kalerkantho

শুক্রবার। ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৭। ৪ ডিসেম্বর ২০২০। ১৮ রবিউস সানি ১৪৪২

দিল্লির চিঠি

ভারত-চীন উভয় পক্ষই সমাধানের রাস্তা খুঁজছে

জয়ন্ত ঘোষাল

২৩ নভেম্বর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ১০ মিনিটে



ভারত-চীন উভয় পক্ষই সমাধানের রাস্তা খুঁজছে

‘এক কদম আগে তো দু-কদম পিছে’—এই কথাটা রুশ বিপ্লবের মহানায়ক লেনিনের। ১৯০৪ সালের ১৯ মে লেনিন ‘The Crisis in our party’ শীর্ষক আলোচনায় এ কথাটা উল্লেখ করেছিলেন। এই মন্তব্য ঘিরে সেই সময় অনেক আলোচনা, অনেক বিতর্ক হয়েছিল। কিন্তু পৃথিবীজুড়ে এই কথাটা একটা সর্বজনীন প্রবচনে আজ পরিণত। আজ কথাটা আলোচনা করছি একটাই কারণে সেটা হচ্ছে, সম্প্রতি চীন লাদাখের বিতর্কিত গালোয়ান উপত্যকায় যে কাণ্ডটা ঘটিয়েছে এবং যাকে কেন্দ্র করে ভারত ও চীনের সংঘাতের আবহ এমন তীব্র হয়ে যায় যে চীনের বিরুদ্ধে যুদ্ধের জন্য ভারতকে প্রস্তুতি নিতে হয়। যুদ্ধ অবশ্যম্ভাবী, এ রকম একটা পরিস্থিতি তৈরি হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু কয়েক দিন আগের খবর, চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভালের সঙ্গে দুই ঘণ্টার বৈঠক করেছেন এবং সে বৈঠকে চীন সিস ফায়ার বা সংঘর্ষ বিরতিতে রাজি হয়েছে। লাদাখের বিতর্কিত সেই গালোয়ান উপত্যকা থেকে সেনা প্রত্যাহারের কাজও শুরু হয়ে গেছে। এই খবরটি শুধু ভারতবাসীর জন্য নয়, প্রতিবেশী রাষ্ট্র বাংলাদেশের মানুষের কাছেও নিশ্চয় আনন্দের সংবাদ। তার কারণ আর যা-ই হোক, পরমাণু শক্তিধর দুটি রাষ্ট্র ঝগড়া করবে এটা কাঙ্ক্ষিত নয়, অনভিপ্রেত। মানবসভ্যতা যখন শান্তির পথে হাঁটতে চাইছে, তখন আমাদের অনেক বেশি প্রয়োজন শান্তি। এ ধরনের যুদ্ধ আবহ কখনোই মানবকল্যাণের জন্য প্রয়োজনীয় নয়। তাই চীনের এই সেনা প্রত্যাহার শুরু করার যে ঘটনা, সেটা দেখে মনে হচ্ছে, তবে কি সেই লেনিনের রণকৌশল—এক কদম এগিয়ে দুকদম  পেছানো। একটি রাজনৈতিক বিশ্লেষণে পড়ছিলাম, আসলে এটি এক কদম এগিয়ে দুকদম  পেছানো নয়; আসলে দুকদম এগিয়ে এক কদম পেছানো।

ভারতীয় বিশ্লেষকরা বলছেন, প্যাট্রলের বেশ কয়েকটি পয়েন্ট থেকে দুই দেশ সেনা প্রত্যাহার করেছে। কিন্তু প্যাংগং হ্রদ থেকে সেনা সরায়নি। পূর্ব লাদাখের এই প্যাংগং হ্রদের উত্তরে এবং দেপসাংয়ে এই স্থান দুটি এখনো অত্যন্ত সংবেদনশীল। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বড় কর্তা বলেছিলেন যে আমাদের ভারতীয় সরকারের একটি প্রতিনিধিদল ওই পয়েন্টগুলো দেখতে যাবে। তারা এটা যাচাই করে দেখবে চীন দাবি করছে যে তারা সেনা প্রত্যাহার শুরু করে দিয়েছে, সেটা কতটা তারা করেছে।

