kalerkantho

শুক্রবার । ২ ডিসেম্বর ২০২২ । ১৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ ।  ৭ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

দাওয়াই

স্তন ক্যান্সারের প্রধান চিকিৎসা অস্ত্রোপচার

২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



স্তন ক্যান্সারের প্রধান চিকিৎসা অস্ত্রোপচার

ব্যথা না থাকায় অনেকেই বুঝতে পারেন না স্তনে মরণব্যাধি বাসা বেঁধেছে। যখন লক্ষণ প্রকাশ পেতে শুরু করে, তখন আর অস্ত্রোপচার করা ছাড়া গতি থাকে না।

নীরবে হানা দেওয়া স্তন ক্যান্সার প্রতি আটজন মহিলার মধ্যে একজনের হওয়ার আশঙ্কা থাকে। সারা বিশ্বে যত ক্যান্সারজনিত মহিলার মৃত্যু হয় তার মধ্যে এটা দ্বিতীয়, প্রথম কারণ ফুসফুস ক্যান্সার।

বিজ্ঞাপন

 

কারণ

♦ অনেক রিস্ক ফ্যাক্টর আছে। তার মধ্যে আছে

♦ জেনেটিক

♦ ফ্যামিলি হিস্ট্রি

♦ এইচআরটি (হরমোন)

♦ আগে মাসিক হওয়া

♦ পরে মাসিক বন্ধ হওয়া

♦ দেরিতে বাচ্চা নেওয়া

♦ বাচ্চাকে বুকের দুধ না খাওয়ানোর মতো কারণ

 

লক্ষণ

♦ স্তনে চাকা

♦ বগলের নিচে চাকা

♦ চামড়া কমলার খোসার মতো হয়ে যাওয়া

♦ নিপল দিয়ে লালচে রক্ত বা পুঁজ পড়া

♦ নিপল দেবে যাওয়া ইত্যাদি

 

স্তন ক্যান্সারের ধাপ

আর্লি স্টেজ : সার্জারি হচ্ছে প্রধান ট্রিটমেন্ট। মাস্টেকটমি অর্থাৎ এফেক্টেড ব্রেস্ট কেটে ফেলা।

 

অ্যাডভান্সড স্টেজ : রেডিওথেরাপি অর্থাৎ সেঁক বা রেডিয়েশন দিয়ে ক্যান্সার সেলকে ধ্বংস করা। অনেক ক্ষেত্রে সার্জারির পরেও রেডিয়েশন এবং কেমোথেরাপি দিতে হয়।

 

প্রগনোসিস : এই ধাপে রোগীর অবস্থা খুব একটা ভালো থাকে না। প্রায় অর্ধেক রোগীই মারা যান।

কেবল আর্লি ডায়াগনসিস, সঠিক চিকিৎসা, রেগুলার ফলোআপ এবং প্রবল জীবনীশক্তিই এই রোগ থেকে জীবন ছিনিয়ে আনতে পারে।

 

করণীয়

নারীরা সাধারণত নিজের অসুস্থতাকে গুরুত্ব দিতে চান না। ফলে যে রোগ সহজেই নিরাময়যোগ্য তা অনিরাময়যোগ্য হয়ে পড়ে। ২০ থেকে ৬৫ বছর বয়স পর্যন্ত নিজে নিজেই স্তন পরীক্ষা করে দেখা উচিত। প্রতিটি মেয়ে বা মহিলাকে প্রতি মাসে মাসিক শেষ হওয়ার পর পরীক্ষা করে দেখতে হবে কোনো চাকা বা অস্বাভাবিকতা আছে কি না। থাকলে তাৎক্ষণিকভাবে ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে। এ ছাড়া প্রতি তিন বছর পর পর ডাক্তারের কাছে গিয়ে ‘ক্লিনিক্যাল ব্রেস্ট এক্সামিনেশন’ করাতে হবে।

 

পরামর্শ দিয়েছেন

ডা. ছাবিকুন নাহার

প্রসূতি ও স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ এবং সার্জন,

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ, ঢাকা।

 

 



সাতদিনের সেরা