kalerkantho

বুধবার । ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৮। ১ ডিসেম্বর ২০২১। ২৫ রবিউস সানি ১৪৪৩

নীলের বিষে নীল বাংলা

নূরে আলম সিদ্দিকী শান্ত, বাংলা বিভাগ, তেজগাঁও কলেজ, ঢাকা

২২ অক্টোবর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



নীলের বিষে নীল বাংলা

ইউরোপের শিল্প বিপ্লবের ফলে নীলের চাহিদা বৃদ্ধি পায়। সেই চাহিদা পূরণে নীলকরদের চোখ পড়ে বাংলার কৃষকদের ওপর। সেই নীল চাষের পটভূমিতে রচিত ‘নীলদর্পণ’। নাটকটিতে দীনবন্ধু মিত্র তৎকালীন বাংলার কৃষকদের ওপর নীলকরদের নিপীড়নের চিত্র ফুটিয়ে তুলেছেন। স্বরপুর গ্রামের গৃহস্থ পরিবারের কর্তা গোলকচন্দ্র বসু, স্ত্রী সাবিত্রী, দুই পুত্র নবীনমাধব ও বিন্দুমাধব, দুই পুত্রবধূ সৈরিন্ধ্রী ও সরলতাকে নিয়ে সুখের সংসার। পুত্র নবীনমাধব বিষয়সম্পত্তি দেখাশোনা করেন। কিন্তু নীলকরদের অত্যাচারে পরিবারটি লণ্ডভণ্ড হয়ে যায়। গোলকচন্দ্র পঞ্চাশ বিঘা জমিতে নীল চাষ করে একটা টাকাও পাননি। উল্টো পরের বছর ৬০ বিঘা জমিতে নীল চাষ করার হুকুম আসে। নবীনমাধব অসম্মতি জানালে এবং শ্যামনগরের ঘটনায় কৃষকদের হয়ে নীলকরদের বিরুদ্ধে মামলা করায় নীলকর সাহেব প্রতিশোধস্বরূপ বাবা গোলকচন্দ্র বসুর নামে মামলা করে দেয়। প্রতিবেশী সাধুচরণের অন্তঃসত্ত্বা কন্যা ক্ষেত্রমণিকে উড সাহেব লাঠিয়াল দিয়ে জোর করে তুলে নিয়ে যায়। নবীনমাধব ও তোরাপ ক্ষেত্রমণিকে উদ্ধার করলেও সে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে। গোলকচন্দ্রও আত্মহত্যা করেন। উড সাহেবের আঘাতে নবীনমাধব ও তোরাপের মৃত্যুর মাধ্যমে নাটকটির করুণ সমাপ্তি ঘটে।



সাতদিনের সেরা