kalerkantho

সোমবার । ১৮ শ্রাবণ ১৪২৮। ২ আগস্ট ২০২১। ২২ জিলহজ ১৪৪২

যাহা যথার্থ পাই নাই তাহাই হারাই

জবা সরকার, দর্শন বিভাগ, কারমাইকেল কলেজ, রংপুর

১৮ জুন, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ১ মিনিটে



যাহা যথার্থ পাই নাই তাহাই হারাই

‘নৌকাডুবি’ উপন্যাসের প্রধান চরিত্র রমেশ। প্রথমে ঘোর আপত্তি করলেও শেষমেশ রমেশকে বিয়ে করতে হয় বাবার পছন্দের মেয়েকে। বউকে নিয়ে ফেরার পথে প্রচণ্ড ঝড়ে ডুবে যায় বরযাত্রীদের নৌকা। রক্ষা পায় রমেশ ও তার স্ত্রী। বাঙালি মেয়েরা কতটা স্বামীভক্ত, ধর্মভীরু হয় কমলাকে দেখলে বোঝা যায়। সংসার শুরুর কিছুদিন পর রমেশ আবিষ্কার করে কমলা তার নিজের স্ত্রী না! একসময় রমেশের সঙ্গে হেমনলিনীরও যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। কমলাকে নিয়ে রমেশ দূরে চলে যায়। নতুন করে জীবন শুরু করবে—এটাই তার লক্ষ্য। ‘আমরা যাহা পাইয়াছি, তাহা কখনোই হারাইতে পারি না, যাহা যথার্থ পাই নাই তাহাই হারাই।’ এই একটি বাক্যেই রবিঠাকুর পুরো উপন্যাসকে ব্যক্ত করেছেন। উপন্যাসটি পড়ার সময় কখনো আপনার চোখে ভেসে উঠবে উন্মত্ত পদ্মা, তুমুল ঢেউ, খেই হারানো ডিঙি নৌকা, কখনো বা রমেশের হতবুদ্ধি চেহারা, কখনো হয়তো কমলার ভীত, সংক্ষিপ্ত চাহনি। গ্রামবাংলার চিরায়ত প্রকৃতি, ক্রমবর্ধমান কলকাতার শিক্ষিত মধ্যবিত্ত সম্প্রদায়ের যাপিত জীবন, আবার কখনো বা পশ্চিম ভারতীয় প্রবাসী বাঙালি জীবন!



সাতদিনের সেরা