kalerkantho

সোমবার । ৯ কার্তিক ১৪২৮। ২৫ অক্টোবর ২০২১। ১৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

আর্থিক খাতে জোরদার নজরদারি ও নিয়ন্ত্রণ দরকার

ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ

১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ৯ মিনিটে



আর্থিক খাতে জোরদার নজরদারি ও নিয়ন্ত্রণ দরকার

সাম্প্রতিককালে বাংলাদেশের আর্থিক খাতে অদক্ষতা, বিশৃঙ্খলা, খেলাপি ঋণ, সুশাসনের অভাবসহ নানা অব্যবস্থাপনা দেখতে পাচ্ছি। চিন্তার বিষয় হচ্ছে অনিয়মগুলো কমে আসার বদলে দিন দিন বাড়ছে এবং ব্যাংক থেকে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে ছড়িয়ে পড়ছে। অনিয়মটা সংক্রামক ব্যাধির মতো ছড়িয়ে পড়ছে। এটা মোটেও ভালো লক্ষণ নয়। এমনিতেই কভিড-১৯-এর ধকল সইতে হচ্ছে। তার ওপর অনিয়মগুলো যদি এভাবে চলতে থাকে এবং আর্থিক খাতটা আরো দুর্বল হতে থাকে, তাহলে দেশকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার বিষয়টা কঠিন হয়ে পড়বে। এখন আর্থিক খাতের ওপর নিয়ন্ত্রণ ও নজরদারি বাড়ানো না হলে ব্যবসা-বাণিজ্য তথা সামগ্রিক অর্থনীতির ওপর এর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। কারণ সার্বিকভাবে আর্থিক খাতের শৃঙ্খলার ওপর করপোরেট সুশাসন ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের সুশাসন নির্ভর করে। এই মুহূর্তে আর্থিক খাতে নজরদারি ও নিয়ন্ত্রণ বাড়ানো জরুরি। তবে দিন দিন পরিস্থিতি কেন খারাপ হচ্ছে, সেদিকেও নজর দিতে হবে।

আর্থিক খাতের রেগুলেশন তথা নজরদারি ও নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশ ব্যাংক এককভাবে দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান। মোটাদাগে বাংলাদেশ ব্যাংকের দুটি নিয়মে এ কাজ করতে হয়। একটি হচ্ছে প্রুডেনশিয়াল নর্মস তথা আর্থিক বিধানাবলি এবং অন্যটি হচ্ছে ব্যবস্থাপনা নীতিমালা। তদুপরি রয়েছে আইন। যেমন—ব্যাংক কম্পানি আইন, আর্থিক প্রতিষ্ঠান আইন। রয়েছে রেজিস্ট্রার জয়েন্ট স্টক কম্পানির বিধি-বিধান। যখন ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো এর রেজিস্ট্রেশন নেয়, তখন তারা প্রতিষ্ঠানটির বিধিবদ্ধ নিয়মের আওতায় আসে। এ ছাড়া বাসেল ওয়ান, বাসেল টু, বাসেল থ্রি নামে ব্যাংকগুলোর কিছু আন্তর্জাতিক রেগুলেটরি ফ্রেমওয়ার্ক আছে। সুতরাং আর্থিক খাতের প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর নজরদারি ও নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় এবং সব দেশেই তা গুরুত্ব দিয়ে করা হয়।

