• ই-পেপার

খাদ্য অধিদপ্তরের ডিজিসহ দুজনের বিরুদ্ধে মামলা

দেশের ৪ অঞ্চলে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ের শঙ্কা

নিজস্ব প্রতিবেদক
দেশের ৪ অঞ্চলে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ের শঙ্কা
ছবি : এআই দিয়ে তৈরি

দেশের চারটি অঞ্চলের ওপর দিয়ে বৃহস্পতিবার (৪ জুন) সকাল ৯টার মধ্যে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। সেই সঙ্গে হতে পারে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি।

বুধবার (৩ জুন) রাত সাড়ে ৯টা থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেয়া আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

আবহাওয়া অফিস জানায়, রংপুর, ময়মনসিংহ, খুলনা এবং সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম বা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। একই সঙ্গে অস্থায়ীভাবে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

এদিকে আজ সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টা বা ৫ দিনের আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, পশ্চিমা লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ থেকে উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিরাজ করছে। আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু (বর্ষা) টেকনাফ উপকূল পর্যন্ত অগ্রসর হতে পারে।
 
পূর্বাভাস অনুযায়ী, বুধবার (৩ জুন) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়া এবং বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি বর্ষণ হতে পারে।
 
এই সময়ে সারা দেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর। বৃষ্টির পূর্বাভাস থাকলেও দেশের একটি বড় অংশের ওপর দিয়ে এখনও মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে।
 
আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে– চাঁদপুর, নোয়াখালী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলাসহ রংপুর, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে।

আরো ২০ মিনিট বাড়ল মেট্রো রেল চলাচলের সময়, ৭ জুন থেকে কার্যকর

অনলাইন ডেস্ক
আরো ২০ মিনিট বাড়ল মেট্রো রেল চলাচলের সময়, ৭ জুন থেকে কার্যকর
সংগৃহীত ছবি

যাত্রীদের সুবিধার কথা বিবেচনায় নিয়ে রাতে মেট্রো রেল চলাচলের সময় আরো ২০ মিনিট বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে মেট্রো রেল নির্মাণ ও পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল)। আগামী ৭ জুন (রবিবার) থেকে নতুন সময়সূচি কার্যকর হওয়ার কথা রয়েছে।

বুধবার (৩ জুন) মেট্রো রেলের দায়িত্বশীল সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। সূত্রটি জানিয়েছে, উত্তরা ও মতিঝিল–উভয় প্রান্ত থেকে সর্বশেষ ট্রেন ছাড়ার সময় ২০ মিনিট বাড়ানোর প্রস্তাব অনুমোদন হয়েছে।

বর্তমানে সপ্তাহের ৭ দিনই উত্তরা উত্তর স্টেশন থেকে শেষ ট্রেন ছেড়ে যায় রাত সাড়ে ৯টায় এবং মতিঝিল থেকে রাত ১০টা ১০ মিনিটে। নতুন সময়সূচি অনুযায়ী উত্তরা থেকে শেষ ট্রেন ছাড়বে রাত ৯টা ৫০ মিনিটে এবং মতিঝিল থেকে রাত ১০টা ৩০ মিনিটে। তবে অতিরিক্ত এই ২০ মিনিট সময়ের মধ্যে নতুন কোনো ট্রেন যুক্ত করা হচ্ছে না। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, বিদ্যমান সূচির ধারাবাহিকতায় ২০ মিনিট হেডওয়ে বজায় রেখেই শেষ ট্রেন পরিচালনা করা হবে।

সূত্র আরো জানায়, সময় বাড়ানোর বিষয়ে প্রয়োজনীয় পরীক্ষামূলক কার্যক্রম ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। সব ধরনের প্রস্তুতিও শেষ। এখন কেবল আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়ার অপেক্ষা। এক-দুই দিনের মধ্যেই এ বিষয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হতে পারে।

এর আগে গত বছরের অক্টোবরে মেট্রো রেল চলাচলের সময় এক ঘণ্টা বাড়ানো হয়েছিল। তখন সকালে ট্রেন চলাচল আধা ঘণ্টা আগে শুরু করা হয় এবং রাতের শেষ ট্রেনের সময়ও আধা ঘণ্টা বাড়ানো হয়।

