• ই-পেপার

৫ আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধের অনুমোদন বাংলাদেশ ব্যাংকের

আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে সোনা

অনলাইন ডেস্ক
আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে সোনা

দেশের বাজারে গত বৃহস্পতিবার আরেক দফা বাড়ানো হয়েছে সোনার দাম। ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৪৪ হাজার ৭১১ টাকা, যা ওই দিন সকাল ১০টা থেকেই কার্যকর হয়েছে। এরপর আর বাড়েনি বা কমেনি সোনার দাম। ফলে আজ বুধবারও ওই দামেই বিক্রি হচ্ছে সোনা।

নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের সোনার দাম পড়বে ২ লাখ ৪৪ হাজার ৭১১ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৩৩ হাজার ৫৭২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২১৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৬৩ হাজার ৬৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এর আগে গত বুধবার সকালে দেশের বাজারে সোনার দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সে সময় ভরিতে ২ হাজার ১৫৮ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ২ লাখ ৪২ হাজার ৪৯৫ টাকা নির্ধারণ করেছিল সংগঠনটি।

মেধাস্বত্ব শর্ত নতুন আমদানিনীতিতে

সুবিধা-অসুবিধা নিয়ে পাল্টাপাল্টি বক্তব্য

অনলাইন ডেস্ক
মেধাস্বত্ব শর্ত নতুন আমদানিনীতিতে

প্রস্তাবিত আমদানিনীতিতে পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে মেধাস্বত্বের শর্ত যুক্ত করা হয়েছে। খসড়ায় বলা হয়েছে, মেধাস্বত্বসংক্রান্ত বাংলাদেশে প্রচলিত আইনে নিবন্ধিত ব্র্যান্ডের পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে ট্রেডমার্ক এবং পেটেন্ট আইন অনুযায়ী আমদানি করতে হবে। এই শর্তের কারণে বিদেশি ব্র্যান্ডের পণ্য আমদানিতে আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে পেটেন্ট বাবদ রয়্যালটি পরিশোধ করতে হবে। এতে করে জীবন রক্ষাকারী বিদেশি ওষুধসহ ব্র্যান্ডের পণ্যের দামও বেড়ে যাবে বলে দাবি করছেন সংশ্লিষ্টরা। পক্ষান্তরে এটি বাস্তবায়ন হলে নকল পণ্য আমদানির সুযোগ বন্ধ হয়ে যাবে মনে করনে অনেকে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় আগামী তিন বছরের জন্য যে আমদানি নীতি তৈরি করেছে, তার খসড়ায় মেধাস্বত্বের এই শর্ত যুক্ত করা হয়েছে। প্রচলিত ২০২১-২০২৪ আমদানি নীতিতে এমন কোনো শর্ত নেই।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে প্রস্তাবিত বাণিজ্য চুক্তির আওতায় মেধাস্বত্বের শর্ত কঠোরভাবে মানার জন্য বাংলাদেশের ওপর চাপ বাড়ছে। যেটি দেশের ফার্মাসিউটিক্যালস, প্রযুক্তি এবং সামগ্রিক বাণিজ্য খাতে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালসের সিএফও আলী নওয়াজ বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, মেধাস্বত্ব ইস্যুতে ওষুধশিল্প সমিতি থেকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে আপত্তি জানানো হয়েছে।

