kalerkantho

বুধবার । ৭ আশ্বিন ১৪২৮। ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১। ১৪ সফর ১৪৪৩

দিল্লির চিঠি

আফগানিস্তানে তালেবান সরকার এবং উপমহাদেশ

জয়ন্ত ঘোষাল

১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ৯ মিনিটে



আফগানিস্তানে তালেবান সরকার এবং উপমহাদেশ

বারাক ওবামা তখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের সঙ্গে হোয়াইট হাউসে গিয়েছিলাম আমরা। মনমোহন সিং যখন ওবামার সঙ্গে তাঁর ওভাল অফিসে বৈঠক করছিলেন তখন আমরা ওবামার বাগানে ঘুরছিলাম এবং সেখানে প্রস্ফুটিত নানা রকমের ফুলের সৌন্দর্য উপভোগ করছিলাম।

বৈঠক শেষ হওয়ার পর সেই ওভাল অফিসে ডাকা হলো আমাদের। ওবামা ও মনমোহন সিং দুজনে দুটি পৃথক সোফায় পাশাপাশি বসে আছেন। আমাদের সাংবাদিক বন্ধুরা নানা রকম প্রশ্ন ছুড়ে দিচ্ছিলেন ওবামার দিকে এবং বেশ যত্নসহকারে আমাদের সেই সব প্রশ্নের উত্তরগুলো দিচ্ছিলেন তিনি। আর সেই সময় আমি খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখছিলাম ওবামাকে। পরনে কালো স্যুট, কালো রঙের সুচালো এবং বেশ চকচকে জুতা এবং তার সঙ্গে কালো মোজা। বলিষ্ঠ চোয়াল এবং বুদ্ধিদীপ্ত চোখ তাঁর।

ওবামা সেদিন আফগানিস্তানের কথাও বলেছিলেন। বিশেষ করে পৃথিবীজোড়া সন্ত্রাসের মোকাবেলা করার জন্য তাঁর যে মানসিক ইচ্ছা তা আন্তরিকভাবে স্পর্শ করেছিল বলা যায়। তিনি বারবার বলছিলেন, বুশ প্রশাসনের ইরাক নিয়ে অত্যধিক ব্যস্ত থাকা, সেখানে কোটি কোটি ডলার খরচ করা, প্রচুর মার্কিন সেনার নিহত হওয়া, তার ফলে আফগানিস্তানের ওপর অগ্রাধিকার কম হয়েছে। এই মুহূর্তে আফগানিস্তান আসলে সন্ত্রাসের এপি সেন্টার।

ওবামা তাঁর আত্মজীবনীতে শুধু বুশ প্রশাসন নিয়ে লেখেননি। লাদেনের আমেরিকা আক্রমণের পরবর্তীকালে লাদেনকে নিহত করার যে অভিযান, আফগানিস্তানের যে যুদ্ধ মার্কিন প্রশাসনের মধ্যেও সেগুলোকে বাস্তবায়িত করতে কত রকমের ঝড়ঝঞ্ঝা তাঁকে সহ্য করতে হয়েছিল, সেসব কথাও তিনি নানাভাবে ব্যক্ত করেছেন। এমনকি যখন সিচুয়েশন রুমে লাদেনকে ধ্বংস করার জন্য নীলনকশা তৈরি করা হচ্ছিল, তখন যে কত ঝুঁকি নিয়ে কাজটা করতে হয়েছিল, মার্কিন নৌ-সেনা বাহিনীকে কিভাবে কাজে লাগানো হয়েছিল, সেসব কথাও তিনি বলেছেন তাঁর আত্মজীবনীতে।

সেই আক্রমণের সময় হিলারি বলেছিলেন, তাঁর মানে হয়, এই আক্রমণে সফল হওয়ার সম্ভাবনা ৫১ এবং ৪৯ শতাংশ। সে সময় অত্যন্ত ঝুঁকি নিয়ে, একেবারে কাঁটায় কাঁটায় সাফল্য অর্জনের রণকৌশল নিয়েছিল আমেরিকা। যার ফলে লাদেনকে হত্যা করা সম্ভব হয়েছিল। সেই অপারেশনে সফল হয়ে ওবামা যখন হোয়াইট হাউসে ফিরছেন তখন সাদা মার্বেলের লিংকন হাউসটি তিনি দেখছিলেন, যেখানে একটি শ্বেতশুভ্র পাথরের চেয়ারে বসেছিলেন স্বয়ং লিংকন। সেই দৃশ্য দেখতে দেখতে প্রায় বুড়িছোঁয়া দূরত্ব থেকে ওবামার হেলিকপ্টারটি চলে গিয়েছিল। তিনি ওসামা বিন লাদেনকে নিধনের সাফল্য নিয়ে ফিরছেন। এই বর্ণনার মধ্য দিয়ে ওবামার এক বেদনার উপলব্ধিও কিন্তু তাঁর আত্মজীবনীতে প্রকাশ পেয়েছে।

তিনি বারবার একটা কথা বলার চেষ্টা করেছেন, আফগানিস্তানে ওসামার কোড নাম ছিল Geronimo,যাকে ধ্বংস করার জন্য মার্কিন নৌ-সেনা Seal-কে কিভাবে কাজে লাগানো হয়েছিল এবং বিশেষ করে অ্যাবোটাবাদে যে Raid হয়েছিল, সেটাও ভয়ংকর ঝুঁকির কাজ ছিল। ওবামা লিখেছেন, এই কাজটি করতে গিয়ে তাঁর বারবার মনে হচ্ছিল, যদি কোনো কারণে তাঁরা ব্যর্থ হন, তাহলে পাকিস্তানের সঙ্গেও আমেরিকার সম্পর্কটা ভয়ংকর জায়গায় এসে পৌঁছবে। তার ফলে এমন একটা পরিস্থিতি তৈরি হয়ে যাবে যে তখন পাকিস্তানের সঙ্গেও আমেরিকাকে যুদ্ধে অবতীর্ণ হতে হবে।

সুতরাং কাজটা প্রচণ্ড ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। আজ এত বছর পর এই উদ্ভূত তালেবান সরকারের পরিপ্রেক্ষিতে যখন আমরা আফগানিস্তান নিয়ে আলোচনা করছি তখন মনে হচ্ছে, এরা হলো রক্তবীজ, যারা কোনোভাবেই নিঃশেষ হয়ে যায় না। প্রায় তিন দশক ধরে এত দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধ চালিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কী সাফল্য পেল? একটা সংগঠনকে শায়েস্তা করতে গিয়ে তো আরেকটা সংগঠনের জন্ম হলো!

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যখন আফগানিস্তানে সেনা অভিযান চালানো শুরু করেছিল তখন তালেবানরা একটা লিফলেট সেখানে ছেড়েছিল। সেই সময় ‘নিউজ উইক’ পত্রিকায় সেই লিফলেট ছাপা হয়েছিল, যেখানে তালেবান বলেছিল যে ‘তোমাদের কাছে ঘড়ি আছে, তোমরা ঘড়ি দেখে অভিযান চালাচ্ছ। আমাদের কাছে সময় আছে, আমরা অপেক্ষা করব। ভবিষ্যৎ বলবে, আমরা জিতব, না হারব।’

মূল প্রশ্নটা হলো, যেভাবে তালেবান সরকার গঠিত হলো, এরপর তালেবান কোন পথে? কাবুল কোন পথে? মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এর জন্য কতটা দায়ী? আগামী দিনে রাশিয়া, চীন, ইরান, তুরস্ক, পাকিস্তান সমবেতভাবে এই ভারত উপমহাদেশকে সত্যি সত্যি কতটা টাইট দিতে পারবে? কতটা সমস্যায় ফেলবে তারা ভারতকে? আর ভারত সমস্যায় পড়লে, ভারতের যে প্রতিবেশী রাষ্ট্র, বিশেষ করে সবচেয়ে বড় বন্ধু বাংলাদেশের ভূমিকা কী হবে?

ওবামার আত্মজীবনীর আরেকটি ছোট্ট ঘটনা বলতে ইচ্ছা করছে। ওবামা যখন আফগানিস্তানে ‘আল-কায়েদা’ বাহিনীকে দমন করার জন্য বৈঠক করছিলেন তখন তিনি এক কঠোর সন্ত্রাসবিরোধী লাইন নিতে চাইছিলেন। অবশ্য ওবামা কিন্তু তা বুঝতে পেরেছিলেন।

আফগানিস্তানে সরকারে এত দুর্নীতি! এ রকমভাবে চুরিচামারি! তাতে কিন্তু হামিদ কারজাই আর যাই হন না কেন, তাঁর সরকারের টাকা-পয়সার যেভাবে সাইফনিং হচ্ছে, তাতে এই কাবুলের সরকার ধরে রাখা কঠিন। এ কথাও ওবামা তাঁর আত্মজীবনীতে লিখেছেন।

