kalerkantho

বৃহস্পতিবার  । ১৯ চৈত্র ১৪২৬। ২ এপ্রিল ২০২০। ৭ শাবান ১৪৪১

পূর্ববঙ্গ থেকে বাংলাদেশ
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও শেখ মুজিবুর রহমান

দুজন শ্রেষ্ঠ বাঙালির চিন্তার যোগসূত্র

শাহিন কবির
পূর্ববঙ্গ থেকে বাংলাদেশ : রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও শেখ মুজিবুর রহমান : সেলিনা হোসেন। প্রকাশক : কথাপ্রকাশ। মূল্য : ৪০০ টাকা

২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



দুজন শ্রেষ্ঠ বাঙালির চিন্তার যোগসূত্র

শিরোনামেই স্পষ্ট গ্রন্থটি নিয়ে কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেনের মূল অভীপ্সা কী? বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং শ্রেষ্ঠতম বাঙালি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান—দুজন দুই ক্ষেত্রের ব্যক্তিত্ব। এবং স্বমহিমায় উজ্জ্বল। কিন্তু তাঁদের চিন্তার বিস্তৃতি কোনো এক বিন্দুতে মিলিত হয়েছিল। তাঁদের চিন্তার বীজ কোনো এক যোগসূত্রে স্থাপিত হয়েছিল। কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেন সেই মিলিত বিন্দুর সন্ধান করেছেন। চিন্তার বীজটি কোন যোগসূত্রে স্থাপিত হয়েছিল তার স্বরূপ সন্ধান করেছেন। এ নিয়ে তাঁর যে বিশাল কর্মপ্রয়াস, তারই গ্রন্থরূপ প্রকাশ পেয়েছে চলতি বইমেলায়।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর বিভিন্ন রচনায় কতভাবে পূর্ববঙ্গকে চিত্রিত করেছেন, কত বিচিত্র ভঙ্গিমায় পূর্ববঙ্গকে উপস্থাপিত করেছেন তা তুলনারহিত। তিনি চেয়েছিলেন, ‘পূর্ব দিগঞ্চল হোক জ্যোতির্ময়।’ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এই পূর্ববঙ্গকে স্বাধীনতার আলোয় জ্যোতির্ময় করেছেন। এভাবেই এই দুই মহান বাঙালির মধ্যে যোগসূত্র স্থাপিত হয়ে যায়। এক বাঙালির স্বপ্ন আরেক বাঙালি এসে বাস্তবায়ন করে ফেলেন।

কিন্তু এই স্বপ্ন বাস্তবায়নের চিন্তা-পদ্ধতিটি কিভাবে সঞ্চারিত হয়েছিল, তার রয়েছে এক ধারাবাহিক ইতিহাস। কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেন সেই ধারাবাহিক ইতিহাসের শুলুক-সন্ধান করেছেন। এই কার্য সম্পাদন করতে গিয়ে তিনি গ্রন্থটিকে দুটি অধ্যায়ে ভাগ করেছেন। প্রথম অধ্যায় : রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও শেখ মুজিবুর রহমানের পূর্ববঙ্গ। দ্বিতীয় অধ্যায় : রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও শেখ মুজিবুর রহমানের সময় (১৮৬১-১৯৭৫)। শিরোনাম দেখেই বোঝা যাচ্ছে, লেখকের দেখার ক্ষেত্রটি কোথায় গিয়ে আলোক ফেলছে। রবীন্দ্রনাথকে কীভাবে বঙ্গবন্ধু মর্মে ধারণ করেছিলেন তারই অনুপুঙ্খ বিশ্লেষণ ও বিবরণ এ গ্রন্থখানি।

মন্তব্য