kalerkantho

মঙ্গলবার। ৯ আগস্ট ২০২২ । ২৫ শ্রাবণ ১৪২৯ । ১০ মহররম ১৪৪৪

সুস্মিতার ‘মহেশ পাঠ’

রংবেরং ডেস্ক   

২ জুলাই, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সুস্মিতার ‘মহেশ পাঠ’

বৃহস্পতিবার টুইঙ্কল খান্নার আমন্ত্রণে তাঁর ইউটিউব চ্যানেল ‘টুইক ইন্ডিয়া’য় হাজির হয়েছেন সুস্মিতা সেন। সাবেক এই মিস ইউনিভার্স এবং বলিউড অভিনেত্রী নিজের জীবনের আলোচিত ও বিতর্কিত ঘটনা নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করেছেন। নিজের চেয়ে বয়সে ১৫ বছরের ছোট রেহমান শেলের সঙ্গে প্রেম, বিবাহিত না হয়েও দুই সন্তানের মা হওয়া, পুরুষ সঙ্গ, ক্যারিয়ারে নেওয়া নানা ভুল সিদ্ধান্ত নিয়ে অকপটে বলেছেন ‘বিবি নাম্বার ওয়ান’ অভিনেত্রী। বাঙালি সুস্মিতা বরাবরই ঠোঁটকাটা, যা করেন তা বলতে দ্বিধা করেননি কখনোই।

বিজ্ঞাপন

  তবে জীবনে প্রথমবার চলচ্চিত্রের শুটিংয়ে ক্যামেরার সামনে দাঁড়ানোর অভিজ্ঞতা মনে ধরেছে শ্রোতা-দর্শকদের। ১৯৯৪ সালে মিস ইন্ডিয়া ও মিস ইউনিভার্স হওয়ার পরই ডাক পান বলিউডে অভিনয়ের। মহেশ ভাটের ‘দস্তক’ ছবির মাধ্যমে অভিষেক হয় তাঁর। টুইঙ্কল খান্নার অনুষ্ঠানে সুস্মিতা জানালেন, প্রথম ছবির শুটিংয়ের সময় কিভাবে তাঁকে অপমান ও আক্রমণ করেছিলেন পরিচালক মহেশ ভাট।

সুস্মিতা বলেন, “মহেশ দারুণ একজন পরিচালক। প্রথম দিনের প্রথম দৃশ্যটা ছিল এ রকম—আমাকে প্রচণ্ড রাগতে হবে। সেই সময় হঠাৎ করেই আমাকে অপমান করে কথা বলতে শুরু করেন মহেশ। সেটে উপস্থিত ছিলেন ৪০ জন সংবাদকর্মী, ২০ জন ইউনিটের লোক—তাঁদের সবার সামনেই আমাকে বিভিন্ন কথা বলে আক্রমণ করে বসেন। আর আমিও কাঁদতে শুরু করি। তিনি সহকারীদের বলতে থাকেন, ‘কী নিয়ে এসেছ? ক্যামেরার সামনে মিস ইউনিভার্সকে এভাবে দেখাবে? ও তো নিজের জীবন বাঁচানোর জন্যও অভিনয়টা করতে পারে না। ’ এটা শুনে আমি মারাত্মক রেগে যাই। সেট থেকে বেরিয়ে যাওয়ার জন্য হাঁটতে শুরু করে দিই। তখন মহেশ ভাট আমার হাতটা চেপে ধরার চেষ্টা করেন। আমি তাঁর হাতটা সরিয়ে দিয়ে বলি, ‘আপনি আমার সঙ্গে এভাবে কথা বলতে পারেন না!’ এ কথা বলেই বেরিয়ে যাচ্ছিলাম। এবার তিনি আমার হাত শক্ত করে ধরে বলেন, ‘এটাই রাগ। যাও ক্যামেরার সামনে ফিরে যাও এবং করে দেখাও। ’ এটাই মহেশ ভাট। ”



সাতদিনের সেরা