চীন বিভিন্ন রাষ্ট্রের প্রতিবেশী। আর সীমানা নিয়ে সংঘাত বহু রাষ্ট্রের সঙ্গে।  ভারত ও চীনের যে সীমান্ত বিবাদ সে তো আজ নতুন নয়। সেটাও বহু বছরের। বিশেষ করে ১৯৬২ সালের যে যুদ্ধ হয়, তখনো কিন্তু একটা সময়ের পর চীন সেই যুদ্ধে ক্ষান্ত দেয়। যদিও ভারত সেবার প্রস্তুত ছিল না এবং ভারত সেই যুদ্ধে চীনের কাছে কার্যত পরাস্তই হয়। এই আকস্মিক আক্রমণের পর কিন্তু চীন আবার ‘হিন্দি-চিনি ভাই ভাইয়ের’ কূটনীতিতে চলে আসে। আবার বন্ধুত্বের কথা বলতে থাকে। আবার ১৯৬৭ সালে চীন কিন্তু একটা ছোটখাটো আক্রমণের পথে যায়। এবার প্রায় একটা যুগ পর চীন আবার ভারতের সঙ্গে সংঘাতে গেছে। ২০২০ সালের ১৬ জুন, কোনো এক সোমবারের রাতে আকস্মিক একটা আক্রমণ। ভারত টের পায় যে গালোয়ান উপত্যকায় বেশ কিছুদিন ধরেই কিছু চীনা সেনা ভারতীয় ভূখণ্ডে ঢুকে পড়েছে। তারা গোলমাল পাকানোর চেষ্টা করছে। এই ঘটনা চীন এমন একটা সময়ে ঘটিয়েছে যখন গোটা পৃথিবীতে করোনা বিতর্কে আমেরিকার হাতে চীন কার্যত প্রতিনিয়ত লাঞ্ছিত হচ্ছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই করোনাভাইরাসকে চীনা ভাইরাস নামকরণ করার জন্য বিশ্ব স্বাস্থ্য থেকে শুরু করে রাষ্ট্রসংঘের কাছে দাবি জানাতে শুরু করেছেন। নানাভাবে প্রমাণ করার চেষ্টা করছেন যে চীন দেশ থেকেই এই করোনাভাইরাসের উৎপত্তি। এই রকম একটা সমস্যায় চীন যখন আত্মরক্ষায় ব্যস্ত, ঠিক সেই সময় ভারতে আক্রমণ শাণিয়ে চীন কী উদ্দেশ্য সাধিত করেছে? প্রথমত, অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে চীন গোটা দৃষ্টিটা ভারতের বিরোধী যুদ্ধে নিয়ে যেতে পেরেছে। যদিও একনায়কতন্ত্রী দেশ, দেশের ভেতরে, পার্টির মধ্যে এলিট কলহ আছে। পার্টি কংগ্রেস আসন্ন। সারা জীবনের জন্য শি চিনপিং নিজে চীনের চেয়ারম্যান পদে নিযুক্ত থাকার জন্য সংবিধান বদলে ফেলেছেন। এসব নিয়ে দলের মধ্যে অভ্যন্তরীণ কলহ। চীন তখন নিজেও যথেষ্ট বিব্রত ছিল। চীনের অর্থনৈতিক সমস্যা যে নেই তা-ও নয়, আছে। একঘরে হয়ে যাওয়ায় চীনের রপ্তানি ধাক্কা খেয়েছে। সস্তা বলে বিভিন্ন বাজারে চীনের পণ্যের চাহিদা আছে। চীনকে অন্য দেশে রপ্তানিও করতে হয়। এখন অন্য দেশের দিক থেকে যদি বাধা আসে, তাহলে চীনের রপ্তানি বাধাপ্রাপ্ত হয়। এই রকম একটা পরিস্থিতিতে চীন ভারতকে আক্রমণ করে বোধ হয় এই ধারণা থেকে যে ট্রাম্প ভারতকে বড় বেশি কাছে টেনে নিয়েছে। ট্রাম্প কার্যত ভারত ও জাপান এই দুজনের পিঠে হাত রেখে এগোচ্ছে চীনের বিরুদ্ধে। চীনকে কোণঠাসা করার জন্য। ভারত ন্যাটোর সদস্য নয়। কিন্তু কার্যত একটা স্ট্র্যাটেজিক পার্টনারশিপ আমেরিকার সঙ্গে এমনভাবে ভারতের হয়ে যাচ্ছে। এটা চীনের একেবারেই পছন্দ ছিল না। ভারতকে আক্রমণ করে আসলে আমেরিকাকে শিক্ষা দেওয়ার একটা রণকৌশল ছিল বলে অনেকের ধারণা।

