kalerkantho

মঙ্গলবার । ২৯ নভেম্বর ২০২২ । ১৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ ।  ৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

মহিউদ্দিনের ফাঁসি কার্যকর স্থগিত

অধ্যাপক তাহের হত্যা

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৭ অক্টোবর, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ভূতত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক এস তাহের হত্যা মামলায় মিয়া মোহাম্মদ মহিউদ্দিনের মৃত্যুদণ্ডাদেশ কার্যকরের প্রক্রিয়া স্থগিত করেছেন আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত।

আপিল বিভাগের রায় পুনর্বিবেচনা (রিভিউ) এবং সাজা কার্যকরের প্রক্রিয়া স্থগিতের আবেদনে এই আদেশ দেন বিচারপতি বোরহান উদ্দিনের চেম্বার আদালত।

মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখে আপিল বিভাগের দেওয়া রায় পুনর্বিবেচনা চেয়ে মহিউদ্দিনের করা আবেদনের (রিভিউ) পরিপ্রেক্ষিতে চেম্বার বিচারপতি ৪ অক্টোবর এই আদেশ দেন। একই সঙ্গে আবেদনটি আগামী ১৭ নভেম্বর আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে শুনানির জন্য তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

বিজ্ঞাপন

মহিউদ্দিনের আইনজীবী এস এম শাহজাহান কালের কণ্ঠকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

মৃত্যুদণ্ড ও যাবজ্জীবন বহালের রায় পুনর্বিবেচনা চেয়ে জাহাঙ্গীর এবং তাঁর ভাই আবদুস সালামও আবেদন করেছেন বলে জানিয়েছেন তাঁদের আইনজীবী মো. তাজুল ইসলাম।

অধ্যাপক এস তাহের হত্যায় তাঁরই সহকর্মী মিয়া মোহাম্মদ মহিউদ্দিন এবং বাসার তত্ত্বাবধায়ক জাহাঙ্গীর আলমের মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখে গত ৫ এপ্রিল রায় দেন আপিল বিভাগ। জাহাঙ্গীরের ভাই শিবিরকর্মী আবদুস সালাম এবং তাঁর আত্মীয় নাজমুলের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বহাল রাখা হয় সর্বোচ্চ আদালতের রায়ে।

হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আসামিপক্ষ ও রাষ্ট্রপক্ষের করা আপিলের শুনানি শেষে প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর নেতৃত্বাধীন ছয় সদস্যের আপিল বিভাগ এই রায় দেন।

রায়ে বলা হয়, বিভাগে পদোন্নতির ক্ষেত্রে প্রফেসর তাহেরকে বাধা মনে করতেন মিয়া মোহাম্মদ মহিউদ্দিন। পদোন্নতি পাওয়ার পথ পরিষ্কার করতে অধ্যাপক তাহেরকে হত্যা করা হয়। আর এর জন্য মিয়া মহিউদ্দিন সহ-আসামিদের চাকরি ও বস্তুগত প্রলোভন দেখিয়েছিলেন। হত্যার ষড়যন্ত্রে মিয়া মহিউদ্দিন মুখ্য ভূমিকা পালন করেছিলেন।

আপিল বিভাগে এ মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন  উদ্দিন এবং ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিশ্বজিৎ দেবনাথ, সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল অবন্তি নুরুল ও মোহাম্মদ সাইফুল আলম।

২০০৬ সালের ১ ফেব্রুয়ারি তাহের আহমেদ নিখোঁজ হন। ৩ ফেব্রুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসার বাইরে ম্যানহোলে তাঁর লাশ পাওয়া যায়। লাশ উদ্ধারের পরের দিন অধ্যাপক তাহেরের ছেলে সানজিদ আলভী মতিহার থানায় মামলা করেন। তদন্ত কর্মকর্তা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের তৎকালীন উপপরিদর্শক আচানুল কবির ২০০৭ সালের ১৮ মার্চ ছয়জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেন।

 



সাতদিনের সেরা