kalerkantho

বুধবার । ৪ কার্তিক ১৪২৮। ২০ অক্টোবর ২০২১। ১২ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

সেলাই করা খোলা মুখ

আমাদের তরুণদের হাতে মোবাইল ফোন

মোফাজ্জল করিম   

২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ১০ মিনিটে



আমাদের তরুণদের হাতে মোবাইল ফোন

লেখাটির শিরোনামের সঙ্গে একটি লেজ লাগিয়ে দিয়ে যদি বলি, ‘আমাদের তরুণদের হাতে মোবাইল ফোন : আশীর্বাদ না অভিশাপ,’ তাহলে প্রায় সব পাঠক-পাঠিকাই বোধ হয় সমস্বরে চিক্কুর পেড়ে বলবেন, ভাই, এই অতি জরুরি বিষয়টি নিয়ে এত দিন লিখেননি কেন? এখন আসুন, যা বলবার চটজলদি বলে ফেলুন। আর এটা এমন একটা বিষয় যা নিয়ে সবারই ‘দুইখান কথা’ আছে। অতএব দয়া করে আপনার কলম বন্ধ করার আগে আমাদের কথাগুলোও শুনে যাবেন। শুধু একতরফা ফাঁকা মাঠে গোল দেবেন, তা হবে না। জবাবে আমি শুধু বলব : অবশ্যই। আপনাদের অভিজ্ঞতা ও আমার অজ্ঞতা এই দুইয়ের মিশেল দিয়ে আশা করি পাতে দেওয়ার মতো অম্ল-মধুর একটা ব্যঞ্জনের বাগার তৈয়ার হয়ে যাবে।

তবে তার আগে যাকে নিয়ে এই নান্দীপাঠ সেই মোবাইল ফোনের কুলজির কিঞ্চিৎ উল্লেখ বোধ হয় অপ্রাসঙ্গিক হবে না। আমরা সবাই জানি বস্তুটি বয়সে নিতান্তই নবীন। এমনকি যেসব তরুণ-তরুণীর নিত্যসঙ্গী হয়ে নিরবচ্ছিন্নভাবে কখনো কর্ণলগ্ন, কখনো গণ্ডদেশ সংযুক্ত হয়ে কিংবা ছেলেদের পাতলুনের পকেটাভ্যন্তরে, কখনো মেয়েদের বটুয়ার নিশ্চিন্ত আশ্রয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাটিয়ে দেয়, তাদের কারো কারো চাইতেও তার বয়স কম। টেলিফোন কুলের এই গড়নপিটনে স্মার্ট প্রজাতিটির জন্ম এই সেদিন : আজ থেকে ২৫-৩০ বছর আগে। স্বভাবে ন্যাওটা, জন্মেই সে জানান দিল টেলিফোনের মতো গৃহবন্দি হয়ে সে থাকবে না, সে হবে তার মালিকের নিত্যসঙ্গী। ‘শয়নে-স্বপনে-নিদ্রায়-জাগরণে’। মালিকও মহাখুশি এমন একজন ছায়াসঙ্গী পেয়ে। সব সময় যত্রতত্র চরে বেড়ায় বলে জঙ্গম বস্তুটির নামকরণ করা হলো মোবাইল। আবার গঠন বৈচিত্র্যের কারণে তাকে ‘সেল-ফোন’ নামেও ডাকা শুরু হলো। বিশেষ করে মার্কিন মুল্লুকে। তবে মোবাইল নামটিই শেষ পর্যন্ত বেশি চাউর হয়েছে। সে হয়তো বলে, নামে কিবা আসে যায়। আমাকে তোমরা আদর করে তোমাদের কানে আর গালে সেঁটে ধরে থাকো, দিন-রাত চব্বিশ ঘণ্টা এক লহমার জন্যও কাছছাড়া করো না, সব একান্ত ব্যক্তিগত কিংবা অতি গোপনীয় কথা আমাকে শুনিয়ে শুনিয়ে তোমরা বলো, এতেই আমি খুশি।

জন্মের পর এই বাঙ্ময় যন্ত্রটি রীতিমতো মহার্ঘ হয়ে ধনী দেশগুলোতে বেশ কিছুদিন অন্তরিনাবদ্ধ হয়ে রইল। বাংলাদেশে তার শুভ আবির্ভাব ঘটল উনিশ শ নব্বইয়ের দশকে। শুরুতে সে ছিল স্বল্পবিত্ত মানুষের ধরাছোঁয়ার বাইরে। আজ যে সাধারণ ছোটখাটো শব্দার্থেই মুঠোফোন ‘আনস্মার্ট’ মোবাইলটির দাম মাত্র দু-তিন হাজার টাকা, নব্বইয়ের দশকে সেটাই বিকিয়েছে ১৫-২০ হাজার টাকায়। আর এখন এটা আপামর কাজের বুয়া-রিকশাওয়ালার হাতে শোভা পেলেও তখন সমাজের এলিট ক্লাস এবং উচ্চবিত্তরা ছাড়া আর সবার নাগালের বাইরে ছিল ওটা।

২.

