• ই-পেপার

গণিতের জাদুকর ব্লেইজ প্যাসকেল

ভর্তি তথ্য

ডুয়েটে স্নাতক পর্যায়ে ভর্তি প্রক্রিয়া শুরু

ডুয়েটে স্নাতক পর্যায়ে ভর্তি প্রক্রিয়া শুরু

২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে ভর্তির বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট)। অনলাইনে আবেদনপ্রক্রিয়া শুরু ১২ মে থেকে, চলবে ২২ জুন পর্যন্ত। শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন বিষয়ে বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং ও ব্যাচেলর অব আর্কিটেকচারে আবেদন করতে পারবেন। ভর্তি পরীক্ষার আবেদন ফি নির্ধারণ করা হয়েছে এক হাজার ৫০০ টাকা।

 

আবেদনের যোগ্যতা ও তথ্য

♦ প্রার্থীকে বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে

♦ যেকোনো মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড/কারিগরি শিক্ষা বোর্ড/মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড থেকে মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট/দাখিল বা সমমানের পরীক্ষায় ন্যূনতম ৫০ শতাংশ নম্বর অথবা ৫-এর স্কেলে ন্যূনতম জিপিএ ৩ (ঐচ্ছিক বিষয়সহ) থাকতে হবে

♦ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের ডিপ্লোমা-ইন-ইঞ্জিনিয়ারিং/ডিপ্লোমা-ইন-অ্যাগ্রিকালচার/ডিপ্লোমা ইন আর্কিটেকচারে গড়ে ন্যূনতম ৬০ শতাংশ নম্বর অথবা ৪-এর স্কেলে ন্যূনতম সিজিপিএ ৩ পেয়ে উত্তীর্ণ হতে হবে

♦ ডিপ্লোমা-ইন-ইঞ্জিনিয়ারিং/ডিপ্লোমা-ইন-অ্যাগ্রিকালচার/ডিপ্লোমা-ইন-আর্কিটেকচার পরীক্ষা ২০২৪ ও তৎপরবর্তী সালে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরাই ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন। তবে সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, সেক্টর করপোরেশনে শিক্ষকতাসহ অন্যান্য পদে কর্মরত প্রার্থীদের ক্ষেত্রে এই নিয়ম প্রযোজ্য হবে না

♦ ভর্তি পরীক্ষার (২০২৬) প্রসপেক্টাসের ছক-৪(ক) অনুযায়ী উল্লেখিত বিভাগগুলোতে ভর্তির জন্য আবেদন করা যাবে

♦ একাধিক বিভাগে ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার ক্ষেত্রে প্রার্থীকে পৃথকভাবে আবেদন করতে হবে। তবে এমই/আইপিই/এমএমই বিভাগে আবেদনকারীদের জন্য একটি মাত্র আবেদন করতে হবে এবং ওই তিন বিভাগের জন্য পছন্দক্রম নির্বাচন করতে হবে

♦ চাকরিরত প্রার্থীদের অবশ্যই যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে

♦ অনলাইন অ্যাপ্লিকেশন ফরম ও ভর্তিবিষয়ক তথ্য পাওয়া যাবে ভর্তিসংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইটে (https://admission.duetbd.org)।

♦ সিলেবাসে নেই ডেস্ক

 

 

 

পিরামিডের পেছনে বিজ্ঞান-গণিত

পিরামিডের ভিত্তির পরিমাপ ও উচ্চতার মধ্যে এমন একটি সম্পর্ক রয়েছে, যা পাইয়ের মানের কাছাকাছি। এর মাধ্যমে প্রমাণ হয়, প্রাচীন মিসরীয়দের গণিতজ্ঞান ছিল বেশ সমৃদ্ধ। পিরামিডের সঙ্গে জ্যোতির্বিজ্ঞানের সম্পর্কও গভীর