আমাদের স্বস্তির বিষয় হলো, আমাদের দেশের নিয়ম-কানুনগুলোও মোটামুটি আন্তর্জাতিক মানের। কিন্তু অস্বস্তির বিষয় হচ্ছে, তা পরিপালন না করার এবং দিন দিন এটিকে আরো খারাপ অবস্থায় নিয়ে যাওয়ার মানসিকতা। কমপ্লায়েন্স বা পরিপালন করা না হলে এ ব্যাপারে যে শাস্তির বিধান বা প্রতিকারের ব্যবস্থা রয়েছে, তা মোটেও সন্তোষজনক নয়। নজরদারি ও নিয়ন্ত্রণের ব্যাপারে এটিই আমাদের সবচেয়ে বড় দুর্বলতা। শাস্তি বা প্রতিকারের প্রশ্ন এলে অনেকে বাংলাদেশ ব্যাংকের ক্ষমতা ও স্বায়ত্তশাসন নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। আমি বলব, স্বায়ত্তশাসনের দুটি দিক রয়েছে। একটি হলো কার্যক্রমজনিত (অপারেশনাল); অন্যটি হলো আইনগত অর্থাৎ আইনের ভেতরে থেকে বাংলাদেশ ব্যাংক কতটুকু স্বাধীনতার চর্চা করতে পারে। আমি মনে করি, স্বায়ত্তশাসন যথেষ্ট আছে। আইন, সরকারের অন্যান্য নীতিমালার মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংকের যে ক্ষমতা ও যে অথরিটি আছে, তা দিয়ে আর্থিক খাতের ওপর নজরদারি ও নিয়ন্ত্রণকে আরো সুসংহত করা যায়। পৃথিবীর কোনো দেশেই কেন্দ্রীয় ব্যাংক রাজনৈতিক এবং আর্থ-সামাজিক প্রভাবের বাইরে নয়। এটি আশাও করা যায় না। এ ক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জটি হলো, আপনি কিভাবে রাজনৈতিক নেতাদের বা নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করবেন এবং বোঝাতে সক্ষম হবেন। এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া। বাংলাদেশে এটি সুষ্ঠুভাবে হচ্ছে না।

বাংলাদেশ ব্যাংকের যে স্বায়ত্তশাসন আছে, সেটি অর্জন এবং কার্যকর করার ব্যাপার আছে। অনেক সময় নিজের কার্যক্রম দ্বারা, দক্ষতা দ্বারা, তৎপরতা দ্বারা প্র্রমাণ করতে হয় যে আপনি যথেষ্ট সক্ষম এবং আপনার কার্যক্রমের ফলে শৃঙ্খলা তথা সুশাসন ফিরে এসেছে। এতে অটোনমি বা স্বায়ত্তশাসনটি কার্যকর হয় এবং প্রয়োজন হলে আরো বেশি অটোনমি অর্জন করা যায়। কিন্তু সেটি এখন আমরা দেখছি না। লক্ষ করলে দেখা যায়, অনেক ক্ষেত্রেই বাংলাদেশ ব্যাংক যথেষ্ট সক্রিয় নয়। তখন সরকার থেকে এটা-সেটা করতে বলা হয়। অথচ বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজ থেকেই করার কথা। এ ক্ষেত্রে অবশ্য বাংলাদেশ ব্যাংকের একটি সমস্যা আছে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের একটি ব্যাংকিং ডিভিশন আছে। এর ফলে ব্যাংকিং সেক্টরে একটি দ্বৈত নিয়ন্ত্রণ রয়েছে এবং সর্বময় কর্তৃত্ব এখন বাংলাদেশ ব্যাংকের হাতে নেই। যেমন—রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলো, বিশেষায়িত ব্যাংকগুলো সরকারের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের নিয়ন্ত্রণে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যাংকিং ডিভিশন থাকার ফলে বাংলাদেশ ব্যাংকের কিছুটা সমস্যা দেখা দিয়েছে। অনেক সময় দেখা গেছে, রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের এমডির নিয়োগের ব্যাপারে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে কিছু বললেও অর্থ মন্ত্রণালয় আমলে নিচ্ছে না। কারণ এটি তারাই নিয়ন্ত্রণ করে। অথচ এই মুহূর্তে উচিত হলো রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক, সব বিশেষায়িত ব্যাংকের নজরদারি ও নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা বাংলাদেশ ব্যাংকের হাতে ন্যস্ত করা। বাংলাদেশ ব্যাংক শুধু প্রাইভেট ব্যাংক নিয়ন্ত্রণ করবে আর অন্যগুলো আংশিকভাবে নিয়ন্ত্রণ করবে, তা হয় না। এ বিষয়ে নীতিনির্ধারকদের গভীরভাবে চিন্তা-ভাবনা করতে হবে।

আমাদের আর্থিক খাতের বর্তমান পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের কার্যক্রমের পরিধিটাও বিবেচনায় নিতে হবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাপক কার্যক্রমের একটি হলো মনিটারি ফাংশন বা মুদ্রাসংক্রান্ত কার্যক্রম। মুদ্রানীতি, মুদ্রা ব্যবস্থাপনা, বৈদেশিক মুদ্রা বিনিময়, টাকা ছাপানো—এ সবই হলো কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কার্যক্রমের বড় একটি দিক। আরেকটি হলো, সব ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের নজরদারি ও নিয়ন্ত্রণ তথা রেগুলেশন, যা খুবই ব্যাপক ও কঠিন কাজ। বিশ্বের অনেক কেন্দ্রীয় ব্যাংক আছে, যারা শুধু মনিটারি পলিসি সংক্রান্ত কাজ করে। যেমন—ব্যাংক অব ইংল্যান্ড। এটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান বা ব্যাংকগুলোর নজরদারি বা রেগুলেশনের ব্যাপারে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত নয়। ইংল্যান্ডে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর দেখভালের জন্য প্রুডেনশিয়াল রেগুলেটরি অথরিটি (পিআরএ) আছে। এটি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ফিন্যানশিয়াল নর্মস দেখে। তাদের আরেকটি প্রতিষ্ঠান ফিন্যানশিয়াল কন্ডাক্ট অথরিটি (এফসিএ) আমানতকারীর স্বার্থ, ঋণগ্রহীতার স্বার্থ এবং ব্যাংকগুলোর পলিসি ও সেবা কার্যক্রম নজরদারি ও নিয়ন্ত্রণ করে। কেউ যদি মানি লন্ডারিং করে, গ্রাহকের টাকা আত্মসাৎ করে, সেটি এফসিএ দেখে। যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংকের কাজ হচ্ছে মনিটারি পলিসি ফাংশন। দেশটির সিকিউরিটিজ এক্সচেঞ্জ কমিশন ব্যাংকগুলোর ক্যাপিটাল ও লিকুইডিটি বা এসংক্রান্ত কাজগুলো দেখে। তাদের আমানতের বিষয়গুলো দেখার দায়িত্বে আরেকটি প্রতিষ্ঠান রয়েছে। অথচ বাংলাদেশ ব্যাংক বা বিশ্বের বেশির ভাগ কেন্দ্রীয় ব্যাংকই মুদ্রানীতি ও মুদ্রা ব্যবস্থাপনা এবং নজরদারি ও নিয়ন্ত্রণ—দুটি কাজই করে। আমাদের মনে রাখতে হবে, দুটি কাজ একসঙ্গে করা খুব কঠিন।

আরেকটি বিষয় আলোচনা করা দরকার। সেটি হলো, বাংলাদেশ ব্যাংকের যেসব গাইডলাইন আছে, সেসবের ডিসক্রিশনারি বা কিছু ক্ষেত্রে বিশেষ ব্যবহার। যেমন—বিশেষ ক্ষমতা দিয়ে কাউকে বিশেষ সুবিধা দেওয়া। যেমন—দেখা যায়, সিআরএস, এসআরএস রাখার ব্যাপারে কিছু ব্যাংককে ছাড় দেওয়া হচ্ছে। আবার কিছু ব্যাংক তা রাখে না। ব্যাংকগুলোর রিশিডিউল নিয়েও কাউকে সুবিধা দিতে দেখা যায় এবং আবার কাউকে দেওয়া হয় না। নিয়ম হলো, পলিসি ভার্সেস ডিসক্রিশনের বিষয়টা যখন আসে তখন যতটা সম্ভব বিশেষ ক্ষমতা কম প্রয়োগ করা। না হলে ব্যাংকগুলোও নানা ধরনের অজুহাত সৃষ্টির সুযোগ পায়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের আরেকটি বড় চ্যালেঞ্জ ব্যাংকিং সেক্টর ও আর্থিক সেক্টরে দক্ষতা বৃদ্ধি এবং এটিকে প্রতিযোগিতামূলক করা। এ খাত প্রতিযোগিতামূলক নয়। লক্ষ করলে দেখবেন, সব ব্যাংকেরই সেগমেন্টেড বা ভাগ করে নেওয়া মার্কেট রয়েছে। তাদের সিলেকটেড ক্লায়েন্ট রয়েছে। যখনই তাদের ওপর রেগুলেশনের প্রশ্ন আসে, তখন তারা একযোগে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে তদবির করে। তারা নিজেরা নিজেদের গোষ্ঠীর মধ্যেই কাজ করে। এটি মোটেও প্রতিযোগিতামূলক নয়। এর ফলে যেটি হয়—ব্যাংকগুলোর সেবার মান খারাপ হয়। বিশেষ করে সাধারণ গ্রাহক, আমানতকারীরা ভোগান্তির শিকার হয়। একটি জিনিস মনে রাখা দরকার, ব্যাংক এবং অন্য কম্পানিগুলোর মধ্যে পার্থক্য আছে। ব্যাংক এবং একটি গাড়ির কম্পানি বা ওষুধের কম্পানি এক নয়। কারণ ব্যাংক মূলত আমানতকারীর টাকা নিয়ে কাজ করে, শেয়ারহোল্ডারদের টাকাও কিছু থাকে। তাই ব্যাংকের আমানতকারী, ঋণগ্রহীতা, শেয়ারহোল্ডার—সব পক্ষের আস্থা রক্ষার প্রয়োজন। না হলে এর খারাপ প্রভাব অর্থনীতির সব জায়গায় পড়ে।

