kalerkantho

রবিবার । ১০ মাঘ ১৪২৭। ২৪ জানুয়ারি ২০২১। ১০ জমাদিউস সানি ১৪৪২

দিল্লির চিঠি

বাইডেনের বিজয় ও উপমহাদেশের ভূ-রাজনীতি

জয়ন্ত ঘোষাল

৩০ নভেম্বর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ১০ মিনিটে



বাইডেনের বিজয় ও উপমহাদেশের ভূ-রাজনীতি

দীর্ঘ নীরবতা ভেঙে অবশেষে জো বাইডেনকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জয়ী হওয়ার জন্য অভিনন্দন জানিয়েছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিনপিং। একই সঙ্গে পাঠানো শুভেচ্ছা বার্তায় দুই দেশের মধ্যে সৌহার্দপূর্ণ ও স্থিতিশীল সম্পর্ক গড়ে ওঠার আশা প্রকাশ করেছেন তিনি। চিনপিং বলেছেন, চীন-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে হৃদ্যতাপূর্ণ ও স্থিতিশীল সম্পর্ক উন্নয়ন শুধু দুই দেশের মানুষের মৌলিক স্বার্থের জন্যই কাম্য নয়, আন্তর্জাতিক মহলেরও সাধারণ আশা পূরণ করে। শুভেচ্ছা বার্তায় চিনপিং আরো জানিয়েছেন, আমার প্রত্যাশা উভয় পক্ষ যুদ্ধ ও সংঘাতহীনতার মূল্যবোধ সমুন্নত রাখবে। পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং উভয় পক্ষের স্বার্থ রক্ষা করে দুজনই সহযোগিতা করে যাবে দুজনকে। এ ছাড়া বিরোধ নিয়ন্ত্রণ এবং তা প্রশমন করে সহযোগিতার ওপর জোর দেবে বলে মনে করি।

ডোনাল্ড ট্রাম্পের শাসনকালে চীন-মার্কিন সম্পর্ক চরম বিরোধের জায়গায় পৌঁছে। বাণিজ্যযুদ্ধ, করোনাভাইরাস মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়াকে কেন্দ্র করে চীনকে দিনের পর দিন শত্রু হিসেবে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এ ছাড়া হংকংসহ বিভিন্ন ইস্যুতে দুই দেশের সম্পর্ক একেবারে তলানিতে গিয়ে ঠেকেছিল। এর পরও নির্বাচনে ট্রাম্পের বিদায় সুনিশ্চিত এবং বাইডেন জিতেছেন জানার পরও চীন চুপ ছিল। পৃথিবীর শক্তিশালী পাঁচটি রাষ্ট্র, যারা চ৫ বলে পরিচিত, তাদের মধ্যে আমেরিকাকে বাদ দিলে ব্রিটেন, ফ্রান্স, জার্মানি, রাশিয়া পর্যন্ত শুভেচ্ছা জানিয়ে ফেললেও চীন পঞ্চম সদস্য হিসেবে এই শুভেচ্ছা জানানো থেকে বিরত ছিল এত দিন। ১৩ নভেম্বর চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জো বাইডেনকে অভিনন্দন জানালেও শি চিনপিং নিশ্চুপ ছিলেন। বুধবার নীরবতা ভেঙে বাইডেনকে অভিনন্দন জানালেন তিনি। মার্কিন মুলুকে যেদিন বাইডেন ঘোষণা করলেন যে শুধু আমেরিকার নয়, গোটা বিশ্বের স্বার্থ দেখতেই তিনি ফের এসেছেন; ঘটনাচক্রে এই ঘোষণার পর শি চিনপিং শুভেচ্ছা বার্তা পাঠান। আসলে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় চীন ও আমেরিকার সম্পর্ক কোন দিকে যাবে, তাঁর ওপর অনেকটা নির্ভর করছে।

বাংলাদেশ ছোট; কিন্তু সংবেদনশীল ও গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে ভৌগোলিক ও স্ট্র্যাটেজিক অবস্থানের জন্য বিশেষ মর্যাদাসম্পন্ন রাষ্ট্র বাংলাদেশ। বাইডেনের বিজয়ের পর ভারতের সঙ্গে আমেরিকার কী সম্পর্ক হবে, সেটা যেমন একটা বিশেষ নজর রাখার বিষয়, ঠিক একইভাবে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় বাংলাদেশের সঙ্গে বাইডেনের সম্পর্কটা কোন দিকে যাবে, সেটাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভারতের কাছেও বাংলাদেশ-বাইডেন সম্পর্ক অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক এবং গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ভারতও সেদিকে বিশেষ নজর রাখছে।

ওয়াশিংটনভিত্তিক সংস্থা উইড্রো উইলসন সেন্টার ফর স্কলারসের উপপরিচালক মাইকেল কুগেলম্যান, যিনি এশিয়ার কর্মসূচির বিষয়গুলো দেখাশোনা করেন এবং দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক সিনিয়র গবেষক। তিনি সম্প্রতি কালের কণ্ঠে একটি সাক্ষাৎকার দিয়েছেন। সাক্ষাৎকারটি পড়ে জানতে পারলাম যে কুগেলম্যানের মনে হচ্ছে, বাংলাদেশকে যতটা গুরুত্ব দেওয়ার কথা, ট্রাম্প ততটা দেননি। বাইডেনও যে দেবেন, এমন নিশ্চয়তাও নেই। কুগেলম্যান বলছেন, অগ্রাধিকারের যে তালিকা বাইডেন ভাবছেন, তাতে হয়তো বাংলাদেশকে অনেকটা পিছিয়ে রাখবেন। আমার কিন্তু মনে হয় না-ও হতে পারে। ভারত-মার্কিন সম্পর্ক বা বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক ও বিবিধ বিষয় সাংবাদিক হিসেবে দীর্ঘ ৩৫ বছর দেখতে দেখতে মনে হচ্ছে, চীনের সঙ্গে ট্রাম্পের যে সম্পর্ক, প্রকাশ্য সংঘাত, যেটা ট্রাম্প তৈরি করে ফেলেছিলেন, তেমনটা হয়তো বাইডেনের দল বা বাইডেন করবেন না। কিন্তু ডেমোক্র্যাটরা চীন সম্পর্কে রিপাবলিকানদের মতো কট্টরবাদী না হলেও তারাও চীনের রণকৌশল বা পররাষ্ট্রনীতি বা আমেরিকা সম্পর্কে যে মনোভাব, সেগুলো সম্পর্কে যে খুব আশাবাদী এবং প্রচুর তাদের প্রত্যাশা এমনটা  কখনোই নয়। বরং চীনকে আমেরিকার চাপে রাখার জন্য ভারতের মতো এ রকম একটা সুবিশাল ও বিস্তৃত বাজার যার আছে, এমন একটা দেশের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো রাখাটাও বাইডেনের জন্য খুব প্রয়োজন। যেহেতু ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্ক মধুর, ভারতের মতো দেশের সঙ্গে যেসব দেশের সম্পর্ক ভালো, সেগুলোর সঙ্গে সংঘাতে যাওয়াটা কখনোই বাইডেনের নীতি হতে পারে না। মাইকেল কুগেলম্যান অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণভাবে একটা কথা বলেছেন, মানবাধিকার ও মার্কিন স্বার্থে যে অভিবাসনের সমস্যা সেগুলো নিয়ে বাইডেন মুখর হতে পারেন। কেননা আমেরিকার জাতীয় স্বার্থের সঙ্গে সেটি যুক্ত। এখনো ট্রাম্পের একটা বড় ভোটব্যাংক আছে। জানুয়ারি মাসের প্রথমেই সিনেটের দুটি আসনের নির্বাচন। সেটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। কেননা এই মুহূর্তে সিনেটের সংখ্যাগরিষ্ঠতা ও সংখ্যালঘিষ্ঠতার ভারসাম্য একটা সুতায় ঝুলছে। এই দুটি আসনে জয়লাভ করলে তবেই ডেমোক্র্যাটদের আধিপত্য সেখানে সামান্য হলেও হবে। 