পিরামিডের পেছনে বিজ্ঞান-গণিত

মিসরের পিরামিড নিয়ে রহস্য ও বিস্ময়ের শেষ নেই। হাজার হাজার বছর আগে প্রাচীন মিসরীয়রা কিভাবে এত বিশাল স্থাপনা তৈরি করেছিল, তা নিয়ে এখনো বিজ্ঞানীরা গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছেন। পিরামিড শুধু স্থাপত্যকলা নয়, এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে বিজ্ঞান, গণিত ও জ্যোতির্বিজ্ঞানের গভীর সম্পর্ক। মিসরের গিজার পিরামিড পৃথিবীর সপ্তাশ্চর্যের একটি। প্রায় সাড়ে চার হাজার বছর আগে ফেরাউন খুফুর সমাধি হিসেবে এটি নির্মাণ করা হয়। আশ্চর্যের বিষয় হলো, আধুনিক প্রযুক্তি ছাড়াই নিখুঁতভাবে পিরামিড নির্মাণ করা হয়েছিল। এর গঠন বিজ্ঞানীদের অবাক করে দেয়। গবেষকদের মতে, পিরামিড নির্মাণে অত্যন্ত উন্নত গণিতজ্ঞান ব্যবহার করা হয়েছিল। পিরামিডের গঠন মূলত জ্যামিতির একটি অনন্য উদাহরণ। একটি পিরামিডের চারটি ত্রিভুজাকৃতি বাহু ওপরের একটি বিন্দুতে মিলিত হয়েছে। এই গঠনের মধ্যে রয়েছে নির্ভুল পরিমাপ ও কোণের ব্যবহার। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গিজার গ্রেট পিরামিডের দৈর্ঘ্য, প্রস্থ ও উচ্চতার অনুপাতের মধ্যে বিখ্যাত ‘গোল্ডেন রেশিও’ বা স্বর্ণ অনুপাতের মিল পাওয়া যায়। গণিতের এই অনুপাতকে সৌন্দর্য ও ভারসাম্যের প্রতীক হিসেবে ধরা হয়। এ ছাড়া পিরামিডের নকশায় ‘পাই’ সংখ্যার ব্যবহার নিয়েও আলোচনা রয়েছে। অনেক গবেষকের মতে, পিরামিডের ভিত্তির পরিমাপ ও উচ্চতার মধ্যে এমন একটি সম্পর্ক রয়েছে, যা পাইয়ের মানের কাছাকাছি। এর মাধ্যমে প্রমাণ হয়, প্রাচীন মিসরীয়দের গণিতজ্ঞান ছিল বেশ সমৃদ্ধ।

পিরামিডের সঙ্গে জ্যোতির্বিজ্ঞানের সম্পর্কও গভীর। গবেষকদের মতে, গিজার তিনটি প্রধান পিরামিড আকাশের ওরায়ন নক্ষত্রমণ্ডলের তিনটি তারার অবস্থানের সঙ্গে মিল রেখে নির্মাণ করা হয়েছে। এ ছাড়া গ্রেট পিরামিডের চারটি দিক প্রায় নিখুঁতভাবে উত্তর, দক্ষিণ, পূর্ব ও পশ্চিম দিক নির্দেশ করে। আধুনিক যন্ত্রপাতি ছাড়া এত নিখুঁত দিক নির্ধারণ করা সত্যিই বিস্ময়কর। বিজ্ঞানীদের ধারণা, পিরামিড নির্মাণে পদার্থবিজ্ঞানের নানা নীতি ব্যবহার করা হয়েছে। বিশাল পাথর এক স্থান থেকে অন্য স্থানে সরিয়ে নেওয়া, সেগুলো নির্দিষ্ট উচ্চতায় স্থাপন করা এবং পুরো কাঠামোকে ভারসাম্যপূর্ণ রাখা—এসব কাজের জন্য বলবিদ্যা ও প্রকৌশলজ্ঞানের প্রয়োজন ছিল। ধারণা করা হয়, ঢালু পথ, কাঠের রোলার ও লিভারের মতো কৌশল ব্যবহার করে পাথর সরানো হতো। পিরামিডের আরেকটি বৈজ্ঞানিক দিক হলো এর স্থায়িত্ব। হাজার বছর পেরিয়ে গেলেও এসব স্থাপনা এখনো টিকে আছে। এর পেছনে রয়েছে উন্নত নির্মাণ প্রযুক্তি ও সঠিক উপকরণের ব্যবহার। মরুভূমির আবহাওয়া, ভূমিকম্প কিংবা ঝড়ের মধ্যেও পিরামিডের দৃঢ়তা প্রমাণ করে যে নির্মাতারা স্থাপত্য ও প্রকৌশলে অত্যন্ত দক্ষ ছিলেন। আধুনিক বিজ্ঞানীরা পিরামিড নিয়ে নানা গবেষণা করছেন। থ্রিডি স্ক্যানিং, লেজার প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে পিরামিডের অজানা কক্ষ ও গোপন পথ খোঁজার চেষ্টা চলছে। সম্প্রতি কিছু গবেষণায় পিরামিডের ভেতরে নতুন ফাঁকা স্থান বা চেম্বারের সন্ধানও পাওয়া গেছে, যা এই স্থাপনাকে আরো রহস্যময় করে তুলেছে।

পিরামিড শুধু প্রাচীন সমাধি নয়, এটি মানব মেধা, বিজ্ঞান ও গণিতের অসাধারণ উদাহরণ। হাজার বছর আগে মানুষ যে জ্ঞান ও প্রযুক্তি ব্যবহার করে এমন নিখুঁত স্থাপনা নির্মাণ করতে পেরেছিল, তা এখনো বিস্ময়ের উপলক্ষ।

