kalerkantho

বুধবার । ২৯ জুন ২০২২ । ১৫ আষাঢ় ১৪২৯ । ২৮ জিলকদ ১৪৪৩

আমারে নিবা মাঝি লগে?

সোহানা রশিদ, ঢাকা

২৪ জুন, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



আমারে নিবা মাঝি লগে?

মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়

নদীজীবী মানুষদের নিয়ে রচিত মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রথম উপন্যাস ‘পদ্মা নদীর মাঝি’। উপন্যাসটিতে জেলেজীবন ও জলজীবন অঙ্কনে এবং চরিত্র চিত্রণে অপূর্ব মুনশিয়ানার পরিচয় দিয়েছেন লেখক। পদ্মার বুকে ভেসে চলে কেতুপুরের কুবের মাঝির জীবন। দারিদ্র্য, পঙ্গু স্ত্রী মালা, বিবাহযোগ্যা কন্যার ভার নিয়েও কুবের জীবনযুদ্ধের সাহসী সৈনিক।

বিজ্ঞাপন

কৌশলীও বটে! হোসেন মিয়ার কাছ থেকে কত কৌশলে কুবের নিজেকে বাঁচিয়ে চলে! গরিব বোকা অসহায় লোকগুলোর মতো হোসেনের ময়নাদ্বীপে নির্বাসিত না হতে চাইলে তো কৌশলী হতেই হয় কুবেরকে। কিন্তু কুবেরের মনে অচেনা রহস্যময় ভালোবাসা ঝাপটা মারে হঠাৎ। মালার বোন কপিলার হাসি তাকে দিশাহারা করে। কপিলার চুলের নারকেলের তেলের সুবাসে কুবেরের মন পদ্মার ঢেউয়ের চেয়েও জোরে দোল খায়। কপিলার দেহ যেন জোছনা রাতে চিকচিক করা পদ্মার জলের চেয়েও চকচকে। কিন্তু ভালোবাসার ক্ষেত্রে কুবের বড্ড ভীরু। সমাজের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে অজানা ভালোবাসার দিকে হাত বাড়াতে সাহস হয় না কুবেরের। কপিলা যখন বলে, ‘আমারে নিবা মাঝি লগে?’ তখন সেই আহ্বানে সাড়া দেয় না কুবের। কিন্তু পরেই আবার আফসোসে পুড়ে মরতে হয় তাকে। একসময় ময়নাদ্বীপের উদ্দেশে পাড়ি জমাতে হয়।



সাতদিনের সেরা