আসলে ওবামা বলতে চাইছেন যে প্রশাসনের মধ্যেও কত রকমের মত ছিল। ওবামা লিখছেন যে ১৯৮০ সালে সিআইএর ডেপুটি ডিরেক্টর ছিলেন গেটস, যিনি আসলে সোভিয়েত সেনাদের বিরুদ্ধে অভিযান চালানোর জন্য, আফগানিস্তানের মুজাহিদীনকে অস্ত্র দিয়েছিলেন। তার ফলে মুজাহিদীনের গোষ্ঠীর সঙ্গে হাতে হাত মিলিয়ে কাজ করার অভিজ্ঞতা ছিল এই সিআইএ প্রধানের। সেই সিআইএ প্রধান এখন সিআইএর বড় কর্তা হয়ে যাওয়ার পর আল-কায়েদাবিরোধী অভিযান নেওয়ার ব্যাপারে তিনি আসলে কতটা বাস্তববাদী, সেটা নিয়েও কিন্তু ওবামা প্রশ্ন তুলছিলেন। এখন আমেরিকার যে প্রশাসন বা সিআইএ বা পেন্টাগন তারা সবাই যে একই সুরে কথা বলে, একইভাবে কথা বলে, তা নয়। আমাদের দেশে যেমন বহুত্ববাদ আছে, তাঁদের দেশেও পুঁজিবাদী এবং বহুত্ববাদ আছে। যার জন্য সেখানেও কিন্তু বিভিন্ন রকম কণ্ঠস্বর ছিল।

এই পরিস্থিতিতে এখন যে তালেবান সরকার হয়েছে সেই তালেবান সরকারকে নিয়ে ভারতকে দুমুখো রণকৌশল নিতে হচ্ছে। একদিকে যে রকম আমাদের দেশের ভেতরে বাংলাদেশ, নেপালসহ প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলোতে এই তালেবানরা আইএসআই এবং চীনের সমর্থন থাকে, তাহলে এই উপমহাদেশে তারা কতটা সক্রিয় হবে, সেটাও দেখার বিষয়। আবার এর পাশাপাশি এটাও ভাবতে হবে যে তালেবান যখন সরকার হয়ে যায়, তখন তো তারা জঙ্গি নয়! সুতরাং সরকারের সঙ্গে তো আলাপ-আলোচনা করাটাই দস্তুর।

এই রকম একটা পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর কাছে গোয়েন্দারা রিপোর্ট দিচ্ছেন যে এই তালেবানরা প্রকাশ্যে যতই মিষ্টি মিষ্টি কথা বলুক, তারা যতই বলুক যে কাশ্মীরে দ্বিপক্ষীয় বিষয়ে নাক গলানোর ব্যাপারে তাদের কোনো উৎসাহ নেই, অন্তরালে থেকে হাক্কানি গোষ্ঠী যে আইএসআইর সাহায্য নিয়ে কাশ্মীরে এবং ভারতের বিভিন্ন জায়গায় ছায়াযুদ্ধ চালাবে না, তার কোনো গ্যারান্টি নেই। এমনকি পশ্চিমবঙ্গে বাংলাদেশের একটা দীর্ঘ সীমান্ত এবং শিলিগুড়িতে ‘চিকেন নেক’ বলে পরিচিত যে করিডর, সেখানে কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে চীনেরও নজর রয়েছে বলে গোয়েন্দাদের খবর। একবার তো ভারতে চীনের রাষ্ট্রদূত দার্জিলিংয়ে গিয়েছিলেন বলে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে রীতিমতো হৈচৈ পড়ে গিয়েছিল। তিনি কেন গেলেন, কী উদ্দেশ্যে গেলেন তা নিয়ে সেই সময় অনেক জল্পনা-কল্পনা হয়েছিল।

এখন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে এ ব্যাপারে আরো তথ্য আসছে যে আসামে বিভিন্ন জঙ্গিগোষ্ঠী একত্র হচ্ছে। বাংলাদেশের জামায়াত এবং যেসব গোষ্ঠী আছে তারা আফগানিস্তানের তালেবান সরকারের উত্থানে উৎসাহিত হয়ে আবার একজোট হচ্ছে। তাহলে আসামের কিছু সংগঠন, বাংলাদেশের কিছু উগ্র সংগঠন, তারা সমবেতভাবে বাংলাদেশ থেকে পশ্চিমবঙ্গের মধ্যে ঢুকে পড়ে, তারাও কিন্তু নতুন করে ভারতের ভেতরে সন্ত্রাস চালানোর চেষ্টা করতে পারে, এমন খবরও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে আছে। সে কারণে এ ব্যাপারে মোকাবেলা করার জন্য ভারতকে এখন সব রকম ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

