kalerkantho

বৃহস্পতিবার ।  ১৯ মে ২০২২ । ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ । ১৭ শাওয়াল ১৪৪৩  

রবিদাস কেন বনশ্রীকে পেল না?

রাহুল সেন, লোকপ্রশাসন বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়

২১ জানুয়ারি, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



রবিদাস কেন বনশ্রীকে পেল না?

সেলিম আল দীন

সেলিম আল দীনের ‘কিত্তনখোলা’ নাটকের আয়তন দীর্ঘ, কাহিনি বিস্মৃত ও ঘটনাবহুল, চরিত্র অসংখ্য। বিশাল পটভূমিকায় মহাকাব্যিক ব্যঞ্জনায় গ্রামীণজীবনের একটি বিস্তারিত চিত্র প্রতিফলিত হয়েছে। বর্ণনাত্মক শিল্পরীতির প্রয়োগে নাটকটি শিল্পের একটি মহৎ জায়গায় পৌঁছে যায়। বাংলার হিন্দু-মুসলমানের লোকজীবন, আচার-ব্যবহার।

বিজ্ঞাপন

এদের ঘিরে মেলা, যাত্রাদল, গ্রামের দুস্থ মানুষ, মহাজন, বেদে সম্পদায় ইত্যাদির মাধ্যমে গ্রামীণ জীবনের দ্বন্দ্ব-কলহ, লেনদেন, প্রতিহিংসা, শাসক ও শোষিতের সম্পর্ক, প্রেম-ভালোবাসা সব কিছুর চিত্র আছে। সোনাই একসময় চাষি ছিল। স্ত্রী চম্পাকে রাতে আলোমতির পুঁথি আর নদের চাঁদের কহিনী শোনাত। ছেলে জন্ম দিতে গিয়ে চম্পা মরে গেল। সেই থেকে সোনাই একা। জমিজমা হারিয়ে এখন সে দিনমজুর। ইদুর জন্ম গরিব ঘরে। অবস্থা পাল্টে সে এখন কিত্তনখোলা গ্রামের জোতজমিসম্পন্ন মানুষ। সোনাই তার কাছ থেকে চার হাজার টাকা ধার করে। ইদু তার টাকার বদলে জমি লিখে দিতে চাপ দিচ্ছে। বনশ্রী নবযুগ যাত্রাদলের অভিনেত্রী। এই যাত্রাদলের অভিনেতা রবিদাস তাকে পতিতাপল্লী থেকে তুলে আনে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাদের ভালোবাসায় বাদ সাধে অপেরার মালিক সুবল দাস। এভাবেই কাহিনি এগোয়। সোনাইকে রূপান্তরের নায়ক হিসেবে উপস্থাপন করেছেন লেখক।

অনুলিখন : পিন্টু রঞ্জন অর্ক



সাতদিনের সেরা