♦ সিলেবাসে নেই ডেস্ক

 

বিদেশে উচ্চশিক্ষায় সেরা ১০ গন্তব্য

বিদেশে উচ্চশিক্ষায় সবার আগে ঠিক করতে হয় কোন দেশে যাবেন। এরপর বাকি হিসাব-প্রক্রিয়া। অনেক শিক্ষার্থীর ক্ষেত্রেই দেখা যায়, একটি দেশকে সম্ভাব্য গন্তব্য ধরে নিয়ে প্রস্তুতি নেন, কাগজপত্র গোছান। এরপর আবেদনের সময় শোনেন, সেই দেশের সমপর্যায়ের আরেকটি দেশে তুলনামূলক বেশি ভিসা হচ্ছে। তাই কোনো একটি দেশ পছন্দের ১ নম্বরে থাকলেও সম্ভাব্য অন্য দেশগুলোর কথাও মাথায় রাখতে হবে

বিদেশে উচ্চশিক্ষায় সেরা ১০ গন্তব্য
ছবি : সংগৃহীত

দেশ নির্বাচন

শিক্ষার্থীদের ভিসা দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রতিটি দেশেরই নিজস্ব নীতিমালা ও লক্ষ্যমাত্রা থাকে। তারা সেই অনুযায়ী শিক্ষার্থীদের ভিসার সুযোগ দেয়। ভিসা দেওয়ার অনুপাত বা রেশিও সময়ে সময়ে কমবেশি হয়। কোনো কোনো সময় দেখা যায়, কিছু দেশ স্বাভাবিকের তুলনায় কিংবা সমপর্যায়ের অন্য দেশের তুলনায় বেশিসংখ্যক ভিসা দিচ্ছে। এর ফলে শিক্ষার্থীরা সেই দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদনে আগ্রহী হয়ে পড়েন। ভিসা অনুপাত, খরচ, আর্থিক সুবিধা বা বৃত্তি, আবেদনপ্রক্রিয়ায় জটিলতা, শিক্ষার মান, কাজের সুযোগ, পড়াশোনা শেষে চাকরি—এই বিষয়গুলো মাথায় রেখেই মূলত শিক্ষার্থীরা দেশ নির্বাচন করেন।

 

যুক্তরাষ্ট্র

বিদেশে উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র এখনো অন্যতম জনপ্রিয় গন্তব্য। প্রথম সারির বিশ্ববিদ্যালয়গুলো উন্নত গবেষণা ও আন্তর্জাতিক মানের পাঠদান নিশ্চিত করছে। যেমন—

♦ পড়াশোনা শেষে কাজের সুযোগ

♦ প্রযুক্তি, স্বাস্থ্যসেবা ও অর্থনীতিতে বড় চাকরির বাজার

♦ আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য ইন্টার্নশিপ ও গবেষণার সুযোগ

♦ আধুনিক ক্যাম্পাস ও বৈচিত্র্যময় শিক্ষার পরিবেশ

 

যুক্তরাজ্য

ঐতিহ্যবাহী ও আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থার কারণে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীরা পছন্দের তালিকায় রাখেন যুক্তরাজ্যকে। কিছু কিছু প্রোগ্রামের ক্ষেত্রে অন্য দেশ চেয়ে তুলনামূলক কম সময় লাগে দেশটিতে। যেমন—

♦ তিন বছরে স্নাতক এবং এক বছরে স্নাতকোত্তর করার সুযোগ

♦ অর্থনীতি, প্রযুক্তি ও স্বাস্থ্য খাতে ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগ

 

অস্ট্রেলিয়া

উন্নত জীবনযাত্রা ও কাজের সুযোগের কারণে অস্ট্রেলিয়া আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের অন্যতম পছন্দের দেশ। শিক্ষার্থীদের মধ্যে মেলবোর্ন ও সিডনিকেন্দ্রিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভর্তির প্রবণতা বেশি দেখা যায়। এসব বিশ্ববিদ্যালয় পছন্দের কারণ হলো—

♦ পড়াশোনা শেষে দীর্ঘমেয়াদি ওয়ার্ক ভিসা

♦ পড়াশোনার পাশাপাশি খণ্ডকালীন কাজের সুযোগ

♦ বিশ্বমানের বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা সুবিধা

 

জার্মানি

কম খরচে উচ্চশিক্ষার সুযোগ থাকায় জার্মানি আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের কাছে জনপ্রিয়। অনেক সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে টিউশন ফি খুব কম বা নেই বললেই চলে।

♦ স্বল্প ব্যয়ে উচ্চশিক্ষা

♦ গবেষণা ও প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা

♦ পড়াশোনা শেষে চাকরি খোঁজার জন্য বিশেষ ভিসা সুবিধা

 