আসামে ‘মজলিশ-ই-সুরা’ সংগঠিত হচ্ছে, ‘জেএমবি’ সংগঠিত হচ্ছে। ‘সুরা’ আরবি শব্দ, এর অর্থ হলো আলোচনা। এর সঙ্গে ‘মজলিশ’ যুক্ত হলে শব্দ বন্ধে এর অর্থ হয় ‘সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারক কাউন্সিল’। জঙ্গি সংগঠন ‘জেএমবি’, এই কাউন্সিলের সিদ্ধান্তে চলে। খাগড়াগড় বিস্ফোরণকাণ্ডের আগে এই কমিটির সদস্য ছিল ৩২ জন, যাদের মধ্যে চারজন ভারতীয়। এখন আফগানিস্তানে তালেবান-রাজ কায়েমে উচ্ছ্বসিত। কাবুলের পতনের পর ‘আল-কায়েদা’, ‘লস্কর-ই-তৈয়বা’, ‘জইশ-ই-মোহাম্মদ’—এই জঙ্গিগোষ্ঠীগুলো ‘জেএমবি’কে সঙ্গে নিয়ে সক্রিয় হয়ে উঠেছে।

পশ্চিমবঙ্গ এবং বাংলাদেশ এই দুই জায়গায় তাদের সাংগঠনিক নেটওয়ার্ক বাড়ানোর চেষ্টা করছে। বাংলাদেশের একজন জঙ্গি এবং ভারতের একজন জঙ্গির মধ্যে কিছু কথোপকথনকে ভারতীয় গোয়েন্দারা ডিকোড করেছে। নিম্ন আসামের গড়পেটা বা ধুবড়ির একটা গোপন আস্তানায় সেই বৈঠক বসতে পারে বলে মনে করছে ভারতীয় গোয়েন্দারা। ভারতীয় সংবাদপত্রে গোয়েন্দাদের এ খবরও সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে। এখন ভারত মনে করছে যে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে এবং পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য সরকার তথা ভারতের বেশ কয়েকটি রাজ্যের সরকারের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে একটা যৌথ রণকৌশল নিয়ে দেশের ভেতরে যাতে কোনো রকমভাবেই এই উগ্র তালেবান শক্তি, হাক্কানি গোষ্ঠী মাথা চাড়া দিতে না পারে সেই চেষ্টা করছে। তবে তারা কতটা সমন্বয় সাধন করতে পারবে, সেটাও দেখার বিষয়।

আফগানিস্তানের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিন্তু হাক্কানি গোষ্ঠীর হাতে, যিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হয়েছেন, তিনি হাক্কানি গোষ্ঠীর প্রধান। রীতিমতো তাঁর বিরুদ্ধে মৃত্যু ওয়ারেন্ট আছে। এমন একজন লোক আফগানিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী? বিদেশ এবং প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় যে হাক্কানি গোষ্ঠীর হাতে যায়নি, তাতে অন্তত একটু স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছে ভারত। তাহলেও কিন্তু সব মিলিয়ে পাকিস্তানবিরোধী জঙ্গিগোষ্ঠীর যতটা না তালেবান কোয়ালিশনে দাপট তার থেকে অনেক বেশি দাপট কিন্তু হাক্কানি গোষ্ঠীর। পাকিস্তানের সঙ্গেও আমেরিকা কথা বলছে। ঠিক যেমন ভারত, রাশিয়া এবং অন্যান্য দেশের সঙ্গে কথা বলছে।

জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল রাশিয়ার নিরাপত্তা উপদেষ্টার সঙ্গে কথা বলেছেন। সুতরাং আলাপ-আলোচনা চলছে এবং তার মধ্যে নরেন্দ্র মোদি একটা ‘BRICS’ সম্মেলনে সব দেশকে একজোট করে চীন, পাকিস্তান, ইরান এবং তুরস্ক যাতে ভারতবিরোধী, বাংলাদেশবিরোধী কার্যকলাপে সক্রিয় না হয়, তার মোকাবেলা করার চেষ্টা করছেন।

এককথায় বলা যেতে পারে যে একদিকে যে রকম আফগানিস্তানের ভেতরে একটা গৃহযুদ্ধের আশঙ্কা দেখা দিচ্ছে, অন্যদিকে ভারত, বাংলাদেশ তথা এই উপমহাদেশের জন্যও কিন্তু সন্ত্রাস নিয়ে নতুন করে একটা শিরঃপীড়া উপস্থিত হয়েছে। এখানে পরিস্থিতির মোকাবেলা করাটাই হলো সভ্যতা। পরিস্থিতিকে মোকাবেলা করে ব্যর্থ হওয়ার জন্য আশঙ্কা থাকলেও তার মোকাবেলা করা থেকে সরে আসার কোনো প্রশ্ন থাকতে পারে না।

 

লেখক : নয়াদিল্লিতে কালের কণ্ঠ’র বিশেষ প্রতিনিধি

 



সাতদিনের সেরা