এখানে একটা কথা উচ্চকণ্ঠে স্বীকার করে নিতে চাই। মোবাইল ফোন আমাদের জীবনকে করেছে অনেক সহজ, অনেক সাবলীল। আরো সোজা কথায় অনেক অসম্ভবকে করেছে সম্ভব। পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে মুহূর্তে সংবাদ আদান-প্রদান, সুখের খবর, শোকের খবর শোনানো, ব্যক্তিগত, পারিবারিক ও রাষ্ট্রীয় জরুরি প্রয়োজনে যোগাযোগ স্থাপন—তাও কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে—সম্ভব করেছে এই মোবাইল বা মুঠোফোন নামক চড়ুই পাখিটি। এ ছাড়াও তার আরো কত কত নিত্যনতুন ব্যবহার দেখতে পারছি আমরা। মোবাইল ফোন বড় বড় হিসাব মিলিয়ে দিচ্ছে কম্পিউটারের মতো। সারা দুনিয়ার তরতাজা খবর এনে হাজির করছে, গান শোনাচ্ছে, গল্প-কবিতা পড়ার সুযোগ করে দিচ্ছে। যেকোনো বিষয়, তা ইতিহাস-ভূগোল-সাহিত্য-বিজ্ঞান যা-ই হোক না কেন, মোবাইল সবজান্তা সেজে বসে আছে। কত রকমের সেবা যে দিচ্ছে এই বশংবদ ছোট্ট যন্ত্রটি, যার ঠিকানা আমার হাতের মুঠো। ঘরে বসে সারা দেশ, এমনকি সারা দুনিয়ার লোকের সঙ্গে জরুরি মিটিং-কনফারেন্স করতে পারছি মোবাইলের মাধ্যমে। আর বাংলাদেশের মতো সব জটিলের দেশে ল্যান্ডফোন নামক খানদানি যন্ত্রটির মালিক হতে যে আমলাতান্ত্রিক ভোগান্তি পোহাতে হয় তা থেকে নিষ্কৃতি দিয়েছে মোবাইল। ...যা হোক, মোবাইল ফোন বর্তমান বিশ্বে মানুষের জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে গেছে—এ কথা বলার অপেক্ষা রাখে না। অথচ তিন-চার যুগ আগে এর অস্তিত্বই ছিল না।

এবার আসি মোবাইল ফোনের ক্ষতিকারক দিকগুলোর আলোচনায়। সম্পূর্ণ নৈর্ব্যক্তিকভাবে বললে বলতে হয়, মোবাইল ফোনের কোনো ক্ষতিকারক দিক নেই। তাহলে কেন এই নিবন্ধ লিখতে বসলাম আমরা? জবাবে বলব, এই সুপাত্রটির কোনো দোষ নেই ঠিকই, তবে একটু ‘পেঁয়াজের দোষ আছে’। ওই যে কিংবদন্তির সেই যুবকটির মতো, যার চরিত্র ফুলের মতো পবিত্র, কোনো বদভ্যাস নেই যার, তবে...। তবে কী? তবে সামান্য একটু-আধটু পেঁয়াজের দোষ আছে। অ্যাঁ, পেঁয়াজ খায়? বামুনের ছেলে পেঁয়াজ খায়? এই গল্পের ব্রাহ্মণপুত্রের মতো মোবাইলের পেঁয়াজের দোষ হচ্ছে, সে তরুণ-তরুণীর চোখের ঘুম কেড়ে নিয়ে সারারাত তাদের মোবাইল হাতে রাত জাগায়। না, রাত জেগে দেশ-বিদেশের খবরটবর শোনে না, দেখে না। তালেবানদের উত্থান-পতন, আমেরিকা-চীন বা মোদির গদি—এগুলোতে তারা মোটেই আগ্রহী নয়। তাহলে? তারা সারারাত জেগে হাতের তালু দুটোকে মুনাজাতের মতো করে মোবাইল ফোনটিকে আঁকড়ে ধরে ‘বই পড়ে’। বই পড়ে? কী বই? বইয়ের নাম ‘ফেসবুক’। বাংলা নাম হতে পারে ‘মুখবই’। এই বইয়ের যে অংশটি বা অংশগুলো তার ভালো লাগে তা সে তারিয়ে তারিয়ে চেখে দেখে সারারাত। আর ওই মোবাইল নামক ক্ষুদ্র যন্ত্রটিতে অন্যান্য ভালোমন্দ অনেক কিছুর সঙ্গে এমন সব রগরগে অশ্লীল দৃশ্যসংবলিত নাটক বা নাট্যাংশ থাকে, এমন কদর্য ডায়লগে ঠাসা থাকে তথাকথিত জীবনধর্মী আলেখ্যটি যে সুস্থ বুদ্ধিসম্পন্ন যেকোনো মানুষের মনে হবে এর নির্মাতা ও পরিবেশককে তদ্দণ্ডেই জুতাপেটা করে। আর একজন তরুণ যুবক বা যুবতী বস্ফািরিত নেত্রে অবলোকন করবে তার কাছে সম্পূর্ণ দুর্জ্ঞেয় রহস্যময় এক অন্ধকার জগত। এক অভূতপূর্ব অভিজ্ঞতায় দুলে দুলে নিজেকে সে আবিষ্কার করবে এক বিচিত্র ভুবনের বাসিন্দা হিসেবে। এক ফাঁকে তার নির্ঘুম রাত কাবার হয়ে যাবে। মা-বাবার ডাকাডাকি-হাঁকাহাঁকিতে শয্যাত্যাগ করবে সে রক্তজবার মতো দুটো চোখ এবং মাথাভর্তি যন্ত্রণা নিয়ে। এই অবস্থায় তার কাটবে সারাদিন। এরই ভেতর সুযোগ পেলেই চুপি চুপি ঢুঁ মারবে মুঠোফোনের পর্দায়। বন্ধুবান্ধবদের সঙ্গে শেয়ার করবে সারারাতের অভিজ্ঞতা। স্কুলজীবনে ফাটাফাটি রেজাল্ট করা ছেলেটির এখন বই দেখলেই গা ঘুলিয়ে আসে।

কারো কারো আবার রাত কাটে বিরামহীন বিশ্রামহীন ‘চ্যাটিং’-এ। সেটা আবার কী বস্তু? সেটা আর কিছু না, বন্ধু বা বান্ধবীর সঙ্গে সারারাত নন-স্টপ কথার ফুলঝুরি ছিটিয়ে যাওয়া। ফলে সেখানেও ঘুমের রাজ্যে দীর্ঘ লকডাউন। ছেলেটি বা মেয়েটির সারা দিন ‘ঘুম ঘুম কাটে না ঘুমেরই ঘোরে’। সেই মাথায় যন্ত্রণা, বমি বমি ভাব। লেখাপড়া, খেলাধুলা সবই শিকেয় ওঠার জোগাড়। সারা দিন দীর্ঘ প্রতীক্ষা : কখন রাত হবে, কখন আবার শুরু হবে আদিঅন্তহীন চ্যাটিং।

তাহলে দেখা যাচ্ছে রাত জেগে, ঘুম হারাম করে মোবাইলে নোংরা ছবি দেখা, আর না হয় সারারাত ফিসফিস করে বিশ্রম্ভালাপ চালিয়ে যাওয়ার একটা অপসংস্কৃতি চালু হয়েছে মুঠোফোনের কারণে। এতে যে কত ম্যানআওয়ার-উয়োম্যানআওয়ার নষ্ট হচ্ছে প্রতি রাতে, লেখাপড়ার বারোটা নয়, চৌদ্দটা বাজছে, শরীরস্বাস্থ্য ভেঙে পড়ছে তরুণ-তরুণীদের, সোনার অঙ্গ পুড়ে হচ্ছে ছাই—সে হিসাব করতে বড় কম্পিউটারও হিমশিম খাবে। আর জাতি এর নতিজা ভোগ করবে এখন নয়, কয়েক বছর পর, যখন আজকের তরুণ-তরুণীদের ডাক আসবে রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য তখন। দেখা যাবে, ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, হোয়াটসঅ্যাপ ইত্যাদির বাইরে এদের জ্ঞান-গরিমা ডডনং।

৩.

তাহলে কী করতে হবে? মোবাইল ফোন আইন করে বন্ধ করে দিতে হবে, নিষিদ্ধ ঘোষণা করতে হবে ফেসবুক? না, তা হয় না। মাথা ধরার চিকিৎসা মাথা কেটে বাদ দেওয়া নয়। কিছু কিছু তরুণ-তরুণী মোবাইলাসক্ত হয়ে জীবন-যৌবন-ধনমান বিসর্জন দিচ্ছে বলে আধুনিক কালের সর্বোচ্চ প্রযুক্তিসমৃদ্ধ এই অতীব প্রয়োজনীয় যন্ত্রটিকে নির্বাসনে পাঠানো যায় না। সেটা করলে আধুনিক জীবন হঠাৎ করেই স্থবির হয়ে পড়বে, বাঙালি হয়ে যাবে এক জংলি হটেনটট্ বা ফিলিস্টিন জাতি। আধুনিক বিশ্বে টিকে থাকতে হলে সবার সঙ্গে তাল মিলিয়েই চলতে হবে। এটা নিয়ে অবশ্যই কোনো দ্বিমত নেই কারো। তবে সেই সঙ্গে দেশের তরুণ সমাজকে ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচাতে হলে রাষ্ট্রকে অবশ্যই কিছু পদক্ষেপ নিতে হবে।