তাই যদি হবে, তাহলে চীন এখন সেখান থেকে সরেই বা আসছে কেন? এটা কি পূর্বপরিকল্পিত চিত্রনাট্য? অতীতেও তাই হয়েছে। এবারেও তা-ই হচ্ছে? একটা কারণ সাউথব্লকের একজন শীর্ষ অফিসার বলেছিলেন, আসলে ওইখানে যে প্রবল ঠাণ্ডা, ওই রকম ঠাণ্ডার মধ্যে চীনা সেনারা কিন্তু খুব অভ্যস্ত নয়। দীর্ঘদিন ধরে ওই রকম একটা প্যাংগং হ্রদের কাছে তাঁবু নিয়ে থাকাটা নিঃশ্বাস-প্রশ্বাসের কষ্ট থেকে নানা রকম শারীরিক সমস্যা, অভিযোজনের সমস্যা। এই সমস্যাগুলো কিন্তু ভারতীয় সেনারা সিয়াচেনে অনেকটা মিটিয়ে নিতে পেরেছে। তারা নিজেদের সে রকমভাবে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত করেছে। প্রতিরক্ষা খাতে খরচ বাড়িয়ে এখন চীনের হয়তো যুদ্ধাস্ত্র এবং আধুনিক সরঞ্জাম অনেক বেড়েছে। কিন্তু যুদ্ধের যে অভিজ্ঞতা সেটা চীনের আজও খুব বেশি একটা হয়নি। সেই কারণে চীনা সেনাদের ওখান থেকে তাড়াতাড়ি সরিয়ে নিয়ে আসাটা খুব বেশি প্রয়োজন হয়ে পড়ছিল। কারণ আর ওরা ওখানে থাকতে পারছিল না। শারীরিকভাবে তারা একেবারেই অসুস্থ হয়ে পড়ছিল।

চীনও তো অনেক রূপান্তরের মধ্য দিয়ে গেছে। সেই মাও জেদং আর চৌ এন লাই থেকে দেং জিয়াও পিংয়ের চীনের সমাজতন্ত্রে বাজার অর্থনীতি এলো। তারপরে এলেন শি চিনপিং। শি চিনপিংয়ের হয়তো মনে হয়েছে যে তাঁকেও এবার সম্প্রসারণের পথে যেতে হবে। সুতরাং বাজার অর্থনীতিকে যদি পৃথিবীজুড়ে সাম্রাজ্য বিস্তার করতে হয়, তাহলে প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলোর মধ্যেও তাকে ঢুকতে হবে। সেই কারণে শুধু পাকিস্তানকে নয়, বাংলাদেশকেও সঙ্গে নিতে হবে। পাকিস্তান তো তার অক্ষে বরাবরই ছিল। বাংলাদেশের যে রাষ্ট্রব্যবস্থা, তার মধ্যে যদি চীন তার বন্ধুত্বের হাত বাড়াতে পারে, তাতে অর্থনৈতিকভাবে লাভ। চীনের সব থেকে সাম্প্রতিক সময়ের যে প্রকল্প, সে প্রকল্পটির নাম দেওয়া হয়েছে ‘One belt one road’.. এবং চীন এটা গোটা বিশ্বের কাছে আউটরিচ করতে চাইছে। বাংলাদেশের কাছেও বারবার আবেদন জানাচ্ছে যে যাতে বাংলাদেশ তার মধ্যে অংশ নেয়। চেষ্টা করছে ভারতকেও রাজি করাতে। কিন্তু এখনো পর্যন্ত ভারত রাজি হয়নি এবং প্রতিনিধিও পাঠায়নি। ভারত না করলেও যাতে বাংলাদেশ করে তার জন্য সব রকমের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে চীন। চীন স্বীকার করছে যে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের কাছ থেকেও সেরকমভাবে তারা সহযোগিতা পায়নি। যাতে ‘ওবরে’ (obor) বাংলাদেশ সক্রিয়ভাবে অংশ নেয়। সে রকম পরিস্থিতি এখনো তৈরি হয়নি। এখন কথা হচ্ছে যে এই সময়ে ‘ওবর’ যদি সত্যি উন্নয়নমূলক প্রকল্প হয় এবং সত্যি যদি সেটা আলাপ-আলোচনার মধ্য দিয়ে পুরো দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়াটা সম্ভব হয়; যেমনটা চীন আনুষ্ঠানিকভাবে বলছে, তাহলে সেটা একটা অন্য রকমের চিত্র উঠে আসতে পারত। কেননা চীন আনুষ্ঠানিকভাবে বলেছে যে এটা চীনের একার প্রকল্প নয়, এটা গোটা পৃথিবীর মানুষের প্রকল্প। শি চিনপিং ২০১৫ সালের ২৮ মার্চ বলেছিলেন যে ‘The Belt and road initiative will not be a solo for China. But a real chorus comprising all countries along the roots’।

শি চিনপিং এই কথাটা বললেও তিনি যখন ভারত আক্রমণ করেন, তখন বিশ্বাসে চিড় ধরে। এবং সেই কারণে এই ওবরের প্রতি আস্থা রাখাটাও কঠিন হয়ে যায়। এখন এই পরিস্থিতিতে যখন চীনা সেনার প্রত্যাহার শুরু হয়েছে, তখন আরেকটা প্রশ্ন উঠেছে যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ট্রাম্পের বিদায় এবং ডেমোক্রেটিক দলের নেতা বাইডেনের প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর কি চীনের এই সিদ্ধান্ত? কেননা আন্তর্জাতিক রাজনীতিরও কিছু  পটপরিবর্তন হওয়ারও সম্ভাবনা আছে। হয়তো এই মুহূর্তে ভারত-বাংলাদেশ-মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এই সম্পর্কের মধ্যে যে কৌশলগত, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সম্পর্ক—তার যে আমূল একটা পরিবর্তন হবে তা হয়তো নয়। কিন্তু চীন ও আমেরিকা এই দুটি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ যেমন প্রথম থেকেই একটা জোটনিরপেক্ষ নীতি বজায় রাখছে। সেখানে কোনো একটা দেশের প্রতি সেভাবে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কখনোই ঝুঁকে যাননি। কিন্তু চীনের পক্ষ থেকে অভিযোগ উঠেছিল যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ট্রাম্পের সঙ্গে কিঞ্চিৎ বেশি বন্ধুত্ব করে ফেলেছেন। যদিও দিল্লির বক্তব্য হচ্ছে, ট্রাম্পের রাজনীতির স্টাইলটাই ছিল একটু ব্যক্তিকেন্দ্রিক। তাঁর মধ্যে ছিল অনেক বেশি নাটুকেপনা এবং সোশ্যাল মিডিয়াকেন্দ্রিক একটা হৈহৈ  রৈরৈ রাজনীতি। কারণ তিনি আদতে তো বাইডেনের মতো দীর্ঘদিন ধরে ধাপে ধাপে উঠে আসা রাজনৈতিক নেতা নন। তিনি ব্যবসায়ী। তিনি বিনোদনজগতের মানুষ। এক বছর রাজনীতি করেই প্রেসিডেন্ট হয়ে গেছেন। সুতরাং তাঁর স্টাইলটা আলাদা ছিল। সেই কারণে যতটা না সুসম্পর্ক ছিল ভারতের সঙ্গে তার চেয়েও বেশি পারসেপশনটাও অনেক বেশি হয়তো তৈরি করেছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র চীনকে কোণঠাসা করার জন্য। কিন্তু তাতে কিন্তু কূটনৈতিকভাবে কিঞ্চিৎ লোকসানই হয়েছে ভারতের। এই পারসেপশনের জন্য চীনের সঙ্গে কূটনৈতিক ভুল-বোঝাবুঝি বেড়েছে। এই ভুল-বোঝাবুঝিটা কমানোর জন্য এখন ভারতেরও অগ্রাধিকার। পররাষ্ট্রমন্ত্রী জয়শঙ্কর তাঁর বইয়ে তিনি তো খোলাখুলি লিখেছেন যে যুদ্ধটা কখনোই কোনো দেশের পক্ষে আজকে কাম্য নয়। কূটনৈতিক পথেই সমস্যা সমাধান করাটা হচ্ছে সবচেয়ে জরুরি কাজ। এবং আর্ট অব ওয়ারে সুং লু লিখেছেন, যেকোনো যুদ্ধ মানেই কিন্তু প্রবঞ্চনা। প্রবঞ্চনা ছাড়া যুদ্ধ হয় না। সুতরাং আজ যদি ভারত, বাংলাদেশ ও চীন এগোনোর চেষ্টা করে সভ্যতার পথে, তাহলে কখনোই সেটা যুদ্ধের পথ হতে পারে না। সুতরাং যদি সুসভ্যতার আলোক ছড়িয়ে দিতে হয়, তবে আর যা-ই হোক যুদ্ধ নয়, শান্তির পথে এগোতে হবে।

আজ যখন চীন আর ভারত আলোচনায় বসছে, অর্থাৎ কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন হয়নি, যেটা ভারতের সঙ্গে পাকিস্তানের হয়েছে; কিন্তু সেই সম্পর্কটা হয়নি চীনের সঙ্গে। আলোচনা চলছে। দুই পক্ষই সমাধানের রাস্তা খুঁজছে। সেটাই কিন্তু আকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি।

লেখক : নয়াদিল্লিতে কালের কণ্ঠ’র বিশেষ প্রতিনিধি

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা