kalerkantho

শনিবার । ২৭ আষাঢ় ১৪২৭। ১১ জুলাই ২০২০। ১৯ জিলকদ ১৪৪১

সবচেয়ে বড় মহামারি বর্ণবাদ

রংবেরং ডেস্ক   

৩ জুন, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সবচেয়ে বড় মহামারি বর্ণবাদ

পুলিশি হেফাজতে জর্জ ফ্লয়েডের মৃত্যুকে ঘিরে বর্ণবাদবিরোধী বিক্ষোভে উত্তপ্ত যুক্তরাষ্ট্র। কারফিউ জারি করা হয়েছে ৪০টির বেশি শহরে। ২০২০ সালে এসেও বর্ণবাদের উপস্থিতিতে ভীষণ বিব্রত অভিনেতা জর্জ ক্লুনি। বর্তমান সময়ে পৃথিবী লড়ছে করোনা মহামারির বিরুদ্ধে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের দ্য ডেইলি বিস্টে লেখা কলামে বর্ণবাদকে ‘সবচেয়ে বড় মহামারি’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন অভিনেতা। ‘পুলিশের হাতে কৃষ্ণাঙ্গদের হত্যা আমরা কতবার দেখেছি। তামির রাইস, ফিলানডো ক্যাসল, লাকুয়ান ম্যাকডোল্ড, আরো কত কত নাম। জর্জ ফ্লয়েড হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন এতে সন্দেহ কমই আছে। চার পুলিশের হাতে শেষনিঃশ্বাস ফেলতে দেখেছি তাঁকে। জানি না, এই বিক্ষোভ কবে থামবে। আশা করি, তেমন কেউ হতাহত হবে না। তবে এসব করে খুব কমই অবস্থার বদল হয়। আসলে দাসপ্রথার সময় থেকে এখনো মানুষকে সম্মান দিতে শিখিনি আমরা। আমাদের আইন থেকে শুরু করে পুরো কাঠামো বদলাতে হবে। বর্ণবাদ আমাদের সবচেয়ে বড় মহামারি, ৪০০ বছরেও যার প্রতিষেধক আসেনি।’ বলেন ক্লুনি। শুরু থেকে ডোনাল্ড ট্রাম্পের কট্টর সমালোচক ক্লুনি একহাত নেন মার্কিন প্রেসিডেন্টকেও, ‘রাজনীতিবিদ ও নীতিনির্ধারকদের সব নাগরিককে সমানভাবে দেখতে হবে। বিক্ষোভকারী, লুটতরাজকারীদের গুলি করার বুলি আওড়ালেই হবে না।’

একই প্রসঙ্গে কথা বলেছেন অভিনেত্রী রিজ উইদারস্পুনও। তিনি বর্ণবাদ দূর করতে অভিভাবকদের আরো দায়িত্বশীল হওয়ার পরামর্শ দেন, ‘এই দেশে যা হচ্ছে, জর্জ ফ্লয়েডের সঙ্গে যা হয়েছে, তাতে আমাদের সবাইকে কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে। দয়া করে সন্তানদের সঙ্গে বর্ণবাদ নিয়ে কথা বলুন, তাদের বোঝান। তবে অবস্থা একদিন বদলাবে।’  সূত্র : ফিমেল ফার্স্ট

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা