kalerkantho

বুধবার । ২৯ বৈশাখ ১৪২৮। ১২ মে ২০২১। ২৯ রমজান ১৪৪২

আমি বাঁচতে চেয়েছিলাম, মা!

সামিয়া সুলতানা, বাংলা বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

২৩ এপ্রিল, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ১ মিনিটে



আমি বাঁচতে চেয়েছিলাম, মা!

‘পৃথিবীর মানুষ, তোমরা আমাদের ভুলো না। মানুষের ঐশ্বর্য আহরণ করতে আমরা নেমে যাই ধরিত্রীর অতল গর্ভে। সেখানে আমাদের জীবন রক্ষার কোনো ব্যবস্থা নেই।’ উৎপল দত্তের ‘অঙ্গার’ নাটকের এই উক্তি পড়তেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে কয়লাখনির শ্রমিকদের ওপর নির্যাতনের দৃশ্য। এ নাটকে কয়লাখনির শ্রমিকদের জীবন, অসহায়ত্ব, মালিকপক্ষের শাসন-শোষণের চিত্র তুলে ধরেছেন। কয়লাখনির খাদের নিচে প্রায়ই গ্যাস জমে যায়। কিন্তু সেদিকে ভ্রুক্ষেপ নেই মালিকপক্ষের। কম্পানির স্বার্থে শর্টফায়ারার দীনুর লাশ নিশ্চিহ্ন করে দেওয়া হয়। কম্পানির চক্রান্তে জীবিত মানুষের নাম ওঠে মৃতের খাতায়, বদ্যিনাথ হয়ে যায় সনাতন। আগুন থেকে শ্রমিকদের উদ্ধার না করে খাদের ভেতর পানি ঢুকিয়ে খাদের মুখ সিল করে দিয়ে জীবন্ত মানুষকে নির্মমভাবে মারা হয়। এভাবে হারিয়ে যায় বিনুর মতো হাজারো শ্রমিকের স্বপ্ন। যে চেয়েছিল শুশুনিয়া পাহাড়ের ধারে ছোট্ট একটা বাড়ি আর তুলসীতলায় মায়ের-বোনের প্রদীপ জ্বালানো দেখতে। শুধু রয়ে যায় তাদের আর্তচিৎকার—‘মা! আমি বাঁচতে চেয়েছিলাম, মা!’

 অনুলিখন : পিন্টু রঞ্জন অর্ক



সাতদিনের সেরা