সুতরাং দেশের আর্থিক খাতে নজরদারি ও নিয়ন্ত্রণ ফিরিয়ে আনতে হলে এবং আরো সুসংহত করতে হলে প্রথমেই এ খাতকে প্রতিযোগিতামূলক করতে হবে। দ্বিতীয়ত, এ খাতকে আরো বেশি সেবামুখী করতে হবে। তৃতীয়ত, রেগুলেশনের বিষয়ে বাইরের প্রভাব থেকে মুক্ত থাকতে হবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ওপর রাজনৈতিক ও আমলাতান্ত্রিক প্রভাব ছাড়াও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, চেম্বার বডির অনেক প্রভাব থাকে। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকারদের (এবিবি) কার্যকলাপের বিষয়টি লক্ষণীয়। তারা কোনো বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংককে মতামত দিতেই পারে। কিন্তু তারা অনেক সময় চাপ সৃষ্টি করে। যেমন—সম্প্রতি আমানতের ওপর ৬ শতাংশ সুদ দেওয়ার ব্যাপারে বাংলাদেশ ব্যাংক আদেশ দিয়েছে। কারণ মূল্যস্ফীতিও ৬ শতাংশের কাছাকাছি। এটি যথার্থই করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। কিন্তু ব্যাংকাররা (এবিবি) বলছেন, এটি বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে না। ফলে একটি খারাপ সংস্কৃতি গড়ে উঠছে। চতুর্থত, কেন্দ্রীয় ব্যাংককে কোর (মৌলিক) ব্যাংকিংয়ে বেশি নজর দিতে হবে। পঞ্চমত, সুপারভিশনের বেলায় আরো বেশি তৎপরতা ও দক্ষতা দেখাতে হবে। ষষ্ঠত, যেটি আমি আগেও বলেছি, গতানুগতিকতার বাইরে এসে ব্যাংকগুলো যেন নতুন নতুন প্রডাক্ট তথা আর্থিক সেবা, নতুন নতুন অ্যাপ্রচ নিয়ে অগ্রসর হতে পারে সে জন্য উৎসাহ দিতে হবে। সপ্তমত, যখনই রেগুলেশন বা বিধি-বিধান অমান্য করার প্রমাণ পাওয়া যায়, তখনই দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে। এ ক্ষেত্রে তদন্তের নামে দীর্ঘসূত্রতা প্রদর্শন করলে কাজ হবে না। আর ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়টি দ্রুত ও দৃশ্যমান হতে হবে, তাতে মানুষের আস্থা বাড়বে। সর্বোপরি বাংলাদেশ ব্যাংককে শুধু সরকার নয়, আমানতকারী, ঋণগ্রহীতাসহ সাধারণ মানুষ—সবার প্রতি জবাবদিহি করতে হবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের জন্য শক্ত ও দৃঢ় অবস্থান নিয়ে কাজ করা এখন সময়ের দাবি। তবে একটি বিষয় সম্পর্কে কেন্দ্রীয় ব্যাংককে সচেতন থাকতে হবে, যেন নিয়ন্ত্রণ বাড়াবাড়ি পর্যায়ে না যায়, যাতে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব দায়িত্ব পালন ও জবাবদিহির বিঘ্ন ঘটে।

লেখক : সাবেক গভর্নর, বাংলাদেশ ব্যাংক  অধ্যাপক, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়

অনুলিখন : আফছার আহমেদ



সাতদিনের সেরা