<p><span><span style="text-autospace:none"><span style="vertical-align:middle"><span style="line-height:115%"><span><span><span><span style="color:black"><span style="letter-spacing:-.2pt">গাইবান্ধায় বসন্ত (পক্স) রোগে আক্রান্ত হয়ে ইতিশ চন্দ্র দাস (৪৫) নামের এক স্কুল শিক্ষকের মৃত্যু হয়েছে। একই রোগে ভুগছেন তাঁর স্ত্রী ও দুই সন্তান। ইতিশ সদর উপজেলার খোলাহাটী মধ্যপাড়া গ্রামের বাসিন্দা এবং খোলাহাটী উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ছিলেন। ঘটনার পর ওই এলাকায় নমুনা সংগ্রহের কাজ শুরু করেছে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ। গতকাল মঙ্গলবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গাইবান্ধার ইপিআই সুপারিনটেনডেন্ট শরীফুজ্জামান। </span></span></span></span></span></span></span></span></span></p> <p><span><span style="text-autospace:none"><span style="vertical-align:middle"><span style="line-height:115%"><span><span><span><span style="color:black"><span style="letter-spacing:-.2pt">স্ত্রী অর্চনা রানী জানান, বৃহস্পতিবারের দিকে প্রথমে ইতিশ চন্দ্রের শরীরে গুটি বসন্ত দেখা দেয়। চিকিৎসায় কিছুটা সুস্থ হলেও পরে আবার জটিল আকার ধারণ করে। শেষে সোমবার রাতে তাঁর মৃত্যু হয়। তিনি জানান, তাঁদের বড় ছেলে প্রিমল দাস বুধবার ঢাকা থেকে বাড়িতে এসে সেও একই রোগে আক্রান্ত হয়। এ ছাড়া ছোট ছেলে অমিত দাসও আক্রান্ত হয়েছে।</span></span></span></span></span></span></span></span></span></p> <p><span><span style="text-autospace:none"><span style="vertical-align:middle"><span style="line-height:115%"><span><span><span><span style="color:black"><span style="letter-spacing:-.2pt">এ ব্যাপারে গাইবান্ধার ইপিআই সুপারিনটেনডেন্ট শরীফুজ্জামান বলেন, বিষয়টি জানার পর স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মীরা ওই এলাকায় তথ্য ও নমুনা সংগ্রহের কাজ শুরু করেছেন। সংগৃহীত নমুনা পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠানো হবে। রিপোর্ট পেলে নিশ্চিত হওয়া যাবে ইতিশ চন্দ্র কোন রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন বা তাঁর পরিবারের সদ্যস্যরা কোন রোগে আক্রান্ত। তিনি জানান, পরিবার সূত্রে জানা গেছে. ইতিশ চন্দ্র আগে থেকেই হার্টের রোগী ছিলেন। এটিও খতিয়ে দেখা হবে। গাইবান্ধা সিভিল সার্জন ডা. রফিকুজ্জামান জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে এটি চিকেন পক্স। এটি একটি ছোঁয়াচে রোগ। তবে এ নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই।</span></span></span></span></span></span></span></span></span></p> <p> </p>