মেট্রো রেলের নিয়মিত যাত্রী ও সাংবাদিক আসাদ আবেদীন জয় বলেন, ‘আমার বাসা মিরপুরে। অফিস শেষে প্রায়ই ফার্মগেট থেকে শেষ ট্রেনে উঠি। অনেক সময় দৌড়েও ট্রেন ধরতে হয়, আবার কখনো মিসও হয়ে যায়।’

তিনি বলেন, ‘যদি শেষ ট্রেনের সময় আরো ২০ মিনিট বাড়ানো হয়, তাহলে সেটি যাত্রীদের জন্য খুবই উপকারী হবে। শেষ ট্রেনে সব সময়ই প্রচুর যাত্রী থাকে। তাই সময় বাড়ালে মেট্রো রেলেরও ক্ষতি হবে না বলে মনে করি।’

এ বিষয়ে ডিএমটিসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দপ্তর থেকে বুধবার রাতে জানিয়েছে, ‘যাত্রী চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে আগামী ৭ মে থেকে ঢাকা মেট্রো রেলে একটি অতিরিক্ত ট্রিপ যুক্ত করা হচ্ছে। এর ফলে উত্তরা উত্তর স্টেশন হতে মতিঝিল স্টেশনগামী শেষ ট্রেন ৯টা ৫০ মিনিটে এবং মতিঝিল হতে ১০টা ৩০ মিনিটে উত্তরা উত্তর স্টেশনের উদ্দেশে ছেড়ে যাবে।’

উল্লেখ্য, ২০২২ সালের ২৮ ডিসেম্বর রাজধানী ঢাকায় আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে দেশের প্রথম মেট্রো রেল। শুরুতে এমআরটি লাইন-৬ এর উত্তরা উত্তর থেকে আগারগাঁও অংশে সীমিত পরিসরে ট্রেন চলাচল করত। পরে পর্যায়ক্রমে একটি একটি করে স্টেশন চালু করা হয় এবং সেবার পরিধি বাড়ানো হয়।

সবশেষে ২০২৩ সালের ৩১ ডিসেম্বর মতিঝিল পর্যন্ত সব স্টেশনে যাত্রী ওঠানামা শুরু হলে উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত রুটে মেট্রো রেল সেবা চালু হয়। তবে নির্মীয়মাণ কমলাপুর স্টেশন চালু হওয়ার পর এমআরটি লাইন-৬ এর পূর্ণাঙ্গ কার্যক্রম সম্পন্ন হবে।

জুলাইয়ে নিহতের সংখ্যা নিয়ে নিজেদের প্রতিবেদনে অটল জাতিসংঘ

অনলাইন ডেস্ক
জুলাইয়ে নিহতের সংখ্যা নিয়ে নিজেদের প্রতিবেদনে অটল জাতিসংঘ
সংগৃহীত ছবি

২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থান নিয়ে জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনারের দপ্তরের প্রকাশিত প্রতিবেদনের তথ্যের ওপর পূর্ণ আস্থা পুনর্ব্যক্ত করেছে জাতিসংঘ। গত সোমবার নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দপ্তরে নিয়মিত ব্রিফিংয়ে সংস্থাটির মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক এ কথা জানান।

আরো পড়ুন
ইরানি হামলায় সব ফ্লাইট বাতিল করল ইজিপ্টএয়ার

ইরানি হামলায় সব ফ্লাইট বাতিল করল ইজিপ্টএয়ার

 

ব্রিফিংয়ে উল্লেখ করা হয়, ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকার এবং দলটির পক্ষ থেকে জুলাই অভ্যুত্থানে নিহতের সংখ্যাসহ প্রতিবেদনের বেশ কিছু তথ্য নিয়ে আপত্তি তোলা হয়েছে। বিশেষ করে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতিসংঘের কাছে এ বিষয়ে আপত্তি জানিয়ে চিঠি দিয়েছেন বলে ভারতের গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে। এসব দাবির পরিপ্রেক্ষিতে স্টিফেন ডুজারিক স্পষ্টভাবে জানান যে মানবাধিকার দপ্তরের প্রকাশিত এই প্রতিবেদনের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে সন্দেহ করার কোনো কারণ নেই।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের মধ্য দিয়ে শেষ হওয়া জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে প্রায় ১ হাজার ৪০০ জন নিহত হয়েছিল বলে জাতিসংঘের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। সহিংসতার তদন্ত শেষে মানবাধিকার দপ্তর এই প্রতিবেদন প্রকাশ করে।

প্রশ্নকারী আরো উল্লেখ করেন, ভারতের বিভিন্ন গণমাধ্যমে এমন খবর প্রকাশিত হয়েছে যে দণ্ডপ্রাপ্ত ও ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতিসংঘের কাছে একটি চিঠি পাঠিয়েছেন, যেখানে তিনি প্রতিবেদনে থাকা তথাকথিত ভুল তথ্যের বিষয়ে আপত্তি জানিয়েছেন।

এর জবাবে ডুজারিক বলেন, ‘প্রতিবেদনটি আমাদের মানবাধিকার দপ্তরের সহকর্মীরা প্রকাশ করেছেন এবং এটি নিয়ে প্রশ্ন তোলার কোনো কারণ আমরা দেখি না।’

শেখ হাসিনা সরকারের পতন ঘটানো গণ-অভ্যুত্থান ঘিরে সংঘটিত সহিংসতার তদন্ত শেষে জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তর ওই প্রতিবেদন প্রকাশ করে।

বাংলাদেশ থেকে পাচার হওয়া অর্থ নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে জাতিসংঘের মুখপাত্র বলেন, ‘বিভিন্ন সদস্য রাষ্ট্র থেকে অবৈধভাবে অর্জিত অর্থ বিদেশে পাচার হওয়ার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’

তিনি বলেন, ‘এটি উন্নয়নের পথে বড় বাধা সৃষ্টি করে। আমরা আন্তর্জাতিক সহযোগিতাকে উৎসাহিত করি, যাতে জনগণের অর্থ আবার সেই দেশগুলোর জনগণের কাছেই ফিরিয়ে দেওয়া যায়।’

জনশক্তি রপ্তানিতে সিন্ডিকেট বন্ধ করতে না পারলে পদ ছাড়বেন মন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
জনশক্তি রপ্তানিতে সিন্ডিকেট বন্ধ করতে না পারলে পদ ছাড়বেন মন্ত্রী

বিদেশে জনশক্তি রপ্তানির কাজে সিন্ডিকেটমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে না পারলে মন্ত্রিত্ব ছেড়ে দেবেন বলে ঘোষণা দিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী।

মঙ্গলবার (৩ জুন) প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘সিন্ডিকেটমুক্ত করা আমার চ্যালেঞ্জ। এটা যদি না করতে পারি, চলে যাব। প্রথম দিন থেকে বলে আসছি, যদি এখানে মন্ত্রী থাকি, এখানে কোনো ধরনের সিন্ডিকেটের সুযোগ থাকবে না, জিরো টলারেন্স।’

মন্ত্রী বলেন, ‘দেশের নাগরিকদের জীবন ঝুঁকিতে ফেলা এবং প্রতারণামূলকভাবে বিদেশে পাঠানোর মতো অপরাধের সঙ্গে জড়িত কোনো চক্র, সংস্থা, ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে ছাড় দেওয়া হবে না। কোনো এজেন্সির অসততার কারণে বৈদেশিক কর্মসংস্থান ক্ষতিগ্রস্ত হতে দেওয়া হবে না।’

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার নিয়ে আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, ‘চলতি মাসে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মালয়েশিয়া সফরে যাচ্ছেন। তবে ওই সফরে শ্রমবাজার-সংক্রান্ত কোনো নতুন সমঝোতা স্মারক সই হবে কি না, সে বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো তথ্য নেই।’

নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে প্রবাসীদের জন্য একটি সমন্বিত কার্ড চালুর পরিকল্পনার কথা জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, প্রবাসী কার্ড চালু হলে আলাদা বিএমইটি কার্ড থাকবে না। একটি কার্ডের মাধ্যমেই প্রবাসীরা প্রয়োজনীয় সব সুবিধা পাবেন। এ লক্ষ্যে কাজ চলছে।

তিনি আরো বলেন, রাশিয়ায় থাকা ৩০ বাংলাদেশিকে দ্রুত ও নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে আনতে কূটনৈতিক চ্যানেলের মাধ্যমে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এ বিষয়ে মস্কোয় বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতকে তাৎক্ষণিকভাবে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, যাতে ভুক্তভোগীদের সুরক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়।

খাদ্য অধিদপ্তরের ডিজিসহ দুজনের বিরুদ্ধে মামলা | কালের কণ্ঠ