কানাডা

নিরাপদ পরিবেশ, উন্নত শিক্ষা ব্যবস্থা এবং স্থায়ীভাবে কাজের সুযোগ থাকছে কানাডায়।

♦ স্নাতক শেষে তিন বছর পর্যন্ত কাজের অনুমতি

♦ প্রকৌশল, ব্যবসা ও স্বাস্থ্য শিক্ষায় বিশ্বমানের সুযোগ

♦ বহুসাংস্কৃতিক সমাজ

 

ফ্রান্স

ফ্রান্স শুধু শিল্প-সংস্কৃতির জন্য নয়, উচ্চশিক্ষার জন্যও বিশ্বজুড়ে পরিচিত। শিক্ষার্থীদের কাছে প্যারিস, লিওঁ ও তুলুজ শহর বেশ জনপ্রিয়।

♦ আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য বৃত্তির সুযোগ

♦ ব্যবসা ও সামাজিক বিজ্ঞান শিক্ষায় শক্তিশালী অবস্থান

♦ সমৃদ্ধ সংস্কৃতি ও শিল্পচর্চার অভিজ্ঞতা

 

স্পেন

কম খরচে জীবনযাপন ও প্রাণবন্ত সংস্কৃতির কারণে স্পেনও আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।

♦ জীবনযাত্রার খরচ তুলনামূলক কম

♦ ইংরেজি মাধ্যমে বিভিন্ন কোর্স

♦ ছাত্রবান্ধব শহর ও উন্নত সামাজিক জীবন

 

নেদারল্যান্ডস

ইউরোপের অন্যতম উদ্ভাবনী শিক্ষা ব্যবস্থা রয়েছে নেদারল্যান্ডসে। আমস্টারডাম ও রটারডাম শিক্ষার্থীদের কাছে বেশ জনপ্রিয়।

♦ তুলনামূলক কম টিউশন ফি

♦ প্রযুক্তি ও ব্যবসায় উচ্চমানের শিক্ষা

♦ স্টার্টআপ ও প্রযুক্তি খাতে চাকরির সুযোগ

সিঙ্গাপুর

দেশটি ছোট হলেও উন্নত শিক্ষা ব্যবস্থার কারণে এখন অনেক শিক্ষার্থীর পছন্দের তালিকায় রয়েছে সিঙ্গাপুর। তবে দেশটিতে জীবনযাত্রা বেশ ব্যয়বহুল।

♦ ইংরেজি মাধ্যমে পড়াশোনার সুযোগ

♦ প্রযুক্তিসহ বিভিন্ন খাতে ক্যারিয়ার গড়ার সম্ভাবনা

 

জাপান

প্রযুক্তিগত উন্নয়ন, আধুনিক পাঠদান ও সমৃদ্ধ সংস্কৃতির জন্য আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের কাছে জাপানের আলাদা কদর আছে। টোকিও, কিয়োটো ও ওসাকা শিক্ষার্থীদের কাছে বেশ পছন্দের শহর।

♦ প্রযুক্তি ও প্রকৌশলে উন্নত শিক্ষা

♦ গবেষণা ও উদ্ভাবনে অংশ নেওয়ার সুযোগ

♦ খণ্ডকালীন কাজ ও নিরাপদ জীবনযাত্রা

♦ সিলেবাসে নেই ডেস্ক

 

 

 

 

 

পুষ্টি সচেতনতায় বিইউএইচএস ক্যাম্পাসে শোভাযাত্রা

পুষ্টি সচেতনতায় বিইউএইচএস ক্যাম্পাসে শোভাযাত্রা

জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ-২০২৬ উপলক্ষে বর্ণাঢ্য পুষ্টি সচেতনতা শোভাযাত্রার আয়োজন করে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব হেলথ সায়েন্সেসের (বিইউএইচএস) কমিউনিটি নিউট্রিশন বিভাগ। ‘পুষ্টিবৈষম্যের দিন শেষ, গড়ব স্বনির্ভর বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্য সামনে রেখে ২৯ এপ্রিল এই শোভাযাত্রা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে। শোভাযাত্রায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, কোষাধ্যক্ষ, রেজিস্ট্রার, প্রক্টর, কমিউনিটি নিউট্রিশন বিভাগের বিভাগীয় প্রধানসহ বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা অংশ নেন। এই শোভাযাত্রার মাধ্যমে পুষ্টি বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, সবার জন্য সুষম ও পুষ্টিকর খাদ্য নিশ্চিত এবং পুষ্টিগত বৈষম্য দূরীকরণের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। একটি সুস্থ, সচেতন ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ গঠনে সম্মিলিত উদ্যোগেরও আহ্বান জানানো হয় শোভাযাত্রায়।