সূত্রগুলো জানায়, আমদানি নীতিতে মেধাস্বত্ব শর্তের কারণে বাংলাদেশে কোনো নিবন্ধিত ব্র্যান্ডের পণ্য আমদানি করতে হলে সেটির মেধাস্বত্ব বা মালিকানাসংক্রান্ত আইনি কাগজপত্র সঠিক থাকতে হবে। ট্রেডমার্ক আইন, ২০০৯ এবং বাংলাদেশ পেটেন্ট আইন, ২০২৩-এর বিধান অনুযায়ী, যাঁদের নামে ব্র্যান্ডটি বাংলাদেশে নিবন্ধিত বা অনুমোদিত, তাঁদের সম্মতি বা লাইসেন্স ছাড়া ওই পণ্যের আসল বা নকল পণ্য আমদানি করা যাবে না। যদি কোনো পণ্য, প্রযুক্তি বা এর উৎপাদনপ্রক্রিয়া নতুন উদ্ভাবন হয় এবং বাংলাদেশে পেটেন্ট করা থাকে, তবে তার পেটেন্ট মালিকের অনুমতি ছাড়াও পণ্যটি আমদানি করা যাবে না। এ ছাড়া মেধাস্বত্ব শর্ত কার্যকর হলে পেটেন্ট করা ওষুধের ক্ষেত্রে পেটেন্ট মালিককে বিক্রয়মূল্যের সর্বোচ্চ ৪ শতাংশ পর্যন্ত রয়্যালটি দেওয়ার বিধান রাখা হয়েছে। এতে ওষুধসহ প্রযুক্তিপণ্যের দাম বেড়ে যাবে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, বর্তমানে অনেক সময় ব্র্যান্ডের আসল পণ্য যে কেউ বিদেশ থেকে কিনে এনে বাংলাদেশে বিক্রি করতে পারে। আমদানি নীতিতে নতুন শর্ত কার্যকর হলে, ব্র্যান্ডের মালিক বা বাংলাদেশে তাদের নিবন্ধিত এজেন্টের অনুমতি ছাড়া পণ্য আমদানি করলে তা ‘মেধাস্বত্ব লঙ্ঘন’ হিসেবে গণ্য হতে পারে। বাংলাদেশ কাস্টমস এখন মেধাস্বত্ব লঙ্ঘন সন্দেহে পণ্য খালাস সাময়িকভাবে স্থগিত রাখতে পারে।

বাজারে কপি বা ক্লোন পণ্যের (যেমন ইলেকট্রনিক্স, কসমেটিকস) প্রবেশ অনেক কমে যাবে। আমদানিকারককে এখন পণ্যের সত্যতা প্রমাণের জন্য ট্রেডমার্ক বা পেটেন্ট সনদ প্রদর্শন করতে হবে। যেহেতু শুধু অনুমোদিত ডিলার বা সোর্সিংয়ের মাধ্যমে পণ্য আনতে হবে, তাই কিছু পণ্যের বাজারে একচেটিয়া প্রভাব তৈরি এবং দাম বাড়তে পারে। তবে ইতিবাচক দিক হচ্ছে, এটি গ্রাহকদের জন্য আসল পণ্য পাওয়ার নিশ্চয়তা দেবে।

এ ছাড়া মেধাস্বত্বের কঠোর সুরক্ষার ফলে বহুজাতিক কোম্পানিগুলো বাংলাদেশে বিনিয়োগ করতে এবং তাদের অফিসিয়াল শোরুম খুলতে বেশি উৎসাহিত হবে, যা দীর্ঘ মেয়াদে দেশের অর্থনীতির জন্য ইতিবাচক। সংশ্লিষ্টরা জানান, স্বল্পোন্নত বা এলডিসি হিসেবে বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে ওষুধশিল্পে মেধাস্বত্বসম্পর্কিত চুক্তির বিধিবিধান বা ট্রিপস পরিপালনে অব্যাহতি পেয়ে আসছে। ২০২৬ সালে স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা (এলডিসি) থেকে বের হলে এ সুবিধা না থাকার কথা।

কিন্তু এলডিসি থেকে বের হলেও স্বল্পমূল্যে ওষুধ সরবরাহ করতে বাংলাদেশের ওই সুবিধা দরকার। এমন বাস্তবতায় ২০২৪ সালে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা-ডব্লিউটিওর মন্ত্রিপর্যায়ের সম্মেলনে ২০৩২ সাল পর্যন্ত ওষুধশিল্পে মেধাস্বত্বে অব্যাহতি চাওয়া হয়। এখন আমদানি নীতিতে মেধাস্বত্ব শর্তের কারণে ওষুধশিল্পের বাড়তি সুবিধা পাওয়ার বিষয়টি নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সিনিয়র রিসার্চ ফেলো ড. তৌফিকুল ইসলাম খান বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, আমদানি নীতিতে মেধাস্বত্ব শর্তের কারণে এখনি কোনো প্রভাব পড়বে না। কারণ এলডিসি হিসেবে বাংলাদেশ ওষুধশিল্পে পেটেন্ট আইন মানা থেকে ছাড় পাচ্ছে। তবে এলডিসি থেকে উত্তরণের পর এই সুযোগ থাকবে না।

তখন বিদেশি কোম্পানির পেটেন্ট করা কোনো নতুন ওষুধ তাদের অনুমতি ছাড়া বাংলাদেশে আমদানি বা স্থানীয়ভাবে উৎপাদন করা যাবে না। এ কারণে আগে থেকে মেধাস্বত্ব শর্ত বাংলাদেশের আইন ও নীতিগুলোতে যুক্ত করা প্রয়োজন রয়েছে বলে মনে করেন সিপিডির এই ফেলো।