এ রকম একটা ফটোফিনিশ সিনেটের ভোটাভুটির আগে বা পরে কখনোই বাইডেন এমন কোনো অবস্থান নেবেন না, যেটাতে তাঁর ভারতের সঙ্গে একটা শত্রুতা বা সংঘাত তৈরি হয়। অভিবাসন বা এই ধরনের বিষয়গুলো নিয়ে মাইকেল কুগেলম্যান বলছেন, যেগুলো নিয়ে ট্রাম্প খুব বেশি চিৎকার করছিলেন, সেগুলো নিয়ে বাইডেনও হয়তো মুখর হবেন। কিন্তু যেসব দেশের সঙ্গে ভারতের সুসম্পর্ক, সেগুলো সম্পর্কে কৌশলগতভাবে তিনি নীরব থাকতে পারেন। অর্থাৎ কোনো কোনো দেশের ক্ষেত্রে তিনি খুব বেশি সোচ্চার হবেন। আবার কোনো কোনো দেশের ক্ষেত্রে একটু নীরবতার কৌশল নিতে পারেন। এ রকম একটা পরিস্থিতিতে যখন চীন ও মার্কিন সম্পর্কের সঙ্গে যুক্ত হয়ে রয়েছে ভারত ও বাংলাদেশের সঙ্গে আমেরিকার সম্পর্ক; তখন একটা বিষয় পাঠকদের জানাতে ইচ্ছা করছে। হয়তো অনেকে পড়েছেন, আবার হয়তো অনেকে পড়েননি। সম্প্রতি সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার যে প্রায় ৮০০ পাতার একটা বিশাল আকারের আত্মজীবনীর প্রথম খণ্ড বাজারে এসেছে, সেখানে ভারতের নেতৃত্ব রাহুল গান্ধী অথবা সোনিয়া গান্ধী, মনমোহন সিং—তাঁদের নিয়ে অনেক আলোচনা হয়েছে। সেটা নিয়ে অনেক কাগজে সবিস্তার খবর প্রকাশ পেয়েছে। প্রেসিডেন্ট হিসেবে চীনে ওবামার যে প্রথম স্টেট ভিজিট, তার গল্প তিনি করেছেন। অভিজ্ঞতায় বলেছেন, চীন সম্পর্কে তাঁর দল বা প্রেসিডেন্ট হিসেবেও তাঁর মনোভাব দেখা যাচ্ছে যে ডেমোক্রেটিক দলেও চীন নিয়ে প্রচুর নেতিবাচক মনোভাব। বইয়ের বর্ণনা, তখন ওবামার বিমানটা সবে নেমেছে। তখনই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল যে তাদের সব মোবাইল-কম্পিউটার যেন বিমানেই রেখে দেওয়া হয়। মানে একজন মার্কিন প্রেসিডেন্টকে এয়ারফোর্স ওয়ান বিমানে সেগুলো রেখে যেতে হয়েছিল। জানিয়ে দেওয়া হয়ছিল সব মোবাইল ও অ্যাপ চীন মনিটর করবে। যে হোটেলে ছিলেন, সেই হোটেলের স্যুটে হাউসকিপিংয়ের লোকরা সব ফাইল ও কাগজ দেখতেন। ওবামার প্রতিনিধিদলের একজন সদস্য একটি দৃশ্য দেখেছিলেন। হঠাৎ ঢুকে পড়ে কিছুই হয়নি এ রকম ভাব করে হাউসকিপিংয়ের দুজন লোক তোয়ালে চেঞ্জ করতে শুরু করল বাথরুমে গিয়ে। কিন্তু যখন মার্কিন প্রতিনিধি জিজ্ঞেস করছেন, তোমরা কী দেখছিলে? তারা যেন কিছু শুনতেই পায়নি, এ রকম ভাব করে কোনো উত্তর দিল না। ওবামা লিখেছেন, তাঁদের ঘরগুলোতে ক্যামেরা দিয়ে নজরদারি করা হতো। সে কারণে অনেক সদস্য স্নান করার সময় সংকুচিত হতেন বলে অন্ধকার করে দিতেন পুরো ঘর ও বাথরুম। যাতে কেউ অন্ধকারে ক্যামেরায় স্নানের দৃশ্য দেখতে না পারে। আবার একজন সদস্যের কথা বলেছেন, যিনি তাঁর সচিব ছিলেন। তিনি বলেছেন, তিনি নাকি চীনের এই গোয়েন্দাগিরির প্রতিবাদে ঘরের মধ্যে সম্পূর্ণ নগ্ন হয়ে থাকতেন। স্নানও করতেন আলো জ্বালিয়ে। এর একটাই কারণ। এটা ছিল তাঁর প্রতিবাদ।

ওবামার বক্তব্য, চীন অন্যায়ভাবে মিথ্যাচার করে এবং অবৈধ পথে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে তাদের পণ্য পাঠায়, বাজার দখল করে। কিন্তু ওবামা এটাও বলেছেন—যুদ্ধ নয়, সংঘাত নয়। চীনের সঙ্গে সংঘাতের জায়গাগুলো প্রকাশ্য না বলে, চীনের সঙ্গে আমরা কার্যত যুদ্ধে যাচ্ছি এই পারসেপশন তৈরি না করে, ভেতরে ভেতরে নিজেদের মতপার্থক্য বলে নিরসনের চেষ্টা করা দরকার। বাণিজ্যিক সম্পর্ককে ইতিবাচক পথে নিয়ে যাওয়া দরকার, যাতে গোটা পৃথিবীর মানুষের কাছে এ বিষয়ে বার্তা না যায় যে আমেরিকা যুদ্ধবাজ বা যুদ্ধ করতে চাইছে। যেহেতু ওবামা ও বাইডেন একই দলের, বাইডেনের রণকৌশলও কিঞ্চিৎ সেটা হবে।

এখানে মনে রাখতে হবে, আধিপত্যের প্রশ্নে চীন এখনো ফুঁসছে। নিজের দেশের সেনাকে বিশ্বমানের করে গড়ে তুলতে আরো উন্নত প্রযুক্তির সাহায্য এখনো চীন নিতে চাইছে। এ জন্য ২০২৭ সালের লক্ষ্যমাত্রাও বেঁধে নিয়েছে বেইজিং। চীনের সেন্ট্রাল মিলিটারি কমিশনের বৈঠক হয়েছে। সে বৈঠকে প্রেসিডেন্ট শি চিনপিং জানিয়েছেন, চীনা সেনাদের প্রশিক্ষণের জন্য এবার নতুন নীতি প্রণয়ন করা হবে; যাতে তারা বিশ্বমানের সেনায় পরিণত হয়। আর এটি সম্পন্ন হবে ২০২৭ সালের মধ্যে। এর পরই তো আন্তর্জাতিক মহলে জল্পনা শুরু হয়ে গেছে। কোন দেশকে হুঁশিয়ারি দেবে এমন পদক্ষেপের কথা চীনা প্রেসিডেন্ট কি এবার আনবেন? যেদিন তিনি নীরবতা ভেঙে নবনির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে অভিনন্দন জানান, সেদিনই মার্কিন বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানিয়েছে, মার্কিন সেনাবাহিনীর সঙ্গে সমকক্ষ এক সামরিক বাহিনী তৈরির লক্ষ্যে শি চিনপিং এগোচ্ছেন। সামরিক বাহিনীর খাতে খরচ বাড়িয়ে দিয়েছেন তিনি। ২০১৯ সালে প্রতিরক্ষা খাতে ২৩২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার খরচ করেছে চিনপিংয়ের প্রশাসন, যা করোনা সংকটে খুব একটা কমেনি। এ ছাড়া আরো একটা বিষয় বিশেষজ্ঞদের ভাবাচ্ছে। সেটা হলো, চীনা সামরিক বাহিনীর সব শাখাকে সম্মিলিতভাবে যুদ্ধে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত করতে আরো উন্নত কৌশলগত পরিকল্পনা এবং শীর্ষ স্তরের নকশার প্রয়োজন বলে মত প্রকাশ করেছেন চিনপিং। নতুন বিধি মেনে সেনা প্রশিক্ষণের রূপরেখা তৈরি করার নির্দেশ দিয়েছেন। তবে এর আগেও দক্ষিণ চীন সাগরে আধিপত্য, বাণিজ্যযুদ্ধ ও তাইওয়ানের স্বাধীনতার প্রশ্নে ওয়াশিংটনের সঙ্গে সংঘাতের উপক্রম হওয়ায় রীতিমতো যুদ্ধের হুমকি দিয়েছিলেন চিনপিং। সে সময় তিনি চীনের সেনাবাহিনীকে জরুরি ভিত্তিতে যুদ্ধের প্রস্তুতি সেরে রাখার নির্দেশ দেন। এরপর মার্কিন বাহিনীর হাতে থাকা ‘মাদার অব অল বম্বস’-এর পাল্টা হিসেবে ‘দানববোমা’ তৈরি করে চীন। যে দানববোমার শক্তি ও ধ্বংসলীলা চালানোর ক্ষমতা পরমাণু অস্ত্রেরই কাছাকাছি। চীনা প্রেসিডেন্টের এই বক্তব্য এমন একসময়ে এসেছে, যখন লাদাখে শান্তি ফেরানোর লক্ষ্যে ভারত-চীন সেনা পর্যায়ের আলোচনা এখনো জারি রেখেছে। তাই চিনপিংয়ের এই মন্তব্য সেনা প্রত্যাহারের ওপর কতটা প্রভাব ফেলবে সেদিকও তো নজর রেখেছে ভারত। দক্ষিণ চীন সাগরে তাইওয়ানকে চোখ রাঙিয়েই চলেছে বেইজিং। সেটাও একটা বড় উদ্বেগের বিষয়। মার্কিন যুদ্ধ ক্ষমতাকে চ্যালেঞ্জ জানাতেই কি এই খোলস বদলের পথে হাঁটছে চীন?

এ রকম একটা পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ কিন্তু একটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সংবেদনশীল স্ট্র্যাটেজিক রাষ্ট্র। শুধু ভারত নয়, আমেরিকাও বাংলাদেশকে গুরুত্ব দিতে বাধ্য হবে এবার। এই আন্তর্জাতিক পটভূমিতে এমনটাই মনে হয়।

লেখক : নয়াদিল্লিতে কালের কণ্ঠ’র

বিশেষ প্রতিনিধি

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা