kalerkantho

শুক্রবার । ৩ বৈশাখ ১৪২৮। ১৬ এপ্রিল ২০২১। ৩ রমজান ১৪৪২

এক নতুন ভোরের গল্প

সানাউল্লাহ নাঈম, শিক্ষার্থী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ১ মিনিটে



এক নতুন ভোরের গল্প

‘নতুন মানুষ, নতুন পরিচয় এবং নতুন একটি প্রভা। সে আর কতো দূরে। বেশি দূর হতে পারে না। মাত্র এই রাতটুকু তো। মা ভৈঃ। কেটে যাবে।’ ১৯৭১ সালের জুনে যখন এ কটা লাইন লিখে চেয়ার ছেড়ে উঠে দাঁড়ালেন, তখন চারদিকে গুলির শব্দ। তবু জুনেই মুক্তির ভোর দেখেছিলেন আনোয়ার পাশা। মুক্তিযুদ্ধের সময়কালে রচিত একমাত্র উপন্যাস ‘রাইফেল, রোটি, আওরাত’। এপ্রিল মাসে শুরু হওয়ার উপন্যাসটির প্রথম বাক্য—‘বাংলাদেশে নামল ভোর’। কিন্তু এটা ২৫ মার্চ কালরাতে পাকিস্তানিদের নারকীয় তাণ্ডবের দুই রাত পরের এক ভোর। গল্পের নায়ক সুদীপ্ত শাহিন, যিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজির অধ্যাপক। তবে এই নায়কের আড়ালে লেখক নিজের জবানিতে সেই সময়কার ঘটনাপ্রবাহ তুলে ধরেছেন। যুদ্ধকালীন ঘটনাই শুধু নয়, মুক্তিযুদ্ধ পূর্বকালের উত্তাল রাজনৈতিক সময়ের কথাও উঠে এসেছে। লেখক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হওয়ার সুবাদে অসংখ্য অধ্যাপকের মৃত্যু প্রত্যক্ষ করেছেন। সেসবের বর্ণনা ছাড়াও আছে শিক্ষার্থীদের প্রিয় মধুদার কথাও। ফলে উপন্যাস ছাপিয়ে দলিলপত্র হয়ে দাঁড়িয়েছে।

অনুলিখন : পিন্টু রঞ্জন অর্ক

মন্তব্য