kalerkantho

শনিবার । ১ অক্টোবর ২০২২ । ১৬ আশ্বিন ১৪২৯ ।  ৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪৪

চ্যানেল আইয়ের আর্কাইভে ‘ওরা ১১ জন’

রংবেরং প্রতিবেদক   

১২ আগস্ট, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



চ্যানেল আইয়ের আর্কাইভে ‘ওরা ১১ জন’

ফরিদুর রেজা সাগরের কাছে চুক্তিপত্র হস্তান্তর করছেন সোহেল রানা

গতকাল ছিল স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র ‘ওরা ১১জন’-এর ৫০ বছর পূর্তি। দিনটিতে চ্যানেল আইয়ের নানা আয়োজনে অংশ নেন ছবিটির প্রযোজক মাসুদ পারভেজ সোহেল রানা। সকালে চ্যানেল আই কার্যালয়ে এক চুক্তিপত্রও স্বাক্ষর করেন তিনি। চ্যানেল আইয়ের আর্কাইভে ছবিটি হস্তান্তর করেন সোহেল রানা।

বিজ্ঞাপন

এই সময় আরো উপস্থিত ছিলেন চ্যানেল আইয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফরিদুর রেজা সাগর, অভিনেত্রী অঞ্জনা, পরিচালক সমিতির সভাপতি সোহানুর রহমান সোহান ও শামীম রেজা। সোহেল রানা বলেন, “ছবিটি নির্মাণ করতে পেরে আমি গর্বিত। ‘ওরা ১১ জন’ বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের দলিল। এই ছবিটি দেখলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম মুক্তিযদ্ধের তাৎপর্য বুঝতে পারবে। এরই মধ্যে ছবিটি কালজয়ী হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। দেশ-বিদেশেও সম্মান কুড়িয়েছে। এই মুহূর্তে ছবিটির সঙ্গে জড়িত সবাইকে আমি ধন্যবাদ জানাচ্ছি। অনেকেই আজ পৃথিবীতে নেই, তাঁদের আত্মার শান্তি কামনা করছি। ”

ছবিটির অভিনেত্রী নূতন বলেন, ‘এমন একটি ছবিতে অভিনয় করতে পেরে আমার অভিনয় জীবন সার্থক হয়েছে। শুটিং সময়ের অনেক স্মৃতি মনে পড়ছে। মুক্তিযুদ্ধের পরপরই শুটিং হয়েছিল ছবিটির। তখন বেশ প্রতিকূলতার মধ্যেই শুটিং করেছি আমরা। তবে একবারের জন্যও ক্লান্তি লাগেনি কখনো। আমি ছবিটিতে নায়করাজ রাজ্জাকের ছোট বোনের চরিত্রে অভিনয় করেছি। আমাকে ভালোবাসতেন খসরু। পাকিস্তানি হানাদাররা আমার ওপর নৃশংস অত্যাচার করে। ছবিটি মুক্তি পাওয়ার পর আমার অভিনীত চরিত্রটি সবাই অনেক পছন্দ করেন। আমিও দ্রুত সবার কাছে পরিচিতি লাভ করি। ’

অঞ্জনা বলেন, “ভাবতে গর্ব লাগে আমাদের ‘ওরা ১১ জন’-এর মতো ছবি আছে। চ্যানেল আই সব সময় মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষে কাজ করে আসছে। এই ছবিটি তাদের আর্কাইভে জমা থাকবে জেনে আমি নিশ্চিন্ত। ছবিটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে মুক্তিযুদ্ধের দলিল হিসেবে কাজ করবে। ”

‘ওরা ১১ জন’ ছবিটি পরিচালনা করেছিলেন চাষী নজরুল ইসলাম। অভিনয় করেছিলেন রাজ্জাক, খসরু, শাবানা, নূতন, সৈয়দ হাসান ইমাম, এ টি এম শামসুজ্জামান, খলিল, আলতাফ, মুরাদসহ অনেকে। সংগীত পরিচালনা করেছিলেন খোন্দকার নুরুল আলম। চিত্রগ্রাহক ছিলেন আব্দুস সামাদ। সম্পাদনা করেছিলেন বশির হোসেন।



সাতদিনের সেরা