মোটা দাগে দুয়েকটি প্রস্তাব রাখা যেতে পারে সংশ্লিষ্ট সবার বিবেচনার জন্য। প্রথমত, মোবাইল ফোননির্ভর যে সংস্কৃতি গড়ে উঠেছে সেটাকে কলুষমুক্ত করার জন্য অবিলম্বে একটি ড্রাইভ দিতে হবে। অশ্লীল ছবি, নোংরা ডায়লগ ইত্যাদি সংবলিত তথাকথিত বাস্তবধর্মী আইটেমগুলোকে ফেসবুক ইত্যাদি থেকে ঝেঁটিয়ে বিদায় করতে হবে। এসবের নির্মাতা, আমদানিকারক, প্রদর্শক প্রভৃতিকে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক কঠোর শাস্তি দিতে হবে। দ্বিতীয়ত, সন্তানের ওপর মা-বাবার নজরদারি আরো বাড়াতে হবে। আজকাল প্রায়ই শোনা যায় ছেলেমেয়েরা মা-বাবার কথা শোনে না, তারা যেভাবে খুশি সেভাবে সমাজে চলাফেরা, মেলামেশা করে, নিজেদের ভুবনে মা-বাবাকে ‘পারসোনা নন গ্রাটা’ বা অবাঞ্ছিত ব্যক্তি করে ফেলে কৈশোর পার হতে না হতেই। ফলে একই ছাদের তলে বসবাস করলেও মা-বাবা ও সন্তানকে মনে হয় যেন একই পারিবারের সদস্য নয়, একই মেসের বাসিন্দা। ছেলেমেয়ে কাদের সঙ্গে মিশছে, কোথায় যাচ্ছে, খানাপিনা কী করছে মা-বাবা তার কোনো খবরই রাখেন না বা চাইলেও সন্তানের অনাগ্রহ ও নির্লিপ্ততার কারণে রাখতে পারেন না। ফলে যেদিন বমশেলের মতো জানা যায় ছেলে কোনো অপকর্ম করতে গিয়ে পুলিশের হাতে ধরা পড়েছে বা মেয়ে কোনো পাড়াতুতো ভাই নামক ষণ্ডার হাত ধরে পালিয়েছে, তখন শুধু ‘হায় হাসান হায় হোসেন’ বলে বুক চাপড়ানো ছাড়া কিছুই করার থাকে না।

পাশ্চাত্য জীবনধারার বদ হাওয়া এবং আকাশ সংস্কৃতির কুফলের কারণে আমাদের তরুণ সমাজ বেপথু হয়ে পড়েছে। এখনো সময় আছে, এদের মুখে লাগাম লাগিয়ে টেনে ধরার। তার চেয়ে বেশি প্রয়োজন তাদের ছোটবেলা থেকে সন্তানদের সঙ্গে বন্ধুর মতো মেলামেশা করা, তাদেরকে আমাদের বাপ-দাদার কৃষ্টি-সংস্কৃতি ও ধর্মীয় মূল্যবোধ সম্বন্ধে ধারণা দেওয়া। জানি, টেলিভিশন, মোবাইল ফোন ও আকাশ সংস্কৃতি মা-বাবার দায়িত্বপালনটাকে দিন দিন দুরূহ করে তুলছে। তবে পরিবার ও শিক্ষাঙ্গন এ ব্যাপারে আরো সিরিয়াস হলে মূল্যবোধের এই অধোগতি ও অবক্ষয় আশা করা যায় ঠেকানো যাবে।

সবশেষে একটা গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব রাখতে চাই কর্তৃপক্ষের বিবেচনার জন্য। এই ফেসবুক-টুক রাত দশটার পর পুরোপুরি বন্ধ করে দিলে কী হয়? আর কিছু না হোক ছেলেমেয়েরা তো শান্তিতে ঘুমাতে পারবে কয়েক ঘণ্টা। ছেলেবুড়ো যুবক-যুবতী সবার জন্য ঘুম যে কতটা জরুরি তা তো আমরা সবাই জানি। আর রাতের কয়েক ঘণ্টা ফেসবুক চর্চা না করলে পেটের ভাত হজম হবে না, তা তো না।

 

 লেখক : সাবেক সচিব ও কবি

 [email protected]



সাতদিনের সেরা