সূত্র : বালাদেশ প্রতিদিন

ভিসা আবেদনের ব্যাংক স্টেটমেন্টে কিউআর কোড যুক্ত করার নির্দেশ

অনলাইন ডেস্ক
ভিসা আবেদনের ব্যাংক স্টেটমেন্টে কিউআর কোড যুক্ত করার নির্দেশ
সংগৃহীত ছবি

বিদেশে ভিসা আবেদন প্রক্রিয়ায় ব্যাংক স্টেটমেন্টসহ বিভিন্ন আর্থিক নথির সত্যতা দ্রুত ও সহজে যাচাই নিশ্চিত করতে নতুন নির্দেশনা জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। মঙ্গলবার (১২ মে) বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ-১ থেকে এসংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করা হয়েছে।

আরো পড়ুন
পরিধি বাড়ল আখাউড়া উপজেলার

পরিধি বাড়ল আখাউড়া উপজেলার

 

এতে বলা হয়েছে, বিভিন্ন দেশের ভিসা আবেদনের সময় বাংলাদেশি নাগরিকদের দূতাবাস বা ভিসা সেন্টারে বিভিন্ন ব্যাংক নথি জমা দিতে হয়। তবে তাৎক্ষণিক যাচাইয়ের কার্যকর ব্যবস্থা না থাকায় দূতাবাস ও ভিসা সেন্টারগুলো জটিলতায় পড়ছে। এতে ভিসা প্রক্রিয়ায় সময় ও প্রশাসনিক ব্যয় বাড়ছে। এ পরিস্থিতিতে ব্যাংক স্টেটমেন্টসহ সংশ্লিষ্ট নথি ডিজিটালভাবে দ্রুত যাচাইয়ের ব্যবস্থা চালু করতে ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, কিউআর কোড স্ক্যান করলে গ্রাহকের কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দেখা যাবে। এর মধ্যে থাকবে অ্যাকাউন্ট নম্বর, হিসাবধারীর নাম, স্টেটমেন্টের শুরুর ও শেষের স্থিতি এবং নথি তৈরির তারিখ। এসব সুবিধা নিশ্চিত করতে ব্যাংকগুলোকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

আরো পড়ুন
মাঝেমধ্যে সাহসী সিদ্ধান্ত নেওয়াটা জরুরি : শান্ত

মাঝেমধ্যে সাহসী সিদ্ধান্ত নেওয়াটা জরুরি : শান্ত

 

বাংলাদেশ ব্যাংক আরো জানিয়েছে, সংশ্লিষ্ট তথ্য অন্তত ছয় মাস সংরক্ষণ করতে হবে এবং যাচাইযোগ্য অবস্থায় রাখতে হবে।

সার্কুলারে বলা হয়েছে, নির্দেশনা বাস্তবায়নে ব্যাংকগুলোকে আগামী ৯০ দিনের মধ্যে প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিগত ব্যবস্থা নিতে হবে। পাশাপাশি সাইবার নিরাপত্তা ও তথ্য সুরক্ষার ক্ষেত্রে বিদ্যমান বিধি মেনে চলতে হবে।

২ কোটি লিটার পাম তেল কিনছে সরকার

অনলাইন ডেস্ক
২ কোটি লিটার পাম তেল কিনছে সরকার
সংগৃহীত ছবি

সাশ্রয়ী মূল্যে স্বল্প আয়ের মানুষের কাছে বিক্রির জন্য ২ কোটি লিটার পরিশোধিত পাম অলিন কিনছে সরকার। এই তেল সরবরাহ করবে সিডস ক্রাশিং মিলস লিমিটেড ও শবনম ভেজিটেবল ওয়েল ইন্ডাস্ট্রিস লিমিটেড।

আরো পড়ুন
ভূমি মালিকদের জন্য মন্ত্রণালয়ের জরুরি নির্দেশনা

ভূমি মালিকদের জন্য মন্ত্রণালয়ের জরুরি নির্দেশনা

 

মঙ্গলবার (১২ মে) অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে তেল ও ডাল কেনার প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়।

আরো পড়ুন
ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় কত, জানাল পেন্টাগন

ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় কত, জানাল পেন্টাগন

 

অর্থ মন্ত্রণালয় এক বিজ্ঞপ্তিতে বলেছে, উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে এসব তেলা কেনা হচ্ছে। এর জন্য সরকারের খরচ হবে ৩৬৮ কোটি ৯০ লাখ টাকা।