kalerkantho

বুধবার । ১ বৈশাখ ১৪২৮। ১৪ এপ্রিল ২০২১। ১ রমজান ১৪৪২

যে জীবন রবীন্দ্রনাথের

সাব্বির হোসেন, সরকারি বাঙলা কলেজ, ঢাকা

২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ১ মিনিটে



যে জীবন রবীন্দ্রনাথের

‘জীবনের স্মৃতি জীবনের ইতিহাস নহে-তাহা কোন এক অদৃশ্য চিত্রকরের স্বহস্তের রচনা।’ বাস্তবিক অর্থেই এই গ্রন্থে ৫০ বছর বয়সী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর চিত্র এঁকেছেন পাঁচ বছর বয়সী শিশু রবীন্দ্রনাথের। শিশু মনে ‘জল পড়ে পাতা নড়ে’ কিংবা ‘বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর’-এর মতো ছেলে ভোলানো ছড়াগুলো কী পরিমাণ দাগ কেটেছিল তার ছবি তুলে ধরেছেন। অনেকের ধারণা, রবীন্দ্রনাথের শৈশব ছিল জাঁকজমকপূর্ণ। কিন্তু তিনি লিখছেন, ‘আমরা ছিলাম চাকরদেরই শাসনের অধীনে।’ স্কুলে তাঁর ভালো লাগত না। তাই স্কুল থেকে পালাতেন। খুব ভোরে তাঁকে উঠে প্রথমে কুস্তি, তারপর পদার্থবিদ্যা, মেঘনাদবধ কাব্য, জ্যামিতি, গণিত, ইতিহাস, ভূগোল শিখতে হতো। স্কুল থেকে ফিরলেই ড্রয়িং মাস্টার; সন্ধ্যার সময় অঘোর বাবু ইংরেজি পড়াতেন। রাত ৯টার পর ছুটি মিলত। পিতার সঙ্গে হিমালয় যাত্রায় ১১ বছর বয়সী বালক রবীন্দ্রনাথ প্রথম পেয়েছে মুক্তির স্বাদ। ‘জীবনস্মৃতি’ গ্রন্থে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শৈশব থেকে ‘কড়ি ও কোমল’ পর্যন্ত সময়ের একটা স্থিরচিত্র পাওয়া যায়।

মন্তব্য