kalerkantho

শনিবার । ১০ ডিসেম্বর ২০২২ । ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ । ১৫ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

সাগর উত্তাল, উপকূলে ফিরছে ইলিশ ধরার ট্রলার

মহিদুল ইসলাম, শরণখোলা (বাগেরহাট)   

৯ আগস্ট, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সাগর উত্তাল, উপকূলে ফিরছে ইলিশ ধরার ট্রলার

ঘাটে নোঙর করে আছে ট্রলারগুলো। বাগেরহাটের শরণখোলায়

মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে বঙ্গোপসাগর অশান্ত হয়ে উঠেছে। গত শনিবার রাত থেকে শুরু হওয়া প্রবল ঢেউয়ে টিকতে না পেরে রবিবার (৭ আগস্ট) সকাল থেকে সাগর ছাড়তে শুরু করেছেন জেলেরা। গভীর সমুদ্র থেকে ইলিশ ধরার ট্রলারগুলো আশ্রয় নিয়েছে উপকূলের বিভিন্ন নিরাপদ স্থানে। তবে দুবলার চরের কাছাকাছি অগভীর এলাকায় কিছু কিছু ট্রলার এখনো মাছ ধরছে।

বিজ্ঞাপন

এ তথ্য নিশ্চিত করেছে বন বিভাগ, মৎস্যজীবী সংগঠন ও জেলেদের একাধিক সূত্র।

গতকাল সোমবার (৮ আগস্ট) দুপুরে শরণখোলার রাজৈর মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রের ঘাটে গিয়ে দেখা যায়, ৮-১০টি ফিশিং ট্রলার নোঙর করে আছে। আগের রাতেই এগুলো সাগর থেকে উঠে এসেছে। ঢেউয়ের আঘাতে অনেক ট্রলারের জাল ছিঁড়ে গেছে। সেই ছেঁড়া জাল আড়তের চাতালে বসে মেরামত করছেন জেলেরা।

জানা গেছে, উপকূলের বিভিন্ন এলাকার শত শত ফিশিং ট্রলার সাগর ছেড়ে পূর্ব সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের দুবলার চর, মেহের আলীর চর, ভেদাখালীর অফিস খাল, কচিখালী, শরণখোলা উপজেলার রাজেশ্বর, পূর্ব খোন্তাকাটা, রাজৈর, কুমারখালী এবং কলাপাড়া উপজেলার মহিপুরে অবস্থান করছে।   

এফবি মা বুশরা ট্রলারের মালিক বেলায়েত খান জানান, ঢেউয়ের আঘাতে সাগরে পেতে রাখা অনেক ট্রলারের জাল ছিঁড়ে গেছে। তাঁর ট্রলারের জালও ছিঁড়েছে। এফবি রহিমুল্লাহ ট্রলারের মাঝি আউয়াল মিয়া জানান, ঢেউয়ে পড়ে যেকোনো সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে, তাই তাঁরা চলে এসেছেন।

তবে এফবি মহিবুল্লাহ ট্রলারের মালিক জামাল হাওলাদারের ট্রলার এখনো ঘাটে ফেরেনি। তিনি জানান, তাঁর ট্রলারটি পূর্ব সুন্দরবনের দুবলার চর থেকে তিন-চার কিলোমিটার দূরত্বে অবস্থান করছে। নিরাপদ দূরত্বের মধ্যেই তাঁর ট্রলারসহ বেশ কিছু ট্রলার অবস্থান নিয়ে মাছ ধরছে।

সমুদ্রগামী মৎস্য আড়তদার সমবায় সমিতির সভাপতি আব্দুর রহিম হাওলাদার বলেন, ‘দীর্ঘ ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষে গত ২৩ জুলাই থেকে সাগরে ইলিশ আহরণ শুরু হয়। প্রথম দুটি ট্রিপে (স্থানীয় ভাষায় ‘গোন’) তেমন ইলিশ ধরা পড়েনি। তবে চলতি গোনে সব ট্রলারেই কমবেশি মাছ পাচ্ছে। এরই মধ্যে আবহাওয়া খারাপ হয়ে গেল। ’

শরণখোলা ফিশিং ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি মো. আবুল হোসেন জানান, বেশির ভাগ ট্রলার সাগর ছেড়ে এখন কূলে অবস্থান করছে।



সাতদিনের সেরা