kalerkantho

সোমবার । ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ । ১১ আশ্বিন ১৪২৯ ।  ২৯ সফর ১৪৪৪

কক্সবাজারে কটেজে জিম্মি দশা থেকে ৪ জন উদ্ধার, আটক ১১

বিশেষ প্রতিনিধি, কক্সবাজার   

৯ আগস্ট, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কক্সবাজার সাগরপারের লাইট হাউস এলাকার একটি কটেজের জিম্মিদশা থেকে তিন কিশোরসহ চারজনকে উদ্ধার করেছে ট্যুরিস্ট পুলিশ। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ১১ জনকে আটক করা হয়েছে।

ট্যুরিস্ট পুলিশ কক্সবাজার অঞ্চলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রেজাউল করিম জানান, রবিবার মধ্যরাত থেকে সোমবার ভোর পর্যন্ত কক্সবাজার শহরের লাইট হাউস এলাকাসংলগ্ন আবাসিক কটেজ জোন এলাকায় অভিযান চালিয়ে চারজনকে উদ্ধার ও ১১ জনকে আটক করা হয়। তিনি বলেন, ওই কটেজের কথিত টর্চার সেলে কয়েকজন পর্যটককে দুর্বৃত্তরা জিম্মি রেখেছে খবরে ট্যুরিস্ট পুলিশ অভিযান পরিচালনা করে।

বিজ্ঞাপন

এ সময় একটি কক্ষে জিম্মিদশা থেকে উদ্ধার করা হয় চারজনকে। একই সঙ্গে ওই কক্ষ থেকে নির্যাতন করার নানা উপকরণও জব্দ করা হয়। এ ব্যাপারে মামলার প্রস্তুতি চলছে।

পুুলিশ জানায়, লোকজনকে অপহরণ করে ওই কটেজে নিয়ে ইয়াবার আসর বসানো হয়। পাশাপশি নারীর সঙ্গে ছবি ধারণ করা হয়। সেই ছবি ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে আদায় করা হয় টাকা। কটেজের একটি কক্ষকে সংঘবদ্ধ চক্রটি টর্চার সেল বানিয়েছে। চাহিদামাফিক টাকা না দিলে কটেজের সেই টর্চার সেলে নিয়ে নির্যাতন করা হয়। ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হয়েছে দেশীয় অস্ত্রসহ অপকর্মে ব্যবহৃত নানা উপকরণ।

পুলিশ জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া চারজনের মধ্যে দুজন উখিয়া উপজেলার পালংখালী স্টেশনের একটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের কর্মচারী। তাঁরা রবিবার সকালে কক্সবাজার বেড়াতে এসে দালালচক্রের কবলে পড়ে। এরপর ওই কটেজে উঠতে বাধ্য হয়। উদ্ধার হওয়া অন্য দুজন কক্সবাজার শহরে মায়ের চিকিৎসা করাতে এসে দালালচক্রের খপ্পরে পড়েন।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রেজাউল করিম জানান, অভিযানের সময় কটেজের বিকল্প পথে তিন নারীসহ চক্রের মূল হোতা আবদুর রহিম ও লোকমান পালিয়ে যান। পরে কটেজ জোনে অভিযান চালিয়ে সংঘবদ্ধ চক্রের দালাল সদস্য ১১ জনকে আটক করা হয়। পুলিশের এই কর্মকর্তা আরো জানান, আটক ১১ দালাল ছাড়াও এই চক্রের কিশোর গ্যাংয়ে শতাধিক সদস্য আছে। মাদক সরবরাহসহ নানা অপকর্মে তাঁদের জড়িত থাকার তথ্য পুলিশের কাছে আছে।



সাতদিনের সেরা