ্রপাতে মানুষের পাশাপাশি গাছপালা, ঘরবাড়ি এবং বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতিরও মারাত্মক ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে। বজ্রপাত সরাসরি মানুষের শরীরে আঘাত করলে তাৎক্ষণিক মৃত্যু হতে পারে। বজ্রপাতে অগ্নিকাণ্ডেরও আশঙ্কা থাকে। বজ্রপাতের সময় খোলা মাঠ, নদী, গাছের নিচে, পুকুর বা উঁচু স্থানে অবস্থান করা ঠিক নয়। এ ছাড়া ধাতব বস্তু স্পর্শ, মোবাইল ফোন কিংবা যেকোনো বৈদ্যুতিক সংযোগযুক্ত ডিভাইস ব্যবহার ঝুঁকিপূর্ণ।

♦ সিলেবাসে নেই ডেস্ক